তারা আসগর
সেভেন্টি ফোর্থ স্ট্রিটে বসন্তের বাতাসে ভাসছে তাজা সামোসার মশলা এবং গ্যাস বার্নারের উপর ভাজার শব্দ। নিউ ইয়র্কের কুইন্স বরোর প্রাণকেন্দ্র জ্যাকসন হাইটস, যেখানে দিল্লির চাঁদনি চক আর ঢাকার গুলিস্তানের ঘর ঘেঁষাঘেঁষি। সেই পথেই এক বিকেলে আচমকা উঠে এল মিছিল। শাড়ি‑ফড়িং আন্টিরা হাতে পোস্টার ধরে, পাশে পাঞ্জাবি পরা আঙ্কেলরা ঢাকের তালে পা মেলালেন এবং সকলে একবাক্যে স্লোগান তুললেন ‘আপনার মেয়র, আমার মেয়র, মামদানি, মামদানি।’ হঠাৎই মনে হল, ম্যানহাটনের গ্লাস স্কাইলাইন কোথাও পিছনে সরে গেছে, দৃশ্যপটে রয়েছে ঢাকার শাহবাগের উত্তেজনা, কলকাতার ধর্মতলার টুকটুকে রাজনীতি। সে মিছিলের কেন্দ্রস্থলে দাঁড়িয়ে আছেন জোহরান কোয়ামে মামদানি। সুচারু ছাঁটা দাড়ি, দুই টুকরো স্যুট আর একরাশ আত্মবিশ্বাস। স্বপ্ন দেখাচ্ছেন যে একজন বাদামি, দ্বিতীয় প্রজন্মের অভিবাসীও নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র হতে পারে।
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
এই দৃশ্য দেখেই প্রশ্ন জাগে, আফ্রিকীয়‑ভারতীয় পরিবারের সন্তান, ম্যানহাটনের অভিজাত অ্যাপার্টমেন্টে বড় হওয়া, ব্রংক্স হাইস্কুল অফ সায়েন্স নামে নিউ ইয়র্কের সবচেয়ে কঠিন প্রবেশিকা পরীক্ষাসম্পন্ন স্কুলে পড়াশোনা করা, পরে মেইনের বউডিন কলেজের ব্যয়বহুল লিবারাল আর্টস ক্যাম্পাসে চার বছর কাটানো মামদানি কী করে সাধারণ মানুষের নাগালে থাকতে পারলেন? কীভাবে তিনি কুইন্সের রুজিরুটির লড়াইয়ে থাকা বাংলাদেশি এবং ভারতীয় অভিবাসীদের চোখে ‘নিজের ছেলে’ হতে পারলেন? সে গল্পে আছে যৌন রাজনীতি, সোশাল মিডিয়ায় প্রভাব, হিন্দুত্ববাদের বিরোধিতা। সেইসঙ্গে আছে সেই পুরোনো প্রশ্ন – শুধু প্রতিনিধিত্ব থাকলেই কি দীর্ঘকালীন ব্যবস্থার জগদ্দল পাথর সরানো যায়?
অভিজাত বেড়ে ওঠা, তবু প্রান্তিকতার দাবি
মামদানি ১৯৯১ সালে কামপালায় জন্মান। বাবা মাহমুদ মামদানি উত্তর-ঔপনিবেশিক তত্ত্বে বিশ্ববরেণ্য, মা মীরা নায়ার সালাম বম্বে (১৯৮৮), মনসুন ওয়েডিং (২০০১), দ্য নেমসেক (২০০৬)-এর মত ছবির পরিচালক। পরিবার যখন সাত বছরের জোহরানকে নিয়ে ম্যানহাটনের আপার ওয়েস্ট সাইডে এসে দাঁড়ায়, তখন সেই ব্লকে বইয়ের দোকান, সিম্ফনি অর্কেস্ট্রা, আর্ট গ্যালারি – সবকিছু ছিল। এরপর ব্রংক্স হাইস্কুল অফ সায়েন্স। স্কুলটি সরকারি হলেও ভর্তির পরীক্ষা এমন কঠিন যে নিউ ইয়র্কের মাত্র ৩% ছাত্রছাত্রী টিকে থাকে। স্কুলের দেয়ালে নোবেলজয়ী পদার্থবিদদের ছবি, বিতর্কসভায় চ্যাম্পিয়ন হওয়া ছাত্রছাত্রীদের ট্রফি, ঘরে ঘরে ল্যাবরেটরি। সন্ধ্যায় কোচিং ছাড়া বাঁচা মুশকিল।
তারপর বউডিন কলেজ। মেইনের উপকূলে পাইন বনের মাঝে ছোট্ট ক্যাম্পাস, ছাত্রসংখ্যা দু হাজারের কম, এক বছর পড়ার খরচ ৭০,০০০ ডলারের কাছাকাছি আর প্রাক্তনীদের তালিকায় একাধিক মার্কিন রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে উইকিপিডিয়ার সহ‑প্রতিষ্ঠাতা – সকলেই আছেন। একেকটা ক্লাসে থাকে হাতে জনা দশেক ছাত্র, প্রফেসর স্টাডি সেশনে নাম ধরে ডাকেন এবং ফাইনালে থিসিসের কমিটি বানিয়ে দেন। কোনো গড় দক্ষিণ এশীয় মধ্যবিত্ত পরিবার এসব কল্পনাও করতে পারে না। অথচ মামদানির জীবনে এই স্কুলজীবন, কলেজজীবন স্বাভাবিক পদক্ষেপ।
কিন্তু কলেজের পরে কনসালটেন্সি ল্যাপটপ নয়, তিনি বেছে নেন কুইন্সের অ্যাস্টোরিয়া। ভাড়া করেন এক ভাগাভাগির অ্যাপার্টমেন্ট, চাকরি নেন হাউজিং কেস‑ওয়ার্কার হিসাবে, ফিল্ডে যান বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার নোটিস পাওয়া কাঁদতে থাকা পরিবারগুলোর সঙ্গে। সেখানেই টের পান, হোটেলের ওয়েটার, ডেলিভারি রাইডার, ট্যাক্সিচালকদের নিউ ইয়র্ক আর আপার ওয়েস্ট সাইডের ব্রেকফাস্ট ব্রানশের মধ্যে আকাশপাতাল দূরত্ব। ২০২০ সালে জর্জ ফ্লয়েডের হত্যা এবং করোনায় আক্রান্ত শহর তাঁকে রাজনীতিতে টেনে আনে। ডেমোক্র্যাটিক সোশালিস্ট অফ আমেরিকার সমর্থন পেয়ে স্টেট অ্যাসেম্বলিতে নির্বাচিত হন। এখন লক্ষ্য সিটি হল।
কালচারাল কার্নিভাল আর ‘হটনেস’ রাজনীতি
মেয়র পদে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে নেমেই মামদানি দেখালেন – রাজনীতি মানে শুধু নীতি‑প্রস্তাব নয়, বরং স্টাইল এবং কামনা। টিকটকে HotGirls4Zohran আর Gays4Zohran, ইনস্টাগ্রামে রিল, টোট ব্যাগ, পপ‑আপ মার্চেন্ডাইজ, সবকিছু একই সুরে বলে ‘যদি আপনি হট হতে চান, মামদানিকে ভোট দিন।’ টোট ব্যাগ হাতে হাঁটলে যেন বোঝায়, আপনি ‘হট’, আপনি ‘উয়োক’, আপনি ইতিহাসের বিচারে সঠিক পক্ষ নিয়েছেন।
হলিউড অভিনেত্রী সিন্থিয়া নিক্সন, যিনি সেক্স অ্যান্ড দ্য সিটি সিরিজে মিরান্ডা চরিত্রে অভিনয় করে জনপ্রিয় হয়েছিলেন, মামদানির পক্ষে সভায় এসে বলেন ‘নিউ ইয়র্কের ভবিষ্যৎ এক প্রগতিশীল ব্রাউন তরুণের হাতে থাকা উচিত।” নিক্সন নিজেও প্রগতিশীল রাজনীতিতে পরিচিত মুখ, ২০১৮ সালে গভর্নর পদের জন্য লড়েছিলেন। সিনথিয়ার উপস্থিতি দেখিয়ে দিল, মামদানি শুধু নীতির ছাত্র নন, সংস্কৃতি জগতে আলো টেনে নিতেও জানেন।
সামোসা সংহতি, ভাষা এবং স্মৃতি
ব্রুকলিনের কাউন্সিলর শাহানা হানিফের সঙ্গে বসে তৈরি করা মামদানির বাংলা প্রচার ভিডিও দুদিনে এক লাখের বেশি ভিউ পায়। ঈদের মিষ্টি সামনে রেখে তাঁরা র্যাংক‑চয়েস ব্যালট ব্যাপারটি বুঝিয়ে দেন। বয়স্ক প্রবাসীরা খুশি ‘ছেলেটা আমাদের ভাষায় কথা বলে’। তাঁদের দ্বিতীয় প্রজন্ম বলে ‘বাংলা এসে গেল ফোর ইউ পেজে।’
এই দ্বিমুখী আবেগ থেকেই জন্ম সামোসা সংহতির, যেখানে স্মৃতি আর সোশাল মিডিয়া ট্রেন্ড হাত ধরাধরি করে চলে। আপা‑আম্মারা বলেন, ‘বাংলা শুনে বুক ভরে গেল’। তাঁদের ছেলেমেয়েরা বলে ‘বাংলা ট্রেন্ডিং!’। স্মৃতিমেদুরতা আর অ্যালগরিদম জোট বাঁধে। এখানে ভাষা স্মৃতি উস্কে দেয়, মিম প্রভাব বাড়ায়। ফলে বাংলা এখন ভোটার রেজিস্ট্রেশন বুথের ফ্রি কর্নার থেকে টিকটক সাউন্ডে। তবে উবের চালানোর ক্লান্তি, মাল ডেলিভারির শিফট বা হাসপাতালে রাতের টহলে মামদানি ছিলেন না। ছবিতে স্যুট আর ট্যাক্সি‑ভেস্ট চমক জাগায়, অভিজ্ঞতার দূরত্ব ধরা পড়ে না। এটা বাস্তব দূরত্ব, যা ছবি আর সোশাল মিডিয়ায় ধরা পড়ে না।
ডেটিং‑অ্যাপ ও যৌন রাজনীতি
নিউ ইয়র্কের জেন‑জি ভোটাররা রাজনীতি বেছে নেন ঠিক ডেটিং অ্যাপ থেকে সঙ্গী বেছে নেওয়ার মত করে। মানে তাঁরা প্রোফাইল ইনফো, ছবি, স্বচ্ছতা এবং নিজের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য বিচার করেন। মামদানি সবদিক থেকেই তাঁদের মনের মানুষ হয়ে উঠতে পেরেছেন, বাড়তি আকর্ষণ তাঁর স্বীকারোক্তি। এক রেডিও সাক্ষাৎকারে তিনি খোলাখুলি বলেন, স্ত্রীর সঙ্গে আলাপ হয়েছিল হিঞ্জ অ্যাপে। মেয়র পদপ্রার্থী যখন ডেটিং অ্যাপ সম্পর্কে হাসতে হাসতে কথা বলেন, তখন তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি হয়ে দাঁড়ান কলেজের সিনিয়র, যার সঙ্গে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা যায়।
এই কাছের মানুষ হতে পারা প্রচারাভিযানের পণ্য হয়ে ওঠে। ব্রুকলিনের সাউথ স্লোপের একটি বারে আয়োজিত হয় ‘জোহরান লুকঅ্যালাইক নাইট’। দাড়ি ছাঁটা, স্যুট‑টাই পরা, পকেটে কফি রঙা পকেট স্কোয়্যার রাখা দক্ষিণ এশীয় যুবকদের লাইন। বিজয়ী হন এক বাঙালি ছাত্র, ইনস্টাগ্রামে ছড়িয়ে পড়ে ‘বয়ফ্রেন্ড গোলস’ মিম। রাজনীতি হঠাৎ যৌন আকর্ষণের ভাষায় কথা বলে, আর ভোটারদের মনে হয় ‘সঠিক দিকে দাঁড়িয়ে আছি, কারণ আমরাও হট।’
মোদী বনাম মামদানি, ভারতীয়‑আমেরিকান বিভাজন
এই বিষয়টি খোলসা করতে গেলে নিউ ইয়র্কের উপশহর নিউ জার্সি, টেক্সাসের শহরতলি এবং ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন ভ্যালি টাউন হাউসে চোখ রাখতে হয়। প্রথম প্রজন্মের ভারতীয়‑আমেরিকানদের বড় অংশ হিন্দুত্ববাদী সংগঠনে টাকাপয়সা দেন, নরেন্দ্র মোদীকে সমর্থন করেন এবং ২০২০ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচারাভিযানে অর্থসাহায্য করেছিলেন। তাঁদের চোখে মামদানি হলেন ‘ভারতবিরোধী’, ‘খালিস্তানপন্থী’, ‘ইসলামপন্থী’। ফেসবুক গ্রুপগুলোতে তাঁকে ব্লক করা হয়, মন্দিরের হলঘরে তাঁর স্বেচ্ছাসেবকদের প্রবেশ বন্ধ করা হয়। অন্যদিকে দ্বিতীয় প্রজন্মের প্রগতিশীল ভারতীয়‑আমেরিকানরা, যাঁরা গুজরাটি, তামিল, বাঙালি বা মালয়ালি পরিবারে জন্মেও ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ আন্দোলনে যুক্ত, প্যালেস্তাইনের পক্ষে, লিঙ্গ রাজনীতি নিয়ে সরব – তাঁরা মামদানিকে দেখেন বৃহত্তর স্বার্থের প্রতিনিধি হিসাবে। স্পষ্ট সিএএ‑এনআরসি বিরোধিতা, গাজার মানুষের পক্ষে প্রকাশ্য অবস্থান – এসব তাঁকে হিন্দুত্ববাদের বিপরীতে দাঁড় করায়। ফলে মন্দিরের পুজো, মসজিদের ইফতার আর কলেজ ক্যাম্পাসের প্যানেল – সবখানেই মামদানিকে নিয়ে দ্বন্দ্ব, কখনো বা উত্তেজনা।
আরো পড়ুন কতটা পথ পেরোলে পরে ভারত পাওয়া যায়?
প্রতিনিধি বনাম পুনর্বিতরণ
মামদানির ইশতেহারে আছে নিখরচায় বাস পরিষেবা, শহরের প্রশাসন পরিচালিত মুদিখানা, বাড়িভাড়ার ঊর্ধ্বসীমা নির্ধারণ করার প্রস্তাব। কিন্তু ২০২১-২০২৪ মামদানির নিজের জায়গা কুইন্সে ভাড়া বেড়েছে গড়ে ৪২%। তৃতীয় প্রজন্মের অভিবাসী পরিবারগুলো সেখান থেকে বেরিয়ে ব্রংক্স বা ব্রুকলিনের ডিস্ট্রিক্ট সিক্সটিনে থাকার জায়গা খুঁজছে। অলবেনি এখনো ‘গুড কজ এভিকশন বিল পাশ করেনি, রিয়েল এস্টেট লবি মামলা ঠুকে রেখেছে। গিগ শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুবিধা বিলে থাকলেও বাস্তবায়িত হয়নি। ট্যাক্সি‑মেডালিয়ন ঋণমুক্তিতে ৪৫০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ হলেও এখনো প্রায় পাঁচ হাজার ড্রাইভার দেনার ফাঁস থেকে পুরোপুরি মুক্ত নন। অর্থাৎ নিখাদ প্রতিনিধি পাওয়া গেছে, তবে কিন্তু শোষণকাঠামো অটল।
শেষ কথা, গ্ল্যামার আর গভীরতা
মামদানির উত্থান বুঝিয়ে দিল, গ্ল্যামার রাজনৈতিক পুঁজি হয়ে উঠেছে। কিন্তু এই পুঁজি যদি সম্পদের পুনর্বিতরণ করতে না পারে, তাহলে সামোসা সংহতি ভেঙে যাবে। নিউ ইয়র্ক সিটির নির্বাচনে জিতলেও সামনে থাকবে অলবেনির দেয়াল, ওয়াল স্ট্রিটের ছাদ, রিয়েল এস্টেটের ছুরি। দক্ষিণ এশীয় আমেরিকান সমাজে মোদী বনাম মামদানি, টোট ব্যাগ বনাম তেরঙা শাল, ‘হটনেস’ বনাম হিন্দুত্বের দ্বন্দ্ব বাড়তেই থাকবে।
গ্ল্যামার চোখ ধাঁধায়। কিন্তু বাড়িভাড়া ঊর্ধ্বমুখী, স্বাস্থ্যবিমা অধরা থাকলে মানুষ সোশাল মিডিয়া ছেড়ে হাউজিং কোর্টে গিয়ে দাঁড়াতে বাধ্য। কাজেই ফিল্টার সরিয়ে উৎসের আলো দেখুন, প্রশ্ন করুন। আলো পথ দেখায় না চোখ ধাঁধিয়ে দেয় তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিন আর ভাবুন, সামোসার গন্ধের ভিতর দিয়ে কোন ভবিষ্যৎ আমাদের পাতে উঠে আসছে।
নিবন্ধকার একজন বাংলাদেশি ট্রান্সজেন্ডার শিল্পী, লেখক ও শিক্ষক। বর্তমানে নিউইয়র্কের বাসিন্দা। দক্ষিণ এশীয় প্রান্তিক অভিজ্ঞতা, লিঙ্গ রাজনীতি ও অভিবাসনের ভাষা নিয়ে কাজ করছেন। মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।








