দেবজিৎ ভট্টাচার্য

দ্য সরকারি মুসলমান বইটির লেখক ভারতীয় সেনাবাহিনিতে ৪০ বছর কাটানো এবং পরবর্তীকালে আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটির উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করা জমীরউদ্দীন শাহ। তিনি ২০০২ সালের গুজরাট ‘দাঙ্গা’ দমন করেছিল সেনাবাহিনির যে অংশ, তারও নেতৃত্বে ছিলেন। তাঁর এই বই দেখিয়েছে যে, ওই তথাকথিত দাঙ্গা আদপে ছিল পূর্বপরিকল্পিত, সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতবাদে পুষ্ট। গুজরাটের তৎকালীন রাজনৈতিক ও পুলিস প্রশাসনের সক্রিয়তা ছাড়া ও জিনিস সম্ভব হত না। এর সূত্রপাত হয় ২০০২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অযোধ্যা ফেরত একটি ট্রেনে অগ্নিসংযোগের ঘটনার মধ্য দিয়ে। মৃত্যু হয় ৫৯ জন হিন্দু তীর্থযাত্রীর। অগ্নিসংযোগের পরর্বতী সময় জুড়ে প্রচার করা হয় যে, এর পিছনে প্রধানত মুসলমানদের হাত রয়েছে। শুরু হয় মুসলমানবিদ্বেষপূর্ণ প্রচার, যার মাধ্যমে আরএসএস শ্রমজীবী মেয়েদের এবং নিম্নবর্ণের শ্রমজীবী হিন্দুদের একজোট করে। এঁদের দিয়েই মুসলমানদের উপর বিভিন্ন সশস্ত্র বাহিনি দ্বারা আক্রমণ চালানোর প্রস্তুতি শুরু হয়। এরপর গুজরাট রাজ্য জুড়ে চলে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার জোরে মুসলমান নিধন প্রকল্প। মৃত্যু হয় প্রায় ২,০০০ মানুষের, যার সিংহভাগ মুসলমান।

সেই থেকে আজ পর্যন্ত বহু ব্যক্তি, বহু সংগঠনই দাবি করেছে যে সেই দাঙ্গার পিছনে আরএসএস-বিজেপির হাত ছিল। ২০০৮ সালে বিচারপতি জি টি নানাবতী কমিশনের রিপোর্ট গুজরাট সরকারের ষড়যন্ত্রের তত্ত্বের সঙ্গে সহমত পোষণ করে এবং বলে যে গোধরার ট্রেনে আগুন লাগানো ছিল আতঙ্ক সৃষ্টি করে প্রশাসনকে অস্থির করে তোলার জন্য এক বৃহত্তর চক্রান্তের অঙ্গ। কিন্তু কারা আগুন লাগিয়েছিল তার সন্তোষজনক উত্তর আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। সবচেয়ে যুক্তিপূর্ণ রিপোর্ট দিয়েছিলেন গুজরাটের গান্ধীনগরের ফরেন্সিক স্টাডিজ ল্যাবরেটরি (এফএসএল)-এর তৎকালীন অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর মহিন্দর সিং দাহিয়া। তাঁর রিপোর্ট সিদ্ধান্ত নেয় যে আগুন লাগানো হয়েছিল ট্রেনের ভিতর থেকেই, লাগিয়েছিল সিট নম্বর ৭২-এর কাছাকাছি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে যে প্যাসেজ থাকে সেখানে দাঁড়ানো কেউ। সে একটা চওড়া মুখের পাত্র থেকে প্রায় ৬০ লিটার দাহ্য পদার্থ ঢালে, যা থেকে ওই কামরায় আগুন লেগে যায়। এফএসএল হাতে কলমে দেখিয়ে দিয়েছিল যে মাটি থেকে সাত ফুট উঁচু ট্রেনের কামরার জানলা দিয়ে বাইরে থেকে দাহ্যবস্তু ছুড়ে আগুন লাগানো প্রায় অসম্ভব। ওই রিপোর্ট আরও বলেছিল যে ওই জায়গায় রেললাইনের সমান্তরালে ১৪ ফুট দূরে তিন ফুট উচ্চতার ঢিবি ছিল। ওই ঢিবির উপর দাঁড়িয়ে অতদূর থেকে দাহ্যবস্তু ছুড়লে ১০-১৫ শতাংশের বেশি ট্রেনের ভিতরে পড়া সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে বাকিটা বাইরে পড়ায় আগুনে রেললাইন এবং তার আশপাশের জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি।

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন

~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

এত বিস্তারিত প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও করসেবকে বোঝাই ট্রেনে ওই অগ্নিকাণ্ডের জন্য বহু মুসলমানকে গ্রেফতার করা এবং শাস্তি দেওয়া হয়। উপরন্তু ঘটনার প্রায় সিকি শতক কেটে গিয়ে থাকলেও, আজও সংঘ পরিবার ওই ঘটনাকে তুলে ধরে গুজরাট দাঙ্গার যুক্তি হিসাবে।

২০১৪ সালে দেশের প্রধানমন্ত্রী হন গুজরাটের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী এবং বহু পুরনো এক মামলায় কারারুদ্ধ পুলিস আধিকারিক সঞ্জীব ভাট ও আরও অনেকের মতে গোধরা পরবর্তী হিংসার ঋত্বিক নরেন্দ্র মোদী। তিনি বালক অবস্থা থেকে আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত। তাদের ছোঁয়ায় এখন দেশের মূলধারার রাজনীতির প্রধান বিষয়ই হল, সনাতন ধর্ম, ব্রাহ্মণ্যবাদী হিন্দুরাষ্ট্র গঠন ইত্যাদি। নেতা, মন্ত্রীরা বুক ফুলিয়ে দাঙ্গা বাধানোর মত উস্কানিমূলক মন্তব্য করেন, সংসদের ভিতরেই বিজেপি সাংসদ বিরোধী দলের মুসলমান সাংসদকে গালিগালাজ করেন তাঁর ধর্মীয় পরিচয় তুলে। এই ধারা পশ্চিমবঙ্গেও চালু হয়ে গেছে। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, তারই ফসল মুর্শিদাবাদের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী।

ইতিমধ্যে নানা ছোট সংবাদমাধ্যম, আঞ্চলিক ইউটিউব চ্যানেল দেখিয়ে চলেছে, মুর্শিদাবাদের ঘটনায় আরএসএস কীভাবে একের পর এক গুটি সাজিয়েছিল। অনেক মানবাধিকার সংগঠন দাবি করেছে, বিচারবিভাগীয় তদন্ত হলে ছবিটা আরও পরিষ্কার হবে। মুর্শিদাবাদের জনবিন্যাস ও ভৌগোলিক অবস্থান আরএসএসের জন্য জরুরি। কারণ এখানে হিন্দুদের তুলনায় মুসলমানদের সংখ্যা বেশি। পাশাপাশি এই জেলা বাংলাদেশ সীমান্তে। সারা ভারতেই যেসব এলাকায় হিন্দুরা তুলনামূলকভাবে সংখ্যায় কম, সেখানে আরএসএস তার বিভিন্ন শাখা সংগঠন নিয়ে কখনো প্রকাশ্যে, কখনো আড়ালে সাংগঠনিক ও মতাদর্শগত কাজ চালায়। হুগলি জেলার তেমন একটি অঞ্চল হল চাঁপদানি। এই অঞ্চল শ্রমজীবী মানুষের। এখানে যে যে জায়গায় মুসলমানদের সংখ্যা বেশি, সেখানেই আরএসএসের ব্রাহ্মণ্যবাদী মন্দির রাজনীতির উত্থান ঘটেছে। শ্রমজীবী নিম্নবর্ণের হিন্দুদের অর্থনৈতিক সংকট আর ধর্মীয় ভাবাবেগ – দুইয়ের মেলবন্ধন ঘটিয়ে তাঁদের মধ্যে মুসলমানবিদ্বেষ ছড়ানোর কাজ চলছে।

গুজরাট মডেল বাস্তবায়িত করার চেষ্টা উত্তরপ্রদেশে চলছে, আসামের বিজেপি সরকারও মুসলমানদের কোণঠাসা করে ফেলেছে। এরপর লক্ষ্য বিহার, ঝাড়খণ্ড, কেরল, পশ্চিমবঙ্গ। এই রাজ্যগুলিতে মুসলমানদের সংখ্যা অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় খানিক বেশি। স্বাভাবিকভাবেই রাষ্ট্রের মুসলমানবিরোধী যে কোনো কার্যকলাপে এইসব রাজ্যগুলিতে প্রতিবাদ হবে বেশি। সেই প্রতিবাদ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়ে সহিংস হয়ে উঠলে আরএসএসের সুবিধা হবে আওতার বাইরে থাকা জমি দখল করতে।

ওয়াকফ সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গে মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ করতে পথে নেমেছিলেন। তা করতে গিয়ে তাঁরা বুঝতে পেরেছেন যে তাঁদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকে পরিণত করার চেষ্টা কেবল কেন্দ্রের বিজেপি সরকার করছে না। দেশের নাগরিক হিসাবে প্রতিবাদ করার যে সাংবিধানিক অধিকার তাঁদের আছে, তা কেড়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেস সরকারও চালিয়েছে। কোথাও প্রতিবাদের অনুমতি না দিয়ে, কোথাও আবার প্রতিবাদে নামার সঙ্গে সঙ্গেই অতিসক্রিয় হয়ে লাঠিপেটা করে। ওদিকে মুর্শিদাবাদে হিন্দু, মুসলমান – দুই সম্প্রদায়ের মানুষই অভিযোগ করছেন যে দাঙ্গাবাজদের ব্যাপারে পুলিস নিষ্ক্রিয় ছিল।

রাজনৈতিক ও আইনিভাবে সিএএ-এনআরসি, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বলবৎ করার দৈনন্দিন হুমকি, রামনবমীতে প্রতিবছর বাড়তে থাকা সশস্ত্র মিছিলের পর ওয়াকফ সংশোধনী আইন স্বভাবতই ইসলাম ধর্মাবলম্বী মানুষকে সন্ত্রস্ত ও উত্তেজিত করেছে। কিন্তু মুর্শিদাবাদে দেখা গেল, প্রতিবাদ হিংসাত্মক হয়ে উঠল। হরগোবিন্দ দাস, প্রসেনজিৎ দাস এবং ইজাজ আহমেদ খুন হলেন। লুঠপাট চলল (ঘরবাড়ি, মদের দোকান ভাংচুর থেকে শুরু করে মন্দির ও মসজিদে আক্রমণ), পুলিস প্রশাসন অনেকটাই নিষ্ক্রিয় হয়ে রইল, আবার এমন অভিযোগও শোনা গেল – মুসলমান নয়, বিজেপির লোকেরা আমাদের ঘরছাড়া করেছে।

যদি ‘বিজেমূল’ তত্ত্বের কথা ভুলে ভাবা যায়, তাহলে বোঝা যাবে যে রাজ্যের অনেককিছুই এখন মমতা ব্যানার্জির নাগালের বাইরে চলে গেছে। মুখ্যমন্ত্রীর আশীর্বাদপ্রাপ্ত দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রী, আমলা, পুলিসের মধ্যে আরএসএসের মতাদর্শ শিকড় ছড়িয়েছে। তাই রাজ্যজুড়ে আরএসএসের গণভিত্তি ব্যাপক বেড়েছে, মুর্শিদাবাদের ঘটনা হিন্দুদের আতঙ্কিত করতে অনেকটা সফল। ফলে তাঁদের মধ্যে থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনির স্থায়ী শিবিরের দাবি উঠছে, যা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ধ্বংস করার ফ্যাসিবাদী প্রকল্পের সহায়ক। অনেক মুসলমান রাগে এবং দুঃখে বলছেন, রাজ্যের পুলিস প্রশাসন ও গোয়েন্দা বিভাগ ব্যর্থ। যা ঘটেছে তা রাষ্ট্রের মদতেই ঘটেছে।

মোহিত রায়ের লেখা পশ্চিমবঙ্গের অস্তিত্ব রক্ষায় নতুন করে ভাবতেই হবে নামে একটি পুস্তিকা ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়। বিজেপি বইয়ের বিপণিতে এই বই পাওয়া যায়। এতে আরএসএসের মুসলমানবিদ্বেষী রাজনীতির ঘোষিত এজেন্ডা প্রকাশিত হয়েছে। লেখক লিখেছেন, মুসলমানরা নাকি সবকিছু দখল করে নিচ্ছে। তাই ‘পশ্চিমবঙ্গের অস্তিত্ব বিপন্ন’। এর পালটা কার্যক্রম হিসাবে হিন্দু ঐক্য গড়ে তোলা, ধর্মনিরপেক্ষতা ছুড়ে ফেলে দিয়ে মুসলমানবিদ্বেষ ছড়ানো, বাংলাদেশ থেকে আগত মানুষের প্রতি বিদ্বেষ ছড়ানো, ব্রাহ্মণ্যবাদী সংগঠনগুলিতে যোগদান করা কর্তব্য বলে উল্লেখ করেছেন। কেবল এসবই নাকি ‘পশ্চিমবঙ্গকে মুসলমান মৌলবাদীদের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে’। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় এই মুহূর্তে যা ঘটছে তার আলোচনায় এই কথাগুলি মনে রাখা দরকার।

আরো পড়ুন পরিকল্পিত দাঙ্গা: কীভাবে এবং কেন?

সম্প্রতি মার্কিন পডকাস্টার লেক্স ফ্রিডম্যানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মোদী বলেছেন ‘যদি ২০০২ সালের আগের তথ্য পর্যালোচনা করা যায়, তাহলে দেখা যাবে গুজরাটে ঘনঘন দাঙ্গা হত। কোথাও না কোথাও কারফিউ জারি করা থাকত। ঘুড়ি ওড়ানোর প্রতিযোগিতা, এমনকি সাইকেলে ধাক্কার মত ছোটখাটো ঘটনাতেও হিংসা ছড়িয়ে পড়ত। ১৯৬৯ সালে গুজরাটে ছমাসেরও বেশি সময় ধরে দাঙ্গা চলেছিল। ওই সময়ে আমি রাজনীতির ধারেকাছেও ছিলাম না। কিন্তু গত ২২ বছরে গুজরাটে একটাও দাঙ্গা বাধেনি। বর্তমানে গুজরাট সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ।’ অর্থাৎ তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে গুজরাটে যাবতীয় অশান্তির মূলে ছিল মুসলমানরা। তাদের পুরোপুরি চুপ করাতে, সংখ্যাগুরুর ক্রীতদাসে পরিণত করতে ২০০২ সালের মত গণহত্যা প্রয়োজনীয়। তাতে চিরশান্তি প্রতিষ্ঠা হয়। বোধহয় অনুমান করা অন্যায় হবে না যে এর মানে হল, এই প্রক্রিয়া ভবিষ্যতে অন্যত্রও অনুসরণ করার চেষ্টা হবে।

আপাতত বিজেপি তথা আরএসএস পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা বিপন্ন – একথা প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। এর পিছনে কেবল ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্যই নেই। ধর্মীয় মেরুকরণ চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে আরও বড় কিছু ঘটানোই তাদের উদ্দেশ্য। মনে রাখা ভাল, আন্তর্জাতিক সংস্থা জেনোসাইড ওয়াচের প্রতিষ্ঠাতা গ্রেগরি স্ট্যানটন ২০২২ সালেই সতর্ক করেছেন যে ভারতে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান হিংসা গণহত্যার দিকে এগোবার একেকটি স্তর পেরিয়ে যাচ্ছে। এই ভদ্রলোক ১৯৯৪ রোয়ান্ডায় টুটসি গণহত্যা সঠিকভাবে অনুমান করেছিলেন।

মুর্শিদাবাদে যা ঘটল তা গুজরাট মডেলের বাস্তবায়নের দিকে এক পা কিনা, তা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। সুতরাং এই পরিস্থিতিতে গণতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, ফ্যাসিবাদবিরোধী সমস্ত শক্তির উচিত ভোট রাজনীতির ধান্দাবাজির ঊর্ধ্বে উঠে উপলব্ধি করা যে রাজ্য রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল দেশদ্রোহী আরএসএসের গণহত্যার রাজনীতি সম্পর্কে মানুষকে সচেতন এবং সাবধান করা।

নিবন্ধকার গবেষণামূলক শ্রমিক পত্রিকা ‘বিবাদী’-র সঙ্গে যুক্ত। মতামত ব্যক্তিগত

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.