২০১৩-১৪ সালের ভয়াবহ ইবোলা মহামারী এবং সংশ্লিষ্ট কিছু বিষয়ে এবার চোখ বোলানো যাক। পশ্চিম আফ্রিকার ওই মহামারীর ফলে লাইবেরিয়া, গিনি আর সিয়েরা লিওন মিলিয়ে ২৮,৬১০ মানুষ ইবোলায় আক্রান্ত হন। তার মধ্যে মারা যান ১১,৩০৮ জন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সঙ্গত কারণেই একে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ উদ্রেককারী জনস্বাস্থ্যের জরুরি অবস্থা হিসাবে চিহ্নিত করে। সেই মহামারীতে আমেরিকা, ইংল্যান্ড প্রভৃতি দেশেরও স্বল্পসংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হন এবং একজন আমেরিকান মারা যান। এঁদের বেশিরভাগেরই পশ্চিম আফ্রিকায় থাকার ইতিহাস ছিল, অনেকেই ছিলেন স্বাস্থ্যকর্মী। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দীর্ঘমেয়াদি ওই মহামারী ২০১৬ সালের জুনে সমাপ্ত হয়েছে বলে ঘোষণা করে।
ওই মহামারী ইতিহাসে সর্ববৃহৎ, কিন্তু এবারের আলোচনায় সে প্রসঙ্গ টেনে আনার অন্য কারণও আছে। ২০১৪ সালেই কঙ্গোয় আরেকটা মহামারীতে ৬৯ জন ইবোলা রোগীর মধ্যে ৪৯ জন মারা যান। পশ্চিম আফ্রিকা হোক, কঙ্গো, উগান্ডা বা সুদান হোক, ইবোলা মহামারীর কিছু প্রেক্ষাপট এবং সেই সূত্রে বাইরের জগতের প্রতিক্রিয়ার মধ্যে বেশকিছু মিল পাওয়া যায়। নিঃসন্দেহে অধিকাংশ আক্রান্ত দেশ অকল্পনীয় দারিদ্র্য, রাজনৈতিক অস্থিরতা এমনকি আভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ এবং শক্তপোক্ত স্বাস্থ্যব্যবস্থার অভাবে ক্লিষ্ট। তা সত্ত্বেও তথাকথিত পশ্চিমী দেশগুলো এবং অন্যান্য মহাদেশের অনেকের নজরেই দোষী সাব্যস্ত হয় আফ্রিকার ওইসব দেশের নাগরিকদের কিছু আচার ব্যবহার। অনেককেই বলতে শোনা যায় ‘ওরা কীসব খায়, কীসব অদ্ভুত অদ্ভুত প্রথা ওদের!’ ইবোলার সর্ববৃহৎ মহামারীতে বহু স্বাস্থ্যকর্মী মারা গিয়েছিলেন। তাকে পেশাগত বিপর্যয় বলাই সমীচীন। তবু গ্যালারি থেকে খেলার ভুলত্রুটি বিশ্লেষণ করার ঢঙে বোদ্ধা জনগণ নানা জ্ঞানগর্ভ মন্তব্য করে থাকেন। ‘ওখানকার ডাক্তার, নার্সরা ঠিকঠাক আত্মরক্ষার সরঞ্জাম ব্যবহার করে না তো, জানেই না হয়ত’ ইত্যাদি।
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
একথা সত্যি যে কিছু বাদুড় এবং কিছু বাঁদরের মাংস খাওয়া বা ওই জীবগুলোর সান্নিধ্যে আসা থেকে অনেক ক্ষেত্রে ইবোলার সূত্রপাত ঘটে। এটাও ঠিক যে ইবোলাজনিত মৃত্যু পরবর্তী পারলৌকিক ক্রিয়াকলাপ এই রোগের সংক্রমণ ত্বরান্বিত করে। কারণ ইবোলা ভাইরাস মৃতের শরীরেও বহুদিন জীবিত থাকতে এবং সংক্রমণ ঘটাতে সক্ষম। কিন্তু কেবল আফ্রিকার মানুষেরই কি বিশেষ বিশেষ খাদ্যবস্তুর প্রতি পক্ষপাতিত্ব আছে? ভাবুন তো, যদি চাল থেকে বা ছাগলের মাংস থেকে বা ইলিশ মাছ থেকে কোন মারণ ব্যাধি ছড়ায়? সংক্রমণের উৎস সম্পর্কে অবগত হবার পর নিশ্চয়ই অধিকাংশ মানুষ সেসব খাদ্যবস্তু থেকে বিরত থাকতে সচেষ্ট হবেন। কিন্তু যিনি বা যাঁরা প্রথম দিকে আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের দোহাই দিয়ে বৃহত্তর সমাজের আচার ব্যবহার নিয়ে কটাক্ষ করা কি যুক্তিযুক্ত? আর পারলৌকিক ক্রিয়া মানবসমাজের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, অথচ আফ্রিকার মানুষের শেষকৃত্যের রীতিনীতি নিয়ে বিদ্রূপাত্মক সমালোচনা করা যেন সারা বিশ্বের অধিকার। এমনকি, পরিবারের সদস্যের শুশ্রূষা করার সাধারণ মানবতাবোধকেও অনুবীক্ষণ যন্ত্রের তলায় ফেলা হয় এলাকাটা আফ্রিকা হলে।
এসব ক্ষেত্রে প্রশ্ন তোলা যেতেই পারে যে কর্তব্য, রীতিনীতি যা-ই পালন করুন, আপত্তির কিছু নেই। কিন্তু উপযুক্ত সতর্কতা তথা ব্যক্তিগত সুরক্ষার পোশাক পরতে কীসের অসুবিধা? এর উত্তরে কিছু কথা না বললেই নয়।
এক্ষেত্রে আমি ধার করব স্বর্গীয় পল ফার্মারের লেখা শেষ বই, যার শিরোনামের বাংলা তর্জমা খানিকটা এরকম— অসুখ-বিসুখ, সংঘর্ষ, এবং হীরের অন্বেষণ: চিরন্তন ধ্বংসযজ্ঞ ও ইবোলা (Fevers, Feuds, and Diamonds: Ebola and the Ravages of History; প্রথম প্রকাশ ২০২০)। অল্প কথায় বললে, ফার্মার একজন মার্কিন চিকিৎসক এবং চিকিৎসা-নৃবিজ্ঞানী (medical anthropologist)। হার্ভার্ডে পঠনপাঠন, এমনকি অধ্যাপনার পাশাপাশি তিনি হাইতি, রোয়ান্ডা সহ নানা দেশে সহায়সম্বলহীন মানুষের চিকিৎসা করা এবং ন্যূনতম স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেবার কাজে আত্মনিয়োগ করেন। বেশ কিছু বইয়ের লেখকই শুধু নন, ফার্মার পার্টনার্স ইন হেলথ নামক আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতাও বটে। ২০২২ সালে মৃত্যুর সময়ে তিনি রোয়ান্ডাতেই থাকতেন। ২০১৩-১৪ সালের ইবোলা বিপর্যয়ের সময়ে অন্যান্য দেশের বেশকিছু চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীর মতই ফার্মার পশ্চিম আফ্রিকায় হাজির হন চিকিৎসক হিসাবে। সেই অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান সমস্যার ঐতিহাসিক, ভৌগোলিক প্রেক্ষাপট অন্বেষণ করার স্বভাবসুলভ কৌতূহলের ফসল তাঁর বইটা। লেখকের কিছু উপলব্ধি তুলে ধরব এই সাবধানবাণী সহ যে, এগুলো ২০১৪-১৬ সালের পশ্চিম আফ্রিকার ইবোলা ঝড়ের প্রেক্ষিতে লেখা। সবকিছু এবারের মহামারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না হলেও, অনেককিছুই প্রাসঙ্গিক।
পল ফার্মারের কিছু উপলব্ধি
২০১৪ সালের অক্টোবরের মাঝামাঝি লাইবেরিয়ার রাজধানী মনরোভিয়ায় ফার্মার লক্ষ করেন, নীরোগ ব্যক্তির শরীরে রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধের কিছু প্রচেষ্টা থাকলেও, রোগীদের চিকিৎসাব্যবস্থা নিতান্ত সীমিত। এখানে বলা ভালো, জনস্বাস্থ্যের নানা বিষয় পড়তে হয়েছে আমাকে, তাই প্রতিরোধ যে চিকিৎসার থেকে সবসময়েই ভালো (prevention is better than cure)— তা কোনোভাবেই অস্বীকার করতে পারি না। মুশকিল হচ্ছে, সংক্রামক ব্যাধির ক্ষেত্রে অসুস্থ ব্যক্তির চিকিৎসা করে তাদের সুস্থ করার চেষ্টা হল অন্যান্যদের মধ্যে সংক্রমণ প্রতিরোধের অন্যতম পন্থা। রোগীদের সুস্থ করা চিকিৎসাবিজ্ঞানের মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নিই যে মারণব্যাধির চিকিৎসাব্যবস্থা নিতান্ত সীমিত বলে সংক্রমণ আটকানোই শ্রেয়, উপরে উল্লিখিত কারণে সেই যুক্তি ধোপে টেকে না। তা সত্ত্বেও, বিশেষত গরিব দেশগুলোতে, মহামারী হলে অনেকসময় আমরা চিকিৎসা বনাম প্রতিরোধ গোছের একটা বানানো সংঘাত উত্থাপন করে থাকি। ‘হ্যাঁ, চিকিৎসা করতে পারলে ভালোই হত, কিন্তু আহা রে গরীব মানুষগুলো…কাজেই বরং সংক্রমণ আটকানো হোক’ গোছের ভুজুং ভাজুং দিতে আরম্ভ করি। ফার্মার তাঁর বিভিন্ন লেখায় পশ্চিমী দেশগুলোর এই দ্বিচারিতাকে তুলোধোনা করেছেন। আমার আপত্তির জায়গাটা হল, আমাদের মত এশিয়া মহাদেশের অধিবাসীরাও পাশ্চাত্যের মানুষের মত অনুকম্পাই দেখিয়ে থাকি। যাক সে কথা।
ব্যক্তিগত সুরক্ষার ধরাচুড়ো গায়ে চাপালে দেখতে অনেকটা মহাকাশচারীদের মত লাগে। একেই তো সেসবের অভাব আছে (এবারের কঙ্গোর মহামারীতেও), তার উপর যাদের পরার সৌভাগ্য হয়, তারাও পশ্চিম আফ্রিকার প্যাচপ্যাচে গরমে নাকানিচোবানি খান। এমতাবস্থায় খেয়াল রাখা ভালো যে দেহজ সমস্ত তরল— ঘাম, মল, মূত্র, বমি, রক্ত— থেকেই সংক্রমণ সম্ভব। ইবোলা রোগীর শরীর থেকে এই সমস্ত তরল বেরোয় প্রচুর পরিমাণে। যার মূল চিকিৎসা বলতে তরল এবং electrolyte-এর অভাব পূরণ করা, রোগীর পক্ষে পান করা সম্ভব হলে ORS (যেমন Electral) খাওয়ানো, না হলে শিরায় স্যালাইন চালানো এবং দরকার হলে পেটে বা হাড়ের মজ্জায় তা সঞ্চারিত করা। চিকিৎসাব্যবস্থার দিক থেকে কার্যত মরুভূমি যে অঞ্চল, সেখানে স্যালাইন চালানো সবসময় সম্ভব হয় না। তার উপর যেহেতু রক্তের মাধ্যমে সংক্রমণের ভয় আছে, অনেকসময় প্রোটোকলেই বলা থাকে, শিরায় চ্যানেল বানানোর ঝামেলায় যাবেন না। অন্যদিকে, অতিমাত্রায় তরলহীন শরীরে (extreme dehydration) ORS খাওয়া অত্যন্ত কঠিন কাজ। যদি বা খাওয়া যায়, অল্প সময়ের মধ্যেই বমি হয়ে বেরিয়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা। মোদ্দাকথা, শরীরে তরল জোগানোর মত সাধারণ চিকিৎসাও সম্ভব হয় না বহু ক্ষেত্রে।
আশা করি, বর্তমানের মহামারীতে অবস্থা এতখানি সঙ্গীন নয়, কিন্তু বলা যায় না। ২০১৪ সালের মহামারীতে বহু স্বাস্থ্যকর্মীর মৃত্যু হলেও, প্রায় সমস্ত ইবোলা আক্রান্ত মার্কিন বা ইউরোপীয় স্বাস্থ্যকর্মী বেঁচে যান। কারণটা খুব সহজ। তাঁদের অতি দ্রুত ওই অঞ্চল থেকে উন্নত দেশের চিকিৎসালয়ে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। তাই শ্লেষ করে ফার্মার লিখছেন, বহু বিশেষজ্ঞ (পশ্চিমের বা আফ্রিকা ব্যতীত অন্য এলাকার) ওখানকার মানুষের জীবনযাপনের নানা রগরগে ছবি তুলে ধরে সেগুলোকে মহামারীর কারণ হিসাবে দাবি করেন। তথাকথিত বিজাতীয় ও উদ্ভট (ইংরিজিতে যাকে বলে exotic) রীতিনীতি, যেমন আধুনিক চিকিৎসাশাস্ত্র অগ্রাহ্য করে আঞ্চলিক নিরাময়কারীদের উপর আস্থা, অস্বাভাবিক যৌনাচার, মান্ধাতার আমলের পারলৌকিক ক্রিয়াকলাপ, মারণ উচাটনে ভরসা এবং বন্য পশুর মাংস খাওয়া ইত্যাদি আচার আচরণকে মহামারীর কারণ বলার মত কুযুক্তি দেওয়ায় তথাকথিত উদারমনা, বিজ্ঞানমনস্ক, প্রগতিশীলরাও দুষ্ট। ফার্মার লিখছেন ‘অথচ পশু মাংস আহার, সন্তান প্রসব, অসুস্থ আপনজনের সেবা, যে কোনো মূল্যে শেষকৃত্য পালন প্রভৃতি আচার ব্যবহার বিশ্বব্যাপী। এমনকি ইবোলার পোষকদেরও (host) ও বহু এলাকায় দেখা যায়।’ যদিও সমস্ত পোষক সঠিকভাবে শনাক্ত করা গেছে কিনা তা নিয়ে কিছু অনিশ্চয়তা আছে। অথচ বেশিরভাগ ইবোলা মহামারী সাধারণত ‘ক্ষয়িষ্ণু জঙ্গলের নিকটবর্তী এলাকায় এবং সশস্ত্র সংঘাতে সামান্য পরেই, অর্থাৎ আমাদের দ্বারা সৃষ্ট সমস্যার প্রেক্ষিতেই, দেখা যাচ্ছে। সে কথা খুব একটা বলা হয় না।…’
‘…আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থার সুফল বিষয়ে অবগত না হলেও অভিজ্ঞতা থেকে এই সমস্ত অঞ্চলের জনগণ ভালোভাবে জানেন যে ঔপনিবেশিকতার প্রাথমিক উদ্দেশ্য পৃথিবীর বুক থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র উৎপাটিত করে রপ্তানি করা…। শতকের পর শতক ধরে ক্রীতদাস, সোনা, রবার, লৌহ আকরিক, তেল, বক্সাইট, শক্ত কাঠ, হীরে পশ্চিম আফ্রিকা থেকে আমেরিকা ও ইউরোপ মহাদেশগুলোতে নিরবচ্ছিন্নভাবে পাচার হয়েছে। ইবোলা আক্রান্ত দেশগুলোর জনসাধারণ যে শোষণমূলক ঔপনিবেশিকতার প্রভাব থেকে আজও মুক্ত নন, সেটা বুঝতে খুব একটা কষ্ট করতে হয় না।’
উল্লেখ্য, এই শোষণের ট্র্যাডিশন সমানে চলেছে। ফার্মার বর্ণনা দিয়েছেন, সিয়েরা লিওনের কইদু এলাকায় হীরে খননের ফলস্বরূপ একদা উর্বর ধানখেত এখন ধূ ধূ মাঠ, যার জায়গায় জায়গায় দেখা যায় কমলা রঙের দূষিত জল। আর দেখা যায় যুদ্ধের ধ্বংসাবশেষ, হীরে তোলার নিদর্শন হিসাবে বড় বড় গর্ত। এই নির্বিচার ধ্বংসযজ্ঞের ফলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নানাভাবে বিপর্যস্ত হতে হতে ইবোলা ও অন্যান্য রোগের জমি তৈরি হয়ে গেছে। তার উপর আছে ব্যাপক হিংসার প্রেক্ষাপট। হীরে খননের ফলস্বরূপ ঔপনিবেশিক শাসনকালে এবং পরবর্তী যুগে সশস্ত্র সংঘাত। এমনকি ইবোলা মহামারীর কয়েক বছর আগেই লাইবেরিয়া এবং সিয়েরা লিওনে গৃহযুদ্ধের ফলে লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তু গিনিতে অথবা ওই তিন দেশের প্রধান শহরগুলোতে তাঁবু বা ঘন জনবসতিপূর্ণ বস্তি এলাকায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। অর্থাৎ যে কোনো রোগ ছড়িয়ে পড়ার আদর্শ পরিবেশ তৈরি হয়। এইসব প্রসঙ্গ বাদ দিয়ে ইবোলা নিয়ে আলোচনা করা হাস্যকর। হাতেগোনা কিছু ঔপনিবেশিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার উদ্দেশ্য হয়ত খারাপ ছিল না, কিন্তু তাদের পাখির চোখ ছিল উপযুক্ত চিকিৎসা না করে রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধে সর্বশক্তি প্রয়োগ করা। আসলে বিপর্যস্ত মানুষকেই দোষারোপ করা বোধহয় মানুষের দীর্ঘদিনের অভ্যাস।
শেষাংশ আগামীকাল
মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।








