১৮৯৫ সালের শেষের দিকে ৫০ পাতার একটি প্যামফ্লেট প্রকাশিত হল দক্ষিণ আফ্রিকার নাটালে। লেখক মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী, যিনি একজন অসফল উকিল কিন্তু সেখানকার ভারতীয়দের নেতা হয়ে উঠেছেন কম বয়সে। বিষয় ছিল দি ইন্ডিয়ান ফ্র্যাঞ্চাইজ, অর্থাৎ ভারতীয়দের ভোটাধিকার। যে অধিকার খর্ব করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছিল তদানীন্তন ঔপনিবেশিক সরকার। সেই লেখায় গান্ধী সামাজিক, রাজনৈতিক সমস্ত স্তরে ভারতীয়দের অবদান উল্লেখ করে স্পষ্ট বলেছিলেন, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কোনোখানে তাঁদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক বানানোর চেষ্টা অন্যায়।
আজ ১৩০ বছর বাদে বিষয়টা খানিকটা চেনাচেনা লাগছে না? মনে করে দেখুন, আজ ভারতে, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে, পরিকল্পিতভাবে বিরাটসংখ্যক মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার পরিকল্পনার নাম বিশেষ নিবিড় সংশোধনী (এসআইআর)। ফলে এবারে গণতন্ত্র দিবসে গণকে আমরা দেখলাম, বলা যেতে পারে গণদেবতাকে দেখলাম, হামাগুড়ি দিয়ে হেঁটে আসছেন তথ্য যাচাই কেন্দ্রে। গোটা দেশ আজ তন্ত্রের সামনে হাঁটু গেড়ে বসেছে। বিষয়টা খানিকটা একইরকম।
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
বিংশ শতাব্দীর শুরুতে, দক্ষিণ আফ্রিকা অভিবাসন সমস্যার সঙ্গে লড়াই করছিল। গোটা বিশ্ব থেকে, বিশেষ করে ভারত, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মায়ানমার এবং আরব দেশগুলি থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ সেখানে গিয়েছিল। ব্রিটিশ শ্বেতাঙ্গরা এই লোকগুলিকে ঠিক ততটাই ঘৃণা করত, যতটা আজ বাংলাদেশীদের ঘৃণা করতে শেখানো হচ্ছে আমাদের। অথচ তারা সকলে একই সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল। গান্ধী স্পষ্ট ভাষায় একথা বলেন যে দক্ষিণ আফ্রিকা তৈরি হয়েছে ভারতের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের রক্ত, ঘাম ও শ্রম দিয়ে। সেখানে গুজরাটি, তামিল, হিন্দু, মুসলমান, বণিক, শ্রমিক – সকলেই আছে। দশ হাজার ভারতীয়ের স্বাক্ষর সম্বলিত চিঠি পাওয়ার পর ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার আইন আর কার্যকর করা হয়নি। গান্ধীর তখন দেশে ফেরার কথা, কিন্তু এই ঘটনার পরে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকাতেই রয়ে গেলেন এবং ঘটনাক্রমে তৈরি করলেন টলস্টয় ফার্ম। তাঁর সমবায়ী জীবনযাপনের সূত্রপাত ঘটল, যা থাকবে আজীবন।
কিন্তু আজকের হিমন্ত বিশ্বশর্মা এবং তাঁর দলের মতই, যাদের ঘোষিত উদ্দেশ্য হল একটি বিশেষ জনগোষ্ঠীর মানুষকে নিরন্তর উত্যক্ত করা, তাদের নতুন নতুন পরিকল্পনা সেকালেও আসতেই থাকত। ১৯০৬ সাল নাগাদ আদেশ হল, এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে ট্রান্সফারে ভারতীয়দের পাস নিয়ে ঘুরতে হবে। প্রত্যেককে সর্বদা আঙুলের ছাপ সহ তাদের সমস্ত তথ্যসম্বলিত একটি নথি বহন করতে হবে। আট বছরের বেশি বয়সী প্রত্যেককে নতুন করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে। সেই কাগজ না থাকলে সে অনুপ্রবেশকারী (পড়ুন ঘুসপেটিয়া) হিসাবে চিহ্নিত হবে এবং শাস্তি পাবে। পনেরো হাজার ভারতীয়ের চলাফেরায় বাধা পড়ল। তখন একজন ভারতীয় অভিবাসী উঠে দাঁড়িয়ে বললেন ‘আমি আপনাকে আমার কাগজপত্র দেখাব না।’ সেখানেই থামলেন না তিনি। প্রকাশ্যে কাগজগুলো জ্বালিয়ে দিলেন। তাঁর দেখাদেখি আরও অনেকেই। সত্যাগ্রহের সূচনা হল দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে। প্রস্তুতি পর্বে ছিল সেই অসাধারণ সভা।
অদ্ভুতভাবে, তারিখটি ছিল ৯/১১ বা ১১ সেপ্টেম্বর। জোহানেসবার্গের এম্পায়ার থিয়েটারে কানায় কানায় মানুষ। সভাপতিত্ব করেন ব্যবসায়ী আব্দুল গনি। মানুষ জেল যেতে প্রস্তুত, তবু নতুন করে রেজিস্ট্রেশন করাবেন না। এই নিয়ে ইংল্যান্ডে প্রতিবাদ জানানোর পরেও সরকারের অনড় মনোভাবে সরাসরি প্রতিবাদের পথ নেওয়া হল। এদিকে প্রতিপক্ষ হয়ে এসেছেন জেনারেল স্মাটস। জন স্মাটস ছিলেন তাঁর সময়ের এক বিরল ব্যক্তিত্ব। কেমব্রিজ স্নাতক, বোয়ার কমান্ডো, রাজনীতিবিদ, ব্রিটিশ ইম্পিরিয়াল ক্যাবিনেট মন্ত্রী, দার্শনিক, আইনজীবী, বিজ্ঞানী এবং রাষ্ট্রনায়ক।
অনেকের মতে, তিনি বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের সবচেয়ে প্রভাবশালী দক্ষিণ আফ্রিকান ছিলেন। তাঁর কঠোরতার কারণে প্রতিপক্ষ গান্ধী জেল, মিছিল এবং অনশনের মত অস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম হন, যা পরবর্তীকালে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রয়োগ করেছিলেন। স্মাটস এবং গান্ধীর মধ্যে আট বছর ধরে চলা সেই দ্বন্দ্বই ছিল গান্ধীর সত্যাগ্রহকে পরিপক্ক করে তোলার পরীক্ষাগার। এই জেলপর্বে একটা সময়ের পর আলোচনা শুরু হত। গান্ধী তাঁর দাবি থেকে খানিকটা সরে আসতেন, স্মাটসও তাঁর অবস্থান নরম করতেন। খানিকটা আপস করা হত এবং জনসাধারণ স্বস্তি পেত। কিন্তু তারপরই নতুন সমস্যা তৈরি হত।
পরের সমস্যা তৈরি হল বিয়ে নিয়ে। ১৯১৩ সালের মার্চে যে আইন এল, তাতে হিন্দু এবং মুসলমান বিবাহ পদ্ধতিকে একরকম অবৈধ করে দেওয়া হল। আজকের এসআইআরে যেমন নতুন সমস্যা যুক্ত হয়েছে বিয়ের বয়স নিয়ে। সন্তান এবং জননীর বয়সের ফারাক হয়ে উঠছে সন্দেহজনক, কোন বিজ্ঞান মতে তা কেউ জানে না। কে কবে কাকে বিয়ে করেছিলেন, সেটাও এখন নাগরিকত্ব যাচাইয়ের প্রমাণ হয়ে উঠছে। এই নিয়ে অমর্ত্য সেনকেও নোটিশ পাঠানো গেছে। ভারতরত্নই হোন আর নোবেল বিজেতাই হোন, মা কোন বয়সে মা হয়েছিলেন সেটাই নাগরিকত্বের নতুন প্রমাণ। চারিদিকে মানুষ নিত্যনতুন হেনস্থায় জর্জরিত। যাঁরা কাগজ দেখাবেন না বলছিলেন, তাঁরাও ছোটবেলার ইস্কুলে গিয়ে কাগজ খুঁজছেন।
কিন্তু ১১৩ বছর আগের মানুষ প্রতিবাদ করেছিলেন। এই প্রতিবাদে এগিয়ে এসেছিলেন কস্তুরবার মত ভারতীয় মেয়েরা, যাঁদের চার দেওয়ালের মধ্যে দেখতেই সমাজ অভ্যস্ত ছিল। এই মেয়েদের মধ্যে প্রধান ছিলেন তামিল মেয়েরা। ঔপনিবেশিক রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা এল। পাস ছাড়াই মেয়েরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে থাকলেন। ইতিহাস বলছে, তামিলভাষী ১২ জন মহিলা, যাঁদের একজন অন্তঃসত্ত্বা আর ছজনের কোলে শিশু, টলস্টয় ফার্ম থেকে বেরিয়ে সীমান্ত পেরোলেন। প্রথমে অরেঞ্জ ফ্রি স্টেট, তারপর সেটি পেরিয়ে নাটাল। শেষপর্যন্ত গ্রেফতার হতে হল। কস্তুরবাও গ্রেফতার হলেন। এই গ্রেফতার আগুন ধরিয়ে দিল। উত্তর নাটালের অপেক্ষাকৃত শান্ত অঞ্চলে খনির পর খনিতে কাজ থেমে গেল, দক্ষিণ আফ্রিকার মন্দিরে, মসজিদে, খোলা মাঠে ভারতীয়রা প্রতিবাদ সভা করতে লাগলেন। জেলের কঠিন পরিবেশ, সশ্রম কারাদণ্ডের পর কস্তুরবা যখন ছাড়া পান, তখন তাঁর কংকালসার চেহারা দেখে সবাই শিউরে উঠলেন। দীর্ঘদিন তাঁর দেখভাল করেন গান্ধী, পাশাপাশি চলে আন্দোলন।
এরপরেই শুরু হয় সেই দীর্ঘ পদযাত্রা, গান্ধীর জীবনে যা ফিরে ফিরে আসবে। কালা কানুনের পাশাপাশি চুক্তিবদ্ধ শ্রমিকদের উপর চাপানো করের প্রতিবাদও ছিল আন্দোলনের বিষয়। সেই যাত্রায় সবধরনের মানুষ সাথে ছিলেন। নিদারুণ কষ্ট সয়েছেন সবাই। গান্ধীকে আবারও জেলে যেতে হয়েছে।
স্মাটস গান্ধীকে কমপক্ষে দশবার গ্রেফতার করেছিলেন, চারবার দীর্ঘ সাজা দেওয়া হয়েছিল।
১৯১৩ সালের নভেম্বরে তাঁকে শেষবারের মত গ্রেফতার করা হয়, ১৯১৪ সালে তিনি মুক্তি পান। এই সময়ের মধ্যে তিনি ভারতের জাতীয় কংগ্রেস এবং গোপালকৃষ্ণ গোখলের কাছ থেকে বারবার ভারত সফরের আমন্ত্রণ পেতে থাকেন। দেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কারাগারের শেষ আট মাসে সময় কাটানোর জন্য গান্ধী জুতো তৈরি করা শিখেছিলেন এবং স্মাটসের জন্য একজোড়া স্যান্ডেল তৈরি করেছিলেন। স্মাটসকে তিনি সেই জুতোজোড়া দিয়েছিলেন একই লড়াইয়ের দুই বিপরীত প্রান্তে থাকার স্মৃতি হিসাবে। স্মাটস জীবনের শেষের দিকে লেখেন ‘আমি অনেক গ্রীষ্মে সেই স্যান্ডেল পরেছিলাম। কিন্তু আমার সবসময় মনে হত, যে আমি সেই মহান ব্যক্তির জুতো পরার যোগ্য নই।’
পরবর্তীকালে স্মাটস ২০ বছর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর আমলে বর্ণবৈষম্য (apartheid) পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ গঠিত হয় এবং সেই সংগঠন একটি মানবাধিকার সনদ তৈরি করে। জেনারেল স্মাটসই সেই সনদটি লিখেছিলেন। এটি স্পষ্টভাবে গান্ধীর অহিংসা এবং মানুষের মধ্যে সমতার শিক্ষাকে প্রতিফলিত করে।
আরো পড়ুন মওলানা ভাসানী: জনগণের পবিত্র হিংসার প্রফেট
গান্ধীর চলার কথা লিখেছিলেন তার প্রথম জীবনীকার জোসেফ ডোক, জোহানেসবার্গ ব্যাপটিস্ট চার্চের রেভারেন্ড। জীবনী প্রকাশিত হয়েছিল ১৯০৯ সালে, যখন গান্ধীর জীবনের বড় অংশই যখন বাকি। ডোক দেখেছিলেন, ইনি সেই ভারতীয় নেতা নন যাঁর চেহারা লম্বা, রাজকীয় এবং মুখ সাহসী প্রভুত্বকামী। বরং ইনি একজন ছোটখাটো কালো চামড়া, কালো চোখের বিশ্বস্ত মুখ। গান্ধীর বারবার জেলে যাওয়া অনেককে বিহ্বল করত। কিন্তু ডোক তখনই দেখেছেন, গান্ধী সব সমস্যার মধ্যে বরাবর তাঁর দেশের সবচেয়ে নিচে থাকা মানুষটির যন্ত্রণার শরিক হয়ে পাশে থেকেছেন। এশীয় নেতারা সবাই তাই করেছেন। লাইসেন্স না থাকার জন্য যখন হকারদের গ্রেফতার করা হল, তখন ওই সমাজের সবচেয়ে শিক্ষিত ধনীরা হকার হয়ে গেলেন। মসজিদের ইমাম, ব্রিটিশ ভারত অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, চীনা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি – সবাই পথে ঝুড়ি নিয়ে ফল, তরকারি বেচতে গেলেন পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটদের। ডোক শেষবার গান্ধীকে দেখছেন আড়াইশো মানুষের সঙ্গে আনন্দে জেলে যেতে। খ্রিস্টিয় ভাবনায় বিশ্বাসী ডোকের মনে হচ্ছে, তিনি যেন জেরুজালেম চললেন ক্রুশবিদ্ধ হতে। পরক্ষণেই ভাবছেন, এক নতুন জেরুজালেম, যার সুন্দর দরজা সব জাতির জন্য চিরউন্মুক্ত।
এই গান্ধীকে পরে দেখা গেছে নোয়াখালিতে নড়বড়ে সাঁকোর উপর হেঁটে চলা ‘নাছোড় ভগবান’ হয়ে দগ্ধ বসতি নরসংহারের নরকে ভালোবাসার বীজ বুনতে। ‘মেলাবেন তিনি মেলাবেন’। দেখা যাবে বিহারে, দিল্লিতে। তাঁর প্রার্থনাসভায় গাওয়া হয়, ঈশ্বর আল্লা যেন সবাইকে সন্মতি দেন। যে গান আজকের ভারতে গাইতে দেওয়া হয়নি, অত্যাচারীর চোখের দিকে তাকিয়ে যে অহিংস আন্দোলনের কথা বললে আজ দেশদ্রোহী হয়ে জেলে পচতে হয় উমর খালিদ, শার্জিল ইমাম বা সোনম ওয়াংচুক হয়ে।
এই যাত্রা গান্ধী আবার করতে চেয়েছিলেন ১৯৪৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের পথে। একজন পাকিস্তানি যেমন কল্পনা করছিলেন, ৫০ কিলোমিটার লম্বা যাত্রায় গান্ধীর পিছনে উদ্বাস্তু হিন্দুরা। কী আশ্চর্য হত সেই দৃশ্য! গান্ধী ঠিক করেছিলেন, তিনি পুলিশ নিয়ে, সেনাবাহিনী নিয়ে যাবেন না। কারণ তিনি এই রাষ্ট্র মানেন না। নেশন স্টেটের বিরুদ্ধে তিনিই, ভারতের সবচেয়ে বিখ্যাত ‘অ্যান্টি-ন্যাশনাল’।
সেই যাত্রার আগেই গান্ধীর নশ্বর পথচলা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল ৩০ জানুয়ারি, সর্বধর্ম প্রার্থনার খানিকক্ষণ আগে।
আমরা কি ভাবতে পারি মালদহের সীমান্ত দিয়ে ঢুকছেন সোনালী বেগম ও সুইটি বিবি, দক্ষিণ আফ্রিকার অন্তঃসত্ত্বা ও শিশু কোলে মেয়েদের মত? তাঁদের নিতে এসেছেন মাঝারি মাপের হাতে লাঠি, গায়ে চাদর চিরচেনা সেই মানুষ? তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে গোটা ভারতের আপামর জনসাধারণ জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে, দেশের মেয়েকে দেশে ফেরাতে?
‘Oh, India, dare to be worthy of your Gandhi.’ পার্ল বাখ বলেছিলেন।
সময় আসন্ন।
মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।








