উপনিবেশ আমলের দোষ, গুণ যা-ই থাকুক না কেন, অজস্র সরকারি – বেসরকারি – ব্যক্তিগত কাগজপত্রে সেই সময়ের ছবি চলচ্চিত্রবৎ ধরে রাখার কাজে সাহেবরা তুলনাহীন। যদিও সদ্য জনপ্রিয় হওয়া মুদ্রণ প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে ইংরেজদের জুড়ি ছিল না, তবু সেইসব কাগজপত্রের অতি সামান্য অংশই বই হিসাবে প্রকাশিত হয়েছিল। বাকি অজস্র তথ্য জমা রয়েছে সারা পৃথিবী জুড়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রাচীরের আড়ালে, যার অনেকটাই হাতে লেখা। আপন খেয়ালে ইতিহাস জানতে চাওয়া পাঠকের কাছে সেই তথ্যসম্ভার এখনো ততখানি সহজলভ্য নয় মোটেই। অথচ কে না জানে ইতিহাসের নিরপেক্ষ মুখচ্ছবির দর্শন পেতে বিভিন্ন ধরনের ব্যাখ্যার পাশাপাশি প্রাথমিক তথ্যের সঙ্গে অল্প হলেও পরিচয় কাম্য?

কেউ কেউ চেষ্টা করেছেন অন্তত কিছুটা প্রাথমিক তথ্যকে পাঠকের দরবারে হাজির করতে। তাঁদেরই একজন অশোক মিত্র – উপনিবেশ আমলের আইসিএস। স্বাধীনতার পরেও কখনো জেলাশাসক, কখনো জনগণনা দপ্তরের দায়িত্বে। তাঁরই পরিকল্পনায় কালেক্টর, অর্থাৎ রাজস্ব আদায়কারীর দপ্তরের রেকর্ড রুমটিকে পাঠকের জন্য হাট করে খুলে দেওয়া হয়। একটা বই নয়, একটা গোটা সিরিজের পরিকল্পনা করেন তিনি। সিরিজের বইগুলির মধ্যে এই মুহূর্তে যে বইটিতে সমস্ত মনোযোগ কেন্দ্রীভূত হয়ে আছে, সেটি হল বধর্মান পর্বের দ্বিতীয় খণ্ড – যেসব চিঠিপত্র কালেক্টরের দপ্তর থেকে পাঠানো হয়েছে তার সংকলন। এইখানে উল্লেখ্য যে ইতিহাস বলে, ১৭৬৫ সালে কোম্পানি বাংলার দেওয়ানী পেলেও তখনো দেশের পুরো শাসনভার নিজের হাতে তুলে নেয়নি। ১৭৮৬ সালে কর্নওয়ালিস এদেশে পা রাখার পরে, ইংরেজরা পাকাপোক্তভাবে প্রশাসকের জুতোয় পা গলায়। তখন স্থায়ীভাবে জেলায় জেলায় ইংরেজ প্রশাসক পাঠানো হয়।

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন

~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

আলোচ্য বইয়ের শুরু ১৭৮৮ সালে লরেন্স মার্সার বর্ধমানের দায়িত্ব নিয়ে আসার পর থেকে। আর শেষ যখন হয়েছে, সেই ১৮০০ সালে, জন শোরের রাজত্বকাল পেরিয়ে ওয়েলেসলির আমল শুরু হয়ে গিয়েছে। মার্সারের হাত থেকে ব্যাটন গেছে ব্রুক, ডেভিস, আয়ারল্যান্ড প্রমুখের হাত ঘুরে বার্জেসের হাতে। সেই সময়ে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থা থেকে মুদ্রা ব্যবস্থা, বিচারব্যবস্থা, পুলিসি ব্যবস্থা ইত্যাদি বিভিন্ন দিকে নতুন নতুন ধারার প্রচলন হচ্ছে, নিত্যনতুন নীতি প্রণয়ন হচ্ছে। অন্যদিকে বর্ধমানের জনজীবনেও বিভিন্ন রকমের বদল হচ্ছে। রাজার হাত থেকে একটা সময়ে রাজমাতার হাতে জমিদারির দায়িত্ব যাচ্ছে। কখনো আবার জেলার সীমায় বদল হচ্ছে, কর ব্যবস্থায় নতুন সংযোজন-বিয়োজন চলছে। কাজেই এই বই যে এক ইতিহাসের খণ্ড মুহূর্ত ধরে রাখবে তাতে আর আশ্চর্য কী?

রাজস্ব আদায় বিভাগের কথা তো, তাই প্রায় গোটা বই জুড়েই রয়েছে জমিদারদের খাজনা জমা দেওয়া নিয়ে বিভিন্ন টানাপোড়েন আর জমিদারির টুকরো নিলাম করে বেচে বকেয়া খাজনা আদায়ের প্রক্রিয়ার খুঁটিনাটি খবরাখবর। সেই সঙ্গে জারি রয়েছে বকেয়া খাজনার দায়ে জেলে পোরাও। তবে দেখা যাচ্ছে বর্ধমানের রাজার খাজনা বাকি পড়লেও তিনি কখনো কিস্তিতে টাকা দিচ্ছেন, কখনো বা জমি বেচার হুমকি শুনে টাকা মেটাচ্ছেন। এমনকি তাঁর জমি নিলামে উঠলেও তা কেনার লোক পাওয়া যাচ্ছে না, তিনিই বেনামে ফের কিনে নিচ্ছেন। এইরকম সৌভাগ্য অবশ্য ছোটখাটো জমিদারদের হয়নি। শ্রীকান্ত বাঁড়ুয্যেকে ৫০,০০০ টাকার খাজনা দিতে না পারায় ১৭৯২ সালে কাছারির জেলে পোরা হয়। আইন কি আর সবার জন্য সমান? সেইসময়ের বিভিন্ন নীতি ও আইন ভারতের কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে কতখানি প্রভাব ফেলেছিল, কীভাবে প্রাচীন জমিদারি ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছিল সে বিষয়ে রাশি রাশি গবেষণা হয়েছে। অনেক গবেষণাতেই এই বই এক অন্যতম আকর গ্রন্থ হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে। কাজেই সে নিয়ে আর দ্বিরুক্তির কী-ই বা প্রয়োজন? বরং অন্য কথা বলা যাক।

পাঠের জন্য এই বই সহজ নয়। প্রায় আড়াইশো বছর পরে বসে সেই সময়ের ঘোরালো প্যাঁচালো ইংরাজি পড়াই বেশ পরিশ্রমসাধ্য মানসিক ব্যায়াম। তার উপর অজস্র জমি ও জমির খাজনা সম্পর্কিত ফারসী শব্দ। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সেগুলোর ব্যবহার এতই কম, যে বুঝতে বেশ অসুবিধা হয় প্রথম ধাক্কায়। আর প্রায় ৭০০ পাতার বিশাল কলেবরের পুরো অংশটা জুড়েই তো নীরস অফিসিয়াল কাজের খবরাখবর দেওয়া। তবু সেই রাজস্ব আদায়ের কচকচির আড়ালে ফুটে ওঠে একরকম সমাজের ছবিও। ধৈর্য ধরলে পড়লে তবে তার সন্ধান মিলবে।

লট মহম্মদপুরের ঘটনাটাই যেমন। ১৭৯৯ সালের এপ্রিল মাসে বর্ধমানের কাছারি থেকে লট মহম্মদপুর বিক্রি হয়। সেসময় জনৈক একচক্ষুবিশিষ্ট লোক নিজেকে নীলমণি হালদার পরিচয় দিয়ে সেটি খরিদ করে এবং নিয়মানুযায়ী দামের ১৫% জমা দেয়। পরে বাকি টাকা কোষাগারে ওই নামে জমা দেওয়ার রসিদ দেখিয়ে বার্জেস সাহেবের থেকে সেই লোক বায়নামাও নিয়ে যায়। জুন মাসে আরেক নীলমণি হালদার বার্জেসের কাছে দরখাস্ত করেন যে ওই নীলমণিকে আসলে তাঁর মোক্তারনামাসহ তাঁর হয়ে জমি কিনতে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু কাজের বেলায় মোক্তারনামার কথা চেপে গিয়ে সে জমি নিজের নামে কিনে নিয়েছে। এই নিয়ে ঝামেলা চলে দীর্ঘদিন ধরে, বিস্তর চিঠিচাপাটিও চলে। এই দু নম্বর নীলমণি হলেন কলকাতার লোক। কলকাতায় এঁর একটা বাজারও ছিল, বর্ধমানেই আরও জমিদারি ছিল। অন্যজন, মানে ন পাড়ার বাসিন্দা প্রথম নীলমণিরও, অন্য জমিদারি ছিল। প্রথমজন অবশ্য সেগুলোর কোনোটারই খাজনা জমা দেননি। এইসব কারণে বার্জেস সাহেব লট মহম্মদপুরের জমিটি নিলামে তুলতে পরামর্শ দেন। ইতিমধ্যে কলকাতার নীলমণি হালদার হুগলীর দেওয়ানী আদালতে নীলমণি ওরফে রামহরি, কুঞ্জবিহারী প্রমুখের বিরুদ্ধে মামলা ঠোকেন যে তিনি এই জমি কিনেছিলেন। কিন্তু অভিযুক্তদের ষড়যন্ত্রে জমির অধিকার পাননি। কোর্ট সব শুনে-টুনে কলকাতার নীলমণির পক্ষে রায় দেন। আর কালেক্টরকে নির্দেশ দেন, বাদীর থেকে বাকি টাকা বুঝে নিয়ে তার জমি তাকে ফিরিয়ে দিতে। অতি চেনা বাঙালি জীবনের ছবি!

সে সময়ের ইতিহাস পড়তে গিয়ে যখন বারবার জানা যায়, যে ইংরেজ আমলে খাজনার হার আগের থেকে অনেক বেশি ছিল, অদীক্ষিত পাঠকের একটু আশ্চর্যই লাগতে পারে যে তাহলে একজন জমিদার যেখানে খাজনা না দিতে পেরে জমি নিলামে তুলতে বাধ্য হচ্ছেন, অন্য আরেকজন সেই জমি নিলামে কিনছেন কোন যুক্তিতে? এই প্রসঙ্গে একটা ঘটনা বলা যাক।

কাজী লাল মহম্মদ তিনটে লটের জমিদারি কেনেন মাত্র ৪,৮০০ টাকা দিয়ে। এই তিনটে লটের মোট রাজস্ব ছিল ৩০,০০০ টাকার কিছু বেশি। খাজনা দেওয়ার সময় হলে তিনি কোম্পানি বাহাদুরের কাছে রাজস্ব কমানোর আবেদন জানান। কারণ হিসাবে জানান, বাড়ি থেকে অনেক দূর হওয়ায় তিনি কেনার আগে লটের অবস্থা সম্বন্ধে ঠিকমত জানতে পারেননি। আর লটের নিলামের বিজ্ঞাপনে রাজস্বের পরিমাণ বলা ছিল না। বার্জেস সাহেব প্রবল আপত্তি জানান। নিখুঁত যুক্তি দিয়ে তিনি দেখান যে সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কাজী সে সুযোগের সদ্ব্যবহার করে খবরাখবর নেননি। তার মানেই তো তিনি জেনে বুঝে ঝুঁকি নিয়েছেন। এরপর বার্জেস সাহেব অনাদায়ী খাজনার দাবিতে ওই লট নিলামে তোলার ব্যবস্থা করেন। কাজী সাহেবের লটের থেকে যা আদায়, সেটা খাজনা মেটানোর জন্য তা যথেষ্ট এটা তিনি ভাল করেই জানতেন। সেইসঙ্গে তিনি এও জানান যে কাজী কাগজপত্র জালি করায় কুখ্যাত। তার অত্যাচারে রায়তদের দেশ ছেড়ে পালাতে হয়। তার উপর তিনি প্রথম থেকেই টাকা না দেওয়ার ছল করছেন। টাকা না দিলে তাঁকে জেলে পোরার পরামর্শ দেন।

আরও মজা লাগে সরকারের কাছে জমা পড়া বিভিন্ন আবেদন দেখলে। যেমন মহম্মদপুরের দশ আনির জমিদার আনন্দ চন্দ্র রায়ের উকিল নীলকান্ত দরখাস্ত দিয়েছেন, যে তাঁর মক্কেল বেনামে বৈকুন্ঠনাথ মল্লিকের নামে জমি কিনেছিলেন। সেই পরগণার খাজনাও তিনি নিজেই উকিল মারফত জমা দিয়েছেন। এখন বৈকুন্ঠনাথের বিরুদ্ধে আদালত রায় দেওয়াতে সেই পরগণার মালিকানার টালমাটাল দশা। তাই উকিল জানাচ্ছেন ওটা বৈকুন্ঠনাথের আসলে সম্পত্তি নয়। আরও বিভিন্ন উদাহরণ থেকে দেখা যায়, বেনামে জমি কেনা কত সাধারণ ব্যাপার ছিল। কবে এবং কোন কোন পরিস্থিতিতে এই বেনামে জমি কেনার প্রথার উদ্ভব তা নিয়েই পুরোদস্তুর গবেষণা হতে পারে হয়ত। এছাড়াও এই বইয়ের একেবারে গোড়াতেই রায়তদের কাছারিতে ধরে এনে অত্যাচার করার কথা আছে। এই অত্যাচার করার অভ্যেসই বা কবে থেকে শুরু? ইতিহাস কী বলে?

উপনিবেশবিরোধী ইতিহাস যাঁরা লেখেন, তাঁদের কেউ কেউ নবাবী আমলকে প্রায়-স্বর্ণযুগ বলে দেখান। অথচ ইংরেজ আমলের এই ঊষালগ্নেও বাঙালি সুবিধাভোগী শ্রেণির যেসব ছলনা-শঠতা-অমানবিকতা-প্রজা অত্যাচারের কাহিনী জানা যায়, তাতে খুবই সন্দেহ জাগে মাত্র ২৫ বছরে একটা জাতের এমন আমূল পরিবর্তন ঘটে যেতে পারে কিনা। নাকি এসবই বাঙালির চিরায়ত সামন্ততান্ত্রিক উত্তরাধিকার? মনে রাখতে হবে, গোটা বাংলা জুড়ে এই সময়েও কিন্তু নব্য জমিদারদের প্লাবন হয়নি। দেশের মাথাদের একটা বড় অংশ তখনও পুরনো মানী লোকেরাই।

আরও কত যে বিভিন্ন ধরনের খবর জানা যায়! যেমন ১৭৯৮ সালে চৌকিদাররা কালেক্টরের কাছে সমবেত আবেদন করেছেন, যে তাঁরা বংশানুক্রমে ঘাটোয়াল আর চৌকিদারের কাজ করেন। বিনিময়ে জমিদারের থেকে কিছু জমি পান। আর জমিদারকে প্রত্যেকে আঠেরো আনা সেলামী দিতেন। কিন্তু এখন আমলারা আরও বেশি সেলামী চাইছেন। তাই তাঁরা কালেক্টরের কাছে আবেদন জানাচ্ছেন যে তাঁদের যেন আঠেরো আনার বেশি সেলামী দিতে না হয়। প্রথম যূথবদ্ধভাবে দাবি জানানোর এটাই কি শুরু?

আরো পড়ুন ধ্বংসের পথে পশ্চিমবঙ্গ: ঐতিহাসিক দলিল হয়েও সমসাময়িক

রাজস্ব সংক্রান্ত কথায় মেয়েদের উপস্থিতি খুব বেশি পাওয়া না গেলেও রানী বিষ্ণুকুমারীর কথা বাদ দিয়ে বর্ধমানের রাজস্বের ইতিহাস সম্পূর্ণ হয় না। তাঁর প্রতি রাজপুরুষরা কিন্তু শ্রদ্ধাই প্রদর্শন করেছেন। আরও আছে জনৈকা রামধনীর (Rumdunney) কথা, যিনি নিধিরাম রায়ের বিধবা। ১৭৯০ সাল থেকেই কিস্মত দোগাছিয়ার সর্বারাকার হিসাবে কাগজপত্রে তাঁর নাম রয়েছে, এমনটাই ১৭৯৯ সালে কালেক্টর জানিয়েছেন। আরও জানা যায়, মহম্মদ আজাহারের স্ত্রীর আবেদনের ভিত্তিতে স্বামীর মাসোহারা তাঁর হাতেই তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। এমনকি সেই সময়ের ইংরেজ আদালতে এক মুসলমান বিধবার সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে কেস চলছে বলেও জানা যায়।

এইরকম অজস্র ঘটনার সন্ধান পাওয়া যাবে পাতায় পাতায়। তারা যেমন ইতিহাস চেনায়, তেমনই চেনায় সমকালকে। বলতে গেলে মহাভারত। তাই এখানেই থামা যাক। যে কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এই হাতে লেখা চিঠির পাঠোদ্ধার করে বই হিসাবে ছাপানো সম্ভব হয়েছে, সেই কর্মীদের ধন্যবাদ জানানোর ভাষা নেই। পড়তে পড়তে শুধু মনে হচ্ছিল, যদি এই বইয়ের একটা সটীক খণ্ড প্রকাশ করা যেত, সে যে আরও কত মনোগ্রাহী হত! তবে যা পাওয়া গেছে তার জন্যেই সম্পাদকযুগলের অসীম কৃতজ্ঞতা প্রাপ্য। এই বইয়ের সম্পাদনার কাজে অশোক মিত্রের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন রণজিৎ গুহ। তাঁর লেখা একটি তথ্যে ঠাসা, টানটান অনবদ্য ভূমিকা এই বইয়ের আর একটি সম্পদ।

WEST BENGAL DISTRICT RECORDS: NEW SERIES (LETTERS ISSUED: 1788-1800)
প্রকাশ: ১৯৫৬
প্রাপ্তিস্থান: https://archive.org

মতামত ব্যক্তিগত

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.