কাবেরী কর গুপ্ত

এই মুহূর্তে পশ্চিম মেদিনীপুরের যে গ্রামে রয়েছি, সেখান থেকে সুন্দরবনের দূরত্ব খুব বেশি নয়। ধান উৎপাদনে পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলোর মধ্যে পশ্চিম মেদিনীপুরের স্থান প্রথম সারিতেই আসবে। আমি নিজে যে বাড়িতে এই মুহূর্তে রয়েছি, তারও চারপাশে বিস্তীর্ণ ধানের ক্ষেত। ক্ষেতের আশেপাশে বড় বড় গাছের সারি, পুকুর। তারপরেও এত গরম যে ঘরের মধ্যে এক জায়গায় দুদণ্ড স্থির হয়ে বসে থাকার উপায় নেই।

এ গ্রামে আমার আসা শুরু বছর চল্লিশেক আগে। গরমের ছুটি পড়লেই চলে আসতাম। তখন এত গরম পড়ত না, অন্তত স্মৃতি তেমনটাই বলে। জায়গাটা খড়্গপুরের কাছাকাছি। একথা সত্যি যে গত কয়েক বছরে খড়্গপুরের গড় মাসিক তাপমাত্রা পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। এ সমস্যা এখন সর্বত্র। নেপথ্য কারণ অবশ্যই জলবায়ু পরিবর্তন। গ্রামের যে কোনো লোককে জিজ্ঞাসা করলে তিনি একথাই বলবেন। আরেকটু গভীর উত্তরও পাওয়া যেতে পারে। এই যেমন, পোকামাকড়ের মধ্যেও পরিবর্তন আসছে, ফুলের ধরনধারণ বদলাচ্ছে, খাদ্য উৎপাদনও আগের মত নেই। শহরের লোকে বলবে— এসবই নির্বিচারে গাছ কাটার পরিণতি।

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন

~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

এই উত্তরগুলো শুনলে বোঝা যায়, সাধারণ মানুষ বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল। তাপমাত্রা কেন বাড়ছে, বৃষ্টিপাত কেন অনিয়মিত, এত ঘনঘন ঝড়ের কারণই বা কী, তাঁরা জানেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে আমাদের কী করণীয়? বেড়ালের গলায় ঘন্টাটা বাঁধবে কে? এই প্রশ্নের কোনো উত্তর তাঁদের কাছে নেই। এক্ষেত্রে সবচেয়ে সদর্থক ভূমিকা নিতে পারে একমাত্র সরকার। উপযুক্ত সরকারি নিয়মনীতি প্রয়োগ করে নানা ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারত, বন্ধ করা যেত দুর্নীতি। আপাতত সে গুড়ে বালি। তবে সাধারণ নাগরিক হিসাবে এ বিষয়ে আমাদেরও কিছু আশু কর্তব্য থাকে, সেগুলো নিয়েই আলোচনা করা যাক।

যেমন এই নির্বাচনী আবহে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হতে পারত, শাসক-বিরোধী নির্বিশেষে রাজনৈতিক দলগুলোকে এই প্রশ্নটা করা—তোমরা নির্বাচনী ইশতেহারে পরিবেশ সংকট নিয়ে কটা কথা খরচা করেছ? পরিবেশ নীতি নিয়ে কটা মামুলি কথা ছাড়া কোনো দলেরই ইশতেহারে বিষয়টাকে খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়নি। ইন্টারনেটে ইশতেহারগুলো মোটামুটি সহজলভ্য। সেগুলো পড়ে একটা বিষয় খুব পরিষ্কার। নির্বাচনের পর নির্বাচন হয়ে চলেছে, পরিবেশের সংকট প্রতিদিনের জীবনে ঢুকে পড়েছে, কিন্তু রাজনীতিতে একরকম নৈব নৈব চ। আর কেবল ভারত নয়, গোটা বিশ্বের ছবিই মোটামুটি এক।

এবছর পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া কেরালা, তামিলনাড়ু আর আসামেও বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গেল। সংসদীয় রাজনীতিতে পরিবেশ অন্তর্ভুক্তিকরণের প্রশ্নে চার রাজ্যের মধ্যে এগিয়ে রয়েছে কেরালা। গত কয়েক বছরে কেরালায় পরপর বন্যা আর ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। কেরলের পরে আসবে তামিলনাড়ুর নাম। সেখানকার পরিবেশ নীতির মধ্যে পড়ছে নগর পরিকাঠামো আর জলসংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি। কেরালার মত আসামও ঘোর বন্যাপ্রবণ, আসামের পরিবেশ নীতি তাই আটকে থাকছে বাঁধ তৈরি করে বন্যা নিয়ন্ত্রণের অগভীর ভাবনায়। পশ্চিমবঙ্গে এই সংকটের শিকড় গভীর, বিশেষত সুন্দরবন ক্রমশ বিপন্নতার মুখে পড়ছে। দুর্ভাগ্যজনক এই যে, তারপরেও এখানে পরিবেশ নিয়ে উচ্চস্তরে বৈজ্ঞানিক দূরদর্শিতা তৈরি হল না।

ভাবনার এই অনুপস্থিতিটা কোনো নিরপেক্ষ বিষয় নয়—বরং, সচেতন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত।

গত কয়েক দশকে আমরা রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের যে মডেল দেখলাম, সেখানে পরিবেশবোধের চেয়ে অগ্রাধিকার পেল গতি— যে গতিতে মাইল কে মাইল রাস্তা তৈরি হয়ে যায়, যে গতিতে ভারী শিল্প কারখানা গড়ে ওঠে। এক মুহূর্তের জন্যও সেখানে জায়গা পেল না ভবিষ্যৎ সংকটের ভাবনা, পরিবেশ-আলোচনা থেকে সচেতনভাবে বাদ পড়লেন সাধারণ মানুষ, জঙ্গল নিধনও বছর বছর বাড়ল। নতুন বন সংরক্ষণ সংশোধনী আইনের জোরে রাষ্ট্র আজ বনের সংজ্ঞাও দিব্যি বদলে নিতে পেরেছে। অথচ সদিচ্ছা থাকলে এই পরিবেশকে কেন্দ্র করেই গড়ে তোলা যেত আরও উন্নততর উন্নয়নের মডেল।

সরকারি ভাষণে যতই জলবায়ু পরিবর্তনের কথা উঠে আসুক, দীর্ঘ লড়াইয়ে পাওয়া এই বনরক্ষা বা নদীরক্ষা আইনগুলোকে যেভাবে ক্রমশ দুর্বল করছে এই রাষ্ট্র, তাতে তাদের অভিপ্রায় নিয়ে সন্দেহ থাকার কথা নয়।

এ রাজ্যে পরিবেশবোধের অভাবের সেই চেহারাটা ঠিক কেমন?

সুন্দরবন অঞ্চলে প্রতিবার ঘূর্ণিঝড়ের পরে বাঁধ দেওয়া হয়। ব-দ্বীপ অঞ্চলে মাটির ভিত খুব মজবুত নয়, অথচ বাঁধ নির্মাণের সময়ে সেসব খতিয়ে দেখার প্রয়োজন মনে করে না প্রশাসন। ফলে যা ঘটার তাই ঘটে। চাষের ক্ষেতে নোনা জল ঢুকতে শুরু করে, চাষিরাও চাষবাস ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। এই অঞ্চলের মানুষের কাছে বাইরের রাজ্যে কাজ করতে যাওয়াটা তাই ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের বিষয় নয়, বাধ্যবাধকতা।

কলকাতায় এই সংকটের চেহারা আবার স্বাভাবিকভাবেই অন্যরকম। সেখানে রিয়েল এস্টেটের চাপে জলাভূমি কমে যাওয়াটাই মুখ্য। এদিকে পূর্ব কলকাতার অত বিস্তীর্ণ জলাভূমি অঞ্চল সেই কবে থেকে বর্জ্য জলের প্রাকৃতিক শোধনাগার হিসেবে বিশ্ববিখ্যাত। শহরের সীমা যত বাড়ছে, গাছপালা সরিয়ে সেখানে জায়গা করে নিচ্ছে কংক্রিটের প্রচণ্ড জঙ্গল, শহরের তাপমাত্রাও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। এসব কথা বহুদিন ধরেই আমরা জানি। কিন্তু আরও ভাবার বিষয় এই যে, তাপমাত্রার এই বেড়ে চলা ক্রমশ এক শ্রেণিসমস্যার দিকে এগোচ্ছে। যাঁদের পক্ষে এয়ার কন্ডিশনারের আরাম নেহাতই বিলাসিতা, বেশি কষ্টভোগ করছেন তাঁরাই।

অর্থাৎ উন্নয়নের যে ধারণা এতদিন রাষ্ট্র আমাদের কাছে রেখেছে, তাতে পরিবেশের কাছে শুধু ঋণের পাহাড় জমছে। অদূর ভবিষ্যতে এই ঋণ মেটানোর চেহারা কতটা ভয়াবহ হতে পারে, আন্দাজ করা খুব শক্ত নয়।

জাতীয় রাজনীতির কথায় আসা যাক। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের ইশতেহারগুলো কিছুটা অন্যরকম কথা বলেছিল। বিজেপির ইশতেহারে পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তির কথা বলা হয়েছিল, জীবনযাপন পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছিল, উঠে এসেছিল নেট জিরোর (কার্বন ও গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমন শূন্যে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা) মত দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যপূরণের প্রসঙ্গও। অন্যদিকে, জাতীয় কংগ্রেসের ইশতেহারে উঠে এসেছিল পরিবেশ নীতি ও জলবায়ু ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি। নির্বাচনী ফলাফলে বিজেপির শক্তি কমলেও, শেষপর্যন্ত ক্ষমতায় ফেরে তারাই। দুবছরে সরকারের কাজের যা রকমসকম, তাতে ইশতেহারের সেসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হওয়ার বিশেষ লক্ষণ নেই। তার বদলে তাপপ্রবাহ, বন্যা, নদীদূষণ, বাসযোগ্য ভূমির ক্রমশ কমে আসা মোটামুটি রোজকার জীবনের অংশ হয়ে গিয়েছে। নীতিভাষা আর বাস্তবের মধ্যেকার এই দূরত্ব প্রতিদিনই বাড়ছে।

আরো পড়ুন আরাবল্লী আর পাহাড় নয়, দিল্লির মৃত্যু পরোয়ানা জারি হল

সামগ্রিকভাবে বিশ্বের অন্যত্রও ছবিটা প্রায় একই। বৈশ্বিক দক্ষিণে, বিশেষত ব্রিকস দেশগুলোতে, উন্নয়নের চাপে পরিবেশের অবহেলা স্বাভাবিক ব্যাপার। সেখানে বনরক্ষা আর বনধ্বংস একই সঙ্গে ঘটে। খাতায় কলমে জলবায়ু নিয়ে প্রতিশ্রুতি সবসময়েই থাকে, কিন্তু জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনা সম্ভব হয় না। বৈশ্বিক উত্তরে পরিস্থিতি আবার অন্যরকম। সেখানে পরিবেশ-অধিকারের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি রয়েছে, কিন্তু নীতি বা আইন কতখানি কার্যকর হতে পারবে, তার নেপথ্য নিয়ন্ত্রক রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা। নির্বাচনী বৃত্তের ঘূর্ণনে আবর্তিত হয় পরিবেশভাবনার নিয়তি।

তাহলে, আজকের এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী কে? উত্তরটা বহুস্তরীয়। সবচেয়ে বেশি নির্গমন হয় যে তিন দেশে, অর্থাৎ চীন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত, জলবায়ুর ভবিষ্যৎ অনেকটা নির্ভর করছে তাদের উপর। যদিও ভারতের মত দেশে পরিবেশ সংকটের মুখে সবচেয়ে বিপন্নতায় পড়ছে দরিদ্রতম শ্রেণিই।

তবে কেবল দূষণ-নির্গমন, কার্বন বাজার বা মেগাওয়াটেই আবদ্ধ নয় এই আলোচনা। একদম শুরুতেই যে প্রসঙ্গ দিয়ে শুরু করেছিলাম— অর্থাৎ মানুষ-পরিবেশের দৈনন্দিন সম্পর্ক যেভাবে পালটাচ্ছে, বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখলেও তা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামের পরিচিত পোকামাকড় হারিয়ে যাচ্ছে, টলটলে পুকুর শুকিয়ে যাচ্ছে, ফসলের ফলন কমছে। ঘটনাগুলো নেহাত কথার কথা নয়, এগুলোই আজকের বাস্তব পর্যবেক্ষণ, আমরা যাকে বলি ‘ডেটা’।

ক্ষমতা দখলের রাজনীতিতে এই বিষয়গুলো আজও ব্রাত্য, বরং সেই রাজনীতির বাইরে এক বিকল্প পরিবেশবাদ গড়ে উঠছে। কোথাও নাগরিক উদ্যোগে শহরের জীববৈচিত্র্য নিয়ে বিস্তারিত কাজ হচ্ছে, কোথাও ধ্বংসাত্মক প্রকল্পকে আটকে দিচ্ছে শোষিত মানুষের সমবেত প্রতিরোধ, কোথাও গবেষক বা ছাত্রছাত্রীদের পরিশ্রমে নতুন করে তৈরি হচ্ছে পরিবেশবোধ। এগুলোকে স্রেফ কিছু বিক্ষিপ্ত কাজকর্ম ভাবলে ভুল হবে, বরং এই বিকল্প উদ্যোগগুলোই আজকে পরিবেশচর্চার একমাত্র পরিসর হয়ে উঠছে।

এই মুহূর্তে প্রান্তিক পশ্চিমবঙ্গের এক গ্রামে বসে যখন বুঝতে পারছি, দুপুরের স্বাভাবিক গরমটা দিনদিন অস্বাভাবিক হয়ে উঠছে, তখন আরও বেশি করে বিজ্ঞানের কাছে ফিরতে ইচ্ছে করছে। কয়েক বছর আগেই রাষ্ট্রপুঞ্জের ইন্টারগভমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (আইপিসিসি) ঘোষণা করেছিল— তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অতিবৃষ্টি এবং জলস্তর বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি সংকটে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়া। গত ১০০ বছরে ভারতের গড় তাপমাত্রা বেড়েছে ০.৭ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড, বৃদ্ধির হার স্বাভাবিকভাবেই সাম্প্রতিক দশকগুলোতে বেশি। এই মুহূর্তে যা পরিস্থিতি, তাতে আগামী কয়েক বছরে তাপপ্রবাহ আরও বাড়বে। সুন্দরবন অঞ্চলে ইতিমধ্যেই সমুদ্রের জলস্তর অনেকটা বেড়ে গিয়েছে, সমুদ্রের নোনা জল ঢুকে মাটির লবণাক্ততা বাড়িয়ে দিচ্ছে। তার ফলে ক্রমাগত পালটে যাচ্ছে সেখানকার পরিবেশ, চাষবাস আর জীবনযাত্রার ধরন।

ফলে আজ জলবায়ু সংকট সত্যি কিনা, বা মানুষ সত্যিই সেটা বোঝে কিনা, এগুলো আদৌ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নয়। মানুষ সবই বোঝে। প্রশ্ন বরং এটা যে, আসল কাজটা করবে কে, এবং কতটা গভীরভাবে? ইশতেহারে যখন এই বিষয়গুলো উঠে আসছে না, তখন ধরেই নিতে হবে, নির্বাচন আসলে ভবিষ্যৎ কল্যাণের কথা ভেবে হচ্ছে না, বরং তা হয়ে উঠছে এই সচেতন অবহেলাকে ধামাচাপা দেওয়ার কৌশলী রাজনীতি।

সেকথা ভাবতে গিয়েই আবার ফিরতে হয় নিজেদের নৈতিক কর্তব্যের কাছে। সে কর্তব্য শুধু ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে পছন্দের দলের চিহ্নে বোতাম টিপেই শেষ হলে চলবে না, বরং ক্রমাগত প্রশ্ন করে যেতে হবে। পরিবেশভাবনা কেবল যেন উত্তরচিন্তা যা হয়ে যায়, রাষ্ট্রের কাছে এই দাবি উঠুক। ঘরের এই অসহ্য গরম, হারিয়ে যাওয়া পোকামাকড়ের বিষণ্ণ নীরবতা— সবটাই সেই দাবি তোলার প্রেরণা।

নিবন্ধকার পেশায় বন্যপ্রাণী জীববিজ্ঞানী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনা মিউজিয়াম অফ ন্যাচারাল সায়েন্সেসের সঙ্গে যুক্ত। মতামত ব্যক্তিগত

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.