‘আরে ছুটি নেব… আলবাত নেব… উইদাউট পে হবে… তুই প্লিজ টাইম মেশিনটা বাতিল করিস না।’

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন

~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

‘আমি তুই হলাম… আরও ২০ জন… সবাই ব্যস্ত… সবাই জর্জরিত… সবাই মিড লাইফ ক্রাইসিসে ভুগছে…’

‘তবু সবাই আসবে… জাস্ট টানটা উপেক্ষা করতে পারবে না… স্কুলের টান… আচ্ছা এটা অভিকর্ষ না মহাকর্ষ…?’

‘মহাকর্ষ বোধহয়… আবার অভিকর্ষও হতে পারে… স্কুল মানে আমাদের পৃথিবী… এককালের পৃথিবী… হারানো পৃথিবী… তবু পৃথিবী তো বটে’ গলা ধরে এল।

বুঝলাম এবার ফোন ছাড়ার সময় হয়েছে… বললাম ‘দেবায়ন… একটা টিম তোর। তুই ক্যাপ্টেন্সি করবি।’

‘ওকে… অন্য টিমে কে ক্যাপ্টেন?’

‘রজতকে বলি? ও-ই তো ছিল ২৫ বছর আগে।’

‘ বেশ হয়… বেশ হয়…’

‘কী যেন ছিল লাইনটা?’

‘পৃথিবীর রাঙা রাজকন্যাদের মতো সে যে চ’লে গেছে রূপ নিয়ে দূরে;

আবার তাহারে কেন ডেকে আনো?

কে হায় হৃদয় খুঁড়ে

বেদনা জাগাতে ভালোবাসে!

কার লেখা বল তো?’

‘এরকম তো একজনই লিখতে পারতেন…’

‘ঠিক ঠিক… জীবনানন্দ… তুই বাংলায় ইলেভেনে অঙ্কের থেকে বেশি পেয়েছিলিস আমার মনে আছে।’ রজত হাসে… মনে হয় বহুদিন পর হাসল… যেন ধুলো মাখা সিন্দুক খোলার মর্মর ধ্বনি।

‘আমায় ছাড় ভাই। কোথায় তোরা কোথায় আমি… আমার ভালো লাগবে না… তোরা খেলার নামে নিউ জার্সিতে অঞ্জলি দেওয়ার গল্প করবি… আমায় উৎসাহী শ্রোতা হয়ে থাকতে হবে…’

‘ এমন হবে না ভাই…’

‘ কতবার এমন হয়েছে… বরাবর এমন হয়েছে অরিজিৎ…’

‘এবার হবে না… আরে তুই তো এখনো আমাদের আজ্জু মিয়াঁ… আমাদের ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন…’

‘কেন… কোর্টনি ওয়ালশ নই?’ এবার রজত সত্যি সত্যি হাসে… সে যুগে যেমন হাসত…

‘ব্যাট হাতে আজ্জু… বল হাতে ওয়ালশ… হল?’

রজত উত্তর দেয় না। টেলিফোনের ওপারে মাথা নেড়ে সায় দেয় বোধহয়।

আমি জানি ও আসবে।

‘তাহলে…ইংরেজির প্রফেসর আবার ওপেন করতে নামবেন?’

‘একদম’

‘As though a rose should shut, and be a bud again। আমার সাথে নামবে কে?’

‘দেবায়ন… যে নামত… দেবায়ন-শমীক জুটির বেটার হাফ।’

‘আহা… বেটার না ওয়ার্স মাঠেই বোঝা যাবে… দেবায়ন ডাক্তার আছে কেমন?’

‘বাইরে থেকে অসাধারণ… তাই ভিতর জমিন নিয়ে সন্দেহ জাগে।’

‘উফ… সন্দেহ আর সন্দেহ… অরি তুই অরিই রইলি… মিত্র আর হতে পারলি না… আরে ম্যাকবেথের ডাইনির মত সবাই ভাল সবাই খারাপ… অত ভাবলে সব উজাড় হয়ে যাবে… হ্যামলেট কী বলেছিল? Use every man after his desert, and who should ‘scape whipping?… বুঝলি?’

‘না… ওদিন দয়া করে একটিও ইংরিজি উদ্ধৃতি ব্যবহার করবি না…’

‘দেখা যাক… কথা দিতে পারছি না… ওয়ান ডাউনে রাজু তো?’

‘শমীক…’

‘বল।’

‘তুই কিছু জানিস না?’

‘কী রে?’

‘রাজু তো নেই!’

‘কী বলছিস?’

‘মাস ছয় হয়ে গেল…’

‘অরিজিৎ আমায় আর এই কষ্ট টা দিস না। তোরা ঠিক করেছিস স্কুলমাঠে ক্রিকেট ম্যাচ খেলবি। কোনো এক শনিবার হাফ ছুটির দিনে… যেদিন স্কুলে আর কেউ থাকবে না সেদিন তোরা ২২ জন ২৫ বছর আগের কোনো দিনে ফিরে যাবি…’

‘তোরা না, আমরা বল আলতাফ।’

‘না রে… তুই জানিস আমার কোথায় আটকাচ্ছে…’

‘জানি…’

‘ওরা জিজ্ঞেস করবে রূপকথার কথা… কেউ না জেনে করবে… কেউ জেনে করবে… ওরা বলবে খোঁজ রাখিস না রূপকথার কি হল? আবার বিয়ে করল? বাচ্চা হল?’

‘আলতাফ কী যা তা বলছিস? এত হৃদয়হীন কেউ নই আমরা।’

‘তারপর বলবে তুই দাড়ি রেখেছিস কেন এত বড়… বলবে শুরু যেমনই হোক না, শেষ অবধি তোরা সব একরকম হয়ে যাস…’

‘আলতাফ… চুপ করবি?’

‘আমি আসব না।’

‘অলরেডি আমরা একজন শর্ট।’

‘কে নেই?’

‘রাজু।’

‘ও… শুনেছিলাম… রাজু… আমিও নেই… আলতাফ আর রাজু… এভাবে বাঁচে কে অরিজিৎ?’

‘তুই আসবি। অসীমকে কে কীপ করবে বল তো? অসীমের মিসাইলগুলো মনে পড়ে?’

‘অসীমের সত্যি স্পীড ছিল। জেনুইন পেস। অসীম ওই বয়সে চ্যানেল পেলে না…’

‘দেখা হচ্ছে…দেরি করবি না।’

উত্তর দিল না। ফোনও ছাড়ল না। প্রায় এক মিনিট দুজনেই চুপচাপ রইলাম।

শেষে আমিই ফোন ছাড়লাম।

‘রজত একাদশ বনাম দেবায়ন একাদশ… ১৫ ওভারের ম্যাচ… তুই থাকবি দেবায়নের টিমে… ওয়ান ডাউন নামবি…’

একটা ব্যঙ্গ মেশানো হাসি এল ফোনের ওপার থেকে। তুহিন বলল

‘জীবনে যারে তুমি দাওনি মালা,

মরণে কেন তারে দিতে এলে ফুল

মুখপানে যার কভু চাওনি ফিরে,

কেন তারি লাগি আঁখি অশ্রু সজল।

সে যুগে তো কোনোদিন সুযোগ পেলাম না। আমি সবচেয়ে বড় ক্রিকেট অ্যাডিক্ট ছিলাম। আজ জানি না কোন দিকে সূর্যোদয় হয়েছে।’

আমারও মেজাজটা হুট করে গরম হয়ে গেল।

‘তুহিন… যে খেলত বলে তুই চান্স পেতিস না… তোর পথের কাঁটা হয়ে যে ছিল, নিশ্চয়ই শুনেছিস সেই ছেলেটা চলে গেছে… রাজু মরে গেছে গত বছর।’

‘এ বাবা! সরি সরি।’

‘সরি আমায় বলিস না… রাজু তোরও যা আমারও তাই… ক্লাসমেট।’

‘আমি না… কিছু মনে করিস না… রাজুর চেহারা টা ঠিক মনে করতে পারছি না।’

‘এক্সেলেন্ট…’

‘অনেককিছু গেছে জীবনে এই আড়াই দশকে… অনেককিছু ঢাকা পড়ে গেছে… প্লিজ একটু মনে করিয়ে দে চেহারাটা।’

‘নাকটা টিয়া পাখির মত…’

‘ও হো! আরেব্বাস! একদম পুরো অবয়বটা চোখের সামনে ভেসে এল… এক পাকিস্তানি ফাস্ট বোলার ছিল… ওর মত চেহারা। কী নাম যেন? ওয়াসিম আক্রাম না? বল বল?’

আরো পড়ুন আলতো ফ্লিক: ক্রিকেট নিয়ে ব্যতিক্রমী বই

‘মোহাম্মদ আক্রাম… অল্প কয়েকটা ম্যাচ খেলেছিল। খুব সুন্দর অ্যাকশন… মুখটা রাজুর মত… ঠিক বলেছিস।’

‘কী হয়েছিল রে?’

‘টিবি।’

‘টিবিতে আজকাল কেউ মরে নাকি?’

‘সে আমি কী বলব? ডাক্তারির বিষয়ে দেবায়ন বলতে পারবে… আমি যা শুনেছি তাই বললাম।’

‘সবই তো বুঝলাম… তুই উদ্যোগ নিচ্ছিস… ভাল উদ্যোগ সন্দেহ নেই… কিন্তু স্কুলে একবার কথা বলেছিস?’

‘স্কুল তো ছুটি তখন… মানে ১:৪০ এ হাফ ছুটি। কার পারমিশন নেব?’

‘হেডস্যারের। এখন আর সরকারি স্কুল আগের সরকারি স্কুল নেই। আমি পড়াই আমি জানি। এখন সবকিছুতে অনুমতি লাগে। এখন খাজনার থেকে…’

‘ও প্রসঙ্গ থাক।’

‘হেডস্যারকে চিনিস তো?’

‘মৌখিক আলাপ আছে।’

‘আমাদের সময়ের ভূদেব স্যার তো এখনো রিটায়ার করেননি। ভূদেব স্যারকে একবার জাস্ট ফোন করে নিস। আমিও করতে পারি।’

‘তুই-ই কর। আমি এত যুগ যোগাযোগ রাখিনি… জানি না চিনতে পারবেন কিনা।’

‘ভূদেব স্যার কাউকে ভোলেননি… সেদিন কী হয়েছে শোন।’

‘ছাড়ি রে শোভাঞ্জন। কে যেন বারবার কল করছে। ওদিন দেখা হবে।’

‘অনেক ধন্যবাদ। কোনও ধ্যানাই প্যানাই না করে তুই রাজি হলি, কৌশিক। এবার একটা হেল্প কর।’

‘বলে ফ্যাল।’

‘অসীমের সাথে যোগাযোগ আছে?’

‘আরে ও তো নর্থ বেঙ্গলে… না না, কৃষ্ণনগর ব্যাক করেছে।’

‘ফোন নম্বর বলছে অস্তিত্ব নেই। তোর কাছে নম্বর আছে অন্য কোনো?’

‘এক মিনিট ধর। লাস্টে ফাইভ সেভেন, এটা তো?’

‘ওটাই অস্তিত্ব হারিয়েছে।’

‘ওকে… দেখছি ফেসবুক দিয়ে অসীমের সাথে যোগাযোগ করা যায় কিনা… অসীমকে তো লাগবে…’

‘অসীমকে তো লাগবেই। অসীমের স্পীড দেখার জন্য রাস্তায় লোক দাঁড়িয়ে যেত মনে আছে?’

‘বিলক্ষণ। তবে স্পীড আমারও কম ছিল না।’

‘হয়েছে। এখন এই বিগত যৌবনে স্পীড দেখাতে গেলে শোল্ডার ডিসলোকেট করবে।’

‘দেবায়ন তো আছে তার জন্য।’

‘দেবায়ন তোর অপোনেন্ট টিম, গাধা। তোর কাঁধ খুলে গেলে ওর বয়েই গেল।’

‘তাও ঠিক।’

‘আচ্ছা… পাঞ্জাবি আর জিন্স অ্যালাউ করবি তো?’

‘আলবাত।’

‘ম্যাচ শেষে খাওয়াতে হবে। তুই খাওয়াবি?’

‘কী খাবি বল? ওইসব বাদ দিয়ে।’

‘ধুর… আমি এখন ভাল ছেলে হয়ে গেছি। সেই ত্রিদিবেন্দু আর নেই।’

‘সে কী! সেই ছেলেটা কোথায় গেল যে ক্লাস নাইনে পালিয়েছিল?’

‘সে মরে গেছে। শোন, আরেকটা অনুরোধ। মেয়েকে নিয়ে আসব… ছ বছরের মেয়ে…’

‘আনিস। কিন্তু ওর সামনে তোকে কেউ গালাগাল দিলে?’

‘তাতে আপত্তি নেই, কিন্তু নাইনের গল্পটা বলবি না। ওটা ও ক্যাচ করে নেবে। বাড়ি এসে ওর মাকে বললে… বুঝিসই তো…’

‘হুঁ।’

‘আমায় দেবায়নের টিমে দিবি না?’

‘কেন রে?’

‘কারণ আছে। ছাড়… আম্পায়ার কে?’

‘রোগা দেবাশিস। ওর বাইশে স্টেন্ট বসেছে। ডাক্তারের আপত্তি নেই, কিন্তু ও খেলবে না।’

‘আমার ইউরিক অ্যাসিড আছে।’

‘আমারও… আইসক্রিম খাওয়াব তোর মেয়েকে।’

‘আর আমায়?’

‘রজত…যতটা ভেবেছিলাম ততটা জমছে না ব্যাপারটা।’

‘তাই তো হওয়ার কথা ছিল বন্ধু।’

‘অর্ধেক লোকের উৎসাহ নেই… কেউ কেউ বাইরে… সৌরভ যেমন পা ভেঙে বসে আছে।’

‘সৌরভ মানে পাপাই?’

‘হুঁ।’

‘ভাই, আমরা বুড়ো হয়ে গেছি। আমি জানি এটা নিয়ে আমরা ডিনায়াল ফেজে থাকতে ভালোবাসি… তবু সত্যি তো সত্যিই।’

‘আমাদের এক সিনিয়র এক্স স্টুডেন্টদের ম্যাগাজিনে লিখেছিল মনে আছে ‘মাঝে মাঝে দেখা হয়/এর ওর তার সাথে/খবর ভাল তো সব? ঘুম হয় রোজ রাতে?’’

‘ছাড়… খেলাটা কী দাঁড়াল?’

‘আটজনের দল। এর বেশি হল না। বারো ওভারের ম্যাচ। তুই আর দেবায়ন ক্যাপ্টেন। হাফ হ্যান্ড চলবে।’

‘অগত্যা।’

১০

‘একটু আগে আসবি। একটার মধ্যে। ব্যাট, বল আমি আনব। উইকেট তুই।’

‘একদম।’

‘হসপিটাল পুরো অফ করেছিস ওদিন?’

‘ওপিডি হাফ করে বেরিয়ে আসব। বিএমওএইচকে বলা আছে। দেরি হবে না।’

‘টিম দুটো হোয়াটস্যাপ করেছি। দেখেছিস?’

‘রজতের টিমটা বেটার হয়েছে। আমার টিমে মোটা ডায়াবেটিক, স্লিপ অ্যাপনিয়াতে ভোগা সবজান্তা বুড়োতে ভর্তি।’

‘ দেবায়ন, এখন নয়, প্রশ্ন হচ্ছে টিমটা তখন কী ছিল। নির্বাচন হয়েছে ১৯৯৮ সালের ফর্মের নিরিখে।’

‘একটা সুখবর দিই?’

‘দে।’

‘ওদিন বৃষ্টির ফোরকাস্ট আছে।’

‘সে কী রে! এই সিজনে বৃষ্টি?’

‘ডিপ্রেশন ওভার বে অফ বেঙ্গল। দ্যাখ কী হয়…’

১১

‘স্যার, আপনি আমায় ফোন করলেন? কী যে ভালো লাগছে…’

‘হ্যাঁ বাবা। শোভাঞ্জন নম্বর দিল। কত যুগ পর তোমার গলা শুনলাম।’

‘স্যার… সবাই বলে ভূদেব স্যার একইরকম আছেন। এখনো স্কুল মাঠে দাঁড়িয়ে খেলা দেখেন ছুটির পরে?’

‘এখন আর ওরা খেলে কই? খেলে কী লাভ হয় বলো তো? সময় নষ্ট ছাড়া? আজকের প্রজন্মের কেউ সময় নষ্ট করতে চায় না।’

‘কেউ তো খেলে তাও?’

‘ফুটবল খেলে কেউ কেউ। ইউরোপিয়ান ক্লাবের জার্সি পরে… ঠিক মেলাতে পারি না। আর মাস তিনেক পরে রিটায়ার করব। শুনেছিস?’

‘হ্যাঁ স্যার।’

‘মনে করাবো… ওদিন আসবি… তোদের কথা ভাবি খুব… বই পড়ি… পুরনো ক্রিকেট ম্যাচ ইউটিউবে দেখি। সময় কেটে যায়… সেদিন কী যে হল… তোদের খেলাটা হল না… এত বৃষ্টি… এত খারাপ লাগল।’

‘খারাপ আমাদেরও কম লাগেনি স্যার। এত দিন ধরে ফোনে ফোনে অ্যারেঞ্জ করা ম্যাচ প্রকৃতির খেয়ালে ভেস্তে গেল… কেউ আসতে পারলাম না…’

‘একটা ছেলে এসেছিল, জানিস?’

‘কে বলুন তো?’

‘নাম তো মনে থাকে না বাবা… একটু মনে করালে মনে পড়ে।’

‘কীরকম দেখতে বলুন তো?’

‘আরে ওই ছেলেটা… চেহারাটা পিকুউলিয়ার। রোগা, লম্বা… ভালো খেলত…’

‘আলতাফ?’

‘না… আলতাফ না… আরে ওই ছেলেটা…নাকটা অদ্ভুত… টিয়া পাখির মত… খাড়া নাক… টিকালো…’

‘একটা রেনকোট পরে বাউন্ডারি লাইনে দাঁড়িয়ে ছিল। বৃষ্টি পড়ছিল খুব। অন্ধকার করে এসেছিল। আমায় দেখে হাসল। দূর থেকে। হাত নাড়াল। আমি যেতাম… বৃষ্টি একটু ধরলেই যেতাম… পরে যখন গেলাম, ও চলে গেছে…’

‘ স্যার… কার কথা বলছেন স্যার?’

‘সে কী! তুই বুঝতে পারছিস না? তোর গলাটাই বা কাঁপছে কেন? আরে ওই ছেলেটা… আচ্ছা এবার বুঝতে পারবি। সে সময় পাকিস্তানের এক ফাস্ট বোলার ছিল মনে আছে? মোহাম্মদ আক্রাম নাম। ওয়াসিম আক্রাম না। ছেলেটাকে ওইরকম দেখতে। তোর মোহাম্মদ আক্রামকে মনে থাকার কথা না… অল্প কটা টেস্ট খেলেছিল। খুব সুন্দর অ্যাকশন…’

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.