পশ্চিমবঙ্গে জাতের নামে বজ্জাতি নেই – এ এক জনপ্রিয় বয়ান। জনপ্রিয় বলা কি ঠিক হল? বয়ানটা কি সত্যিই পশ্চিমবঙ্গের সকলের বা অন্তত অধিকাংশ মানুষের? নাকি উচ্চবর্গীয়রা, যাঁরা পশ্চিমবঙ্গে অধিকাংশ সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক বয়ান তৈরি করেন, তাঁদের বয়ান? এই বৃত্তের বাইরের কাউকে এ নিয়ে জিজ্ঞেস করলে কী উত্তর পাওয়া যাবে? এই অনুসন্ধিৎসা নিয়ে মৌমিতা আলম-এর মুখোমুখি বসেছিলেন দেবারতি গুপ্ত। যা উঠে এল তা অনেককে অবাক করবে, কাউকে হয়ত উত্তেজিত করবে। কেউ আবার একেবারে ভিন্নমতও হতে পারেন। তা নিয়ে বিতর্ক স্বাগত। কিন্তু কথাগুলো জনসমক্ষে আসা জরুরি। আজ প্রথম পর্ব।

মুসলিম

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন

~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

এটা ইন্ডিয়ান হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট সার্ভের রিপোর্ট। ২০১৮ সালে অধ্যাপক কৌশিক বসু এই ছবিটা তাঁর টুইটার হ্যান্ডলে শেয়ার করেন। সম্প্রতি এটা সোশাল মিডিয়ায় আবার খুব ছড়িয়েছে। তাতে কিছু বাঙালি খুব আশ্বস্ত এবং গর্বিত যে পশ্চিমবাংলায় জাতপাতের বৈষম্য এবং অস্পৃশ্যতা গোটা দেশের তুলনায় কম। কিন্তু অধ্যাপক পার্থ চট্টোপাধ্যায় এক জায়গায় মন্তব্য করেছিলেন, পশ্চিমবাংলায় ব্রাহ্মণ্যবাদী রাজনীতি এত নিখুঁত আধিপত্য বজায় রাখতে পেরেছে যে নিম্নবর্ণের অধিকারের রাজনীতি কখনো মাথা তুলতে পারেনি। উপরন্তু প্রায় মুছে গেছে। অন্যান্য রাজ্যে নিচু জাতের ওপর নির্যাতনের খবর এলে আমরা শহুরে উদারপন্থী উচ্চবর্ণের বাঙালিরা নিজেদের এই বলে আশ্বস্ত করি যে এখানে এমন হয় না। যেমন জ্যোতি বসু বলেছিলেন, বাংলায় জাতবৈষম্য নেই। আমি উচ্চবর্ণের কলকাত্তাইয়া, আমিও তাই বিশ্বাস করি। উত্তর বা দক্ষিণ ভারতের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গে জাতভেদ নেই বললেই চলে। অসবর্ণ বিবাহ এখানে প্রচুর হয়। গত ৫০ বছর ধরে হয়ে আসছে। তুমি দলিত নস্যশেখ মুসলমান। বাঙালি সংস্কৃতির বৈঠকখানা কলকাতা শহর থেকে অনেক দূরে জলপাইগুড়িতে বাস। এ বিষয়ে তোমার অভিজ্ঞতা বলো।

দেখো আমি দলিত মুসলিম বলে যে আমায় ব্রাহ্মণ পাড়ার মধ্যে দিয়ে যেতে গেলে পায়ের জুতো খুলে মাথায় নিয়ে যেতে হবে এমন হয় না। দেশের কিছু কিছু জায়গায় এখনো এরকম অভ্যাস আছে। পশ্চিমবঙ্গে তা হয়ত নেই, তবে আমি আজ অবধি কোনোদিন কোনো হিন্দুর রান্নাঘরে ঢুকিনি, সে উচ্চবর্ণ হোক আর নিম্নবর্ণ হোক। আমার বয়স চল্লিশের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে, অথচ বোধহয় আমার অবচেতনে রয়ে গেছে যে এটা করা যায় না। ওরাও কোনোদিন আমায় ঢুকতে বলেনি, আমিও ঢুকিনি। অনেকক্ষেত্রেই বন্ধুবান্ধবের বাড়িতে গিয়ে দেখেছি আমায় আলাদা কাপ প্লেটে খেতে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আমার যে পরিচয় তুমি বললে, তার জন্য আমায় বিভিন্ন ধরনের বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তা অনেকসময়েই জট পাকানো। কখনো মুসলিম হবার জন্যে হিন্দুদের কাছ থেকে, কখনো নস্যশেখ হবার জন্যে উচ্চবর্ণের মুসলিমদের কাছ থেকে, আবার কখনো দলিত হবার জন্যে উচ্চবর্ণের হিন্দু এবং উচ্চবর্ণের মুসলিম উভয়ের থেকেই। ফলে জাত-বৈষম্য বা কাস্টিজম বাংলায় নেই বলা মানে খরগোসের মত বালিতে মুখ গুঁজে থাকা। যারা মনে করে বাংলায় জাতিভেদ প্রথা নেই, তারা তাহলে এই বয়ানে বিশ্বাস করে যে ৩৪ বছর বাম শাসনে সব বৈষম্য শ্রেণীবিভেদের আদর্শের ছাঁচে চলে এসেছে। ওটা ভুল পর্যবেক্ষণ। পশ্চিমবঙ্গে আজ অব্দি যে কজন মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন তাঁদের পদবি মিলিয়ে দেখো – বামুন, কায়েত আর বদ্যি। ক্যাবিনেট মন্ত্রীদের মধ্যে কজন নিচু জাতের মানুষ আছেন? খুঁজলে কয়েকজন প্রতিমন্ত্রী পাওয়া যেতে পারে। একজন ফিরহাদ হাকিমকে দিয়ে বিচার করলে তো হবে না। সেটা তো টোকেনিজম। উত্তরবঙ্গেই দেখো। এখানে তো রাজবংশীরাই ভূমিসন্তান। ১৯৭১ সালে জনসংখ্যার ৮০% ছিল রাজবংশী। এখন তা কমতে কমতে ২০১১ সালের হিসাব অনুযায়ী ৩০%। তবু এই এলাকায় বিহারী মুসলিম আর পূর্ববঙ্গ থেকে আসা নমশূদ্রদের সংখ্যাই বেশি। উচ্চবর্ণের উপস্থিতি নামে মাত্র। অথচ উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রীর নাম উদয়ন গুহ – উচ্চবর্ণের কায়স্থ। চৌত্রিশ বছরের বাম জমানায় এই জাতি বৈষম্য আদৌ মেটেনি। বামেরা শুধু এই মীমাংসা না হওয়া বিষয়গুলোকে কার্পেটের তলায় চাপা রেখেছিল। মূল প্রশ্নের উত্তর তারা খোঁজেনি। ২০১১ সালের পর সেই কার্পেটটাও উঠে গেছে, তাই এখন আমাদের চোখে পড়ছে।

সিপিএম জমানায় বিষয়টা কার্পেটের তলায় রেখেছিল বলছ কেন?

আসলে সিপিএম যে সময় ক্ষমতায় এসেছিল, তখন তো একটা টালমাটাল অবস্থা। ভূমি সংস্কারের মত একটা ভাল কাজ তো বামফ্রন্ট করেছিল। আরএসএসের মত হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের উত্থান তো তখন হয়নি। ফলে ফল্টলাইনগুলোকে এক্সপ্লয়েট করা সম্ভব ছিল না। দেখো, জার্মানিতে নাজি যুগের অবসানের পর ইহুদিদের ক্ষত শুশ্রূষার চেষ্টা করা হয়েছে, এখনো সেই কাজ চলছে। সাংস্কৃতিক আত্তীকরণের কাজ চলছে, মিউজিয়াম হয়েছে, নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের পুরনো আতঙ্ক ভুলিয়ে দেবার চেষ্টা হয়েছে। বাংলায় কিন্তু দুবার রক্তক্ষরণ হয়েছে। একবার ’৪৬-’৪৭ সালে, আরেকবার ’৭১ সালে। মুক্তিযুদ্ধের পর সদ্যস্বাধীন বাংলাদেশ থেকে যারা এই পারে এল তারাও তো সব কিছু খুইয়েই এসেছিল। সিপিএম যখন ক্ষমতায় এল, তখন এই ট্রমা ভোলাতে কোনো উদ্যোগ নিয়েছিল? নেয়নি। তার আগে কংগ্রেসের মত নরম দক্ষিণপন্থী পার্টির কাছে আমরা কিছু আশাও করিনি। কিন্তু বামেরাও এই নিয়ে বিশেষ কিছু করেনি।

আরো পড়ুন পশ্চিমবঙ্গ প্রতিষ্ঠা দিবস পালন: হিন্দুত্ববাদী এজেন্ডা

তার মানে তুমি বলতে চাইছ বাংলায় ঘোরতর কাস্টিজম রয়েছে?

জলপাইগুড়ির বাকালি গ্রামে আমার নানির বাড়ি। তার একদিকে রাজবংশী হিন্দুদের পাড়া, আরেকদিকে পূর্ববঙ্গ থেকে আসা বাঙালি হিন্দুদের পাড়া। তাদের আমরা বাঙাল বলি, আবার ঢাকাইয়াও বলি। এভাবে প্রায় একশো বছর পাশাপাশি বাস করছি। মাঝখানে আমরা হচ্ছি দলিত নস্যশেখ মুসলিম। এই আমরা আসলে কারা? আমরা হলাম কোচ-কামতাপুরী-রাজবংশীদের মধ্যে যারা প্রান্তিক মানুষ ছিলাম তারা। তারাই কয়েকশো বছর আগে ইসলাম গ্রহণ করেছিল। আমরা বাঙাল আর রাজবংশী হিন্দুদের পাশাপাশি থাকি বটে, কিন্তু পরস্পরের রান্নাঘরে ঢুকি না। ওদের ঠাকুরঘরে ঢুকি না। বাড়ি গেলে উঠোনে কি দাওয়ায় বসতে দিত নিশ্চয়ই, কিন্তু আমরা চলে এলে বসার চেয়ার বা পিঁড়ি ধুয়ে দিত। আমার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ ও উপলব্ধি থেকে বলছি, যদি আমাদের সমাজে সকলের রান্নাঘর সকলের জন্যে খুলে যায় তাহলে এই সংকীর্ণতা কিছুটা হলেও ঘুচবে।

তুমি বলতে চাইছ রাজবংশীদের মধ্যেও তোমরা প্রান্তিক ছিলে? ব্যাপারটা ঠিক বুঝতে পারলাম না।

রাজবংশীরা একটা ট্রাইবাল গোষ্ঠী যারা গোটা আসাম, উত্তরবঙ্গ আর পূর্ব বিহার জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। আমাদের মধ্যেও উঁচু নিচু আছে। সেই সেন বংশের আমলে বা বক্তিয়ার খিলজির সময় এখানকার যে আদি বাসিন্দারা যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল, তারা তো নিজেদের ক্ষত্রিয় বলে। তারাও আসলে রাজবংশী। আবার এই গোষ্ঠীর মধ্যেও আমাদের মত একদল ছিল, যারা ডোম-মুচি-ধোপা-মেথরের কাজ করত। আমরা ছিলাম রাজবংশীদের মধ্যে একদম নিচুতলার। আরে কোচবিহারের রাজারাও তো রাজবংশী। তারা তো এলিট এবং আমাদের থেকে শুধু বিত্তে নয়, সামাজিক মর্যাদায় অনেক উঁচুতে।

তুমি তো মুসলমাননস্যশেখের ইতিহাস ঘেঁটে দেখলাম তোমরা এককালে পীরপন্থী ছিলে। ইসলামে আবার জাতিভেদ কী?

আজ থেকে ৭০০-৮০০ বছর আগে উত্তরবঙ্গে বাইরে থেকে আসা নবীর ধর্মের প্রভাবে আমরাও ইসলাম গ্রহণ করতে শুরু করলাম। ভেবেছিলাম হিন্দুধর্ম থেকে বেরিয়ে গেলে অচ্ছুৎ নাম ঘুচবে। কিন্তু তাতেও আমরা জাতে উঠতে পারলাম না। মুসলমানরাও আমাদের প্রান্তিক করেই রেখে দিল। আমরা নাকি নষ্ট মুসলমান। ওই নষ্ট থেকেই লোকের মুখে মুখে ‘নস্য’ হয়েছিল। এরপর পীর শেখ জালালুদ্দিন তাবরিজির সুফিবাদের প্রভাবে আমরা নিজেদের জাতের নামের সঙ্গে শেখ যোগ করি। তখন থেকে আমাদের নস্যশেখ নাম হয়। ইতিহাস খুঁজলে দেখা যাবে রাজবংশী দলিত মুসলিম টংরু নস্যের ছেলের নাম হয়েছে মামুদ শেখ। শেখ, সৈয়দ, মোগল, পাঠানরা মুসলিমদের মধ্যে খুব উঁচু জাত। শেখ পদবি যোগ হলেই যে আমরা জাতে উঠতে পেরেছিলাম তা নয়। এখনো নস্য, ধুনিয়া (যারা লেপ তোষক বানায়), জোলা, বাদিয়া এহেন কাস্ট মুসলিমদের বিয়েতে শেখ, পাঠানরা খেতে আসে না। শুধু তাই নয়, আমাদের এখানে অনেক এলাকা আছে যেখানে হয়ত হিন্দু-মুসলিম বিয়ে হলে তত ঝামেলা হবে না, কিন্তু দলিত মুসলিমের সঙ্গে কোনো পাঠান কি সৈয়দের বিয়ে হলে মারামারি হয়ে যেতে পারে।

দোষ তার মানে ভারতীয় সমাজের। ইসলামের নয়। আম্বেদকর এই বিষয়টিকে সঠিক চিহ্নিত করেছিলেন। তোমরা খাঁটি মুসলিমের আদলে নিজেদের নিয়ে যাবার চেষ্টা করোনি কখনো?

সে চেষ্টাও হয়েছে। এই নস্যশেখ গোষ্ঠী মূলত পীরপন্থী। সুফিবাদের প্রভাবের কথা আগেই বলেছি। এজন্য আমাদের মধ্যে একসময় অনেক বেশি উদার ধর্মনিরপেক্ষ ভাব প্রবাহিত ছিল। এরপর নয়ের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে তবলিগী জমাতের প্রভাব এই অঞ্চলে বাড়তে থাকে। তারা নস্যশেখদের বোঝাতে শুরু করে যে আমরা নিজেদের নস্য কেন বলব? আমরা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ধর্ম ইসলামের অনুগামী। আমরা আরবদের বংশধর। আমরা কখনো দলিত হতে পারি না। পাশাপাশি এরা পীরকেও অস্বীকার করতে শুরু করল। তবলিগী জমাত তো মূলত ধর্মীয় সংগঠন, এদের রাজনৈতিক সচেতনতা নেই। আমার ব্যক্তিগত মত, ইসলামের যে অন্তর্নিহিত রাজনীতিবোধ তা এদের মধ্যে বিন্দুমাত্র নেই। এরা আমাদের দলিত পরিচয়কে ভুলে যেতে বলল। আমরা কয়েক হাজার বছর ধরে রাজবংশী। আমাদের খাওয়াদাওয়া, পোশাকআশাক, চলনে বলনে তার ছাপ স্পষ্ট। তবলিগীরা বলল আমাদের আরবের মুসলিমদের মত হয়ে উঠতে হবে। আমার ছোট বয়সে আমি হিজাব পরিনি বা আমার বান্ধবীদের কাউকে হিজাব পরতে দেখিনি। নানি, দাদি, আম্মি, খালাদের বয়সী কাউকে হিজাব পরতে দেখিনি। এখন আমাদের গ্রামে বা আশপাশের এলাকায় আমার মেয়ের অনেক বান্ধবীদেরই দেখছি হিজাব পরছে। যদিও এর একটা উলটো পিঠও আছে দেবারতিদি। তবলিগী জমাত যখন আমাদের এদিকে প্রভাব বিস্তার করছে তখন ’৯৩-’৯৪ সাল। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পরে পরেই। ’৯২ সালের ৬ ডিসেম্বরের ওই ঘটনায় ভারতের মুসলমানদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে একদল দাঙ্গাবাজ চাইলেই মুসলিমদের কোনো মসজিদ ভেঙে দিতে পারে। মুসলিম মানুষের বিরাট নিরাপত্তাহীনতার সময় শুরু হল তারপর থেকে! এর প্রতিক্রিয়াতেই তবলিগীদের বাড়বাড়ন্ত। সেসময় সিপিএম রাজত্ব। পশ্চিমবঙ্গে দাঙ্গা লাগেনি সত্যি। কিন্তু মূলধারার রাজনীতিতে বলো, কি কলকাতার বাবুদের সাহিত্যে বলো, আমাদের এই ভয়ানক নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে? আমার চোখে তো পড়েনি, তুমি পেলে বোলো। যা-ই হোক, আমরা যদি আমাদের ভূমিজাত অভ্যাস আর চিহ্নগুলোকে সব জলাঞ্জলি দিয়ে আরব মুসলিমদের ছাঁচে নিজেদের ঢেলে নিই, তাহলেও কি তা খুব সুখের বিষয় হবে? একুল তো গেছেই, ওকুলও ভেসে যেতে আর দেরি নেই। আমাদের কোনো কুলে ঠাঁই হয়নি। আমরা না ঠিকভাবে দলিত পরিচিতির সঙ্গে একাত্ম হতে পেরেছি, না মুসলিমদের সঙ্গে।

শেষাংশ আগামীকাল

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.