হঠাৎ একটা কথা খুব জনপ্রিয় হয়ে গেছে – জুম্মার নমাজ প্রতি সপ্তাহে আসে, কিন্তু হোলি আসে বছরে একবার।’ সুতরাং? সুতরাং জুম্মার নমাজ আর হোলি যদি একই দিনে পড়ে তাহলে নমাজ পড়া যাবে না। আর যদি কেউ নমাজ পড়তে যান তাহলে তাঁর দিকে ফুল বা রং ছুড়ে মারা হবে। গোটা উত্তর ভারত জুড়ে একটা সংগঠিত শক্তি এসব বলে বেড়াল এবছর। দেখুন, সংবিধান আছে সংবিধানের জায়গায়। তা মেনে চলতে হবে এমন মাথার দিব্যি বর্তমান ভারত থেকে উঠে গেছে। এখন বিজেপির নেতা, মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রীরা যা বলবেন সেটাই আইন, সেটাই সংবিধান। এমনকি পুলিসকর্তারা পর্যন্ত বলে দিচ্ছেন – হিন্দু উৎসবের দিন মুসলমানদের ঘরবন্দি হয়ে থাকতে হবে। এর অন্যথা হলেই দেখা যাচ্ছে বিপদ হচ্ছে। এবছর হোলিতে কী হল একবার দেখে নেওয়া যাক।

হোলির আগে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ অনেক বড় বড় কথা বললেন। বললেন, ‘কেউ কাউকে জোর করে রঙ লাগাবেন না। সনাতন ধর্মের এই প্রসিদ্ধ উৎসব পারস্পরিক শ্রদ্ধার মধ্যে দিয়ে পালিত হওয়া উচিত’ ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু বাস্তবে কী হল? উন্নাওতে ৫৩ বছরের মহম্মদ শরিফ হোলির দিন বাড়ি ফিরছিলেন, কিছু ছেলে সেইসময় নিজেদের মধ্যে রং খেলছিল। শরিফকে দেখতে পেয়েই তাঁকে রং মাখানোর চেষ্টা করে। শরিফ বাধা দেন। ফলস্বরূপ ওই ছেলের দল তাঁকে মারধোর করতে থাকে। তাতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। ময়না তদন্তে জানা যায়, তাঁর হৃদরোগে মৃত্যু হয়েছে। পুলিস কেস বন্ধ করে দেয় এই অজুহাতে যে, তাঁর শরীরে তেমন কোনো ক্ষতচিহ্ন পাওয়া যায়নি। হৃদরোগে মৃত্যু হলে পুলিসের কী-ই বা করার আছে? এই হল অবস্থা।

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন

~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

অন্যদিকে উত্তরপ্রদেশের সম্ভলে পুলিস সমস্ত মসজিদের সামনে উঁচু করে কাপড় বা পলিথিন টাঙিয়ে মসজিদ ঢেকে দেয়, যাতে হোলিতে মাতোয়ারা হিন্দুদের দৃশ্যদূষণ না হয়। তাতে সর্ববৃহৎ জামা মসজিদও বাদ পড়েনি। অবশ্য বলা হয়েছে, এ নাকি মসজিদ বাঁচানোরই ব্যবস্থা, যাতে হোলির দিন কেউ মসজিদে রং ছুড়তে না পারে। হোলির নামে লুম্পেনগিরি কঠোর হাতে বন্ধ না করে দুষ্কৃতিদের খোলা ময়দান ছেড়ে দিয়ে পুলিস মসজিদ ঢাকছে নাকি তা বাঁচাতে! উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান এবং খানিকটা বিহারে হোলিতে সারাদিন মুসলমানদের উপর বিভিন্ন মাত্রার নির্যাতন চলল পুলিস প্রশাসনের নাকের ডগায়। অশান্তি এড়ানোর জন্যে মুসলমান সমাজ মাথা নিচু করে তা মেনে নিয়েছে সর্বত্র। কিন্তু সংখ্যাগুরু সমাজ থেকে তেমন কোনো প্রতিবাদ উঠতে আমরা দেখলাম না। এ আমাদের জাতীয় লজ্জা ছাড়া কি?

হিন্দুদের যে বারো মাসে তেরো পার্বণ তা সবাই জানে। আজ রামনবমী, কাল গণেশপুজো, পরশু হোলি, তারপর নবরাত্রি – লেগেই আছে। ইদানীং দেখা যাচ্ছে, হিন্দুদের উৎসব মানেই মুসলমানদের কাছে একটা আতঙ্কের দিন। উত্তর ভারতের বিজেপি সরকারগুলো খোলাখুলি ঘোষণা করে দিচ্ছে – এই দিনগুলোতে বাড়াবাড়ি হবে। হিন্দুরা একটু আনন্দ ফুর্তি করবে। তাতে কোনো মুসলমান যদি আহত হন, অসন্তুষ্ট হন তাহলে সেটা তাঁদের ‘ভাল মুসলমান’ হয়ে নির্বিবাদে মেনে নিতে হবে। হাজার হোক, তাঁদের মনে রাখতে হবে, যে দেশে তাঁরা বাস করছেন সেই দেশে হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। বিজেপির নেতা, মন্ত্রী এবং খোদ সরকারগুলোর এই মনোভাব বলা বাহুল্য দাঙ্গাবাজ দুষ্কৃতিদের হাত শক্ত করেছে। তারা বুঝে গেছে, তারা যা ইচ্ছে তাই করতে পারে। তাদের পাশবিকতা মাত্রাছাড়া হয়ে উঠেছে। সেন্টার ফর স্টাডি অফ সোসাইটি অ্যান্ড সেকুলারিজম (CSSS)-এর রিপোর্ট Hegemony and Demolitions: The Tale of Communal Riots in India in 2024 অনুযায়ী, ভারতে ২০২৪ সালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ২০২৩ সালের তুলনায় ৮৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। সকলেই জানেন, ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদীর সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভারতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বেড়েছে। দাঙ্গা বলা হলেও, এগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আসলে একপাক্ষিক হামলা, উস্কানি, মারধোর, খুন। তার সঙ্গে পুলিস প্রশাসনের একপেশে মামলা ঠুকে সংখ্যালঘুদের জীবন একেবারে নরক বানিয়ে দেওয়া। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে যেখানে ৩২ খানা এই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল, ২০২৪ সালে তার সংখ্যা ৫৯। এইসব ঘটনায় মোট ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে দশজনই মুসলমান। রিপোর্ট এও বলছে, ৫৯ খানা ঘটনার মধ্যে ৪৯ খানাই ঘটেছে এমন রাজ্যে যেখানে হয় বিজেপি সরাসরি ক্ষমতায় আছে অথবা অন্য দলের সঙ্গে জোটের অংশ হিসাবে ক্ষমতায় আছে। অর্থাৎ একথা পরিষ্কার যে রাষ্ট্রক্ষমতাকে ব্যবহার করে বিজেপি দেশে ক্রমশ সাম্প্রদায়িক হানাহানি বাড়িয়ে তুলছে।

পর্যবেক্ষকরা অনেক আগে থেকেই বলে চলেছেন যে এই প্রক্রিয়া শেষপর্যন্ত এক ব্যাপক গণহত্যায় গিয়ে দাঁড়াবে। বর্তমানে ভারতে যা চলছে তাতে এই ভবিষ্যদ্বাণী মোটেই অত্যুক্তি বলে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। গ্রেগরি স্ট্যানটন পরিচালিত জেনোসাইড ওয়াচ (গণহত্যা পর্যবেক্ষণ) নামের এক সংস্থা সারা পৃথিবীর গণহত্যা নিয়ে গবেষণা করে। তারা ভবিষ্যতের গণহত্যা সম্পর্কে আগাম সতর্কতাও জারি করে। ২০২২ সালে প্রকাশিত এক রিপোর্টে তারা দাবি করেছিল – ২০১৪ সালে মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভারত ক্রমশ গণহত্যার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছিল – গণহত্যা হঠাৎ ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা নয়। তা এক পূর্ণাঙ্গ প্রক্রিয়া। সেই প্রক্রিয়ার দশটা ধাপও রিপোর্টে চিহ্নিত করা হয়েছিল এবং বলা হয়েছিল ভারত এই দশটার প্রথম আটটা ধাপ ইতিমধ্যেই পেরিয়ে গেছে। এই দশ ধাপ হল

১। সংখ্যালঘুদের শ্রেণিবিভাগ করা
২। তাদের বিশেষ কিছুর প্রতীকে পরিণত করা
৩। তাদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ
৪। তাদের অমানুষ বলে প্রতিপন্ন করা
৫। তাদের বিরুদ্ধে সংগঠিত হওয়া
৬। মেরুকরণ ঘটানো
৭। প্রস্তুতি নেওয়া
৮। নিপীড়ন করা
৯। নির্মূল করা
১০। সম্পূর্ণ অস্বীকার করা।

অতি সম্প্রতি ঋজু বিদূষক কুণাল কামরার শো ‘নয়া ভারত’ নিয়ে তুমুল অশান্তি হয়ে গেল। কুণাল মোদী জমানার হিন্দুত্ববাদী ভারত নিয়ে যে তীব্র ঠাট্টা করেছেন তা বিজেপি ও তার সহযোগীরা হজম করতে না পারলেও, তা যে কঠোর বাস্তব তা অস্বীকার করা অসম্ভব। এই নতুন ভারতে মুসলমানদের ইতিমধ্যেই শত্রু হিসাবে চিহ্নিতকরণের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি প্রচারযন্ত্রকে ব্যাপকভাবে কাজে লাগিয়ে জনমানসে যে বিদ্বেষের চাষ ইতিমধ্যে হয়েছে তাতে মুসলমান সম্প্রদায় এই মুহূর্তে একেবারেই বন্ধুহীন এবং কোণঠাসা।

তাঁদের বিরুদ্ধে শত শত নামে বেনামে চলা সংগঠন কাজ করছে সংঘ পরিবারের ছাতার তলায়। তারা যা-ই করুক, সরকার বা প্রশাসন মাথা গলাবে না। সমাজে ধর্মীয় মেরুকরণ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। শুধু বাকি আছে যে কোনো দিন, যে কোনো মুহূর্তে, যে কোনো অজুহাতে একটা গণহত্যা শুরু করে দেওয়া। মধ্যপ্রদেশের এক বন্ধুর মতে, সেখানে বিজেপির গত ২৩ বছরের লাগাতার শাসন (মাঝের দেড় বছর কংগ্রেসের শাসন বাদ দিলে) রাজ্যে এমন অবস্থা তৈরি করেছে যে, যখন তখন গণহত্যার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। সেক্ষেত্রে ব্যাপক নাগরিক সমাজ থেকে তার খুব একটা প্রতিবাদ হবে বলেও মনে হয় না। উত্তর ভারতে বহু এলাকায় এমন পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এসব দেখে শুনে আশঙ্কা হওয়া অস্বাভাবিক নয় যে দুর্ভাগ্যজনকভাবে স্ট্যানটনের ভবিষ্যদ্বাণী হয়ত সঠিক প্রমাণিত হবে। সংবিধানে যা-ই লেখা থাকুক, ভারত যে ইতিমধ্যেই এক অলিখিত হিন্দুরাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে তা বোধহয় বলার অপেক্ষা রাখে না।

আরো পড়ুন দ্বিতীয় শ্রেণির বাঙালি, দ্বিতীয় শ্রেণির মুসলমান

এই প্রসঙ্গে একথা না বললেই নয় যে, আজকের অবস্থা তৈরি হওয়ার পিছনে বিজেপিবিরোধী দলগুলোর নরম হিন্দুত্ব অনেকখানি দায়ী। বর্তমান ভারতে আরএসএস-বিজেপির নয়া ফ্যাসিবাদের উদ্ভবের পিছনে কংগ্রেস ও আঞ্চলিক দলগুলোর অর্থনৈতিক ব্যর্থতার অবদান আছে। পাশাপাশি বিজেপি যে রাজনৈতিক জমি পেয়েছিল ১৯৯২ সালের বাবরি মসজিদ ধ্বংস করার ফলে, তা তৈরি হয়েছিল এই নরম হিন্দুত্বের ভ্রান্ত ও আত্মঘাতী নীতির উপর দাঁড়িয়ে। সেই ছিল শুরু। স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় থেকে ১৯৯২ পর্যন্ত সংঘ পরিবার ভারতীয় রাজনীতিতে ছিল প্রান্তিক শক্তি। কিন্তু কয়েকশো বছর আগেকার ইতিহাস খুঁচিয়ে তুলে, তার ভুল ও বিকৃত ব্যাখ্যা হাজির করে একটা মোহজালকে যে বাস্তবে রূপান্তরিত করা সম্ভব, তা দেখিয়ে দিয়েছিল সংঘ পরিবারের ভয়ংকরতম সৃষ্টিশীল রাজনীতি। একদিকে বামপন্থীরা যখন ‘বাস্তবের অনুসন্ধান করতে হবে’ বলে মাটিতে মুখ ঘষটে চলার চেষ্টা করছিল, অন্যদিকে তথাকথিত হিন্দু আবেগকে চটাতে ভয় পেয়েছিল কংগ্রেস। তখন বিকৃত ইতিহাসকে নয়া স্বাভাবিকতা, নয়া বাস্তবে পরিণত করার ভয়ংকর খেলা শুরু করেছিল সংঘ পরিবার।

বাবরি ধূলিসাৎ হওয়া ভারতে যে রাজনীতির জন্ম দিয়েছিল তা বাবরিতেই মিটে যায়নি, রামমন্দির হয়ে আজ ঔরঙ্গজেবের সমাধি নিয়ে নাগপুরের দাঙ্গা হয়ে দেখা দিয়েছে। আসন্ন দিনগুলোতে তা ইতিহাসের একেকটা পাতাকে বিকৃত করে যত্রতত্র দেখা দিতে যাচ্ছে। ১৯৯২ সালের আগে কে ভাবতে পারত যে, ঔরঙ্গজেবকে নিয়ে এক কল্পিত ছায়াছবি বাস্তবে দাঙ্গার, সাম্প্রদায়িক হামলার কারণ হয়ে উঠতে পারে? অথচ, ছাওয়া ছবির দ্বারা প্ররোচিত পাষণ্ড জনতা নাগপুরে ওরঙ্গজেবের সমাধি ভেঙ্গে ফেলতে হবে – এই দাবিতে গণ্ডগোল শুরু করলে তা বারুদের স্তূপে স্ফুলিঙ্গের কাজ করল। বোঝাই যাচ্ছে, গোটা ভারতীয় সমাজ কেমন দাহ্যবস্তুর গুদামে পরিণত হয়েছে।

অথচ যে আগুন সংঘ পরিবার লাগাতে চাইছে আর অজ্ঞানতায় আচ্ছন্ন হিন্দু সমাজ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মজা দেখছে, তা লাগলে কিন্তু শুধু মুসলমানেরই ঘর পুড়বে না। তথাকথিত হিন্দু সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ ‘পশ্চাৎপদ’ জাতি-বর্ণের মানুষও তার শিকার হবেন। কারণ সংঘ পরিবারের হিন্দুত্বের খোলস আসলে তার ব্রাহ্মণ্যবাদী আত্মাকে ঢেকে রাখার কৌশল ছাড়া আর কিছুই নয়। বিজেপি যে পরিমাণে শক্তিশালী হচ্ছে, সেই পরিমাণেই দলিতদের উপর নিপীড়ন তীব্রতর হয়ে উঠছে সারা দেশে। ভীমরাও আম্বেদকর, পেরিয়ার, জ্যোতিবা ফুলের সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে গত ১০০ বছরে যেটুকু জাতি-বর্ণ নিপীড়নবিরোধী সংগ্রামের সাফল্য অর্জিত হয়েছিল, তার প্রায় সবটাই হাতছাড়া হতে যাচ্ছে। এমনকি পশ্চিমবঙ্গের মত রাজ্যেও তথাকথিত নিম্নবর্ণের মানুষ মন্দিরে ঢুকতে পারবেন না বলে নিদান হাঁকা হচ্ছে। শ্রমিক, কৃষকের মত প্রত্যক্ষ উৎপাদক শ্রেণিগুলোর অবস্থা ভয়াবহ। তীব্র অর্থনৈতিক ভাঙনে কাঁপছে গোটা দেশ৷

আজকের নয়া ভারত আসলে অগ্ন্যুৎপাতের জন্য প্রস্তুত এক আগ্নেয়গিরির উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। মনে রাখা ভাল, নগরে আগুন লাগলে কোনো দেবালয়ই বাঁচে না।

মতামত ব্যক্তিগত

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.