রুবেল সেখ

স্বাধীনতার পরে এদেশের মাটিতে প্রগতিশীল ছাত্র আন্দোলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলির অন্যতম ছিল – বৈষম্যমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থার লক্ষ্যে শিক্ষার সম্পূর্ণ দায়ভার রাষ্ট্রকে নিতে হবে। কিন্তু এ দেশের দক্ষিণপন্থী শাসকগোষ্ঠী নানা কৌশলে সেই দায় অস্বীকার করার পথে এগোতে চেয়েছে প্রথম থেকেই। এই অভিমুখ বিশেষভাবে গতিশীল হয়েছে নয়ের দশকের শুরুতে ভারতের শাসকগোষ্ঠী নয়া উদারবাদী অর্থনীতি পথ নেওয়ার মধ্য দিয়ে। বশংবদ সংবাদমাধ্যমকে ব্যবহার একদিকে সমাজের সর্বস্তরে শিক্ষার বেসরকারিকরণের পক্ষে জনমত গড়ে তোলা হল। বলা হল, এই বেসরকারিকরণ আসলে শিক্ষার প্রসারের উদ্দেশ্যে। অন্যদিকে শিক্ষাকে খোলা বাজারের বিকিকিনির পণ্যে পরিণত করার নীল নকশা বাস্তবায়নে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল নেওয়া হল। ছাত্রদের রাজনীতি বিমুখ করে তোলার চেষ্টা শুরু হল পুরোদমে। স্বাভাবিকভাবেই পুঁজির বশংবদ শাসকের মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়াল ক্যাম্পাসে মুক্তমনের চর্চা, প্রগতিশীলতার চর্চা, গণতান্ত্রিকতার অনুশীলনের টুঁটি টিপে ধরা।

ইতিহাসের প্রতি সৎভাবে নজর দিলে আমরা দেখতে পাব, এই সময় থেকেই বাংলার ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদ নির্বাচনগুলিতে মতাদর্শগত সংগ্রাম গৌণ হয়ে গেল। গায়ের জোরে ক্ষমতা দখলের প্রবণতা বাড়ল। একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, ক্ষমতার নিয়ন্ত্রক হওয়ার বাসনায় কিছু তথাকথিত প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনও এই স্রোতে গা ভাসিয়েছিল। ফলত, উত্তাল ছয়-সাতের দশকের ঐতিহ্যবাহী ছাত্র আন্দোলনের দুর্গ যেসব ক্যাম্পাস, তার নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করে একদল শাসক ঘনিষ্ঠ মাতব্বররা। ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থ, প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ গৌণ হয়ে যায়। মুখ্য হয়ে ওঠে দলীয় কায়েমি স্বার্থ। এই কায়েমি স্বার্থকে ঘিরে যে সংঘাত শুরু হয়, তা ক্যাম্পাসগুলিকে রণক্ষেত্রে পরিণত করে। সেই ধারাবাহিকতা আজও চলছে। বাংলার বুকে তথাকথিত পরিবর্তনের সরকারের যাত্রাপথের শুরুতেই (২০১২) আমরা রায়গঞ্জে পঞ্চাশোর্ধ্ব তিলক চৌধুরীর মত ‘ছাত্রনেতা’-কে কলেজের অধ্যক্ষের নিগ্রহে যুক্ত থাকতে দেখেছি

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন

~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

২০১৭ সালের পর থেকে রাজ্যের কোনো কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়নি। কখনো করোনা অতিমারী, কখনো রাজনৈতিক সহিংসতা, কখনো শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রক্ষা – একটির পর একটি অজুহাত দেখিয়ে ছাত্র সংসদের নির্বাচনকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে। ২০২০ সালে না হয় অতিমারী চলছিল। কিন্তু ২০২১ সালে কলেজগুলি খুলে যাওয়ার পরও কেন নির্বাচন চালু হল না? এর কোনো জবাব দিতে পারেনি প্রশাসন। হাইকোর্টের সাম্প্রতিক রায়েই সেই নীরব ষড়যন্ত্র উন্মোচিত হয়েছে। আদালত বলেছে – ছাত্র সংসদ নির্বাচন ছাত্রদের সাংবিধানিক অধিকার; সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে তা আটকে রেখেছে।

এ কেবল প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়। এ হল গণতন্ত্রের উপর সুপরিকল্পিত আঘাত, ক্যাম্পাসের গণতান্ত্রিক পরিসরকে ধ্বংস করার চেষ্টা। ছাত্র সংসদ নির্বাচন স্থগিত রাখার পিছনে উদ্দেশ্য একটিই – ক্যাম্পাসকে একদলীয় দুর্গে পরিণত করা। তৃণমূল কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন তৃণমূল ছাত্র পরিষদ আজ প্রতিটি কলেজে নিরঙ্কুশ দখলদারি কায়েম করেছে। ভর্তি, হোস্টেল বরাদ্দ, বৃত্তি, মেস ম্যানেজমেন্ট – সবকিছুর লাগাম তাদের হাতে। কলেজে ভর্তির প্রক্রিয়াও পরিণত হয়েছে সরাসরি বাণিজ্যে। হোস্টেলের চাবি হাতে নিয়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতারা ঠিক করছে কে ক্যাম্পাসে থাকতে পারবে, আর কে অবাঞ্ছিত। বিরোধী সংগঠনের ছাত্রদের জন্য হুমকি, সর্বক্ষণের আতঙ্ক, বহিষ্কার – এসবই দৈনন্দিন বাস্তবতা। অধ্যক্ষ বা অধ্যাপক – কেউই শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের দানবিক কার্যকলাপের বিরোধিতা করতে সাহস পান না। প্রশাসনিক চেয়ার টিকিয়ে রাখতে হলে টিএমসিপির ইশারায় চলা ছাড়া উপায় নেই। যে মৌলিক সুযোগসুবিধা পড়ুয়াদের পাওনা, সেগুলিও আজ শাসক দলের ছাত্রনেতাদের অনুমতির উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত ছাত্র সংসদ না থাকায় বৃত্তি দিতে দেরি, ফি বৃদ্ধি, হোস্টেল সংকট, পরিকাঠামোগত অবনতি, যৌন হয়রানি – কোনো সমস্যারই সংগঠিত প্রতিবাদ গড়ে উঠছে না। ছাত্র সংসদ একসময় ছিল ছাত্রসমাজ ও কলেজ প্রশাসনের মধ্যে সেতু। গত কয়েক বছরে সেই সেতুটিই ভেঙে পড়েছে। ফলে ছাত্রছাত্রীদের একেবারে সাধারণ অধিকারগুলি নিয়ে কথা বলার কোনো পরিসর নেই, শোনার কেউ নেই। নেতৃত্বশূন্য তরুণ প্রজন্ম মানেই নেতৃত্বহীন ভবিষ্যৎ এবং নেতৃত্বহীন ছাত্রসমাজ মানে প্রতিবাদহীন শাসন। তৃণমূল সরকার ঠিক এটাই চায়। এই সময়ের অসংখ্য ঘটনা প্রমাণ করেছে – গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব না থাকলে অবাধে দমন চালানো যায়।

২০২৩ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভ ফেটে পড়েছিল গোটা রাজ্যের পড়ুয়ারা। কিন্তু কলেজে কলেজে ছাত্র সংসদই তো নেই, ফলে সেই প্রতিবাদ কোনো সংগঠিত রূপ পায়নি। নেতৃত্বের অভাবে আন্দোলন দ্রুত স্তিমিত হয়ে যায়। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তি বণ্টনের অনিয়ম নিয়ে যে লড়াই সংগঠিত হয়েছিল, তাতেও কোনো ‘বৈধ’ নেতৃত্ব ছিল না, তাই সেই প্রতিবাদও জোরালো হতে পারেনি। মালদা কলেজে ভর্তি বাণিজ্যের প্রতিবাদ দমন করা হয়েছে পুলিশি বলপ্রয়োগে। গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ নেই, ফলে কোনো প্রতিকার হয়নি।

বেলেঘাটা গার্লস কলেজে আসন বণ্টন নিয়ে ক্ষোভ থেকে আন্দোলন শুরু হয়। সেই প্রতিবাদকে নৃশংসভাবে পিষে দেয় শাসক দলের গুন্ডারা।

  • হুগলি মহসীন কলেজে বিরোধী ছাত্রদের উপরেও চলেছে নির্মম দমন।
  • মেদিনীপুর কলেজে হোস্টেল সংকটের প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ায় ছাত্রদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
  • উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তি পেতে বিলম্ব নিয়ে ক্ষোভ দমন করতে পাঠানো হয়েছে পুলিশ।
  • শিলিগুড়ি কলেজে টিএমসিপির দাদাগিরির প্রতিবাদে সরব হওয়া ছাত্রদের বহিষ্কার করা হয়েছে।
  • ডায়মন্ড হারবারের এক কলেজে ভর্তি অনিয়মের বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলন দমন করা হয়েছে সন্ত্রাস চালিয়ে।
  • বীরভূমের কলেজগুলিতে ভর্তি বাণিজ্য আর বৃত্তি বণ্টন নিয়ে ক্ষোভ দমন করেছে দলীয় গুন্ডাদের লাঠির বাড়ি।

বলাই বাহুল্য, যদি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত ছাত্র সংসদ থাকত, তাহলে গত কয়েক বছরে শাসক এতখানি বেপরোয়া দানবিক চেহারা দেখাতে পারত না।

প্রগতিশীল, বামপন্থী ও স্বতন্ত্র ছাত্র সংগঠনগুলোকে পদ্ধতিগতভাবে ক্যাম্পাস থেকে নির্মূল করার পরিকল্পনা চলছে। বিরোধী কণ্ঠস্বর দমন করার জন্য মারধর, বহিষ্কার, এমনকি ফৌজদারি মামলা পর্যন্ত করা হয়েছে। টিএমসিপিকে কলেজের একচ্ছত্র মালিকানা দিয়ে প্রশাসনকে তার সহযোগী বানানো হয়েছে। অধ্যক্ষরা গোপনে স্বীকার করেন যে টিএমসিপির নির্দেশ মানতে তাঁরা বাধ্য, না হলে পদ খোয়াতে হবে। মুক্ত বিতর্কের জায়গায় আজ ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে চলে শাসক দলের গুণকীর্তন। কোনো বিরোধিতার পরিসর নেই। সরকার দাবি করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্যই নির্বাচন হয়নি। কিন্তু আদালতের কথায় – গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ছাড়া শান্তি আসলে দমননীতিরই আরেক নাম।

গত আট বছরে উচ্চশিক্ষা দফতর কোনো রোডম্যাপ তৈরি করেনি। তাদের একমাত্র কাজ ছিল ক্যাম্পাসে দলীয় দখলদারি বজায় রাখা। এর ফলে শিক্ষার মানেরও ভয়াবহ অবনতি ঘটেছে। যাবতীয় সূচকে পশ্চিমবঙ্গের উচ্চশিক্ষা ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের তথ্য বলছে, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত বিপজ্জনকভাবে গোলমেলে হয়ে গেছে। গবেষণার মান কমেছে, ছাত্রদের অংশগ্রহণ প্রায় শূন্য।

একদিকে যেমন ছাত্রসমাজ ক্যাম্পাসে নিশ্চিন্তে নিশ্বাস নেওয়ার অধিকার হারিয়ে ফেলেছে, অন্যদিকে জনমানসে এই ধারণা প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা হয়েছে যে, ছাত্রদের রাজনীতি করার প্রয়োজন নেই, কারণ ‘ছাত্রানাং অধ্যয়নং তপঃ’। দুঃখজনক হল, এই বয়ান সামাজিক সমর্থনও পাচ্ছে। ফলত, বাংলার কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় এক দশক ধরে যে নির্বাচিত ছাত্র সংসদ নেই, তা নিয়ে তেমন আলোচনাও হয় না গণপরিসরে। ক্যাম্পাসে গঠনমূলক বিতর্ক নেই, চলমান রাজনীতি নিয়ে শাসক-বিরোধীর সমালোচনা, পাল্টা সমালোচনা নেই। সবরকমের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, যে বাংলার ছাত্রসমাজ একসময় ভিয়েতনামের লড়াইয়ের প্রতি সংহতি জানিয়ে আওয়াজ তুলত, সেখানে আজ প্যালেস্তাইনে ইজরায়েলের গণহত্যার বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ নেই।

আরো পড়ুন বাংলার ছাত্র রাজনীতিকে কোমায় পাঠিয়ে দিয়েছে শাসক দল

নয়া উদারবাদ এখানেই সফল। তারা বাংলার ছাত্রছাত্রীদের প্রতিষ্ঠানবিরোধী প্রতিবাদী সত্তাকে অনেকাংশে ধ্বংস করতে পেরেছে। সুচতুরভাবে গড়ে তুলেছে এমন এক ছাত্রসমাজ, সেই জনপ্রিয় গানখানিই যাদের জীবনের মন্ত্র ‘আমাকে আমার মত থাকতে দাও, আমি নিজেকে নিজের মত গুছিয়ে নিয়েছি’। আত্মকেন্দ্রিকতার পাথর বুকে চাপিয়ে এই অরাজনৈতিক প্রজন্ম জীবনযুদ্ধে সামিল হওয়ার চেষ্টা করছে। এই প্রতিবাদহীন তারুণ্যের পাশাপাশি আছে অন্য আরেক দল – একটি ক্ষুদ্র অংশ – যারা এই পচাগলা ব্যবস্থার সুবিধাভোগী। এদের কেউ কসবার ল কলেজের ক্যাম্পাসে মনোজিৎ মিশ্র নামে পরিচিত। অন্য কোনো কলেজের ক্যাম্পাসে অন্য কোনো নাম নিয়ে বিরাজমান। এরা নিরাপদ, কারণ ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র বলে কিছু নেই। ফলে কোনো চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয় না।

কলকাতা হাইকোর্টের সাম্প্রতিক রায় পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্রকামী ছাত্রসমাজের বুকে নতুন প্রাণসঞ্চার করেছে। আট বছরের দীর্ঘ অচলাবস্থার পর আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ – ছাত্র সংসদ নির্বাচন হোক, ছাত্রদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ফিরিয়ে আনা হোক। বিচারপতি সৌমেন সেনের কথায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালন সমিতি রাজনীতিমুক্ত থাকতে হবে, পরিচালন সমিতিতে মূলত শিক্ষাবিদদের স্থান দিতে হবে। এই পর্যবেক্ষণ গণতন্ত্রকামী ছাত্রসমাজকে মনে করিয়ে দেয় – ছাত্র সংসদ কেবল ভোটের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত একটি সংস্থা নয়, ছাত্রদের গণতান্ত্রিক কণ্ঠস্বর।

ভারতবর্ষের ইতিহাস সাক্ষী যে ছাত্র রাজনীতি সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের অগ্রদূত। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে গত আট বছরে শাসকের গায়ের জোরে ও জিনিস প্রায় নিশ্চিহ্ন। ক্যাম্পাসে মুক্তচিন্তার বিকাশের পরিবর্তে চলছে ভয়ের রাজত্ব। একেই ‘থ্রেট কালচার’ (হুমকি সংস্কৃতি) বলে চিনেছে গোটা রাজ্য।

প্রগতিশীল ছাত্র আন্দোলনের স্বপ্ন স্পষ্ট – শিক্ষাঙ্গনকে শিক্ষার্থীদের হাতে ফিরিয়ে আনা, মুক্তচিন্তার পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করা, শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ রোধ করা, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জবাবদিহির সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনা। সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস মানে যেখানে ছাত্রদের কণ্ঠস্বর প্রশাসনের কানে পৌঁছায়, যেখানে ভয় ছাড়াই ছাত্রসমাজ তাদের দাবি উত্থাপন করতে পারে।

কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার লড়াইয়ের ব্যাটন আবার ফিরে এসেছে ছাত্রসমাজের হাতে। তবে আদালতের রায় গুরুত্বপূর্ণ হলেও ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র ফেরানোর কাজটা শেষ করতে হবে প্রগতিশীল, গণতন্ত্রকামী পড়ুয়াদেরই।

নিবন্ধকার বামপন্থী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী, প্রোগ্রেসিভ স্টুডেন্টস ইউনিয়নের (পিএসইউ) সংগঠক। মতামত ব্যক্তিগত

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.