মোদির ‘আচ্ছে দিন’ -এর ভারতে পিটিয়ে মারার লক্ষ্যবস্তুর তালিকা ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে। যে প্রতিক্রিয়াশীল গণআন্দোলন ভারতে সুচতুরভাবে নির্মিত হয়েছে গত দশ বছরে, তা এখন গনগনে আগুনে পর্যবসিত হয়েছে। ২০২৫ সালে যিশুখ্রিস্টের জন্মদিন, ২৫ ডিসেম্বর, গভীরভাবে কালিমালিপ্ত হয়ে থাকবে এই একটিমাত্র তথ্যে, যে সেদিন সারা দেশজুড়ে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী মানুষদের উপর আক্রমণ চালায় গৈরিক সন্ত্রাসবাদীরা। বিক্ষিপ্তভাবে খ্রিস্টানদের উপর আক্রমণ এর আগেও হয়েছে, কিন্তু এতদিন দেশজুড়ে আক্রমণের মূল লক্ষ্য ছিল মুসলমানরা। গোমাংসের ব্যবসা করার অপরাধে এবং বাড়িতে গোমাংস পাওয়া গেছে – এই ধরনের অভিযোগ তুলে হামলা, মারধোর করা, এমনকি পিটিয়ে মেরে ফেলার অজস্র ঘটনা ঘটেছে। তথাকথিত গোরক্ষা বাহিনীর নামে এই তাণ্ডব চালানোর পিছনে আরএসএসের সুচতুর বিভাজন রাজনীতি ক্রিয়াশীল থেকেছে। মুসলমানদের জোর করে ‘জয় শ্রীরাম’ বলানোর ঘটনাও আমরা দেখেছি। কিন্তু এবারে আমরা দেখলাম হিন্দুত্ববাদী ফ্যাসিবাদের অন্য একটা দিক। সারা ভারতে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের উপর ব্যাপক আক্রমণ সংঘটিত হল। বড়দিনের প্রার্থনাসভায় ঢুকে পড়ে অংশগ্রহণকারীদের হেনস্থা করা, গির্জা ভাঙচুর, আগুন লাগানো – সবই হল।
অবশ্যই খ্রিস্টানদের উপর আক্রমণ ভারতে নতুন নয়। ওড়িশায় যাজক গ্রাহাম স্টেইনসকে তাঁর শিশুপুত্রদের সঙ্গে গাড়িতে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার হাড় হিম করা ঘটনা এখনো মানুষের স্মৃতিতে ধরা আছে। ১৯৯৯ সালে যখন এই ঘটনা ঘটেছিল, তখন কেন্দ্রে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার, ওড়িশায় বজরং দলের রমরমা বাড়ছে। ওই কুখ্যাত সংগঠনের কর্মীরা জনৈক দারা সিংয়ের নেতৃত্বে সেই নির্মম ঘটনা ঘটিয়েছিল। দারা সিংকে গ্রেফতার করা হয় এবং বিচারে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। ২০১৪ সালে ভারতে বিজেপির দ্বিতীয় ইনিংস শুরু হতেই আবার ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণ বাড়তে থাকে। গত দশ বছরে এই আক্রমণ ও হামলার ঘটনা ক্রমশ বেড়েছে। তবে গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালে, অতীতের সমস্ত রেকর্ড এই ফ্যাসিবাদীরা ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। ইউনাইটেড ক্রিশ্চিয়ান ফোরাম (ইউসিএফ)-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০১৪ সালে যেখানে হামলার ঘটনা ছিল ১৩৯, সেখানে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত নথিভুক্ত আক্রমণের ঘটনা ৭০৬। ২৫ ডিসেম্বরের ঘটনার পর ওই ফোরাম জানিয়েছে যে, গোটা ২০২৫ সালে এক হাজারের বেশি ওই ধরনের ঘটনা ঘটেছে।
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
আসুন, এবারে দেখা যাক, কোন কোন রাজ্যে এই ধরনের ঘটনা বেশি ঘটছে। বলাই বাহুল্য, এগুলোর বেশিরভাগটাই ঘটছে বিজেপিশাসিত রাজ্যে। যেমন ছত্তিসগড়, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা, মহারাষ্ট্র ইত্যাদি জায়গায়। বস্তুত, এই পর্বের আক্রমণ বড় আকারে শুরুই হয়েছিল ছত্তিসগড়ে ২০২৩ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর। এর আগেও অনেকবার বিজেপি ছত্তিসগড়ে ক্ষমতায় এসেছে, কিন্তু এবারে ক্ষমতায় আসার পর খ্রিস্টানদের উপর সরাসরি আক্রমণের ঘটনা বাড়তে শুরু করে। ছত্তিসগড় আদিবাসী অধ্যুষিত রাজ্য। সেখানে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা কোনোকালেই খুব প্রকট ছিল না। কিন্তু এবারে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরপরই গোমাংসের ব্যবসা করার অভিযোগ তুলে প্রথম দুজন যুবককে হত্যা করা হয়। তারপর থেকেই মুসলমান ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের উপর আক্রমণের আগল খুলে যায়, শুরু হয় একের পর এক ঘটনা। গির্জায় হামলা, খ্রিস্টানদের প্রার্থনাসভা বা ধর্মীয় সভায় ঢুকে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ তুলে মারধোর, হামলা, অগ্নিসংযোগ প্রবল গতিতে শুরু হয়ে যায়। কেন্দ্রে ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদীর সরকার ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণ অভূতপূর্ব হারে বাড়তে শুরু করে। তারপর বিভিন্ন রাজ্যে বিজেপির ক্ষমতা যত সংহত হতে শুরু করল, তত এই আক্রমণ আরও তীব্র হল। স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে যে, বিজেপির ক্ষমতাবৃদ্ধির সঙ্গে মুসলমান, খ্রিস্টান প্রভৃতি সম্প্রদায়ের মানুষের উপর আক্রমণ বাড়ছে।
এদিকে জোর কদমে প্রচার চলছে ‘হিন্দুরা ভয়ঙ্কর বিপদে আছে’। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, সংখ্যালঘুরা মারাত্মক বিপদে। কিন্তু ফ্যাসিবাদী গোয়েবলসীয় প্রচার এখন তুঙ্গে। মূলধারার সংবাদমাধ্যমকে সম্পূর্ণভাবে কবজা করে নিয়ে বিজেপি পূর্ণ গতিতে তাদের মিথ্যা প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে হিন্দুরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার যে সংকল্প আরএসএস তথা গোটা সংঘ পরিবার তাদের জন্মলগ্ন থেকেই ঘোষণা করে আসছিল, তার রূপায়ণে তারা অনেকদূর এগিয়ে গেছে। প্রকৃতপক্ষে, এবারের বড়দিনের তীব্র সহিংসতা লক্ষ করে কেউ বলতেই পারেন যে ভারত এখন অঘোষিতভাবে হিন্দুরাষ্ট্রই। এখানে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের উপর আক্রমণ এক প্রকার গা সওয়া ও ন্যায়সঙ্গত হয়ে উঠেছে।
তবে বড়দিনের আগে, পরে এবং খোদ বড়দিনে যেভাবে এবারে আক্রমণ চলল তার তুলনা বোধহয় নেই আমাদের সাম্প্রতিক ইতিহাসে। বড়দিনের তিন-চার দিন আগে ছত্তিশগড়ের কাংকের জেলায় বড় ধরনের দাঙ্গাহাঙ্গামা চালায় সংঘবাদীরা। হিন্দুদের ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে – এই অভিযোগ তুলে বেশকিছু গির্জায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়, খ্রিস্টানদের গ্রামে আক্রমণ চালানো হয়, বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। এই ঘটনাকেই ব্যবহার করে আবার সর্ব সমাজ নাম দিয়ে এক সংঘবাদী সংগঠন বনধ ডাকে এবং খ্রিস্টানদের বয়কট করার ডাক দেয়। সব মিলিয়ে ছত্তিসগড়ের পরিস্থিতি খুবই খারাপ হয়ে যায়। পরদিনই মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে খ্রিস্টানদের এক প্রার্থনাসভায় বজরং দল এবং অন্যান্য সংঘবাদী সংগঠনের লোকেরা আক্রমণ করে। সেই প্রার্থনাসভায় অনেক প্রতিবন্ধী ছাত্রছাত্রী উপস্থিত ছিল। সেখানে সংঘবাদীরা সেই ধর্মান্তরকরণের অভিযোগ তুলে ঢুকে পড়ে হামলা চালায়। ফলে সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এক ভিডিওতে ওই সংঘাত চলার সময়ে জেলার বিজেপি সহসভাপতি অঞ্জু ভার্গবকে একজন প্রতিবন্ধী মহিলা ও তাঁর মেয়েকে হেনস্থা করতে দেখা যায়।
কেরালাতেও একই ঘটনা ঘটে। সেখানে সংঘ পরিবারের বিভিন্ন সংগঠন মিশনারি স্কুলগুলোর উপর চাপ তৈরি করে বড়দিনের অনুষ্ঠান বাতিল করার জন্যে। বড়দিনের কয়েকদিন আগে পালাক্কাড় জেলায় এক প্রার্থনাসভায় ঢুকে তাণ্ডব চালায় হিন্দুত্ববাদীরা। ওড়িশার পুরীতে বড়দিনের পোশাক এবং আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র বিক্রি করছিলেন এমন কিছু ছোট দোকানদারের উপর চড়াও হয়ে বজরং দলের সভ্যরা এবং তাঁদের জিনিসপত্র নষ্ট করে দেয়। বিক্রেতাদের মারধোর করা হয়।
বড়দিনের আগেরদিন, যাকে খ্রিস্টানরা ‘ক্রিসমাস ইভ’ হিসাবে পালন করেন, সেদিন থেকেই ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে হামলা আরও তীব্র হয়ে ওঠে। আসামের নলবাড়িতে এক স্কুলের অনুষ্ঠানে ঢুকে ব্যাপক হামলা চালায় এই সন্ত্রাসবাদীরা। ছত্তিসগড়ে সেদিন হরতালের ডাক দেয় সর্ব সমাজ নামে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। রায়পুরে এক মলে ঢুকে যেসব দোকানে বড়দিন পালনের জিনিস বিক্রি হচ্ছিল, সেখানেই হামলা চালায় হিন্দুত্ববাদীরা। উত্তরপ্রদেশেও একাধিক জায়গায় হামলা চলে। বারেলিতে বড়দিনের প্রার্থনা ভণ্ডুল করার চেষ্টা হয়। যেখানেই খ্রিস্টানরা অনুষ্ঠান করতে গেছেন, সেখানেই সংগঠিত হামলা চলে। হনুমান চালিশা পাঠ করা হয়। ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিয়ে অনুষ্ঠান পণ্ড করার চেষ্টা হয়।
আরো পড়ুন আমিষ খান বলে গাঙ্গুলি জেঠিমা, ঘোষ কাকুও দেশের মানুষ নন?
এই পরিস্থিতিতেই এল বড়দিন। ফলে সহজেই অনুমেয়, গোটা দেশে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী মানুষ প্রচণ্ড ভয়ে এবং আতঙ্কের মধ্যে বড়দিন পালন করার কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছিলেন। বড়দিনের দিনেও রেহাই মেলেনি। এর চতুর্গুণ হামলা গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। কলকাতাতেও পার্ক স্ট্রিটে খোল করতাল বাজিয়ে নাচাগানা করতে দেখা গেছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোকে।
বোঝাই যায়, এ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো একযোগে এই কর্মসূচি নিয়েছিল। কেন্দ্রের বিজেপি সরকার নীরব। প্রধানমন্ত্রীকে দেখা গেল গির্জায় গিয়ে তাঁর চিরাচরিত ভন্ডামি বজায় রাখতে। একদিকে সংঘ পরিবারের সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলোকে খোলা মাঠ দিয়ে দেওয়া হল, অন্যদিকে ভন্ডামিও বজায় রাখা হল। যদিও এভাবে মানুষকে কিন্তু বোকা বানানো যায়নি। সকলেই বিজেপি তথা আরএসএস এবং তাদের পরিচালিত সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে।
রাজনীতিতে অতিরিক্ত আক্রমণের নীতি প্রায়শই আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়ায়। এবারের বড়দিনকে কেন্দ্র করে গৈরিক সন্ত্রাসবাদের এই বাড়াবাড়ির উলটো ফল দেখা যাচ্ছে বেশ কিছু ক্ষেত্রে। প্রথমত, ভারতে হিন্দুদের মধ্যে যে ধরনের মুসলমান বিদ্বেষ আছে, ততখানি খ্রিস্টান বিদ্বেষ দেখা যায় না। তার নানা কারণ আছে। সবথেকে বড় ব্যাপার হল, দীর্ঘ ঔপনিবেশিক শাসনের ফলে খ্রিস্টধর্ম রাজার ধর্ম – এই ধারণা মজ্জাগত হয়ে আছে। তদুপরি, ইউরোপ, আমেরিকা হল হিন্দু মধ্যবিত্তের স্বপ্নরাজ্য। খ্রিস্টধর্ম সেখানকার ধর্ম। ফলে বহু হিন্দুকেও দেখা যায় বড়দিনের উৎসবে মাততে। অনেকে সেদিন গির্জাতেও যান। সর্বত্র থাকে ছুটির ও উৎসবের মেজাজ। সংঘের সন্ত্রাসবাদের যে সুনামি বড়দিনকেন্দ্রীক অনুষ্ঠানগুলোতে আছড়ে পড়ল, তার ঝাপটা কিন্তু বহু হিন্দুর উপরেও এসে পড়েছে দেখা গেল। স্পষ্টতই, হিন্দু মধ্যবিত্তের মধ্যে এর ফলে বিরক্তি তৈরি হয়েছে, যা বিজেপির বিরুদ্ধে গেছে।
অন্যদিকে, দীর্ঘদিনের খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী মধ্যবিত্ত আবার তাঁদের মধ্যে অন্তর্নিহিত ইসলাম বিদ্বেষের কারণে বহু জায়গায় আরএসএসপন্থী। কেরালায় এই ব্যাপার যে কোনো লোকেরই খুব সহজে চোখে পড়বে। এই সংঘবাদী খ্রিস্টানরা এতই সংগঠিত এবং সোচ্চার সেখানে যে, তাঁদের অনেকেই তির্যকভাবে “ক্রিসংঘী” (ক্রিশ্চিয়ান সংঘী) বলে অভিহিত করেন। এই ক্রিসংঘীরা মূলধারার সমস্ত রাজনৈতিক দলের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ ‘প্রেসার গ্রুপ’ হিসাবে কাজ করেন। এমনকি সিপিএমের মত দলেও এঁদের উপস্থিতি রয়েছে। এবারে বড়দিনকে কেন্দ্র করে হামলা চলার পর এই ক্রিসংঘীদের মধ্যে ফাটল লক্ষ করা যাচ্ছে। এদের কিছু সংগঠন প্রধানমন্ত্রীকে চিঠিচাপাটি করে ক্ষোভ ব্যক্ত করেছেন বলে শোনা যাচ্ছে। সবথেকে বড় কথা হল, খ্রিস্টান মধ্যবিত্তরা এতদিন ভেবে এসেছেন, সংঘের হাতে তাঁরা বোধহয় নিরাপদ। এবারের ঘটনাবলি তাঁদের ভুল ভেঙে দিয়েছে।
সবমিলিয়ে বিজেপি খানিক চাপে। অতিরিক্ত আক্রমণ শেষ পর্যন্ত ব্যুমেরাং হয় কিনা তা সময়ই বলবে, তবে এবারে বড়দিনের উৎসবে হামলা চালিয়ে গৈরিক সন্ত্রাসবাদ তাদের চেহারা আপামর দেশবাসীর কাছে অনেকটাই প্রকট করে ফেলেছে। অন্যদিকে, দেশ যে অলিখিতভাবে হিন্দুরাষ্ট্রে পরিণত হয়েই গেছে, তাও প্রমাণ করে দিয়ে গেছে।
মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।








