নদী নর্মদা
গ্রাম মনিবেলি
দেশ গুজরাট
মেধা পাটেকর

১৯৯১ সালের কথা। আমরা কয়েকজন ছেলেমেয়ে, তখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী, হাজির হয়েছিলাম পুজোর ছুটিতে নর্মদা ‘ঘাঁটি’তে। উদ্দেশ্য নর্মদা বাঁচাও আন্দোলনকে জানা। সেইসময় গোটা ভারত জুড়ে পরিবেশ রক্ষা সংক্রান্ত চিরকালীন সৌখিন ‘গাছ লাগাও প্রাণ বাঁচাও’ জাতীয় ধারণাকে ভেঙেচুরে নর্মদায় বৃহৎ বাঁধবিরোধী আন্দোলন এক নতুন অভিঘাত তৈরি করছে। বরোদা, বর্তমান ভাদোদরা, থেকে আমরা চলতি বাসে উঠলাম বাড়ওয়ানি যাব বলে। প্রচন্ড ভিড়ে বাসের ড্রাইভার আমাদের কেবিনে ডেকে নিলেন, বললেন ‘আপনারা সব আন্দোলনের লোক তো? দেখেই বুঝতে পারছি। এখানে বসুন।‌’‌ বাড়ওয়ানিতে পৌঁছে যে সরাইখানায় থাকতে গেলাম, তার মালিক স্বাগত জানিয়ে সাবধান করলেন, এখানে আসার উদ্দেশ্য হিসাবে আন্দোলনের কথা লিখবেন না যেন, লিখুন বেড়াতে এসেছেন। বাড়ওয়ানিতে আন্দোলনের অফিসে যেতে একটা চিঠি লিখে দিলেন নন্দিনী, যিনি অফিস সামলাচ্ছিলেন, যাতে আমরা গ্রামে যেতে পারি।

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন

~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

গ্রামগুলো তখন নদীতে বাঁধ দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরকারকে বয়কট করেছিল। উঠে পড়লাম গ্রামের বাসে। সেখানে আমাদের সাজপোশাক দেখেই একজন বললেন ‘আপনারা নিশ্চয় আমাদের গ্রামেই যাচ্ছেন, চলুন নিয়ে যাই।’ দলবেঁধে আমরা যখন গ্রামে পৌঁছলাম তখন সন্ধে লেগেছে।‌ নবরাত্রি উৎসবের সময়, তাই গ্রামের বেশিরভাগ মানুষই উপবাসে আছেন। কিন্তু আমাদের জন্য রান্না বসানো হল।‌ আমাদের সঙ্গী এক শহুরে বন্ধু হঠাৎ জানতে চাইলেন এই যে গ্রামবাসী সরকারকে বয়কট করেছেন, তাঁরা বিশ্বব্যাঙ্ক ইত্যাদি বোঝেন কি? কীসের জন্য আন্দোলন করছেন তা কি তাঁরা ঠিকঠাক জানেন? বুঝলাম বন্ধু ভরসা পাচ্ছেন না।‌ তখন গ্রামের মুখিয়া ঘরের ভিতর থেকে একটি জনপ্রিয় ইংরিজি পাক্ষিক পত্রিকা নিয়ে এলেন। সেখানে নর্মদা বাঁচাও আন্দোলন নিয়ে বিস্তারিত লেখা আছে। বললেন ‘আমি ইংরিজি পড়তে পারি না, কিন্তু এই ম্যাপ দেখে বলে দিতে পারি কোথায় কীরকম বাঁধ হচ্ছে, আর তাতে আমাদের কী ক্ষতি হবে।’ বিশ্বব্যাঙ্ক সম্পর্কেও তাঁর ধারণা স্পষ্ট। ‌খুবই বিস্মিত হয়েছিলাম, কারণ সাধারণত আন্দোলনের ক্ষেত্রে দেখতাম নেতা-নেত্রীরাই সবটুকু জানেন, বাকিরা শুধুই অনুসরণ করে থাকেন।‌ তারপর মুখিয়া পত্রিকায় একটি ছবি দেখিয়ে বললেন‌ ‘এই আমার স্ত্রী, আজ সে বাপের বাড়ি গেছে। আর ঠিক তার পাশেই রয়েছেন মেধা পাটকর।’ নর্মদা ঘাঁটির সেই প্রত্যন্ত গ্রামের বাসিন্দারা আমাদের আন্দোলনের গান শুনিয়েছিলেন ‘নর্মদা মাই, আর তোমার চিন্তা নেই, মেধা এসে গেছে।’

মেধা জন্মসূত্রে মহারাষ্ট্রের মানুষ। গবেষণা করছিলেন প্রসিদ্ধ টাটা ইনস্টিটিউট অফ সোশ্যাল সাইন্সেজে। গবেষণাই তাঁকে নিয়ে যায় ক্ষেত্র সমীক্ষার কাজে সাধারণ মানুষের মধ্যে।‌ প্রথমদিকের কাজ ছিল ‌মুম্বাইয়ের বস্তিতে, পরে গুজরাটের আদিবাসী এলাকায়। সমীক্ষা করতে করতে মেধা মিশে গেলেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে।‌ ভ্রান্ত উন্নয়ন নীতির কারণে বিপন্ন মানুষকে নিয়ে আশ্চর্য এক আন্দোলন গড়ে উঠল।‌ ভারতের গণআন্দোলনের ইতিহাসে পরিবেশ, উচ্ছেদ, পুনর্বাসন – এই বিষয়গুলিকে তুলে আনার কৃতিত্ব বিশেষভাবে মেধার। সৌখিন পরিবেশ আন্দোলনকে তিনি নামিয়ে আনলেন বাস্তবের রুক্ষ মাটিতে এবং দেখালেন কিভাবে ভ্রান্ত উন্নয়ন নীতি সমাজের প্রান্তিক মানুষের জীবন জীবিকাকে বিপন্ন করে এবং ভূমিপুত্র ভূমিকন্যাদের জল জঙ্গল জমির অধিকার কেড়ে নেয়।

সেই প্রাচীনকাল থেকেই নর্মদা নদী বহু কারণে বিখ্যাত।‌ বাঙালি শৈলেন্দ্র নারায়ণ শাস্ত্রীর তপোভূমি নর্মদা-র কয়েকটি খণ্ড পড়লেই এ সম্পর্কে সম্যক ধারণা হয়। এই নর্মদা নদীর উপর বিশাল বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প হল সর্দার সরোবর প্রকল্প। ‌মেধা এবং তাঁর সঙ্গীসাথীরা সমীক্ষা করে দেখালেন যে এই বিশাল প্রকল্পের ফলে ‌একাধিক বৃহৎ এবং ছোট ছোট বাঁধের মাধ্যমে গোটা অঞ্চলের বড় অংশই জলমগ্ন হবে।‌ লক্ষাধিক মানুষের জীবন জীবিকা বিপন্ন হবে। ‌বহু প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহাসিক নিদর্শন ধ্বংস হয়ে যাবে।

এই আন্দোলন ক্রমে মহারাষ্ট্র, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশকে ছাড়িয়ে গোটা দেশে তথা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে। ‌তরুণ প্রজন্মকে বিশেষভাবে নাড়া দিয়েছিলেন মেধা। মনে রাখতে হবে, এই তরুণরা কোন পরিবর্তনমুখী আন্দোলন দেখেনি, এদের জন্মের আগেই নকশালবাড়ি আন্দোলন শেষ হয়ে গেছে। ‌মেধার আহ্বানে গতানুগতিক কেরিয়ার ছেড়ে বহু ছেলেমেয়ে এই আন্দোলনে যুক্ত হয়ে পরবর্তীকালে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে তাদের ছাপ রেখেছে।

আমাদের বাংলার কবি মল্লিকা সেনগুপ্ত তাঁর কথামানবী কাব্যে মানবী শক্তির জয়গানে মেধার কথা লিখেছেন। বলেছেন ‘সারা পৃথিবীতে যত সবুজের আন্দোলন পশুপাখি বাঁচাও আন্দোলন। তার সিংহভাগ জুড়ে আছে মেয়েরা।’ তেমনি এক মেয়ে মেধা পাটকরের ডাকে গান্ধীভাবনা নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাঁরা নবনির্মাণের কাজে ছিলেন তাঁরাও জুড়েছেন আন্দোলনে। এঁদের অন্যতম ছিলেন অশীতিপর ভারতরত্ন বাবা আমতে।‌ তাঁর জীবনব্যাপী কাজ কুষ্ঠরোগীদের নিয়ে তৈরি করা অসামান্য জনপদ আনন্দবন ছেড়ে তিনি বাসা বেঁধেছিলেন নর্মদার তটে। একদা দেশের গৌরব হিসাবে মহিমান্বিত হওয়া মানুষটি শেষে চিহ্নিত হলেন রাষ্ট্রের শত্রু হিসাবে। বিশিষ্ট লেখিকা অরুন্ধতী রায়ের যোগদান আন্দোলনকে এক বিশেষ মাত্রা এনে দেয়।

শেষপর্যন্ত অবশ্য নর্মদাকে বাঁচানো যায়নি। ‌ক্ষতিপূরণের লড়াই খানিকটা এগিয়েছে। বিশ্বব্যাঙ্ক হাত সরিয়ে নিলেও দেশের সরকার জওহরলাল নেহরুর আপ্তবাক্যকে মাথায় রেখে আধুনিক ভারতের ‘মন্দির’ বৃহৎ বাঁধকে মঞ্জুরি দিয়েছেন। জলের তোড়ে ভেসে গেছে এক ইতিহাস। ‌‌কিন্তু ভারতের পরিবেশ আন্দোলন পাকাপোক্ত হয়েছে নর্মদা বাঁচাও আন্দোলনের মাধ্যমে। পাশাপাশি এই অঞ্চলে সংঘর্ষের পাশাপাশি বেশ কিছু নির্মাণের কাজ হয়েছে। অনেকগুলি বিকল্প বিদ্যালয় বা জীবনশালা তৈরি হয়েছে।‌ মনে আছে, শান্তিনিকেতন থেকে বিশিষ্ট আশ্রমিক শ্যামলী খাস্তগীরের উদ্যোগে ঋতা গাঙ্গুলী তাঁর দলবল নিয়ে নর্মদায় মুক্তধারা হিন্দি অনুবাদে অভিনয় করিয়েছেন।‌

ইতিমধ্যে মেধা গোটা দেশের পরিবেশ, মানবাধিকার ধ্বংসকারী শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তৈরি করেছেন শতাধিক জনআন্দোলনের সমন্বয় – এনএপিএম। আজকের ভারতে অসহিষ্ণু সাম্প্রদায়িকতাকে ঢাল করে যে পুঁজিবাদী আগ্রাসন, তার বিরুদ্ধে সতত সক্রিয় মেধা ও তাঁর সাথীদের আন্দোলন। ভারত জুড়ে উচ্ছেদ ও পুনর্বাসনের সমস্যাটি এখন অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে সর্বস্তরে বিবেচিত হয়। ‌মেধা এবং তাঁর সহযোগীদের প্রচেষ্টায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমীক্ষা ‌ও প্রাপ্ত তথ্য সংকলনের ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব কাজ হয়েছে। শুধু আবেগ নয়, প্রত্যেক ক্ষেত্রেই যুক্তিনিষ্ঠভাবে বিষয়গুলিকে সামনে রাখা হয়েছে। হয়ত বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ এর মূলে।

জমি অধিগ্রহণের প্রশ্নে মেধাকে আমরা সিঙ্গুরে সিপিএমের আক্রমণের মুখে পড়তে দেখেছি। ‌‌শোষিত মানুষের অধিকারের লড়াইয়ে মেধা তখন এ রাজ্যের ঘোষিত বামপন্থীদের চেয়ে অনেক বেশি বাম। নন্দীগ্রাম এবং পরবর্তী অনেক আন্দোলনেও মেধা এসেছেন। মেধা পাটকর এদেশে পরিবেশ আন্দোলন এবং পুনর্বাসন আন্দোলনের সমার্থক। মহারাষ্ট্রে ৭৫,০০০ ঘর ভাঙার প্রতিবাদে তিনি ঘর বাঁচাও ঘর বানাও আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন। এছাড়াও ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে তথাকথিত উন্নয়ন নীতির কারণে যে সমস্ত উচ্ছেদের ঘটনা ঘটছে তার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেধা আন্দোলনে আছেন। এর মধ্যে একেবারেই অন্য ভূমিকাতেও তাঁকে দেখা গেছে। ২০১৪ সালে আম আদমি পার্টির তরফে মুম্বাই উত্তর-পূর্ব থেকে তিনি নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন, তৃতীয় স্থান জুটেছিল।‌ ২০১৫ সালেই অবশ্য‌ আম আদমি পার্টি থেকে ইস্তফা দেন।

সম্প্রতি বারাণসীতে সর্ব সেবা সংঘের ঘর ভেঙে দেওয়ার প্রতিবাদে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষের প্রতিবাদে তিনি অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছিলেন, বর্তমান ভারতে কী ধরনের গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধকারী ব্যবস্থা চলছে। রাত্রে বারাণসীতে রেল স্টেশনের সামনে স্থানীয় ছাত্রছাত্রীদের ‌পথনাটিকা, যেখানে তারা মেয়েদের স্বাধীনভাবে চলাফেরার পক্ষে কথা বলছে, সেখানে দাঁড়িয়ে মেধা সকলকে মনে করিয়ে দেন যে এর পাশাপাশি সাধারণ খেটে খাওয়া মহিলাদের আন্দোলনও গুরুত্বপূর্ণ।

নর্মদা বাঁচাও আন্দোলন শুরু থেকেই অহিংস সত্যাগ্রহের পথে চলেছে। একসময় জল সমাধি নেওয়ার অবস্থানেও তাঁরা ছিলেন।‌ কিছুদিন আগেও বিভিন্ন দাবিতে মেধা অনশন করেছেন।‌ একদিক থেকে গান্ধীবাদী আন্দোলনের ধারার সঙ্গে বৃহৎ বামপন্থী আন্দোলনের ভাবনাকে ‌মিলিয়েছেন তিনি। তাঁর অসামান্য বাগ্মিতার কারণে বারবার মানুষ উদ্বুদ্ধ হয়েছে এবং পথে নেমেছে।

আরো পড়ুন নদীর উপর অত্যাচারের ফলে বন্যা, খরা বুকে বাঁচছে কৃষক

এই মুহূর্তে ভারতের বিভিন্ন আন্দোলন ও নেতৃত্বের উপর যেভাবে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার আক্রমণ করছে, অতি সম্প্রতি তার কোপ মেধার উপরেও নেমেছে। দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভি কে সাক্সেনার করা একটি পুরনো মানহানির মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ‌মেধার পাঁচমাসের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।‌ ২০০০ সালে ‌আন্তর্জাতিক টাইম ম্যাগাজিন বিংশ শতাব্দীর ১০০ নায়কের মধ্যে মেধাকে অন্যতম মনে করেছিল।‌ কিন্তু ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, যিনি একদা গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তিনি মনে করেন‌ মেধা একজন ‘আরবান নকশাল’, যাঁর কারণে নর্মদা প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হতে বসেছিল। এই সরকারের কাছে এটাই প্রত্যাশিত। উনসত্তর বছর বয়সেও সমান সক্রিয় মেধা আজ অনেকের প্রেরণা। এদেশের আদিবাসী, দলিত, কৃষক, শ্রমিক ও বঞ্চিত নারীদের আন্দোলনের পাশে তিনি সতত সক্রিয়। ‌যেহেতু ভারত জুড়েই এখন দলীয় রাজনীতির বাইরে যে আন্দোলনগুলি কাজ করে চলেছে তাদের মধ্যে একটি সমন্বয়বাদী ঝোঁক রয়েছে, সেখানে মেধার এনএপিএম এক গুরুত্বপূর্ণ নাম।

কিন্তু আজকের ভারতে এই লড়াই অনেক গভীরে গিয়েছে। একদা যাঁরা উচ্ছেদের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন, সেই গ্রামবাসীদের একাংশই ধর্মীয় মেরুকরণে গিয়ে সেই সরকারকে নির্বাচিত করেছেন যারা মুখে ধর্মের নাম নিয়ে আসলে সেই ভ্রান্ত উন্নয়ন নীতিকেই কার্যকর করে চলেছে।‌ অতএব উচ্ছেদ, পুনর্বাসনকে এখন আর বিচ্ছিন্নভাবে দেখা সম্ভব নয়। একটি সম্পূর্ণ মানবাধিকারবিরোধী ভাবনাই যে এই সমস্তের চালিকাশক্তি, তা মাথায় রেখেই আজ সমন্বিত গণআন্দোলনের প্রয়োজন।

ভারতবর্ষে
যত নদী আছে
যত গাছ আছে
নদীর দুধারে
যত পাখি ডাকে
গাছ গাছালিতে
নদীর জীবন
যত মানুষের
তাদের সবার
একটি প্রেরণা
একটি লড়াই
মেধা পাটেকর”

মেধা জন্ম, কথামানবী; মল্লিকা সেনগুপ্ত

মতামত ব্যক্তিগত

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.