শ্রীমু
জনৈক প্রথিতযশা টালিগঞ্জি পুং পরিচালক (যাকে প্রায়শই সুমনের গানওলা অনুষ্ঠানে দেখা যায়)
তবে যে বললে কিচ্ছু হচ্ছে না? এই তো হচ্ছে। মানুষের ঢল প্রতিটা রাত দখল নিচ্ছে। বদলে যাচ্ছে প্রতিবাদের রং, স্লোগানের ভাষা। দলহীন, বর্ণময় নতুন রাজনীতির আশায় বুক বাঁধছে এক আশ্চর্য নাগরিক আন্দোলন। এটাই তো কাম্য, এরই নাম গণতন্ত্র। আমার কিন্তু দারুণ রোমাঞ্চ হচ্ছে। মানে এই পদাতিক আমরা যখন গত সন্ধেবেলা কলেজ স্কোয়্যার থেকে শ্যামবাজার হাঁটছিলাম তখন প্রত্যক্ষ করছিলাম ভয় নয়, ক্রোধ জন্মাচ্ছে। এই অঘটন কেবল এক তরুণী চিকিৎসকের সঙ্গে ঘটে যাওয়া অন্যায় নয়। সমগ্র নারী জাতির অপমান। এই অপমানের বিচার চাই।
জনৈক ফচকে হুতোমি আনাড়ি
বিচার চাই তো বটেই স্যার। সাধারণ মানুষ তো কবে থেকেই কত অপকম্মের বিচার চাইছে। পার্ক স্ট্রিট, সারদা, নারদা, কামদুনি, শীতলকুচি, সন্দেশখালি। তালিকা তো বেড়েই চলেছে। কিন্তু আপনাদের এরকম রাস্তায় নামার ঢল তো এর আগে বিশেষ দেখা যায়নি, তাই বলছিলাম আর কি। আবার নামলেন তো নামলেন, এরকম কোমর বেঁধে লাগাতার হাঁটাচলা, ফেসবুকে পোস্ট আর রিলের ছড়াছড়ি। মানে শহরে তো কান পাতা ভার। রাস্তায় লোকারণ্য, ঢাকের বাদ্যি, ধুনোর ধোঁ, বড় মানুষদের ভিড়ে যাদবপুর, কলেজ স্কোয়্যার, শ্যামবাজার সরগরম। এরকম এলাহি আয়োজনে সাধারণ মানুষ তো জুনিয়র আর্টিস্টের পার্টটাই করবে স্যার, তাই না?
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
[এই সময়ে গাড়ি থেকে একঝাঁক টলি অভিনেতা অভিনেত্রীদের নামতে দেখা যায়। তাদের চলার সুবিধের জন্য সাধারণ মানুষ রাস্তার এক ধারে সরে যায়, কিছুটা সরুও হয়ে যায়। কয়েকজন ফোনে ফেসবুক লাইভ শুরু করে। সমবেত কণ্ঠে গান শোনা যায়।]
গান
টলি থেকে এল ওরা,
গুণীজন, কুর্তি পরা
পদভারে কাঁপে ধরা,
আরবানা নিবাসী তারা।
পিসিদিদির মান,
এবে হবে খর্বমান,
সুখে রাজ্য দখল হবে,
সন্দীপ ঘোষ পড়বে ধরা।।
জনৈক প্রথিতযশা টালিগঞ্জি পুং পরিচালক (এক অভিনেত্রীকে হাত তুলে ‘তোমাকে অভিবাদন, প্রিয়তমা’ করতঃ এগিয়ে যেতে যেতে)
দ্যাখো হে, আমরা আগেও পরিবর্তনের পক্ষে ছিলাম, এখনো আছি, পরেও থাকব। শিল্পী আমরা। একটা দায়বদ্ধতা আছে সমাজের প্রতি, শিল্পের প্রতি, নারীর সম্মানের প্রতি। আর আগে নামিনি তো কী হয়েছে, এখন তো নেমেছি। সেটাই বড় কথা নয় কি? আমাদের দেখে কত মানুষ সাহস পাচ্ছে, তারাও রাস্তায় নামছে, রাত দখল করছে। একটা জনগণআন্দোলন গড়ে উঠছে। সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে স্লোগান। আসলে আমরা অত্যন্ত বিরক্ত। বারবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। ঠিকই বলেছ তুমি। কখনো কামদুনি, কখনো দিল্লি, কখনো আমাদের শহর কলকাতায়। পথে নেমে প্রতিবাদ ছাড়া আমি তো আর কোনো বিকল্প রাস্তা দেখছি না। জানো তো, আমার মেয়ে ডাক্তারি পড়ছে। অনেক স্বপ্ন তার। বিদেশে না গিয়ে নিজের দেশে সেই স্বপ্ন পূরণ করতে চায়। এর পরেও কি সে আর দেশে থাকতে চাইবে?
হুতোমি আনাড়ি
ভয় পাচ্ছেন স্যার? শিরদাঁড়ায় কীরকম একটা ঠান্ডা ঠান্ডা স্রোত বইছে? আগের ঘটনাগুলো সব দূরে দূরে গ্রামেগঞ্জে হত, এখন একেবারে দোরগোড়ায় হচ্ছে। তাই মনে হচ্ছে এবার নয়ত নেভার? তা ভাল। বোধ ও সূর্য এই দুয়ের উদয় দেরিতে হলেও হওয়া দরকার, নাহলে এ ঘোর কলি কাটবে কী করে? তা বেশ। কিন্তু বিচার চাইছেন কার কাছে?
জনৈক প্রথিতযশা টালিগঞ্জি পুং পরিচালক (এখন উনি দলে ভারি, যূথবদ্ধভাবে অভিনেতা অভিনেত্রীদের সঙ্গে হাঁটতে হাঁটতে)
কেন? প্রশাসনের কাছে। সরকারের তো একটা দায়বদ্ধতা আছে। নির্যাতিতার বাবা-মাকে জবাব দেওয়ারও তো একটা দায়বদ্ধতা আছে। সাধারণ নাগরিক হিসেবে আর কী কী করতে পারি যাতে সরকারের ঘুম ভাঙে, সেটাই দেখছি। নির্যাতিতার বাবা-মাও তাই চান।
হুতোমি আনাড়ি
সাধারণ নাগরিক! তাদের কথা ছেড়ে দিন স্যার। তারা নিজেদের মত আঁক কষতে শুরু করে দিয়েছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, দুধে ভাতে পোষা কালসর্প সবকিছুর হিসেবনিকেশ চলছে। ঠিক সময়ে পায়ের তলা থেকে সবুজ কার্পেটটা সরিয়ে নেবে। ওই যে পদ্যে আছে না, ‘কোনো মাথা নামে আর কোনো মাথা ওঠে, জনতার ভাগ্যে ছিটেফোঁটা জোটে।’ যা-ই হোক, আপনারা নিজেদের সাধারণ নাগরিক বলে ছোট করবেন না। আপনারা হলেন গুণিজন। আপনারা যাতে বাঙালির শ্রীবৃদ্ধি হয়, মান বাড়ে, সেসব কাজের গুরুদায়িত্বে আছেন। আর সেইজন্যই না রাজ্য সরকার আপনাদের গত দশবছরে চকোলেট, টফি এসবের নিয়মিত সাপ্লাই দিয়ে গেছে? সেটাও তো একটা দায়বদ্ধতা থেকে, তাই না স্যার? সেগুলো যে হাত পেতে নিয়ে চেটেপুটে খেয়েছেন, আজ সেই হাতেই পোস্টার ধরছেন, ‘শাসক তোমার কিসের ভয়, ধর্ষক তোমার কে হয়?’ এটা কেমন দৃষ্টিকটু হয়ে যাচ্ছে না স্যার?[এসব শুনে মোক্সা কবি সমুদ্দুর রায়ের মত ফোঁস ফোঁস করতে করতে এগিয়ে এলেন এক বিপ্লবী অগ্নিকন্যা অভিনেত্রী ও সাবেক বেপথু অধুনা পুনর্বামপন্থী অভিনেতা তাজউদ্দিন আহমেদ। হুঙ্কারে হুতোমি আনাড়ির পথরোধ করে দাঁড়ালেন তাঁরা। ঠিক যেন মাইকেল বর্ণিত, শিঞ্জিনী আকর্ষি রোষে টঙ্কারিলা ধনুঃ বীরেন্দ্র,পক্ষীন্দ্র যথা নাদে মেঘমাঝে ভৈরবে। কাঁপিলা এইট বি, কাঁপিলা জলধি!]
অভিনেত্রী
অভিনেতাদের পাওয়া পুরস্কার-সম্মান নিয়ে ব্যঙ্গ করার সাহস তোমার হয় কী করে? সকলে জানেন, কাউকে তোষামোদ করে নয়, নিজের যোগ্যতায় এই সম্মান পেয়েছিলাম। আজ সেই পুরস্কার ফিরিয়ে দেওয়ার ইমেল লিখতে কতটা কষ্ট হয়েছে, শুধু আমিই জানি। (ঈষৎ নিখাদ চোখের জল)।
ঘরের যে দেওয়ালে পুরস্কারের ছবিটি ছিল, সরিয়ে দিয়েছি।অভিনয়ের বাইরে কিছুই জানি না। আজীবন ওটাই করে যাব।
হুতোমি আনাড়ি
(সশব্দে ঢোঁক গিলে পিছু হটে। ভাবে, হা হতোস্মি! কী নিদারুণ সত্যবচন!)
ম্যাডাম, আপনার কষ্ট বোঝার চেষ্টা করছি। কিন্তু শাসকের দেওয়া পুরস্কার দেওয়ালে ঝোলানোর আগে ভাবা উচিত ছিল সেটা ফেরতযোগ্য কিনা। এ তো ঠিক মায়ের দেওয়া মোটা কাপড় নয়। যাকগে, ফেরত দিয়েছেন বেশ করেছেন। আর আমি তো ব্যঙ্গ করি নাই, করল তো কামিনী কাঞ্চন। ওনার বলার ধরনটা কীরম যেন। কিন্তু কথাগুলো…
(এবারে অভিনেতার দিকে তাকিয়ে ভয়ে ভয়ে)
আচ্ছা স্যার আপনাকে নাকি উনি, একদা আপনি যখন পুরস্কার নিয়েছিলেন, তখন এরকম কিছু একটা বলেছিলেন যে, ‘ওই মহিলার সামনে মাথা ঝুঁকিয়ে পুরস্কার নিলি? আইপিটিএ করা তোর বাবা উপরে গিয়ে খাবি খাচ্ছেন আজ। ছিঃ, ওই বাপের এই ছেলে!’
অভিনেতা
আলবাৎ বলেছিল। কিন্তু সে প্রমাণ তো আমি এখন আর দিতে পারব না। হোয়াটস্যাপ কল তো, বুঝতেই পারছ রেকর্ড করা যায়নি। তাই এখন প্রায়শ্চিত্ত করছি। আমার কাছে এখন এক লক্ষ টাকা নেই। কাজের অবস্থাও ভাল নয়। কিন্তু পুরস্কার তো ফিরিয়ে দেবই। দরকার হলে ধার করে ওই এক লক্ষ টাকাও ফিরিয়ে দেব।
হুতোমি আনাড়ি (একটু সাহস পেয়ে)
তার মানে স্যার সেদিন পুরস্কার নেওয়াটা পাপ হয়েছিল বলুন, নইলে প্রায়শ্চিত্ত করতে হচ্ছে কেন এখন? আর দরকার হলে টাকাটা ফিরিয়ে দেবেন বলছেন, কার দরকার স্যার? সরকারের?
[অভিনেতা এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেন না। তিনি এগিয়ে যান। মিছিলে স্লোগান ওঠে, তিনি তার সঙ্গে মন্দ্রকণ্ঠে গলা মেলান]
ভোর হল দোর খোলো
বিনীত গোয়েল ওঠো রে,
হাওয়াই চটি দাঁড়িয়ে আছে
আস্তে করে চাটো রে।
[এমন সময় নিকটে খট খট শব্দ শুনে হুতোমি আনাড়ি সচকিত হয়ে পিছন পানে তাকায়, দেখে গামবুট পরিহিতা, ফুটপাথবর্তী তীরে বেণী পাকাইয়া শিরে এক রাশভারী অভিনেত্রী তাকে রোষনেত্রে ভস্মীভূত করতে উদ্যত। আনাড়ি মানে মানে চম্পট দেওয়া শ্রেয় মনে করে পা চালাতে যাবে, অমনি আলফা অভিনেত্রী তার হাতটা খপাৎ করে চেপে ধরে।]
আরো পড়ুন ফেস্টিভ্যালের মরসুম
আলফা অভিনেত্রী
এই যে বেয়াদব। এটা মানুষের অধিকারের লড়াই। ঐতিহাসিক ভুলগুলোর ময়না তদন্ত করে সাম্যের লক্ষ্যে প্রতিরোধে আমরা সবাইকে পাশে চাই। এখানে গণ্ডগোলের সলতে পাকানো লোকেদের আমাদের প্রয়োজন নেই। ফলে তুমি কেটে পড়ো হে, না হলে গণধোলাই খেয়ে যেতে পারো যে কোনো সময়ে। কর্মক্ষেত্রে যৌন হেনস্থার ভয়াবহ শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন আর জি কর হাসপাতালের কর্মরতা ডাক্তার। সারা বাংলা আজ তার প্রতিবাদে উত্তাল। নাটক, চলচ্চিত্র কোনোটাই এর থেকে মুক্ত নয়। তাই আমরা পথে নেমেছি এর একটা বোঝাপড়া করতে, একটা পদক্ষেপ নিতে। দেখছ তো জালে একটা একটা করে রাঘব বোয়াল ধরা পড়ছে?
হুতোমি আনাড়ি
সিল-সিন্ধুঘোটকের কথা বলছেন? শুক্লা চতুর্দশীর দিন যিনি ডুবে গেলেন? গব্ গব্ গবা-স্।
আলফা অভিনেত্রী
এ তো সবে শুরু। আরও কত রাঘব বোয়াল খাবি খায় দেখ!
হুতোমি আনাড়ি
সে তো বুঝলুম। কিন্তু উনিও তো রাত দখলের মিছিলে হেঁটেছিলেন। তখন তো বাদ দেননি। ক্যান্সেল করে দিতে পারতেন। আপনারা তো সমাজমাধ্যমে বিভিন্ন মানুষকে ‘ত্যাগ দিচ্ছেন’, তা এর বেলা? নাকি সেইসময় সেলিব্রিটির প্রয়োজন ছিল? স্টার পরিচালক বলে কথা। আর এখন গর্তে পড়েছে তাই সবাই পুরনো কীর্তিকলাপের বাক্সপ্যাঁটরা একেবারে উজাড় করে দিচ্ছে।
আলফা অভিনেত্রী
তখন যথেষ্ট প্রমাণ ছিল না। সুযোগের অপেক্ষা করছিলাম। আর আমি একা বললেই তো হবে না, যাদের হেনস্থা করা হয়েছে তাদের তো এগিয়ে আসতে হবে। কথা বলতে হবে।
হুতোমি আনাড়ি
তার মানে ওনার মত আরও বেশ কিছু মলেস্টর, আপনাদের সঙ্গে এখনো লং মার্চ করছে, ‘কিসের ভয় সাহসী মন’ গাইতে গাইতে? হায়! যাদের জন্মগ্রহণে বঙ্গভূমির দুরবস্থা দূর হবার প্রত্যাশা করা যায়, যারা প্রভূত গুণের অধিপতি হয়ে স্বজাতিসমাজ ও বঙ্গভূমির মঙ্গলের জন্য কায়মনে যত্ন নেবে, সেই মহাপুরুষরাই ভয়ানক দোষ ও মহাপাপের আকর হয়ে বসে রইলেন এর বাড়া আর আক্ষেপের বিষয় কী আছে? আর আপনারা যথেষ্ট প্রমাণ না পেলে তাদের কিছু বলবেন না, বেনিফিট অফ ডাউট দিয়ে যাবেন। এইটা ম্যাডাম, ঐতিহাসিক ভুল হয়ে যাচ্ছে না তো? যেমনটা ধরুন স্মৃতি ইরানির হাত থেকে আপনার আদানি পুরস্কার নেওয়ার মত? মানে বিজেপি তো ধর্ষকদের মালা পরিয়ে মিছিলে সংবর্ধনা দেয়, তাই বললাম আর কি। একটু ভেবে দেখবেন।
আলফা অভিনেত্রী
ডেঁপোমি কোরো না। এটা পার্সোনাল অ্যাটাক হয়ে যাচ্ছে। আমরা আপাতত সবাইকে পাশে রেখেছি। আমরা তো চাইছি এখানেও হেমা কমিশনের মত তদন্ত হোক। সত্যিটা সবাই জানুক।
হুতোমি আনাড়ি
সবাইকে পাশে রাখতে চান তাহলে দলীয় পতাকা নিয়ে লোক এলে অসুবিধে হচ্ছে কেন? রুদ্রনীল মশাই এলে হাঁটবেন তো পাশাপাশি? অপর্ণা সেন এলে তাকে চটিচাটা বলে গাল পাড়তে হচ্ছে কেন? ঋতুপর্ণাকে উদ্দেশ্য করেই বা বোতল ছুড়তে হচ্ছে কেন? এনারা আপনাদের থেকে বড় মাপের আইকন বলে কি? ম্যাডাম সত্যি করে বলুন তো, আপনাদের এই পথে নামার আসল উদ্দেশ্য কী? রিক্লেম দ্য নাইট, না টালিগঞ্জের রিক্লেম ইয়োর রেলিভেন্স কায়েম করার অন্তিম চেষ্টা? বাংলা সিনেমার এই নিভু আঁচে আপনারা একটু পিঠ সেঁকে নিতে চাইছেন? সরে দাঁড়ান প্লিজ। সুরক্ষা ইস্তেহারের সাহায্যে ঘরদোর পরিষ্কার করুন, ঝেঁটিয়ে বিদেয় করুন ময়লা। শুধু জুনিয়র আর্টিস্ট, থুড়ি সাধারণ মানুষকে, এই বোঝাপড়াটা তাদের মত করে নিতে দিন। জনতার হাতে হাতে ঘুরুক প্রতিবাদ নিশানের মত। স্বতঃস্ফূর্ত সামাজিক আন্দোলন রাজনৈতিক হোক। তারকাখচিত না হলেও চলবে।
মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।








