অমিত শাহের উপস্থিতিতে কলকাতায় রবীন্দ্র জয়ন্তী পালন করছে বিজেপি। অবশ্যই নিজেদের নামে নয়, একটি সংস্থার নামে। যে অনুষ্ঠানে রাজ্যের কয়েকজন বিশিষ্ট শিল্পীর সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন অমিত শাহ সহ বিজেপি নেতৃবৃন্দ। সোশাল মিডিয়ায় এই অনুষ্ঠানের প্রচার শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপি তথা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের দর্শনের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্ব মানবতার দর্শনকে যে মেলানো যায় না, তা সকলেই জানেন। রবীন্দ্রনাথের দেশ ভাবনা, উন্নয়ন ভাবনা, শিক্ষা ভাবনা, জাতীয়তাবাদ সম্পর্কে তাঁর মত আরএসএস বা যে কোনো ধর্মীয় মৌলবাদেরই সম্পূর্ণ বিপরীত। তাঁর উন্নয়ন ভাবনায় গুরুত্ব পেয়েছিল স্বনির্ভর গ্রাম গঠন, সমবায় প্রথা। জীবন, মাটির সঙ্গে যোগ থাকা শিক্ষাব্যবস্থা। রবীন্দ্রনাথ মুক্ত চিন্তা, বৈচিত্র্যের সাধক। রবীন্দ্রসাহিত্য এবং তাঁর অন্যান্য কর্মকাণ্ড ছিল সেই সাধনার অঙ্গ।

“দেশ মাটিতে তৈরি নয়, দেশ মানুষে তৈরি” – রবীন্দ্রনাথের এই মত আরএসএসের সম্পূর্ণ বিরোধী। তাদের কাছে দেশ মানে শাসক নির্মিত এক ভূখণ্ড, যাকে ঘিরে থাকবে দমবন্ধ করা এক রাষ্ট্রব্যবস্থা। সেই ব্যবস্থার বিরোধিতা মানেই দেশদ্রোহিতা। রাষ্ট্র হবে একমাত্রিক। এক ধর্ম-এক মত-এক ভাষা-এক খাদ্যাভ্যাস-এক সংস্কৃতি। মৌলবাদ বৈচিত্র্য সহ্য করতে পারে না। তাই পরমতের প্রতি অসহিষ্ণু হওয়া, অপরকে ঘৃণা করাই তার কাছে পবিত্র কর্তব্য। সেই দর্শনে মুক্ত চিন্তার কোনো স্থান নেই। বিজেপি রাষ্ট্রশক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশজুড়ে সেই আবহ নির্মাণ করতে চাইছে। তবুও আরএসএস রবীন্দ্র জয়ন্তী পালন করে, বলা ভাল করতে বাধ্য হয়। যেমন সুভাষচন্দ্র বসু, এমনকি ভগৎ সিংকেও তারা স্মরণ করে। মনীষীদের ব্যক্তিপুজো করে, তাঁদের জীবনদর্শনকে বিকৃত করে নিজেদের স্বার্থে কাজে লাগানো ধর্মীয় মৌলবাদের বৈশিষ্ট্য। বিজেপি তথা আরএসএস সেই কাজই অতি নিষ্ঠার সঙ্গে করে চলেছে।

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন

~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

আরো পড়ুন ভগৎ সিংয়ের বামপন্থা: যে ইতিহাস মোছার চেষ্টা চলছে

আরএসএসের এই কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রতিবাদ করা তাই মুক্ত চিন্তার উপাসকদের কর্তব্য। কিন্তু প্রশ্ন হল আরএসএস এই কর্মসূচি নেওয়ার সাহস পেল কোথা থেকে? মুক্ত চিন্তা, বিজ্ঞানমনস্ক সংস্কৃতির চর্চা যদি নিষ্ঠার সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে করা যেত, তাহলে এই সাহস তারা পেত না। বিজেপির এই কর্মসূচির পালটা কর্মসূচি বা প্রতিবাদের কথাও কেউ কেউ ভেবেছেন। তাতে বিজেপিরই জয় হবে। রবীন্দ্র জয়ন্তী পালন যদি বিজেপির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে করতে হয়, তার থেকে লজ্জার আর কিছু হতে পারে না। রবীন্দ্র জয়ন্তী তো প্রত্যেক বছরই পালিত হয়। তার সঙ্গে বিজেপির রবীন্দ্র জয়ন্তীর পালটা করার আবেগ জড়িয়ে দিলে বিজেপির উদ্দেশ্যই সফল হবে।

আসলে রবীন্দ্র জয়ন্তী পালনে আড়ম্বর যত বেড়ে চলেছে, অনুষ্ঠানের সঙ্গে মানুষের মনের যোগ তত কমছে। লোকায়ত রবীন্দ্রনাথকে আমরা বহুকাল আগেই বিসর্জন দিয়েছি। রবীন্দ্রনাথ এখন কুলীন। তথাকথিত শিক্ষিত সমাজ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাংস্কৃতিক কর্মীদের (স্বঘোষিত সেলিব্রিটি) আভিজাত্যের প্রতীক। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হলঘরে বা অভিজাত স্থানে রবীন্দ্রচর্চা আবদ্ধ। অভিজাতের রবীন্দ্রচর্চা নগর বা জেলা সদরে জাঁকজমকের সঙ্গে পালিত হয়। সে জাঁকজমক ক্রমশ বাড়ছে আর তার সঙ্গেই বাড়ছে মানবতাবাদী রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে সাধারণ মানুষের বিচ্ছিন্নতা। রবীন্দ্র জয়ন্তীতে গুরুত্ব পান না কর্মযোগী রবীন্দ্রনাথ। তাঁর উন্নয়ন ভাবনা, শিক্ষা ভাবনা বাস্তবে রূপায়িত করে দেখানোর অঙ্গীকার আজ বিলুপ্তপ্রায়।

রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তীই হোক বা অন্য কোনো মনীষীর স্মরণই হোক, সবই আজ প্রাতিষ্ঠানিকতা ও আভিজাত্যের বেড়াজালে সীমাবদ্ধ। সরকার বা বড় প্রতিষ্ঠান, শাসক দলের প্রচারের হাতিয়ার। সরকার তথা শাসকের প্রসাদধন্য সেলিব্রিটিরা যাকে কেন্দ্র করে নিজেদের আখের গোছান। শাসক দলের মাতব্বররা নিজেদের ঢাক পেটান। তাঁদের কাছে ধর্মীয় উৎসব পালনের সঙ্গে রবি ঠাকুরের জন্মদিন পালনের কোনো পার্থক্য নেই। নিজেদের এবং নেতা-নেত্রীদের বড় বড় ছবির মাঝে ছোট করে স্থান পান মনীষীরা। বারো বছর ধরে মনীষীদের এই অপমান দেখে দেখে আমরা অভ্যস্ত হয়ে গেছি। অভ্যস্ত হয়ে গেছি ধর্মের সঙ্গে রাজনীতি আর রাষ্ট্রযন্ত্রের মেলবন্ধনে। সমালোচনা যে হয়নি, তা নয়। কিন্তু এর বিকল্প সাংস্কৃতিক-সামাজিক অনুশীলনের চেষ্টা হয়নি। বরং মনীষীদের চর্চায় বামেরাও বিখ্যাত ব্যক্তিদের নিয়ে মাতামাতিতেই মজেছেন। সেই বিখ্যাত ব্যক্তিরা কত আপন তার প্রদর্শনে মেতেছেন। সেলিব্রিটিরা যুগের ধর্মে ডিগবাজি খেয়ে রাজনৈতিক অবস্থান বদলালে হা হুতাশ করেছেন। কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে এলাকার অনুষ্ঠান – সবেতেই এই আভিজাত্যের মধ্যে হারিয়ে গেছে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, নিচের তলায় কাজ করা বামপন্থী কর্মীর সৃজনশীল মনন। আরএসএস তথা মৌলবাদের কাছে এর চেয়ে আদর্শ পরিবেশ আর কী হতে পারে?

বাংলার শহর-গ্রামের পাড়ায় পাড়ায় রবীন্দ্র জয়ন্তী, নজরুল জয়ন্তী পালন, বিদ্যাসাগর বা নেতাজীর জন্মদিন পালনের রেওয়াজ বহুকালের। কিন্তু এখন তা প্রায় অবলুপ্ত। সেসব অনুষ্ঠানে পাড়ার সবাই নিজেদের মত করে অংশ নিতেন। সর্বজনীন সেই অনুষ্ঠানের গুণমান নিয়ে অনেকে নাক কুঁচকোতেই পারেন, কিন্তু সামাজিক সেই অনুশীলন ছিল আমাদের জীবনের অঙ্গ। এলাকায় এলাকায় ছিল পরিবেশ ক্লাব, বিজ্ঞান ক্লাব। পাড়ার ক্লাবের সাংস্কৃতিক বা ক্রীড়া অনুষ্ঠানে সবাই অংশ নিতেন। এলাকার বামপন্থী কর্মীরাও এইসব অনুষ্ঠানে বিশেষ ভূমিকা পালন করতেন। এখন স্বতঃস্ফূর্ততার স্থান নিয়েছে জৌলুস। গণপরিসরের স্থান নিয়েছে প্রতিষ্ঠান। অর্থের দাপট বেড়েছে, তাকে কেন্দ্র করে বেড়েছে প্রতিপত্তি প্রদর্শনের ইতরামি।

নয়া উদারনীতি বদলে দিয়েছে আমাদের সংস্কৃতি, রুচিবোধ। সবাই মিলে বাঁচার কথা ভুলে আমরা পণ্যমোহে আবিষ্ট। বামেরা এই আক্রমণের মোকাবিলায় বিকল্প সাংস্কৃতিক কর্মসূচি গ্রহণের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেনি। ঘুম থেকে উঠে দুয়ারে আরএসএস দেখলে, মনীষীদের হাইজ্যাক হতে দেখলে চমক ভাঙে। কিন্তু প্রতিবাদ বা পালটা কর্মসূচি দিয়ে তার মোকাবিলা করা যায় না।

মনীষীদের জীবনচর্চা যত গণপরিসর থেকে দূরে সরেছে, তত চটুল সংস্কৃতি, ধর্মীয় সংস্কৃতি সেই স্থান দখল করেছে। ধর্মীয় অনুষ্ঠান আগেও হত। কিন্তু তাকে ঘিরে পাড়ায় পাড়ায় আড়ম্বর, প্রতিপত্তি প্রদর্শনের অশ্লীল প্রতিযোগিতা চলত না। বিজেপির রামনবমীর পালটা তৃণমূলের হনুমান জয়ন্তীর দাপাদাপি হত না। বামেরা যদি বিকল্প নির্মাণের অনুশীলনকে নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে দূরে সরিয়ে না রাখতেন, তাহলে মৌলবাদীদের ঠাঁই হত না।

আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনেই বিকল্প নির্মাণের অজস্র দৃষ্টান্ত রয়েছে। জাতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিল্প প্রতিষ্ঠান নির্মাণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল স্বাধীনতা আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। স্বাধীনতা সংগ্রামীরা এসবের মধ্য দিয়ে মতাদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও গ্রহণ করেছিলেন। প্রতিবাদের পাশাপাশি নির্মাণের এই রাজনৈতিক কর্মসূচি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের জনভিত্তি গড়ে তুলতে সাহায্য করেছিল। জাতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠক্রমে স্থান পেত বিকল্প শিক্ষা ভাবনা। জেলে বসেও তাঁরা এইসব নিয়ে চর্চা করতেন। গুপ্ত বিপ্লবী দলগুলো এলাকায় এলাকায় ক্লাব, বিদ্যালয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ইত্যাদি গড়ে তুলত। যুবসমাজ তার মাধ্যমে বিপ্লবী কর্মকাণ্ডে আকৃষ্ট হত।

১৯২১ সালে আসাম-বেঙ্গল রেলপথ ধর্মঘটে বিপ্লবীরা সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন। তার পরের বছর অনুশীলন সমিতির বিপ্লবী যোগেশ চ্যাটার্জী কুমিল্লায় সমবায়ের ভিত্তিতে একটি কারখানা গড়েন। সেখানে বিপ্লবীরাই ছিলেন মালিক তথা শ্রমিক। তাঁরা শ্রমের বিনিময়ে মাসে মাত্র ১৫ টাকা বেতন নিতেন। মুনাফার বাকি অর্থ তহবিলে জমা পড়ত। সমাজতান্ত্রিক মতাদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়েই তাঁরা এই কাজ করেছিলেন। ভগৎ সিং উত্তরপ্রদেশের আলিগড় জাতীয় বিদ্যালয়ে কিছুদিন প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। গান্ধীজির গ্রাম স্বরাজ ভাবনা নিয়ে মতপার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু সেটাও ছিল বিকল্প পথের অনুসন্ধান। কিশোর বাহিনী সংগঠিত করতে সুকান্ত ভট্টাচার্যের অবদান আমাদের জানা আছে।

দেশভাগের পর বাংলায় উদ্বাস্তু আন্দোলন বামেদের জমি শক্ত করেছিল। উদ্বাস্তু আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ছিল বিদ্যালয় স্থাপন, পাড়ায় পাড়ায় মনীষীদের স্মরণে নানা অনুষ্ঠান করা। সেদিন সমাজের বিশিষ্টজনেরা বামপন্থী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নানা গঠনমূলক কাজে নিজেদের যুক্ত করেছিলেন। বিপ্লবী আন্দোলনের ধারা এভাবেই বাংলায় প্রবহমান ছিল। ডঃ মেঘনাদ সাহার মত বিখ্যাত বিজ্ঞানীও উদ্বাস্তু আন্দোলন, দুর্ভিক্ষ প্রতিরোধ আন্দোলনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তরুণদের জন্য গড়ে তুলেছিলেন তরুণতীর্থ নামে প্রতিষ্ঠান। স্বাধীনতার পরেও ভারতীয় গণনাট্য সঙ্ঘ, ক্রান্তি শিল্পী সঙ্ঘের মতো সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে বিশিষ্টরা যুক্ত ছিলেন। বামেদের এইসব কর্মকাণ্ডের জন্য সেদিন শত প্ররোচনা সত্ত্বেও হিন্দুত্ববাদীরা বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি।

আরএসএস সমেত বিভিন্ন মৌলবাদী সংগঠন তাদের কর্মসূচি ও মতাদর্শ চর্চায় আজও অবিচল। নানা নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিজেদের ভিত গড়তে জন্মলগ্ন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত সক্রিয়। বামেদের বড় অংশ কিন্তু সেই পথ ভুলে গেছে। তৃণমূলের মদতে আজ তাই বিভিন্ন মৌলবাদী সংগঠনের সক্রিয়তা বহুগুণ বেড়েছে।

অতীতের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে বামেদের সেই পথে ফিরতে হবে। ভোটে জেতা, হারার উপর কর্মসূচি নির্ভর করে না। এটা এক নিরবচ্ছিন্ন প্রক্রিয়া। বিকল্পের চর্চা, তা হাতেনাতে রূপায়িত করা। প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক-সামাজিক কর্মসূচি নেওয়া। সামবায়িক আদর্শে সীমিত পরিসরে আর্থিক কার্যকলাপ করা, যার মূল লক্ষ্য হবে যূথবদ্ধতা। বিজ্ঞানমনস্ক, পরিবেশবান্ধব এক বিকল্প উন্নয়নের দিশা। সেই বিকল্প অনুশীলন বন্ধ হয়েছে বলে তার শূন্যস্থান দখল করছে সভ্যতাবিরোধী শক্তি। রাজনীতির পরিসর কোনোদিন শূন্য থাকে না। বিজেপির রবীন্দ্র জয়ন্তী পালন তার রাজনৈতিক কর্মসূচির অঙ্গ। শাহ কী বললেন, তা নিয়ে বিতর্ক চলবে। তৃণমূল তার পালটা কথা বলে সেই চর্চাকে আরও কিছুদিন প্রাসঙ্গিক রাখবে। মূলধারার সংবাদমাধ্যম এইসব নিয়ে বাজার গরম করবে। সব হবে নিয়ম মেনে, ছক কষে। প্রথাগত ছক ভাঙার পথ দেখিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ। সেই পথেই বিজেপির মোকাবিলা করতে হবে। সেই কর্মসূচির কেন্দ্রে থাকবেন সাধারণ মানুষ।

মতামত ব্যক্তিগত

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.