সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ভূষণ রামকৃষ্ণ গাওয়াইয়ের দিকে কে যেন জুতো ছুড়ল? নামটা ঠিক মনে পড়ছে না। ইশ!
ও হো, মনে পড়েছে! জুতো ছুড়েছেন শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, বা তাঁর মত কলম, বা ওইরকম মানসিকতা। অমন মানসিকতার মানুষই তো একবিংশ শতাব্দীতে এসেও ‘সনাতন কা অপমান নহি সহেঙ্গে’ যুক্তিতে দেশের প্রধান বিচারপতিকে জুতো মারার চেষ্টা করতে পারেন। একজন দলিত বিচারপতি বিষ্ণুকে নিয়ে রায় দেবে! তাঁর সম্পর্কে মন্তব্য করবে! সইব না।
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
একইভাবে, যিনি নাকি এ যুগের সেরা বাঙালি লেখকদের অন্যতম, সেই শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় সম্প্রতি এক বহুল প্রচারিত বাংলা কাগজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন ‘একটা বুল ডগ আর একটা নেড়ি কুকুর তো সমান নয়! তুমি জার্সি গরু পছন্দ করো; বা হরিয়ানার গাইগাভী, তোমার মনে হয় বেশি দুধ দেয়; বাজারে গিয়ে আম কেনো, ল্যাংড়া আম দাও, হিমসাগর দাও! তুমি তো বলো না, আম দাও!” অর্থাৎ জাতিভেদ প্রথাকে যুক্তিযুক্ত প্রমাণ করতে বুল ডগ, নেড়ি কুকুর, আম, মানুষ – সব এক করে দিলেন।
এখানেই না থেমে বামুনবাদী বুক চাপড়ানির তীব্র ইতরামিতে বলে ফেললেন ‘সব আম যদি সমান হয়, তা হলে তুমি হিমসাগর খুঁজছ কেন? তা হলে প্রকৃতিতে যা কিছু আছে, সব ক্লাসিফায়েড। ওখানে কিন্তু কোনও সাম্যবাদ নেই। ওডিশার শ্রমিকেরা ভালো মাটি কাটে। ভালো সৈন্য কারা? জাঠ, গোর্খা, পাঞ্জাবি। গুজরাট, বাংলা থেকে ভালো সৈন্য হয় না। এই যে ক্লাসিফিকেশনগুলো রয়েছে, এই ক্লাসিফিকেশন তো তুমি অস্বীকার করতে পারো না! মানুষের মধ্যে যে ক্লাসিফিকেশনটা হয়েছিল বা করা হয়েছিল। শ্রীকৃষ্ণ বলেছিলেন গীতায়— আমি চতুর্বর্ণ সৃষ্টি করেছি।’
নিজের লেখায় ব্রাহ্মণ্যবাদ নেই অথচ বর্ণাশ্রম আছে – এই জাতীয় গুলতাপ্পি দিয়ে, তুড়ি মেরে নস্যাৎ করে দিলেন সহস্র বছরের প্রান্তিক মানুষের সাম্যবাদ আদায়ের লড়াইকে। আর অতি ভদ্রলোকের পশ্চিমবঙ্গ রবিবার সকালে চায়ের সঙ্গে জমিয়ে সেটা পড়ল, এই সাক্ষাৎকারকে সাময়িক ফেসবুকীয় উত্তেজনার পর ছেড়েও দিল সমান উদাসীনতায়। প্রশ্নকর্তা কণিষ্ক ভট্টাচার্য, যিনি নিজেও বামুন (অন্তত পদবি দেখে তো তাই মনে হয়), তাঁকে ছেড়ে দিলেন পালটা প্রশ্ন না করেই, যে বর্ণাশ্রম আর জাতিভেদ প্রথা কি মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ নয়? প্রতিপ্রশ্ন না করে তিনি বরং ‘ফ্যানবয়’ সুলভ আচরণ করে গেলেন গোটা সাক্ষাৎকারে। পরের নিরীহ প্রশ্নটা ছিল ‘আপনার লেখায় অসবর্ণ বিবাহ খুঁজে পাওয়া যায় না। এই কারণে?’ এর উত্তরেও শীর্ষেন্দু স্পষ্ট বলেছেন ‘অসবর্ণ প্রেম সচেতন ভাবে অ্যাভয়েড করি’।
আমরা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি, একজন দলিত বিচারপতি শ্রমের বিভাজিত কাঠামোর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেও ভাঙতে পারছেন না নিজের জাতিগত পরিচয়ের গণ্ডী। তাঁর অপরায়ন বহাল তবিয়তে চলছে। না ভেবে উপায় থাকে না, যে বাবাসাহেব ভীমরাও আম্বেদকর যথার্থভাবেই বলেছিলেন ‘Hinduism is a veritable chamber of horrors.’ বিচারপতি গাওয়াইকে জুতো ছুড়ে মারা আইনজীবী যে আস্ফালন করেছেন আর সাম্যবাদকে নস্যাৎ করার যে যুক্তি শীর্ষেন্দু দিয়েছেন, দুটোই তো ‘সনাতন’-কে আঁকড়ে ধরে সমাজে শোষণমূলক স্থিতাবস্থা জিইয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা। এ সেই স্থিতাবস্থা বজায় রাখার কৌশল, যার জন্য বামুনবাদী রাষ্ট্রের পীড়নে মরতে হয় রোহিত ভেমুলাকে; যে মানসিকতায় যাদবপুরের অধ্যাপিকা মেরুনা মুর্মুকে জাত তুলে গালাগালি করার সাহস পায় কোনো কলেজপড়ুয়া মেয়ে। এই মানসিকতাই আজ ভারতকে পিছিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে। এই মানসিকতা থেকেই ১ অক্টোবর রায়বেরেলিতে পিটিয়ে মারা হয়েছে হরি ওম বাল্মীকিকে।
সমস্যা হল, যে আইনজীবী প্রধান বিচারপতির দিকে জুতো ছুড়েছেন, তাঁকে এই কাণ্ড করার আগে কেউ চিনত না। তিনি আর যা-ই হোক, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের মতন ‘সেলিব্রিটি’ নন। তাঁর শীর্ষেন্দুর মত প্রভাব জনমানসে নেই। এক জনপ্রিয় দৈনিকের মাধ্যমে শীর্ষেন্দুর সাক্ষাৎকার ছড়িয়ে পড়ল লক্ষ লক্ষ পাঠকের কাছে। ব্যক্তি আর সাহিত্যিক দুটো আলাদা সত্তা হিসাবে বিবেচিত হবে কিনা, অথবা সাহিত্যকর্মকে সাহিত্যিকের থেকে আলাদা করে দেখা হবে কিনা – সেই তর্ক তুলে অনেকেই শীর্ষেন্দুর এই সাক্ষাৎকারকে ‘ক্লিন চিট’ দিতে চাইছেন। অথচ কোনো সংবাদমাধ্যমে এই অত্যন্ত বর্ণবাদী, পশ্চাদপর সাক্ষাৎকারের এক বিন্দু সমালোচনা দেখলাম না।
কেন অন্তত এক্ষেত্রে একজন সাহিত্যিককে তাঁর সাহিত্য থেকে আলাদা করে দেখার যুক্তি ভিত্তিহীন, তা খুব স্পষ্ট হয়ে যায় যখন শীর্ষেন্দু বলে দেন যে তাঁর সৃষ্ট চরিত্রগুলোর মধ্যে অসবর্ণ বিবাহ দেখা যায় না ব্যক্তি হিসাবে তাঁর বিশ্বাসের কারণেই। সাহিত্যিক নিজেই যখন জাতপাতে বিশ্বাস করেন, তখন তিনি তাঁর চরিত্রগুলোকে কী করে অসবর্ণ বিবাহের দিকে নিয়ে যাবেন? এই মানসিকতার সঙ্গে হরিয়ানার খাপ পঞ্চায়েতগুলোর অসবর্ণ বিবাহের বিরোধিতা, উত্তর ভারতের উচ্চবর্ণের পরিবারগুলোর ‘অনার কিলিং’ চালানো বা ‘লাভ জিহাদ’ শব্দগুচ্ছের জন্ম দেওয়ার তফাত কোথায়?
একই কারণে শীর্ষেন্দুর ধিক্কার প্রাপ্য, যখন উনি বামুনবাদী জন্মগত সুবিধায় ভর দিয়ে দৃঢ় কণ্ঠে বলেন ‘…রাজনীতির কনশাসনেস, এটা কিন্তু আমার মনে হয় সাহিত্যের ক্ষতি করে। যে কারণে কমিউনিস্ট যুগে রাশিয়ায় যে সমস্ত সাহিত্য তৈরি হয়েছিল, সেগুলো সমস্ত ছাইভস্ম।’
যে প্রোপাগান্ডা বা ‘রাজনীতির কনশাসনেস’-এর জন্য তিনি কমিউনিস্ট যুগে রাশিয়ার সাহিত্যকে ছাইভস্ম বলছেন, প্রশ্ন তুলছেন মহাশ্বেতা দেবীর লেখায় তাঁর রাজনৈতিক চেতনার প্রভাব নিয়েও, শীর্ষেন্দুকেও কি একই অভিযোগে অভিযুক্ত করা যায় না? নইলে কেন তাঁর লেখায় ‘…সব ওই বামুনে-বামুনেই প্রেম হয়, কায়েতে-কায়েতেই প্রেম হয়।’ তিনি নিজেই তো বলেছেন তিনি জাতিভেদ প্রথায় বিশ্বাসী, সচেতনভাবেই অসবর্ণ প্রেম লেখেননি। তাহলে এটাও কি প্রোপাগান্ডা নয়? রাজনীতি না করাও কি এক ধরনের রাজনীতি নয়? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আমরা পাই না, কারণ প্রশ্নকর্তা এসব প্রশ্ন তোলেন না। হয় তাঁর শীর্ষেন্দু-মুগ্ধতা এই প্রশ্নগুলো করতে দেয়নি, অথবা তাঁর নিজের চেতনা থেকেই এই প্রশ্নগুলো আসেনি।
রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক পুঁজি নিয়ে বসে থাকা এক ব্রাহ্মণ লেখকের পক্ষে একথা বলা সহজ যে ‘রাজনীতির কনশাসনেস’ সাহিত্যের ক্ষতি করে। তিনি একথা বলার বিলাসিতা করতে পারেন। রোহিত ভেমুলা, মেরুনা মুর্মু বা মৌমিতা আলম পারে না। কারণ দলিত, আদিবাসী, প্রান্তিক মুসলমানদের কাছে সাহিত্য হল হাতিয়ার। সাহিত্য এক নির্মম সাক্ষী। কোনটা সাহিত্য আর কোনটা নয় – তা এক ব্রাহ্মণ cis-het পুরুষের কাছে শেখার জন্য মহাশ্বেতা দেবী বা প্রান্তিক মানুষ বসে নেই। তাঁরা শিল্প-সাহিত্য যাপন করেন খিদে নিয়ে, অস্পৃশ্যতার অপমান নিয়ে, শ্রেণিভেদ আর জাতিভেদের চাকায় পিষ্ট হতে হতে।
আরো পড়ুন সুমন দে-কে খোলা চিঠি: প্রসঙ্গ আব্বাস
তবে শীর্ষেন্দুর বুক ফুলিয়ে পশ্চাদপর মন্তব্য করা কেবল বর্ণাশ্রম বা জাতিভেদের ব্যাপারেই সীমাবদ্ধ নেই এই সাক্ষাৎকারে। সমাজে নারীর ভূমিকা কী, সে প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি নারীকে পরিবারের মূলে বসিয়ে বলেছেন ‘এই যে ঘর আগলে রাখা, এটি বিশ্বস্ততার ব্যাপার। এ ভেঙে যেতে পারে, কিন্তু ভাঙছে না। ওই পুরুষটির জন্যই সে অপেক্ষা করছে – আমার পুরুষটি ফিরে আসবে… মাই ম্যান! এই মেয়েটিকে ঘিরে কিন্তু এই পরিবারটা তৈরি হচ্ছে। পরিবার তৈরি হলো – একটি নারী, একটি পুরুষ এবং তাদের বাচ্চাকাচ্চা। আর, এই পরিবারের ছায়া হলো সমাজ।
তারই অনুকরণে তৈরি হচ্ছে রাষ্ট্র। সুতরাং সমাজের মূল ভিত নারী, যে ওই ঘরটা আগলে আছে, ছেলেপুলেকে আগলে আছে, পুরুষটিকে আগলে আছে। সুতরাং, নারীর ভূমিকা তো প্রভূত।’
প্রত্যেকটা শব্দ থেকে চুঁইয়ে পড়ছে নারীকে দেবী বানিয়ে শোষণ করার সিনড্রোম। মানে তুমি নারী, তোমায় আমি দেবী বানিয়ে দিলাম। তারপর বললাম, তোমার সীমানা এই চৌকাঠ, তোমার এর বাইরে বেরনো মানা। তুমি এই চৌকাঠের ভিতরেই থাকবে, বাচ্চা বিয়োবে, পারিশ্রমিকবিহীন শ্রম দেবে আর বিয়ে নামক একটা শোষণমূলক প্রতিষ্ঠানের ঝোলা বইবে সারাজীবন। সব অত্যাচার মুখ বুজে সইবে। ফলে এই সাক্ষাৎকার পড়তে পড়তে আজকের ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপি এবং তার ধাইমা আরএসএসের কোনো নেতার কথা পড়ছি, নাকি মনুস্মৃতির পাতা উলটোচ্ছি, না একজন সাহিত্যিকের সাক্ষাৎকার পড়ছি – তা গুলিয়ে যায়।
শীর্ষেন্দু কত বড় সাহিত্যিক তা মূল্যায়ন করার ক্ষমতা আমার নেই। কিন্তু আমার মত সাংস্কৃতিক পুঁজিবিহীন একজন মানুষের শীর্ষেন্দুর এই সাক্ষাৎকার পড়ে তাঁকে এই ভারতের অসংখ্য মরদ সিনড্রোমে ভোগা পুরুষের থেকে কোনো অংশে আলাদা মনে হল না। যে সিনড্রোম নারীকে পুরুষের সহচরী ছাড়া কিছুই মনে করে না। তাই অবলীলায় উনি বলতে পারেন ‘একজন বিলেত-ফেরত স্বামীর স্বল্পশিক্ষিতা স্ত্রী, আগে তো এ রকম বিয়ে হতো, কোনও অসুবিধা তো হতো না, তারা সারা জীবন সুখে কাটিয়েছে। নীরদ সি চৌধুরীর স্ত্রী খুব তো একটা বিদ্যেবতী ছিলেন না – দীর্ঘ দিন তাঁরা একসঙ্গে ছিলেন। হাইলি ইন্টেলেকচুয়াল এবং নন-ইন্টেলেকচুয়াল পাশাপাশি ঘর করে যাচ্ছে, কোনও তো অসুবিধে হয়নি। ছেলেপুলে হয়েছে, সবই হয়েছে। এখন তো দেখবে, পাঁচ বছর প্রেম করে বিয়ে করল, পাঁচ মাস বিয়েটা টিকছে না। অথচ কত উচ্চাকাঙ্ক্ষা। এই না টেকাটা, এটা আমাদের সমাজকে নড়বড়ে করে দিচ্ছে।’
বিয়ে নামক একটি অত্যন্ত শোষণমূলক প্রতিষ্ঠান রক্ষার দায় তিনি চাপিয়ে দিলেন মেয়েদের উপর, তাদের মহান করে তুলে। যেমন বোরখা চাপানোর যুক্তি হিসাবে মুসলমান সমাজে বলা হয় – নারী অমূল্য সম্পদ, সম্পদ তো মানুষ লুকিয়েই রাখে। তাই বোরখা পরা ভালো। একটা বইতে পড়েছিলাম, বোরখা পরার যুক্তি হিসাবে বলা হচ্ছে – কাটা ফল, যেমন নারকেল, যদি ঢেকে না রাখা হয় তবে মাছি পড়বে। তেমনই বোরখা না পরলে নারীর উপর মাছির ন্যায় খারাপ দৃষ্টি পড়বে, তাই বোরখা পরা ভালো। শীর্ষেন্দুর সাক্ষাৎকার পড়তে পড়তে ওই বই পড়ার মত অভিজ্ঞতাই হয়। ঘৃণা, রাগ, হতাশা দলা পাকিয়ে এক অস্থিরতা সৃষ্টি করে।
বিচারপতি গাওয়াইকে এক আইনজীবী জুতো ছুড়ে মারার পরও তিনি ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছিলেন এবং আদালতের কাজ চালু রেখেছিলেন। এই আচরণকে দুভাবে দেখা যায়। এক, তাঁর ধৈর্যকে বাহবা দেওয়া যায়। দুই, আজকের ফ্যাসিবাদী, পিতৃতান্ত্রিক, বর্ণবাদী সমাজ তো এই নীরবতাই চায়। এই চুপ করে অপমান মেনে নেওয়া, কাজ চালিয়ে যাওয়াই যুগ যুগ ধরে ব্রাহ্মণ্যবাদের হাতে অত্যাচারিত, শোষিত, নিপীড়িত মানুষের জন্য অলিখিত নিয়ম। এই নিয়ম ভাঙা দরকার, গলা ফাটিয়ে চিৎকার করা দরকার। ফলে শীর্ষেন্দুর এই বামুনবাদী, নারীবিদ্বেষী সাক্ষাৎকার নিয়ে চুপ থাকলে সেটাও হবে প্রধান বিচারপতির মতই মুখ বুজে অন্যায় সহ্য করে তাকে এক ধরনের বৈধতা দান করার দৃষ্টান্ত। মরদ সিনড্রোমে ভোগা লোকগুলোর হাত থেকে দেশ, রাজনীতি, সমাজ, সাহিত্য উদ্ধার করা না গেলে হয়ত আরও পাঁচশো বছর আজকের অবস্থাই চলবে।
ও হ্যাঁ, প্রধান বিচারপতির দিকে জুতো ছুড়ে মারা লোকটার নাম মনে পড়েছে – রাকেশ কিশোর। কিন্তু নামটা শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ও হতেই পারত।
মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।









আপনি সব ঠিকই বলেছেন, শুধু একটা তথ্য দেননি, এই শীষেন্দু মুখোপাধ্যায় কিন্তু অনুকূল ঠাকুর নামের এক নামজাদা গুরুর শিষ্য, তার প্রমান ওর বিভিন্ন বইতে পাই, সেই অনুকূলের মহিলা সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি কোন পর্যায়ের এটা উল্লেখ করলে ভালো করতেন…কথায় বলে, রতনে রতন চেনে…