~সায়ন্তন সেন~

রাজ নিদিমোরু ও কৃষ্ণ দেশারি কোথাপল্লি নির্দেশিত দ্য ফ্যামিলি ম্যান (২০১৯-২১) ওয়েব সিরিজের দ্বিতীয় সিজন সবেমাত্র অ্যামাজন প্রাইমে মুক্তি পেয়েছে। আর যথারীতি তাকে ঘিরে ফেসবুকের নানা মহল থেকে ঝকমারি সব প্রশ্ন, তর্ক ও অভিযোগ উঠে আসতে দেখা যাচ্ছে। এমনকি, “তুলনায় কম জনপ্রিয় কোনও অভিনেত্রীকে কি রাজির চরিত্রে ব্যবহার করা যেত না?”, কিংবা কারেক্টনেসের মাত্রা আরও একটু চড়িয়ে “কালোবরণ কন্যা কি কম পড়িয়াছে?” ইত্যাদি-ইত্যাদি। প্রগতিশীলদের মধ্যে প্রতিষ্ঠানে যাঁরা অগ্রগণ্য, তাঁদের নীতিবাক্যগুলো এমনিতে খারাপ না। অথচ মুস্কিল হয়েছে কী, গত বেশ কিছুদিন হল এগুলো আর বিশেষ কাজে আসে না। এই ‘বেশি’ প্রগতিশীলদের নিয়ে যা সমস্যা — স্ক্রোল ডট ইন ওয়েব পত্রিকায় নন্দিনী রামনাথের নাতিদীর্ঘ আলোচনাটি [১] পড়লে তার প্রায় পূর্ণাঙ্গ একটা পরিচয় পাওয়া যাবে। কেমন করে শিল্পের বিশ্লেষণ করতে নেই, তার উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত ঐ আলোচনা। অবশ্য সেটা নন্দিনী লিখেছেন বলেই। কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা, ‘কারেক্টনেস’ বিষয়ক কোনও কোনও যুক্তি সম্পর্কে আমার এক বন্ধু যেমনধারা প্রফেটিক মন্তব্য করেছিল, নন্দিনীদের কথাগুলো কানের কাছে অবিকল তেমনি, “রিপিটেটিভ বলেই ক্লান্তিকর”, অনর্গল মিথ্যে কাঁদুনির মত, প্রলম্বিত ভ্যানতারার মতো, অবিশ্বাস্য, ঘ্যানঘেনে। এ ধরনের লেখা আগেও অনেক পড়েছি, আবারও পড়ে মনে হল — ফ্যাসিবাদের নাকের ডগায় সেই অতিব্যবহারে জীর্ণ প্রাচীন ন্যাতানো ‘লালকার্ড’-টি ধরে থাকা ছাড়া, মধ্যবর্তী সময়ে তাঁদের লিবেরাল সমবায় আর কোনো পরিশ্রমই করেননি।

রাজ ও ডি কে সাবভারশনে [২] নিপুণরকম দক্ষ, দ্য ফ্যামিলি ম্যান-এর আগেই স্ত্রী (২০১৮)-এর চিত্রনাট্যে তাঁরা সে প্রমাণ রেখেছেন। এই সাবভারশন থেকেই আমাদের আলোচনাটা শুরু হতে পারে। কিন্তু তার আগে কারও কারও বোধহয় বোঝা প্রয়োজন, কোথাও আইসিস জঙ্গী আর রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষাকর্মী দেখতে পেলেই প্রসঙ্গ না বুঝে, “দেখেছ কি ইসলামোফোবিক” বলে খ্যাপা ষাঁড়ের মতো যত্রতত্র গুঁতোতে নেই। ঐ প্রথম গেরোটি এড়াতে হবে সতর্ক থেকে। মেনে নিতে হবে, ফিকশন মাত্রেরই একটা আপেক্ষিক স্বাতন্ত্র্য (‘relative autonomy’) থাকে, সে তার ভোক্তার সঙ্গে আটপৌরে জীবনযাপনের পাথুরে বাস্তবতাগুলোর মতো ইন্টার‍্যাক্ট করে না। তার অন্দরে ন্যায়-অন্যায়, পাপ-পুণ্য, ঠিক-বেঠিকের ফুটপাথ নিত্য বদল হয়। চোরের জন্য মন কাঁদে, খুনির জন্য মায়া হয়, জাঁহাবাজ শয়তানেরা পুলিশের ফন্দিফিকির এড়িয়ে কোনক্রমে পালাতে পারলে প্রাণ হাঁফ ছেড়ে বাঁচে। আর কে না জানে, ফিকশন যখন ইঙ্গিতে কথা বলে, তখন সেই অটোনমিকে পড়তে বুঝতে গোদা বৃত্তান্তটির চেয়ে মাঝে মাঝে বেশি করে লক্ষ করতে হয় তার আনাচে কানাচে লুকনো বাঁক মোড়গুলো, মোটমাট গপ্পোটির চেয়ে বেশি মনোযোগ দিয়ে খেয়াল রাখতে হয় তার কোণে কোণে উপ্ত বিরোধাভাসের ইশারাসকল, খতিয়ে দেখতে হয় কোন্ মুহূর্তে কোনও চরিত্র তার পরিচয়ের পূর্বনির্ধারিত খাঁচাগুলো ভেঙেচুরে উঁকি দিচ্ছে অপরাপর সম্ভাবনার আকাশে। কেন দ্য ফ্যামিলি ম্যান প্রসঙ্গে চর্বিত এই কথাগুলোর পুনরুল্লেখ করতে হল, আশা করি অনেকেই তা বুঝতে পারবেন। করতে হল, কারণ দ্য ফ্যামিলি ম্যান-এর গল্পের ধাঁচাটা আমাদের সকলেরই চেনা। আর চেনা বলেই তা বাড়তি অভিনিবেশ দাবি করে।

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

অর্থাৎ একটু নজর করলেই বোঝা যাবে, এই আখ্যানের ন্যারেটিভ রীতিমতো বাজার চলতি প্রো-স্টেট এসপিওনেজ থ্রিলারগুলির কাঠামো থেকেই ধার করা। মুসলমান “সন্ত্রাসবাদী” থেকে গেরিলা “বিচ্ছিন্নতাবাদী” এবং সর্বোপরি মানববোমার বিপরীতে “দেশ সংকট মে”, নিরাপত্তারক্ষায় নিবেদিতপ্রাণ প্রতিরক্ষামন্ত্রক — যে ছোলা বলিউড নিত্য গেলায়, তারই প্রায় সমস্ত প্রতিনিধিস্থানীয় পরিচিতি মুদ্রা/স্টিরিওটাইপ খুব সচেতন ভাবে ব্যবহার করা হয়েছে শ্রীকান্ত তিওয়ারির রুদ্ধশ্বাস ক্রাইম থ্রিলারে। কিন্তু ব্যবহার করা হয়েছে বিশেষ ঐ ন্যারেটিভকে সাবভার্ট করার জন্যেই। নির্মাতারা অনেক আগেই সাক্ষাৎকারে[৩] জানিয়েছেন, তাঁদের শিল্পপ্রতিমায় খড়ের কাঠামোটুকু গড়ে দিয়েছে বিবিধ সংবাদপত্রের টুকরো নানান নিউজ ক্লিপিং, অনেক সময়ে ঘোরতর উত্তেজক, লোমহর্ষক সেই সব খবরের কাঠামো ধরেই তাঁরা অতঃপর কবিতাকল্পনালতা বুনেছেন ফ্যামিলি ম্যানের আফসানায়, তাতেই ঘটেছে ম্যাজিক। ‘হোয়াট ইফ’-এর সেই তাক-লাগানো একের-পর-এক উন্মোচনে সংবাদপত্রের ‘ফ্যাক্টিসিটি’-র দাপটকে নস্যাৎ করে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে ফিকশনের সত্য। যাঁরা খুব নিখুঁতভাবে ‘ইসলামোফোবিয়া’ চিনতে পারেন, তাঁদের কথা ভিন্ন। কিন্তু বাকিদের কাছে সাজিদ চরিত্রের মুখ্য বৈশিষ্ট্য সেইখানে, মনের যে গহনে তার প্রেমিকসুলভ দুর্বলতা, দেশের জন্য কাঙালপনা, পরাধীনতার হাহাকার। মনের যে গহনে সাজিদ একাকী বেগানা, সেখানেই সে আমাদেরও মন টানে। এই উৎপ্রেক্ষার মধ্যেই তো এ আখ্যানের প্রকৃত অ্যাজিটেশন, এর অন্তর্ঘাতপ্রবণতার সূত্রগুলি নিহিত! সাজিদ শুধু নয়; সাজিদ, মুসা, সালমান, করিম, রাজি — নানা সূত্রে তারা সকলেই, প্রস্তাবিত বিস্ফোরণগুলির বিপ্রতীপে রাষ্ট্রীয় হিংসার পূর্ব স্মৃতি নির্মাণ করে চলে। বারবার মনে করিয়ে দেয়, “দি ওনলি ওয়ে টু কন্টেইন (ইট উড বি নাইভ টু সে এন্ড) টেররিজম ইজ টু লুক অ্যাট দ্য মনস্টার ইন দ্য মিরর।”

দ্য ফ্যামিলি ম্যান-এর পরতে পরতে এত প্রশ্নের গুঁতো, এত অস্বস্তির খোঁচা, এত সংশয়, এত অমীমাংসিত পিছুটান যে তারা দেশরক্ষার নিটোল প্রকল্পটির ডৌলকে নষ্টই করে দেয় একরকম। ভাবুন — উপসংহারে কোনো কার্নিভালের আয়োজন নেই, প্রতিটি মৃতদেহের জন্য আরও একটু বাড়তি বিষণ্ণতা কেবল অবশ করে রাখে। ম্যাড়মেড়ে গোছের দেশরক্ষা একটা হয় বটে — কিন্তু ততক্ষণে আমাদের বিধ্বস্ত নায়কেরও, কথায় বলে, “অল প্যাশন স্পেন্ট”। সেই শূন্যের ভিতরে কোনও সান্ত্বনার ঢেউ নেই, রাষ্ট্রের সমস্ত অ্যাপোলোজিয়া বরং তখন মনে হয় চতুর প্রতারণা। ব্যক্তি শ্রীকান্তের রিডেম্পশনকে ধারণ করতে পারে না জাতীয় নিরাপত্তার ‘বৃহত্তর’ স্বার্থ। রিডেম্পশনের কথাটা নেহাত ফেলনা নয়, ‘দাগী’ অপরাধীদের মুখোমুখি বসে শ্রীকান্ত তিওয়ারি বারবার পালে বাঘ পড়ার গপ্পো ফাঁদে, ভান করে যেন সে-ও “অপমানে … তাহাদের সবার সমান”। লক্ষ করব, তার ‘মা’ সংক্রান্ত প্রথম গল্পটির প্রতিভাষ্য হিসেবে গত পর্বের অন্তিম অধ্যায়ে হাজির হয়েছিল মুসা রহমানের মা, আর বর্তমান পর্বে রাজলক্ষ্মীর শারীরিক অস্তিত্বটাই হয়ে ওঠে দগদগে কাউন্টারপয়েন্ট। তার ঘাড় নাড়ার কোরিওগ্রাফ, তির্যক দৃষ্টি, সংযমী উচ্চারণ, লড়াকু সংকল্প, আপাত গাম্ভীর্যের নিচে পাথরচাপা অশ্রুজলের ফল্গু — তাদের সামগ্রিক আন্দোলনের উদ্দেশ্য সম্পর্কেই দর্শকের প্রচ্ছন্ন সমর্থন আদায় করে নেয়। কিন্তু তারও চেয়ে মধুর সম্মোহন তৈরি হয় যখন সমুদ্র উপকূলে বসে সাজিদ ও রাজির প্রথম মন জানাজানি হয়। জ্যোৎস্নায় তখন ভেসে যাচ্ছে চরাচর, জ্যোৎস্না থৈ থৈ করছে জলে, আবহে দেশোয়ালি সুর ওই যুবতী-যুবকের আন্তরিক সংরাগকে রাঙিয়ে দেয় স্বভূমি থেকে নির্বাসনের ক্ষতের রঙে। আর সাজিদ এই অবসরে রাজিকে জিগ্যেস করে, “দেশের কথা ভাবছ বুঝি?” তাদের ব্যক্তিগত প্রতিশোধস্পৃহা কাঁটাতারের বেড়া টপকে, সীমান্ত হাট করে করে ক্রমে লতিয়ে উঠতে থাকে বিপজ্জনক এক যুগল সম্মিলনে — “আমি আমার দেশ ফিরে কেড়ে নেব”! প্রেমের যে স্নিগ্ধ, নম্র ও সংকুচিত প্রকাশ সাজিদ আর রাজির সম্পর্কে আমরা আবিষ্কার করি, তা অবশেষে বেদনার স্তনাগ্র চূড়ায় জ্বলে ওঠে দাউদাউ করে — যখন সাজিদের মৃত্যুর খবরে এসে পৌঁছয় রাজির কাছে। আর রাজি, সে তো শুধু শাশ্বত প্রতিশোধস্পৃহা নয়, বরং কবিতা হয়ে আগলায় স্বপ্নের মানচিত্র। সকল লোকের মাঝে বসেও যেন সে জলের কাছে ঘুরে ঘুরে একা একা কথা কয়। সামান্থাকে কুর্নিশ, নেকড়ে ওজর মৃত্যু এলে, মৃত্যুরই গান গাইতে হয়। সামান্থার ভ্রূপল্লবে কখনো ক্ষোভ কখনো মায়ার চকিত খেলায় সেই প্রলয় মহোৎসবেরই নিখুঁত পূর্বানুমান।

শ্রীকান্ত তিওয়ারি কিন্তু এই আখ্যানে রাষ্ট্রের প্রতিনিধি নয় মোটেই। আসলে সে রাষ্ট্রীয় আচারের জন্য বলিপ্রদত্ত অশ্বমেধের ঘোড়া। সে জানে, সন্ত্রাসবাদী আর স্বাধীনতা সংগ্রামীর সংজ্ঞা পালটে যায় সমকালীন রাজনীতির ফোকালাইজেশনের কৌশলে। অথচ, তার লাব ডুব খেতে থাকা অন্তরাত্মাটি বারেবারে হাজির করা হয় রাষ্ট্রের যাবতীয় অনৃতভাষণ, তঞ্চকতা, চুক্তিভঙ্গের সামনে ঢাল হিসাবে। ফলত রাষ্ট্রসেবা যত না তার অহংকার, যত না পবিত্র কর্তব্য, তার চেয়ে ঢের বেশি করে অস্তিত্বের নিয়তি। সে জন আব্রাহাম বা ঋত্বিক রোশন বা তীব্র যৌবনের সানি দেওল নয়। কিন্তু ‘পিতা’ বটে, এবং ‘স্বামী’-ও। আর পরস্পরলগ্ন এ দুটি পরিচিতির মধ্যে তার চিত্তচাঞ্চল্য, অস্বস্তি ও কাতরতার আদত উৎসগুলি খুঁজতে গিয়ে যা উঠে আসে, তা প্রগতিশীলদের আত্মসমীক্ষার পক্ষে একেবারে অব্যর্থ টনিক হতেও পারত (কিন্তু হায়… )। প্রাতিষ্ঠানিক বিবাহে নিহিত অসঙ্গতিগুলি পড়তে গিয়ে বারবার যেভাবে তাকে গুগল ঘাঁটতে হয় — তা বস্তুত চিরচেনা এক ভাষাসংকটেরই দ্যোতক; হালের প্রগতিশীলতার বাজার পরিশোধিত শব্দভাণ্ডারের সঙ্গে ‘ছোট শহরের’, আধা শহরের আমজনতার ভাষাভঙ্গি, মূল্যবোধ, অভিজ্ঞতা, স্মৃতি ও সমাজ মনের বেদনাদায়ক ছেদচিহ্ন। কে ঠিক কে ভুল — এই বোকা ও অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্নকে অতিক্রম করে বরং সংবেদী কোনও সংযোগের ভাষা, পারস্পরিক বোধগম্যতার প্রান্তর খুঁজতে থাকে সূচি ও শ্রীকান্তের ঘেঁটে যাওয়া বৈবাহিক সম্পর্ক। এবং একবারও, কিছুতেই, দ্য ফ্যামিলি ম্যান এই প্রশ্নে জাজমেন্টাল হয়ে উঠতে চায় না। বরং এক সহজাত সংবেদনশীলতা, সমবেদনা তাদের অম্লমধুর সম্পর্কটিকে অবিচ্ছেদ্য সুতোয় বেঁধে রাখে বরাবর। নতুন সেই শব্দভাণ্ডারের সঙ্গে শ্রীকান্তের পরিচয় আরেকটু ঘনিষ্ঠ হয় যখন সে তার কন্যা ধৃতির বন্ধুদের জিজ্ঞাসাবাদ করে — আর ‘ফেমিনাজি’ শব্দবন্ধটিও অবমাননাকর তাৎপর্যের খোলস ছিঁড়ে এক অসহায় কিশোরীর আত্মরক্ষার অধিকারে অঙ্গীকৃত হয়ে যায় এভাবে।

আর সালমান? সেই বা কী চেয়েছিল? একটি কিশোরীর মৃতদেহ, প্রতিশোধের রক্তবর্ণ স্মারক? নাকি সে তার প্রেমিকার হাতের বাঁধন খুলে নিজেই নিজের মৃত্যুর পথে অবারিত করে দ্বার? মুহূর্তের মানবিক দুর্বলতা, তারপর মৃত্যু তাকে কোলে টেনে নেয়। সালমানের নিবার্য ও অপচয়িত মৃত্যুর জন্য স্বভাবতই রাষ্ট্র কোনও শেষকৃত্য সাজিয়ে রাখে না, তবু সালমানের মৃতদেহ হয়ে ওঠে পাথরের মত ভারী। পুঞ্জীভূত বিষাদের অনুভূতিমালা ছুঁয়ে থাকে তার বিভ্রান্ত অস্থির আক্রোশ, দ্বিধান্বিত প্রেম। সালমানের শব যেন পৃথিবীর সব রবাহুতদের জন্য নিদ্রিত কবিতা। আমাদের সৌভাগ্য যে, ভারতবর্ষে অমর কৌশিক, অমিত মাশরুকর, রাজ ও ডি কে-র মতন মেধাবী চলচ্চিত্রকাররা এখনই সক্রিয়। এই মুহূর্তে, ঠিক যখন তাঁদের প্রয়োজন।

তথ্যসূত্র:

১) https://scroll.in/reel/996544/the-family-man-season-2-review-a-new-enemy-brings-more-secrets-and-lies

২) “the undermining of the power and authority of an established system or institution” ― Oxford Languages

৩) https://scroll.in/reel/936833/inside-raj-dks-the-family-man-what-if-james-bond-lived-in-chembur-and-rode-a-scooter

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.