নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP) কীভাবে হয়ে উঠছে শিক্ষার বেসরকারিকরণের অন্যতম হাতিয়ার – নাগরিক ডট নেটের সাথে আলোচনায় অধ্যাপক আব্দুল কাফি।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন অর্ক। ক্যামেরায় সাত্যকি দেবনাথ।
কেন্দ্রীয় সরকার জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ প্রয়োগ করতে জোরকদমে পা ফেলছে। নানান বিরোধের স্বর এবং এই প্রয়োগে যে বিবিধ সমস্যা দেখা দিতে পারে তাকে তোয়াক্কা না করেই একের পর এক একমাত্রিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন কেন্দ্রের শিক্ষাদপ্তর। এই শিক্ষানীতিকে কেন অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তৈরি মনে করছেন অধ্যাপক আব্দুল কাফি? যেখানে দেশের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে প্রাথমিক শিক্ষা অব্যবস্থায় পূর্ণ, সেখানে এই প্রক্রিয়া কি কি সমস্যা তৈরী করতে পারে? জাতীয় শিক্ষানীতি ক্লাস সিক্স থেকে বৃত্তিমূলক শিক্ষা সর্বনাশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে এবং শিল্পক্ষেত্রের প্রয়োজন অনুযায়ী জ্ঞানচর্চার গণ্ডি টানা হচ্ছে বলে মনে করছেন আব্দুল কাফি। আব্দুল কাফি কেন মনে করেন যে স্কুলের পর পড়া ছেড়ে দেওয়া মানুষেরও ডারউইন জানা কেন দরকার?
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
এই শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে বামপন্থীরা ছাড়া আর কাদের কাছ থেকে প্রতিবাদের স্বর কোথায় শোনা যাচ্ছে?
গোটা দেশে ক্লাস থ্রি, ফাইভ, এইটের জন্য একটাই পরীক্ষা! উচ্চশিক্ষায় ভ্যালু অ্যাডেড কোর্স আসলে সাম্প্রদায়িকীকরণ।গোটা শিক্ষাব্যবস্থা পাকাপাকিভাবে কর্পোরেটের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থার ওপর নাম জাতীয় শিক্ষানীতি বা NEP2020 প্রগতিশীলদের শিক্ষা নিয়ে আন্দোলন অপর্যাপ্ত রয়ে গেছে বলে মনে করেন আব্দুল কাফি।
আরো পড়ুন ৮,০০০ স্কুল বন্ধ: শিক্ষাব্যবস্থার কণ্ঠরোধ করছে সরকার
কোভিডের পর কিছু মানুষ ক্লাসরুম থেকে হারিয়ে গেছেন বলে আক্ষেপ করলেন তিনি। ক্লাসে একেবারে আলাদা দুরকম, দুই শ্রেণির ছাত্রছাত্রী হয়ে গেছে। এই শিক্ষানীতিতে মোগল যুগ নয়, মোগল দরবার বাদ দেওয়া হয়েছে। দারাশিকো স্বপ্নে রামকে আলিঙ্গন করার কথা লিখেছেন – এরকম আরো নানা বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা শুনতে দেখুন এই সাক্ষাৎকার।
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।







