অচিন গুপ্ত
সেপ্টেম্বর ২০১৪। শহরে ততদিনে বর্ষা এসেছে। বৃষ্টিভেজা শহরে ভালবাসার গন্ধ গায়ে মেখে পার্কের বেঞ্চিতে ভিড় জমাচ্ছেন তরুণ-তরুণীরা, অফিস শেষে নিত্যযাত্রীরা ভিজে ভিজে ছুটছেন ট্রেন ধরার আশায়, ছাত্রছাত্রীরা ক্লাস শেষে আড্ডা জমাচ্ছে কলেজ ক্যান্টিনে। পুরনো ধুলো ঝেড়ে ফেলে মরশুমি বৃষ্টি গায়ে মেখে নবযুবতীর মত সেজে উঠতে চাইছে বৃদ্ধা কলকাতা। এমনই এক দিনে ঘটল ঘটনাটা – রাজ্যের তথা দেশের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় যাদবপুরের এক ছাত্রী শ্লীলতাহানির অভিযোগ করলেন। অভিযোগের তির বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রের দিকে। প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠল যাদবপুর, ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে সামিল হলেন আট থেকে আশির সাধারণ মানুষও। ফলস্বরূপ গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে ঢুকে ছাত্রছাত্রীদের উপর লাঠি চালাল পুলিস। শুরু হল প্রবল আন্দোলন, যার পোশাকি নাম – হোক কলরব। লাগাতার আন্দোলন, ঘেরাও, অনশনের পর অবশেষে ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে পদত্যাগ করেন তৎকালীন উপাচার্য অভিজিৎ চক্রবর্তী। তারপর থেকে হোক কলরব আন্দোলনের সাফল্য, সীমাবদ্ধতা নিয়ে বারংবার আলোচনা হয়েছে। হোক কলরবের পরেও বারবার যাদবপুর বুঝিয়ে দিয়েছে তারা রাষ্ট্রের চোখে চোখ রেখে লড়তে জানে, শাসককে প্রশ্ন করতে জানে। কিন্তু এসবের মধ্যে একটি প্রশ্ন এই লেখকের মনকে বারবার নাড়িয়ে দিয়ে গেছে। এই আন্দোলন, পুলিসের হামলা, তার প্রতিবাদে ঘেরাও, অনশন, উপাচার্যের পদত্যাগ – সবকিছু সত্ত্বেও ওই আন্দোলন নারী সুরক্ষার ক্ষেত্রে কোন বদল আনতে পেরেছিল কি?
পারেনি যে, তা বোধহয় চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় আর জি কর আন্দোলন। গত বছরের ৯ অগাস্ট আর জি কর মেডিকাল কলেজ ও হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চারতলার সেমিনার রুম থেকে উদ্ধার হল এক ডাক্তারি পড়ুয়ার দেহ। এখন আদালতে প্রমাণিত যে তাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। সেইসময় প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে কলকাতা, পথে নামে নাগরিক সমাজ। রাতদখল থেকে রাজপথ দখল, স্বাস্থ্যভবনের সামনে টানা বিক্ষোভ, ধর্মতলায় অনশন – কিছুই বাদ যায়নি। কিন্তু লাভের লাভ কিছু হয়েছে কি? নারী সুরক্ষায় একচুলও এগোতে পেরেছি আমরা? উত্তরটা যে ‘না’, সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজের ঘটনাই তা বুঝিয়ে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট।
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
কিন্তু কেন এই ব্যর্থতা? বারবার এত আন্দোলন, মিছিল, মিটিং, অনশনের পরেও নারী সুরক্ষার মত জরুরি বিষয় কেন বিশ বাঁও জলের তলায় চলে যাচ্ছে? মূল গলদটা কোথায়? আসুন, একটু ভেবে দেখা যাক।
১৯৭৫। সুসান আলেক্সান্ডার স্পিত নামের এক জীববিদকে কুপিয়ে খুন করা হয়। এর ঠিক কয়েকদিন পরেই সুসানকে খুনের প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন নারী আন্দোলনের কর্মীরা, শুরু হয় আন্দোলন। অনেকে মনে করেন ‘রিক্লেম দ্য নাইট’ বা ‘টেক ব্যাক দ্য নাইট’ আন্দোলনের শুরু হয় সুসানকে খুনের প্রতিবাদের মধ্যে দিয়েই। যদিও এ নিয়ে বিতর্কের অবকাশ আছে। এর ঠিক ১০-১১ বছর পর কলকাতায় শুরু হয় ‘টেক ব্যাক দ্য নাইট’ আন্দোলন। বাংলার বুকে তখন সিপিএমের শাসন, ঘটে গিয়েছে বানতলা থেকে বিরাটি। ঠিক সেইসময়েই কল্লোলিনী তিলোত্তমার বুকে গর্জে উঠেছিলেন মেয়েরা। মিছিল থেকে স্লোগান উঠেছিল ‘রিক্লেম দ্য নাইট।’ রাতদখল আন্দোলনের ইতিহাস বহু পুরনো। পশ্চিমে তো বটেই, খোদ কলকাতার বুকেও ২৮-৩০ বছর আগে রাতদখল আন্দোলনের সূচনা ঘটেছে। তারপরেও নারী সুরক্ষা নিয়ে কেন বারবার প্রশ্ন ওঠে? কেন বারবার ঘটে যায় তাপসী মালিক থেকে নির্ভয়া অথবা আর জি কর কাণ্ড? কেন ঘটে উন্নাও, হাথরাস, পার্ক স্ট্রিট অথবা বানতলার মত নারকীয় ঘটনা?
হোক কলরব, আর জি কর হোক বা রাতদখল – এই আন্দোলনগুলোর সবথেকে বড় জয় এখানেই যে এগুলোর হাত ধরে দীর্ঘদিন পর শহরের মধ্যবিত্ত শ্রেণি কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছিল। একথা নিঃসন্দেহে বলা চলে যে এই আন্দোলনগুলিতে স্বতঃস্ফূর্ততার কোনো অভাব ছিল না। কিন্ত গভীরে গেলে দেখা যাবে, এর মধ্যেই নিহিত রয়েছে আন্দোলনের ব্যর্থতার বীজ। কারণ হোক কলরব বা আর জি কর আন্দোলন নিয়ে মধ্যবিত্ত শিক্ষিত সম্প্রদায় উদ্বেল হলেও, আন্দোলনের গোটা সময় জুড়ে গ্রামাঞ্চলের মানুষ একপ্রকার নিষ্প্রভ ছিলেন, শহরের খেটে খাওয়া প্রান্তিক মানুষও আন্দোলনের সঙ্গে একাত্ম বোধ করেননি। খুব স্পষ্টভাবে বলতে গেলে, এই আন্দোলনের কোনো প্রভাব তাঁদের উপর পড়েনি। হ্যাঁ, বিক্ষিপ্তভাবে পশ্চিমবঙ্গের কিছু কিছু গ্রামে প্রতিবাদ সংঘটিত হয়েছে নিশ্চয়ই, কিন্তু তা ব্যতিক্রম। কলকাতা এবং কলকাতা সংলগ্ন মফস্বলে আন্দোলনের যে তীব্রতা লক্ষ্য করা গেছে তার সিকিভাগও লক্ষ্য করা যায়নি গ্রামাঞ্চলে। হাতে গোনা কিছু গ্রামের মহিলা রাস্তায় নেমেছেন। নিঃসন্দেহে তা প্রয়োজনীয়, কিন্তু ওইসব প্রান্তিক মহিলাদের সমস্যা, তাঁদের সুরক্ষা নিয়েও কথা হওয়া দরকার ছিল ওই আন্দোলনে। মনে রাখতে হবে, শহরাঞ্চলের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে মহিলারা অনেক বেশি পরিমাণে নির্যাতনের শিকার। এ প্রসঙ্গে ২০২২ সালে প্রকাশিত জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষার রিপোর্টের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছিল, শহরাঞ্চলে যেখানে ২৪% মহিলা গার্হস্থ্য হিংসার শিকার, সেখানে গ্রামাঞ্চলে ৩২%। পাশাপাশি এও বলা হয়েছিল, দরিদ্রতম মহিলাদের ৩৯% এবং ধনী মহিলাদের ১৭% মহিলা নির্যাতনের শিকার। এ থেকে স্পষ্ট যে নারী সুরক্ষা প্রসঙ্গে গ্রামাঞ্চলে সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন। একই কথা খাটে শহরের প্রান্তিক, দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের বেলাতেও। অথচ নারী সুরক্ষা নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি দূরের কথা, রাজ্যের গ্রামাঞ্চলে আর জি কর আন্দোলনের অভিঘাত বলতে দু-একটা মিছিল। সে মিছিলের নেতৃত্বেও আবার প্রান্তিক মানুষ ছিলেন না, ছিল গ্রামের মধ্যবিত্ত শিক্ষিত শ্রেণিই।
এই প্রসঙ্গে একদিনের ঘটনার কথা উল্লেখ না করলেই নয়। আর জি কর হাসপাতালের নারকীয় ঘটনার মাস তিনেক অতিবাহিত। গোটা কলকাতা শহর উত্তপ্ত। শহরের সমস্ত শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ চাইছেন দোষীদের শাস্তি। এমনই একদিন রাত সাড়ে এগারোটা-বারোটা নাগাদ মধ্য কলকাতার এক অত্যন্ত পরিচিত রাস্তা দিয়ে হেঁটে নিজের মেসে ফিরছি, এমন সময় পরিচিত গলার ডাক শুনে তাকিয়ে দেখি – তপনদা। মধ্য কলকাতার এই অঞ্চলে আসার পর থেকেই তপনদাকে দেখছি। হাসিখুশি মানুষ, কাছেই একটা পাইস হোটেলের কর্মচারী। ফুটপাথই তপনদার ঘরবাড়ি। বউ, মেয়েকে নিয়ে সংসার। কথা প্রসঙ্গে এসে পড়ল আর জি কর আন্দোলনের কথা, রাত দখলের কথা। তপনদা বলছিল ‘রাতে ভাল করে ঘুম হয় না জানেন। বারবার ঘুম ভেঙে যায়। মনে হয় মেয়েটা, বউটা ঠিক আছে তো? সরকারি হাসপাতালের ডাক্তারকে মেরে দিচ্ছে তো আমরা আর কী?’ তপনদা প্রশ্ন করে ‘আচ্ছা এই যে এত আন্দোলন, মিছিল, মিটিং – কিছু হবে?’ আশঙ্কায় ভরা তাঁর চোখদুটো। সেদিন আমি উত্তর দিতে পারিনি। তার কয়েকদিন পরে খবরের কাগজে চোখ পড়ে গিয়েছিল সেই খবরটায় – বড়তলা থানা এলাকার ফুটপাথবাসী এক শিশু নিখোঁজ। পরে অবশ্য উদ্ধার করা হয়েছিল সেই শিশুকে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ওই শিশুকে যৌন নির্যাতনের প্রমাণ মিলেছে। খবরটা পড়তে পড়তে ভেসে উঠছিল তপনদার আশঙ্কায় ভরা চোখ দুটো।
কলকাতার ফুটপাথে বসবাসকারী এই মানুষগুলোর স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নিরাপত্তা, মহিলাদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কাজ করছে বহু এনজিও। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এমনই এক এনজিও-র কর্ণধার এঁদের, বিশেষত মহিলাদের, নিরাপত্তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন। তাঁর বক্তব্য, সরকার আদৌ এদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত নয়। রাত কাটানোর জন্য পুরসভার তরফে কিছু শেল্টার হোমের ব্যবস্থা থাকলেও, অনেকক্ষেত্রেই সেগুলো সমাজবিরোধীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। আবার অনেকসময় এইসব জায়গায় জীবিকার সুনিশ্চিত ব্যবস্থা না থাকায় ফুটপাথবাসীরা শেল্টার হোমে যেতে চান না। ফলস্বরূপ রাতের শহরে খোলা আকাশের নীচে নিরাপত্তাহীনতার সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই করতে হয় তাঁদের।
কিন্তু শুধু কি প্রান্তিক বা গ্রামাঞ্চলের মানুষ? মধ্যবিত্ত শিক্ষিত সম্প্রদায়ের মহিলারাই বা তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে কী ভাবছেন? শহর কলকাতার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আদৌ সন্তুষ্ট তাঁরা? এ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন কাজরী বসু। সল্টলেকের এক বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন, কাজের চাপ মারাত্মক। অনেকসময় বাড়ি ফিরতে বেশ রাত হয়। তিনি বলছিলেন ‘কলকাতা শহরটা যেন পাল্টে গেছে। বছর পাঁচেক আগেও এমন ছিল না। এখন তো দিনে দুপুরে চুরি, ছিনতাই হচ্ছে। সরকারি মেডিকাল কলেজে ডাক্তার খুন হয়ে যাচ্ছেন। মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো সরকারই ভাবে না। রাস্তাঘাটে চলতে ফিরতে ভয় করে।’
আর জি কর আন্দোলনকে ঘিরে মানুষের যে উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছিল, তা যাতে দিশা না হারায়, তার জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে সমাজের সব স্তরের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটা মঞ্চ তৈরি করা যেত, অথচ তা হয়নি। ফলে আন্দোলন স্বতঃস্ফূর্ত হলেও, কিছুদিন পরেই সঠিক পরিকল্পনার অভাবে আন্দোলন পথ হারিয়েছে। আবার এই আন্দোলনকে হাতিয়ার করেই রাজ্যের অর্থনীতি ও রাজনীতিতে নারীদের স্থান থেকে পণপ্রথা, বাল্যবিবাহ, স্কুল ড্রপ আউটের ক্ষেত্রে মেয়েদের সংখ্যাবৃদ্ধি নিয়ে বৃহত্তর প্রেক্ষিতে আলোচনা হতে পারত। তা না হয়ে আন্দোলন কলকাতাকেন্দ্রিক হয়ে পড়ায় গ্রামাঞ্চল এবং মফস্বলের মহিলারা যেমন তাঁদের সুরক্ষার প্রশ্ন উঠে আসতে দেখলেন না, তেমনি অনেকে নিজেদের অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার অবকাশও পেলেন না। একে এই আন্দোলনের ব্যর্থতা হিসাবেই গণ্য করতে হবে।
কসবার ঘটনা বলে শেষ করব। আসলে আর জি কর বা কসবা বোধহয় আমাদেরই সার্বিক ব্যর্থতার ফল। আর জি কর আন্দোলনে বিজেপি বা সিপিএম সহ অন্যান্য দল কখনো নিজেদের পতাকা, কখনো বা পতাকা ছাড়া যোগ দিয়েছিল। যে সিপিএমের সময় বানতলা, বিরাটি ঘটে এবং বিরাটির ঘটনার পর গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক শ্যামলী গুপ্ত পিপলস ডেমোক্রেসি-তে লিখেছিলেন ‘A group of anti-socials attacked and raped Sabitri Das, Reba Sen and Shanti Sen, the three women who stayed in the unauthorised hutments along the railway tracks… Although so many women of that area, including Shanti Das, the mistress of a notorious anti-social, were involved in foul professions and such honeymoons of these with the anti-socials were an open secret, that day’s event appeared to be a sequel to the rivalry between these anti-socials with that of Pradip Sarkar, of whom Sabitri Das was a mistress.’ আবার গুজরাটের বিজেপি সরকার শাস্তিপ্রাপ্ত ধর্ষকদের মুক্তি দিয়েছিল, মালা পরিয়ে বরণ করেছিল।
আরো পড়ুন আর জি কর পেরিয়ে: বনলতা সেনগিরির রাজনীতি
এরা আর জি করের ঘটনার প্রতিবাদ করলে তা শোভা পায় কি? আসলে যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ। মনে রাখতে হবে, কসবার ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। যতদিন নারী সুরক্ষার প্রশ্নে সমাজের সব স্তরের মানুষরা সরব না হবেন, যতদিন প্রান্তিক মানুষদের আমরা আন্দোলনের সামনের সারিতে নিয়ে আসতে না পারব, ততদিন কসবার মত বহু ঘটনা আমাদের চোখের সামনেই ঘটবে। হোক কলরব হোক বা আর জি কর আন্দোলন – সমাজের বেশিরভাগ মানুষের সেখানে জায়গা হয়নি। তার মধ্যেই রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতার লোভে বিভিন্ন নামে, বিভিন্ন পরিচয়ে মিশে গেছে স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনকারীদের মধ্যে। ফলে বারবার হারিয়ে গেছে নারী সুরক্ষার প্রশ্ন, নারীর অধিকারের প্রশ্ন।
তথ্য: আর.জি.কর, “রাত দখল” ও আমাদের সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: কিছু প্রশ্ন – নন্দিনী ধর
নিবন্ধকার ছাত্র এবং গণআন্দোলনে যুক্ত। মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।








