ভাস্কর গুপ্ত

অর্থনীতিবিদ-রাজনীতিবিদ মনমোহন সিংয়ের প্রয়াণে যে ভারতীয় রাজনীতিতে এক যুগের অবসান হল তা নিয়ে কোনো দ্বিমত থাকতে পারে না। গত কয়েকদিন ধরে মনমোহন সিংয়ের স্মরণে যেসব নিবন্ধ চোখ পড়ল তাতে দেখলাম প্রায় সকলেই তাঁর অর্থনীতিবিদ সত্তা নিয়ে লিখছেন। তাঁর রাজনৈতিক সত্তা নিয়ে যেন বলার মত বিশেষ কিছু নেই। অথচ তিনি পাঁচবছর দেশের অর্থমন্ত্রী এবং পরে দশবছর দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যা দেশের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক পদ। তাছাড়া ১৯৯১ সালে রাজনৈতিক পদ গ্রহণ করার পর থেকে মনমোহন কংগ্রেস পার্টির একজন বিশিষ্ট নেতা হিসাবে উঠে এসেছিলেন এবং পার্টি তথা দেশের রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। তারপরেও তাঁর রাজনৈতিক সত্তাকে অগ্রাহ্য করা যায় কীভাবে?

কেউ কেউ মনমোহন সম্পর্কে বলেছেন ‘an overrated economist but underrated politician’। অর্থাৎ অর্থনীতিবিদ হিসাবে যতটা হওয়া উচিত তার তুলনায় বেশি স্বীকৃত, কিন্তু রাজনীতিবিদ হিসাবে যতটা হওয়া উচিত তার তুলনায় কম স্বীকৃত। অনেকেই এই মন্তব্যকে অবমাননাকর বলে মনে করেন, কিন্তু এর বাস্তব ভিত্তি অস্বীকার করা যায় না। অর্থনীতির ছাত্র হিসাবে মনমোহন যে অত্যন্ত বিচক্ষণ ছিলেন তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকতে পারে না। একজন নবীন অর্থনীতিবিদ হিসাবেও তিনি অসাধারণ কৃতিত্বের দাবিদার। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি অর্থনীতির শিক্ষা তথা গবেষণা থেকে অনেক দূরে সরে গিয়েছেন এবং ধীরে ধীরে হয়ে উঠেছেন দুঁদে টেকনোক্র্যাট। আমলাও বলা যেতে পারে।

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন

~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

১৯৭১ সালে বাণিজ্যমন্ত্রকে অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হিসাবে যোগ দেওয়ার পর থেকে অর্থনৈতিক গবেষণার সঙ্গে তাঁর বিশেষ সম্পর্ক ছিল না বললেই চলে। তার অর্থ এই নয় যে দেশের অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণে তথা পরিচালনায় তাঁর অবদানের কোনো গুরুত্ব নেই। তবে তাঁকে কখনোই অমর্ত্য সেন বা জগদীশ ভগবতীর সঙ্গে এক সারিতে বসানো যাবে না। আবার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে যেভাবে অত্যন্ত টালমাটাল পরিস্থিতিতেও নিজের জেদ বজায় রেখে সরকার বাঁচাতে সক্ষম হয়েছেন, তাতে তাঁর নিজের কোনো অবদান ছিল না, পুরোটাই প্রণব মুখার্জির অবদান – একথা বললেও কি সত্যের অপলাপ হয় না?

সারা পৃথিবীতে নয়া উদারবাদ কিছুটা ধাক্কা খেলেও ভারতে এই মতবাদের এখনো বেশ রমরমা। তাই মনমোহন প্রশংসিত হন ১৯৯১ সালের উদারনৈতিক অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য। এই প্রশংসার বেশিটাই মতাদর্শগত। তাঁর নেতৃত্বে ভারতীয় অর্থব্যবস্থা কতটা এগিয়েছে তার মূল্যায়ন এখানে গৌণ। নয়া উদারবাদীদের মতে ১৯৯১ সালের আগে ভারতীয় অর্থব্যবস্থা চালিত হয়েছে ভুল মতে বা পথে, এবং ১৯৯১ সালে মনমোহন ভারতীয় অর্থব্যবস্থাকে সঠিক দিশা দেখিয়েছেন। কোনটা সঠিক পথ আর কোনটা ভুল পথ – সেই প্রশ্ন একটু সরিয়ে রেখে যদি তর্কের খাতিরে ধরেও নেওয়া যায় যে মনমোহন সত্যিই দেশকে সঠিক অর্থনৈতিক দিশা দিয়েছেন, তাহলেও মনমোহন তো তার আগে ২০ বছর ধরে ভারতীয় অর্থনীতির বিভিন্ন নীতি নির্ধারক পদে ছিলেন। তাহলে সেই সময়কার ভুল নীতি অনুসরণের দায় কি তাঁর উপরেও বর্তায় না?

তাছাড়া ১৯৯১ সাল থেকে শুরু করে মনমোহন যেসব নীতি গ্রহণ করেছেন তার মধ্যে কি কোনো মৌলিক চিন্তাধারা ছিল? ওইসব নীতি তো কয়েক ডজন দেশে তার আগেই গৃহীত হয়েছিল। বিশ্বব্যাংক বা আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার (আইএমএফ) ওগুলোর মূল প্রণেতা। বরং স্বাধীনোত্তর ভারতে সমাজতান্ত্রিক ও ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার মেলবন্ধন ঘটিয়ে যে নতুন পথ অনুসন্ধান বা অনুসরণের যে চেষ্টা হয়েছিল, তার মধ্যে কিছু মৌলিকতা বা নতুনত্ব ছিল। সে পথ ভুল না ঠিক, সফল না বিফল – তা সম্পূর্ণ আলাদা প্রশ্ন।

 

সারা পৃথিবীতে নয়া উদারবাদ কিছুটা ধাক্কা খেলেও ভারতে এই মতবাদের এখনো বেশ রমরমা। তাই মনমোহন প্রশংসিত হন ১৯৯১ সালের উদারনৈতিক অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য। এই প্রশংসার বেশিটাই মতাদর্শগত। তাঁর নেতৃত্বে ভারতীয় অর্থব্যবস্থা কতটা এগিয়েছে তার মূল্যায়ন এখানে গৌণ।

 

অর্থনীতিবিদদের মধ্যে মতাদর্শগত বা নীতিগত মতভেদ চিরন্তন ব্যাপার। কিন্তু কোন ধরণের নীতি একটা দেশ গ্রহণ করবে তা আসলে ঠিক হয় রাজনৈতিক মতাদর্শ দ্বারা। মনমোহন ১৯৯১ সালের আগের জমানায় যতটা সাবলীল ছিলেন, ১৯৯১ সালের পরে নতুন ঘরানার রাজনীতিতেও ঠিক ততটাই সাবলীল। সুতরাং মনমোহনের সত্যিকারের অর্থনৈতিক মতাদর্শ কী – তা বলা বেশ কঠিন। দুঁদে রাজনীতিবিদ পিভি নরসিমা রাও যখন দেশে নতুন ঘরানার রাজনীতি চালু করতে চাইলেন, তখন তিনি জানতেন যে অর্থনৈতিক সংস্কারকে রাজনীতি থেকে আলাদা রাখতে না পারলে এগিয়ে যাওয়া খুব কঠিন হবে। তাই সংস্কারের দায় কোনো রাজনীতিবিদকে না দিয়ে একজন অর্থনীতিবিদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া তাঁর দরকার ছিল। তাহলে যা কিছু করা হচ্ছে সবই হচ্ছে অর্থব্যবস্থার প্রয়োজনে – এমন প্রচারের সুবিধা হত। আর মনমোহনের অর্থনীতিবিদ ও রাজনীতিবিদ সত্তা তখন মিলেমিশে একাকার।

আরো পড়ুন ‘১৯৯১ থেকে জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্রের পথ ত্যাগ করার ফল গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্সে ১০১তম স্থান’

মনমোহনকে প্রায়শই বলা হয়ে থাকে ভারতের আধুনিক অর্থব্যবস্থার জনক। আসলে এরকম তকমা মূল্যহীন। এর দ্বারা কিছুই বোঝা যায় না। ১৯৯১ সালের পরে কেটে গিয়েছে তিন দশকেরও বেশি সময়। দেশ কি সত্যই আধুনিক হয়ে উঠতে পেরেছে? কিছু অর্থনৈতিক উন্নয়ন তো কালের নিয়মেই হয়েছে। ১৯৪৭ সালের ভারত আর ১৯৯১ সালের ভারত তো আর এক ছিল না। ঠিক তেমনই ১৯৯১ সালের ভারত আর ২০২৪ সালের ভারতও এক নয়। কিন্তু দারিদ্র্য, অশিক্ষা আর কুস্বাস্থ্য কি আজও জগদ্দল পাথরের মত দেশের বুকে চেপে বসে নেই?

একটা উদাহরণ দিলে বোধহয় ব্যাপারটা বেশি পরিষ্কার হবে। ১৯৯১ সালে ভারত আর চীনের জাতীয় আয় আর মাথাপিছু আয় – দুটোই ছিল তুল্যমূল্য। কিন্তু বর্তমানে দুই মাপকাঠিতেই চীন ভারতের থেকে পাঁচ গুণেরও বেশি এগিয়ে। অর্থাৎ ১৯৯১ সাল থেকে শুরু করে ভারত যতটা এগিয়েছে, চীন তার পাঁচ গুণ এগিয়েছে। অবশ্য যাঁরা ১৯৯১ সালের আগের ভারতের ‘ব্যর্থতা’ নিয়ে বলতে গেলে বারবার দক্ষিণ কোরিয়ার উদাহরণ দিয়ে থাকেন তাঁরাই এখন চীনের তুলনায় ভারতের ‘ব্যর্থতা’-র কথা বলতে গেলে গণতন্ত্র আর মানবাধিকারের বুলি আওড়াবেন। যা-ই হোক, কিছুকাল আগে লর্ড মেঘনাদ দেশাই একটা মোক্ষম কথা বলেছেন – ভারতকে নিজের অর্থনৈতিক অর্জন নিয়ে সন্তুষ্ট হওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।

 

১৯৯১ সালে ভারত আর চীনের জাতীয় আয় আর মাথাপিছু আয় –
দুটোই ছিল তুল্যমূল্য। কিন্তু বর্তমানে দুই মাপকাঠিতেই চীন ভারতের থেকে পাঁচ গুণেরও বেশি এগিয়ে। অর্থাৎ ১৯৯১ সাল থেকে শুরু করে ভারত যতটা এগিয়েছে, চীন তার পাঁচ গুণ এগিয়েছে।

 

আসলে ১৯৯১ সালের পর থেকে ভারতের অর্থনৈতিক সাফল্য মোটেই আহামরি কিছু নয়। এর মধ্যে ১৫ বছর মনমোহন থেকেছেন অর্থমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী হিসাবে চালকের ভূমিকায়। তাই ভালমন্দ যা-ই হোক, এতে তাঁর দায় কিন্তু সিংহভাগ। ১৯৯১ সালে তিনি টাকার মূল্য এক ধাপে অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছিলেন এবং আরও কিছু সংস্কারও করেছিলেন। সেসব হয়ত ছিল সময়ের দাবি। তাছাড়া বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা স্থাপনার সঙ্গে সঙ্গে ভারত যেমন তার আমদানির উপর নিয়ন্ত্রণ কমিয়েছিল, তেমন অন্যান্য দেশও তাদের আমদানি ব্যবস্থার অনেকটাই উদারীকরণ করেছিল। এসবের ফলে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি অনেকটাই কমেছে। এমনকি অটলবিহারী বাজপেয়ী সরকারের সময়ে কয়েক বছর ভারত বাণিজ্য ঘাটতি দূর করে বাণিজ্য উদ্বৃত্তের মুখ দেখেছে। কিন্তু সেই সাফল্য দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। তার কয়েক বছরের মধ্যেই ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি হু হু করে বেড়েছে, সেইসঙ্গে ভারতের নির্মাণ শিল্প বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে। এর জন্য হয়ত দায়ী খুব অল্প সময়ের মধ্যে ভারতের আমদানি শুল্ক হু হু করে কমিয়ে দশ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে চীনের সঙ্গে টেক্কা দেওয়া কতটা কঠিন হবে তা বুঝতে না পারা। এসবের দায় কি মনমোহন এড়াতে পারবেন?

তাঁর প্রশংসকরা প্রায়শই বলে থাকেন ‘He unleashed animal spirit in the economy’। শুধু পাশবিক মানসিকতা কেন? মানবিক মানসিকতা নয় কেন? অবশ্য কেউ কেউ হয়ত বলবেন, তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্বেই তো জাতীয় গ্রামীণ রোজগার নিশ্চয়তা প্রকল্প আইন (মনরেগা) এবং খাদ্য সুরক্ষা আইনের মত আইন চালু হয়েছে, যা গরিব মানুষের খুব উপকার করেছে। এগুলোই কি তাঁর সরকারের মানবিক মানসিকতার পরিচয় দেয় না? তর্কের খাতিরে হয়ত এমন বলা যায়, কিন্তু যাঁরা ভিতরের খবর জানেন তাঁরা জানেন ওইসব আইন নিয়ে মনমোহনের কতখানি অনীহা ছিল। অনেকটাই বাধ্য হয়ে এসব করতে রাজি হয়েছিলেন। তাই মনে হয়, সব মিলিয়ে মনমোহন হয়ত দক্ষিণপন্থী ছিলেন।

অনেকের মতে মনমোহন তাঁর দশ বছরের প্রধানমন্ত্রিত্বে অনেক কিছুই করেছেন নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে। তবে অদ্ভুতভাবে এক সহযোগী দল বা গোষ্ঠীর চরম বিরোধিতাকে অগ্রাহ্য করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে এগিয়ে গিয়েছেন। এমনকি এই প্রশ্নে তিনি নিজের সরকারের অস্তিত্বকেও বাজি রেখেছেন। সাধারণত যিনি সবসময় আপোস করে চলতেন, তিনি হঠাৎ অমন আপোসহীন হয়ে উঠলেন কেন? ওই প্রশ্নে বামেরা সমর্থন তুলে নিলেও মনমোহন সরকার বাঁচাতে সক্ষম হন। দেশের গণমাধ্যমকেও পাশে পেয়ে যান। পারমাণবিক চুক্তি দেশের শক্তি উৎপাদন ও সামগ্রিক প্রযুক্তি ব্যবস্থা আমূল বদলে দেবে – এমন স্বপ্ন বেচতে সফল হন। এমনকি এই স্বপ্ন দেখিয়ে তিনি পরের নির্বাচনে আরও বেশি সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরে আসেন। তারপরের ইতিহাস আমরা সবাই জানি। আমরা এটাও জানি, যে পরমাণু চুক্তি নিয়ে তিনি নিজের সরকারের অস্তিত্ব বাজি রেখেছিলেন – তা দেশের কোনো কাজে লাগেনি।

 

যাঁরা ভিতরের খবর জানেন তাঁরা জানেন ওইসব আইন নিয়ে মনমোহনের কতখানি অনীহা ছিল। অনেকটাই বাধ্য হয়ে এসব করতে রাজি হয়েছিলেন। তাই মনে হয়, সব মিলিয়ে মনমোহন হয়ত দক্ষিণপন্থী ছিলেন।

 

মনমোহনই তাঁর দলের শেষ প্রধানমন্ত্রী কিনা তা সময় বলবে। তবে তিনি দশবছর দেশ শাসন করার পর তাঁর দলের আজ এই যে দুরবস্থা তার দায় কি তাঁর উপরেও বর্তায় না? অনেকেই খেয়াল করিয়ে দেন, তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির যে পাহাড়প্রমাণ অভিযোগ উঠেছিল তার কিছুই আজ পর্যন্ত প্রমাণিত হয়নি। কথাটা ঠিক হলেও মানুষ যে অভিযোগগুলো বিশ্বাস করেছিল এবং তিনি বা তাঁর সরকার যে অভিযোগগুলো খণ্ডনে কোনো ব্যবস্থাই নিতে পারেননি – তাও তো ব্যর্থতারই নিদর্শন।

তাঁর আর্থ-রাজনৈতিক মতাদর্শ যা-ই হোক, মৃদুভাষী মনমোহন, তাঁর নম্র ভদ্র ও পরিশীলিত আচরণের জন্য সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। এমনকি বিরোধীদের কদর্য আক্রমণের মুখেও তাঁকে কখনো মেজাজ হারাতে বা অনভিপ্রেত আচরণ করতে দেখা যায়নি। রাজনৈতিক পরিসরে এমন ভদ্রতার নমুনা আজ বিরল। রাজীনীতিতে সাফল্য-অসাফল্য তো থাকবেই। সেসবের বাইরে একজন অত্যন্ত নম্র, ভদ্র ও সৌজন্যবোধসম্পন্ন রাজনীতিবিদের স্বীকৃতিই বোধ হয় মনমোহনের প্রতি সবচেয়ে বড় শ্রদ্ধাঞ্জলি।

লেখক অর্থনীতির গবেষক। মতামত ব্যক্তিগত

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.