প্রিয় পাঠক,

নাগরিক ডট নেট আজ এক বছর পূর্ণ করল। ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়িয়ে এতটুকু পথও আমরা আসতে পারতাম না, যদি না অগণিত চেনা-অচেনা মানুষ নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইটের লেখাপত্র পড়তেন, মন্তব্য করে উৎসাহ দিতেন। কিন্তু বয়স বাড়লে, থিতু হলে দায়িত্ব বাড়ে। তাই প্রথম জন্মদিন উপলক্ষে আমরা আপনাদের কাছেই জানতে চেয়েছিলাম নাগরিকের কোন পথ এগোনো উচিত। দারুণ সাড়া পেয়েছি। স্থানাভাবে সকলের মতামত প্রকাশ করা গেল না, সেজন্যে আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। আপনাদের এত প্রত্যাশায় আমরা গর্বিত, ঈষৎ শঙ্কিতও। কারণ প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে। আপনারা আগামীদিনে আরও বেশি করলে সঙ্গে থাকলে অন্তত কিছুটা পূরণ করতে পারব বলে আশা করি।

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

নাগরিক ডট নেটের সমস্ত পাঠককে এবং দেশের সমস্ত নাগরিককে প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানাই।

প্রতীক, বাল্মীকি, অর্ক

সম্পাদকমণ্ডলী

নাগরিক ডট নেট

ঐতিহাসিক ঘটনা, ব্যক্তিত্বের বিশ্লেষণ নিয়ে লেখা চাই

রাজনৈতিক, সামাজিক — সব ক্ষেত্রে অসহিষ্ণুতা বেড়ে চলেছে। দিন দিন বিরুদ্ধ মত প্রকাশের মাধ্যমগুলি হ্রাস পাচ্ছে। গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ শাসককে প্রশ্ন করতে ভুলে যাচ্ছে। এমন অস্থির পরিস্থিতিতে নাগরিক ডট নেট বিগত এক বছর ধরে যে স্বকীয়তা, স্বাধীনতা চেতনা এবং নির্ভীক মনোভাব দেখিয়েছে, তাকে কুর্নিশ জানাতে হয়। এই ই-ম্যাগাজিনে এখনো পর্যন্ত প্রত্যেকটি প্রতিবেদনে লেখকদের গতানুগতিকের থেকে ভিন্ন মতামত প্রকাশের সুযোগ দেওয়া এবং পাঠককুলের দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন ঘটানোর চেষ্টা লক্ষ করা গেছে। আগামী দিনে দেশ ও বিদেশের কিছু ঐতিহাসিক ঘটনা এবং ব্যক্তিত্বের রাজনৈতিক, সামাজিক পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্লেষণ নিয়ে লেখা পেলে ভাল লাগবে। ভবিষ্যতে ওয়েব পোর্টালের পাশাপাশি নিজস্ব অ্যাপ, বড় মাপের ওয়েব ম্যাগাজিন, পাঠকদের নিত্যদিন মতামত দেওয়ার উপায় করতে পারলে ভাল লাগবে। গরিবের বলার অধিকার, তার প্রশ্ন করার, মতামত প্রকাশ করার স্বাধীনতার লড়াইয়ে নাগরিক ডট নেট সফল হোক।

শুভেচ্ছা।

প্রমিত সাহা

ব্যাঙ্গালোর

ভিন্ন মতাদর্শের বক্তব্যকে স্থান দেওয়া হোক

কোনো পত্রিকার নির্দিষ্ট মতাদর্শ থাকা অস্বাভাবিক নয়, বরং বেশ স্বাভাবিক, আর আজকে তো তথাকথিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পত্রপত্রিকা মতাদর্শ ছাড়িয়ে দলের অধীন। এর বাইরে থেকে নাগরিক ডট নেটের কাছে প্রত্যাশা, যে তারা ভিন্ন মতাদর্শের লেখা/বক্তব্যকেও স্থান দেবে। এর অর্থ এটা নয় যে মানের সঙ্গে আপোস করবে বা সম্পাদকমণ্ডলী মানের ব্যাপারে বিচার বিবেচনা করবে না। তৃতীয় বিশ্বে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে বাকস্বাধীনতা-ব্যক্তিস্বাধীনতা চিরকালই সোনার পাথরবাটি, আজ ওসবের চিন্তাভাবনা করাও পাপ, তার মধ্যে থেকেই নাগরিক অন্য পথ নিলে খারাপ লাগবে না।

সায়ন ঘোষ

বারাসাত

ক্লিভেজ দেখানোর প্রয়োজন পড়বে না আশা রাখি

এক বছর হয়ে গেল নাগরিক ডট নেটের পথ চলা। শুরু থেকেই ভাল লেগে গেছিল এই সাইটের পুরো আয়োজনটা। এই ডিজিটাল সমাজে এখন সবই অনলাইন। ভাবা হয়েছিল প্রচলিত সংবাদমাধ্যমের থেকে এই বাজারচলতি সাইটগুলো হয়ত আলাদা হবে। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই সবাই দলে ভিড়ে যায়, শুরু হয়ে যায় কোনো এক দিক ঘেঁষে কথা বলা বা কার ক্লিভেজ দেখা যাচ্ছে সেই নিয়ে ক্লিকবেট। নাগরিক ডট নেটকে এইসব রোগে ধরেনি আর এই পোর্টাল যেভাবে চলে তাতে ক্লিভেজ দেখানোর প্রয়োজন পড়বে না এই আশা রাখি। কোভিড থেকে সমাজনীতি, রাজনীতি, স্কুল খুলছে না কেন থেকে ক্রিকেট — সবকিছু নিয়েই আড্ডার মেজাজে লেখাগুলো পড়ে ফেলতে একটুও বেগ পেতে হয় না। সাধারণত যে বিষয়ে যে পারদর্শী তাকে দিয়ে সেই বিষয়ে লিখিয়ে নেন সম্পাদকরা, ফলে বিখ্যাত সবজান্তাদের লেখার মতন থোড় বড়ি খাড়া হয় না। তবে আমার সেরা লাগে হুতোম প্যাঁচার নকশা। সেই তীব্র মোহহীন শ্লেষ, ফালাফালা করে দেওয়া যুক্তিতে আত্মবীক্ষণ।। এই পোর্টাল চলতে থাকুক, আরো কলেবর বৃদ্ধি হোক। কোনোভাবে সম্পাদকমশাইরা যদি দু-একটা কার্টুন বা ভিডিওর জায়গা করে দিতে পারেন, বোধ করি ভালই লাগবে।

শান্তনু মুখার্জ্জী

ব্যারাকপুর

প্রগতিশীল লেখনী দিয়ে আমাদের সমৃদ্ধ করুন

সামাজিক মাধ্যমে প্রিন্ট মিডিয়া ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বিকল্প হিসেবে ইদানীং একাধিক নিউজ সাইট উঠে আসছে। নিউজ সাইটগুলির মধ্যে অধিকাংশই অসত্য সংবাদ, অর্ধসত্য সংবাদ, বিকৃত এবং রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া সংবাদ পরিবেশন করে চলেছে। আরো মারাত্মক যে এই নিউজ সাইটগুলির সংবাদ যে কোন সময় ভ্রাতৃঘাতী দাঙ্গা পর্যন্ত সংগঠিত করতে পারে। তবু এত খারাপের মধ্যে বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মত কিছু নিউজ সাইট আছে যা মগজে মননে রসদ যোগায়। সুস্থ চিন্তাভাবনায় প্রাণিত করে। নাগরিক ডট নেট এমনই একটি নিউজ পোর্টাল। আমি প্রথম দিন থেকেই নাগরিক ডট নেটের পাঠক। প্রতিদিনের সংবাদ নয়, বরং বিষয় বৈচিত্র্য নিয়ে পত্রিকা আকারে বিভিন্ন প্রগতিশীল, সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিষয় নাগরিক ডট নেটের বিভিন্ন লেখকের কলমে নিয়মিত উঠে আসে। নাগরিক ডট নেটের বিষয়, আঙ্গিক আমাকে সমৃদ্ধ করে। নাগরিক ডট নেটের নিরন্তর শ্রীবৃদ্ধি কামনা করছি। এই সাইট ভবিষ্যতেও এইভাবেই বিষয় বৈচিত্র্যে প্রগতিশীল লেখনী দিয়ে আমাদের সমৃদ্ধ করবে এই আশা রাখি।

তাপস দাস

করণদীঘি, উত্তর দিনাজপুর

বামেদের গঠনমূলক সমালোচনা দরকার

প্রথমেই এক বছর পূর্ণ করার মাইল ফলকে নাগরিক ডট নেটের গোটা টিমকে আমি অভিনন্দন জানাই। আমি প্রথম থেকেই নাগরিক ডট নেটের একনিষ্ঠ পাঠক। এই পত্রিকার চিত্তাকর্ষক প্রবন্ধগুলো গভীর মনোযোগ দিয়ে পড়ি। আমার সবচেয়ে প্রিয় হুতোম প্যাঁচার নকশাগুলো। প্রত্যেকটা নকশা পড়েছি এবং এই ব্যঙ্গ রচনাগুলো অসম্ভব প্রাসঙ্গিক। নাগরিক ডট নেট যে রাজনীতির বাইরেও অন্যান্য বিষয়ে কাজ করার চেষ্টা করছে, এটাও ভাল লাগছে। যদিও এই পত্রিকার বাম ঘেঁষা অবস্থান বেশ স্পষ্ট, তাও বামেদের গঠনমূলক সমালোচনা করে এমন আরও লেখা দরকার। বিশেষ করে বঙ্গীয় বামেদের। নাগরিক ডট নেটের ভবিষ্যতের সাফল্য কামনা করি। শুভ জন্মদিন নাগরিক ডট নেট।

অভিষেক চৌধুরী

সন্তোষপুর, কলকাতা

স্বাদু ভাষা এবং নিপুণভাবে তথ্যনিষ্ঠ লেখা

সূচনা লগ্ন থেকে নাগরিক ডট নেটকে অনুসরণ করতে গিয়ে মনে হয়েছে নাগরিক ডট নেট আর পাঁচটা ওয়েবসাইটের গতানুগতিকতা থেকে অনেকাংশে আলাদা। কেবল মাত্র বিষয় নির্বাচনে থেমে না থেকে বিষয়ের অবয়ব যাতে আরও চমৎকার হয়ে ওঠে, সর্বোপরি একবারে পড়ে ফেলার মতো ঝরঝরে স্বাদু ভাষা এবং নিপুণভাবে তথ্যনিষ্ঠ, সময়োপযোগী, যুক্তিধর্মী এমন মনোগ্রাহী সব লেখা নির্বাচনের জন্য সম্পাদকের বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রাপ্য। চিত্তাকর্ষক হুতোমী নকশার ধরণের লেখাতে উঠে আসা সমকালীনতার ছবি থেকে মোহরকুঞ্জের ফুটের চিত্র প্রদর্শনীর মত অজানা সংবাদকে আলোয় আনার কাজ নিরলসভাবে করে চলেছে নাগরিক ডট নেট। এক বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে বিশেষ প্রিয় ওয়েবসাইটের জন্য রইল শুভকামনা। যাত্রাপথ আরো মসৃণ আর সুদীর্ঘ হোক।

রামিজ আহমেদ

মগরাহাট, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা।

ভিডিও স্টোরি চাই, ইস্যুভিত্তিক ফেসবুক লাইভের সংখ্যা বাড়ানো দরকার

নাগরিক ডট নেটের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে নাগরিকদের অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। বাংলার দূষিত গণমাধ্যমের ভিড়ে এটি একটি খুবই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ। ভীষণই ভাল লাগছে যেভাবে তথাকথিত মূলধারার সংবাদমাধ্যমে উপেক্ষিত আসল মূলধারার খবরগুলো স্থান পাচ্ছে নাগরিক দিনলিপিতে। আগামী দিনে নিউজ আর্টিকেলের সাথে সাথে ভিডিও স্টোরি করা ও ইস্যুভিত্তিক ফেসবুক লাইভের সংখ্যা বাড়ানো গেলে আরো বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়া যাবে বলে আমার মনে হয়।

অভীক

মহেশতলা

সিনেমার রিভিউ, বইয়ের পাঠ পর্যালোচনা চাই

দেখতে দেখতে নাগরিক ডট নেট পেরিয়ে গেল এক বছর। সত্যি বলতে কি, প্রথম দিকে এই ওয়েবসাইটটার কথা জানতাম না। পরে ফেসবুক মারফত খবর পেলাম। ফলে প্রথম দিকের লেখাগুলো সেরকম ভাবে পড়া হয়নি।

অনলাইন পত্রিকার সার্থকতা নির্ভর করে অনেককিছুতে। যেমন লেখার ভাল মান থেকে নির্ভুল বানান, ছবি থেকে অলংকরণ, কোনোটাই বাদ দেওয়া ঠিক হবে না। নাগরিক ডট নেটের অনেককিছুই চোখে পড়ার মত। সম্পাদকমণ্ডলীকে ধন্যবাদ দিতেই হবে লেখক আর লেখার দিকে আলাদা নজর দিয়েছেন বলে।

নাগরিক ডট নেটে যেমন আছে গবেষণামূলক রচনা, তেমনি তুলনায় হালকা প্রবন্ধ, নিবন্ধও রয়েছে। আছে সাহিত্য নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা, প্রবাস জীবন নিয়ে সমস্যা আর সম্ভাবনার কথাও। মুক্ত চিন্তা, মুক্ত বুদ্ধি চর্চার পাশাপাশি আছে বাংলাদেশের উপর লেখা। সত্যজিৎ রায়, মার্লন ব্রান্ডোর তিনখানা বিস্তৃত আলোচনা পড়তে ভাল লাগে। যখন দেশে ফ্যাশিস্ট শক্তি মাথাচাড়া দিয়েছে সেই সময়ে বাদ যায়নি আমাদের রাজ্যও। অপদার্থ রাজ্য সরকার আর পাইয়ে দেবার রাজনীতি যেভাবে বারোটা বাজাচ্ছে রাজ্যটার, নাগরিক ডট নেট সেই বিষয়ে সোচ্চার হয়েছে।

কিছু বিষয়, যেরকম সিনেমার রিভিউ বা বইয়ের পাঠ পর্যালোচনা অন্তর্ভুক্ত করলে ভাল লাগবে। আর দরকার একটু প্রচারের। ভবিষ্যতের জন্য নাগরিক ডট নেটকে শুভেচ্ছা জানাই।

সৌমিক দাশগুপ্ত

বেহালা

 

বামপন্থী হিসাবে সাহস বেড়েছে

আমি নাগরিক ডট নেটের পাঠক। একনিষ্ঠ পাঠক তা নয়, কিন্তু মাঝেমধ্যেই পড়ি। এবং ভাল লাগে কেন? কারণ মূলত দুটো।

১. এমন কিছু বিষয় নিয়ে লেখা হয় যেগুলো অন্য কোথাও বাংলায় পড়া মুশকিল, যেমন উমর খালিদের জেলের ডায়েরি। পড়ে কষ্ট পেয়েছি, খারাপ লেগেছে কিন্তু একটু হলেও গর্ব হয়েছে যে কিছু মানুষ নানান সমস্যার মধ্যেও মাথা উঁচু করে রাখার সাহস ধরে রেখেছে।

২. যেখানে বামপন্থী মানসিকতাকে সমর্থন করা ক্রমশ কঠিন হয়ে গেছে সরকারি বেসরকারি চাপে, সেখানে নাগরিক ডট নেটের যে কটা প্রবন্ধ, নিবন্ধ মতামত পড়েছি, বামপন্থী মানসিকতার ছোঁয়া পেয়েছি। তাতে সাহস বেড়েছে। বাজারি মিডিয়ার ভয়ঙ্কর প্রচারে যেখানে মাঝেমধ্যেই মনে হয় “ঠিক করছি তো”? সেখানে এই সাইটের লেখা আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে।

চাইব চলুক এই সাইট। চাইব আরও সাহসী হোক এই সাইট। চাইব আরও মানুষজন পড়ুক এই সাইটের লেখা। শুভেচ্ছা রইল।

অনিন্দ্য মুখার্জী

ক্লোটেন সুইৎজারল্যান্ড

 

ফুটপাথবাসী, প্রান্তিক চাষী, দিনমজুর, যৌনকর্মী, সমকামীদের নিয়ে লেখা চাই

নাগরিক ডট নেট পড়তে ভাল লাগছে। কিছু তো বেশ স্বাদু নিবন্ধ। এই ধরনের বিশ্লেষণধর্মী লেখা আরও চাই। আমাদের হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতি নিয়ে লেখা চাই। বাংলার লোকসংস্কৃতি, লোকশিল্পীদের নিয়ে গবেষণামূলক লেখা পেলে ভাল হয়। ওয়ার্ল্ড সিনেমা নিয়ে মূলধারার সংবাদমাধ্যম বা অন্য কোথাও সেইভাবে লেখাপত্র দেখি না। এই বিষয় নিয়ে লেখা পেলে ভাল লাগবে। সেইসঙ্গে ফাইন আর্ট এবং পারফর্মিং আর্ট নিয়ে লেখা যেতে পারে। ফিল্ম রিভিউয়ের সঙ্গে সঙ্গে বইয়ের রিভিউও চাই। চাই নাগরিক ডট নেট বই প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত মানুষের সমস্যা তুলে ধরুক।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য — এই ইস্যু নিয়ে বিশ্লেষণ এবং গবেষণাধর্মী লেখা চাই। ফুটপাথে থাকা মানুষ, প্রান্তিক চাষী, কারখানার দিনমজুর, যৌনকর্মী, সমকামী, উভকামী, ট্রান্সজেন্ডারদের অধিকার, তাদের দৈনন্দিন লড়াই নিয়ে লেখা চাই।

সংযুক্তা চৌধুরী

সল্টলেক

Leave a Reply