আরব সাগরের তীরে রাজনীতির রঙ্গমঞ্চে হঠাৎ বিরাট ঢেউ আছড়ে পড়েছে। সেই এপ্রিল মাস থেকে যেকথা চালাচালি হচ্ছিল, তার বাস্তবায়ন চাক্ষুষ করলেন মহারাষ্ট্রবাসী। সঙ্গে সারা ভারতের রাজনীতি চর্চা করা মানুষও দেখলেন পশ্চিম উপকূলের রাজ্যে রাজনীতির নতুন সমীকরণ। শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বালাসাহেব ঠাকরের ছেলে উদ্ধব ও বালাসাহেবের ভাইপো রাজ ঠাকরে আবার এক মঞ্চে এলেন। কুড়ি বছর পরে।
২০০৩ সালে যখন বালাসাহেব ভাইপোকে উপেক্ষা করে উদ্ধবকেই নিজের উত্তরাধিকারী নির্বাচন করেছিলেন, তখনই রাজ বুঝে গিয়েছিলেন যে ‘মাতশ্রী’-তে (বালাসাহেবের বাংলো) তিনি ব্রাত্য। বছর দুয়েকের মধ্যেই তিনি নতুন দল গড়েন। এরপর দুই ভাইয়ের রাজনৈতিক জীবনেই অনেক চড়াই উতরাই গেছে। মাত্র আড়াই মাস আগে দুই ভাই একে অপরের হাত ধরার বার্তা দিয়েছিলেন। চিত্র পরিচালক মহেশ মঞ্জরেকরের সঙ্গে এক ভিডিও-পডকাস্টে রাজ বলেছিলেন রাজ্যের স্বার্থে তিনি দাদা উদ্ধবের হাত ধরতে রাজি। সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধবও ইতিবাচক উত্তর দিয়েছিলেন। তখন থেকেই উদ্ধবের ভেঙে যাওয়া শিবসেনা ও রাজের মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনার এক হয়ে যাওয়া নিয়ে জল্পনা এবং নানা অঙ্ক কষা শুরু হয়ে যায়।
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহেই যে সভায় দুই ভাইকে এক মঞ্চে দেখা গেল, তা অবশ্য রাজনৈতিক ব্যানারে হয়নি। এখনো দুই দলের মিলন হয়নি। কিন্তু এই অনুষ্ঠান ও তার লক্ষ্য এবং উপলক্ষ্য – পুরোটাই রাজনৈতিক। তাঁরা এক সঙ্গে বিজয় সমাবেশ করলেন। জনসংযোগ সংস্থার বেঁধে দেওয়া চিত্রনাট্য মেনেই মঞ্চে দুই ভাইয়ের এক সঙ্গে বসা থেকে ‘বিজয়’ ভাষণ, যা আদতে দুই ভাইকে একসঙ্গে এক মঞ্চে ‘রি-লঞ্চ’।
কিসের বিজয়? মহারাষ্ট্রে বিজেপি পরিচালিত মহায়ুতি সরকার ১৬ এপ্রিল ও ১৭ জুন দুটি নির্দেশিকা জারি করেও প্রত্যাহার করে নিয়েছে। নির্দেশিকায় ছিল প্রথম শ্রেণি থেকে মহারাষ্ট্রের স্কুলগুলিতে ত্রিভাষা সূত্র মেনে হিন্দি পড়ানো হবে। এই নির্দেশিকা জারির আগে থেকেই অবশ্য রাজ স্কুলে হিন্দি শিক্ষার বিরোধিতা করে এবং ‘মারাঠি অস্মিতা’-র জিগির তুলে আন্দোলনে নেমেছিলেন। ভারতের অন্যান্য বিজেপিবিরোধী আঞ্চলিক দলগুলির মতই রাজ ও উদ্ধবও মনে করেন, হিন্দি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা যতটা না শিক্ষার জন্য তার চেয়ে বেশি উত্তর ভারতীয় আগ্রাসনের স্বার্থে।
ছয়ের দশকে বালাসাহেবের শিবসেনার উত্থানই তো হয়েছিল এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি রাজও মনে করিয়ে দিয়েছেন – মুম্বই বা তৎকালীন বম্বের দখল নেওয়ার জন্য কেমন ভাবে গুজরাতিরা মুখিয়ে ছিলেন, মহারাষ্ট্রের সব রাজনৈতিক দল কীভাবে সেই আগ্রাসনের বিরোধিতা করেছিল। পরেও শিবসেনা এবং রাজের মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনার নেতৃত্বে বিহারী খেদাও, বাঙালি খেদাও অভিযান হয়েছে। এবার স্কুলে স্কুলে হিন্দি ভাষা বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্তে সেই পুরনো স্মৃতি উস্কে দিয়ে রাজ বিরোধিতা করেছেন। মহারাষ্ট্র আদতে যে মারাঠিদের, তা মনে করিয়ে দিয়েছেন।
এর মাঝেই বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ স্কুলে হিন্দি বাধ্যতামূলক করার নির্দেশিকাগুলি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। আরও আলাপ আলোচনার দরজা খুলে সাংসদ নরেন্দ্র যাদবের নেতৃত্বে একটি কমিটি তৈরি করে দিয়েছেন। ব্যাস! এতেই রাজ ও উদ্ধব নিজেদের ‘বিজয়’ দেখেছেন। তাই এই সমাবেশের আয়োজন। সেখান থেকে রাজ তো বলেই দিয়েছেন, বালাসাহেব যা পারেননি তা ফড়নবীশ করে দিয়েছেন – দুই ভাইকে এক মঞ্চে এনে দিয়েছেন।
এই বিজয় কতটা বড় বা কতদিন টিকবে তার উত্তর দেবে সময়। কিন্তু দুই ভাইয়ের মিলন যে তাৎক্ষণিক নয় এবং এর পিছনে যে শুধুই ‘মারাঠি অস্মিতা’ কাজ করছে তাও নয়। গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই মহারাষ্ট্রে বিরোধী রাজনীতির পরিসর কেমন যেন ফাঁকা হয়ে গেছে। শরদ পওয়ারের রাষ্ট্রবাদী কংগ্রেস পার্টি বা এনসিপি দু টুকরো হয়ে গেছে। অন্য দিকে উদ্ধবের শিবসেনাও দুভাগে ভেঙে গেছে। শরদের ভাইপো অজিত মূল এনসিপি নিয়ে এবং একনাথ শিন্ডে মূল শিবসেনা নিয়ে বিজেপির সঙ্গে ভিড়ে গেছেন। দুজনেই এখন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী। আসন সংখ্যার বিচারে বিরোধী কংগ্রেস, উদ্ধবের শিবসেনা এবং শরদের এনসিপি অনেক পিছিয়ে। বিজেপির জোট যেখানে ২৩০-এর বেশি আসন পেয়েছে, সেখানে বিরোধীরা মাত্র ৪৮। শরদের এনসিপি ভাইপো অজিতের সঙ্গে মিশে যাবে কিনা, তা নিয়ে জল্পনা যখন চলছে এবং মহারাষ্ট্র কংগ্রেসের অস্তিত্ব আছে কিনা তা যখন আতসকাচের তলায় ফেলে খুঁজতে হচ্ছে, তখন রাজ ও উদ্ধব রাজ্যের রাজনীতিতে একটি মোচড় দিয়েছেন। এই মোচড় নিজেদের অস্তিত্বরক্ষার জন্য।
কয়েক মাসের মধ্যেই মহারাষ্ট্র জুড়ে পৌরসভা ও পঞ্চায়েত নির্বাচন। কুড়ি জন বিধায়ক নিয়ে উদ্ধব হাবুডুবু খাচ্ছেন। খাতায় কলমে নজন সাংসদও রয়েছে তাঁর। কিন্তু বিজেপি-এনসিপি আর শিন্ডের শিবসেনার দাপটে উদ্ধব কোণঠাসা। আর রাজ? অনেকেই অবাক হবেন, রাজের হাতে একজনও বিধায়ক বা সাংসদ নেই। বিধায়ক তো দূর অস্ত, সারা রাজ্যে খুঁজলে হাতে গোনা কয়েকজন কাউন্সিলর পাবেন মাত্র। বিধানসভা নির্বাচনের হিসাব ধরলে দুই ভাইয়ের হাতে ১১ শতাংশের মত ভোট।
আরো পড়ুন রাহুলের নির্বাচন কমিশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ অকারণ নয়
সারা রাজ্যে কী হবে না হবে তা পরের কথা। উদ্ধব আবার মুখ্যমন্ত্রী হবেন কিনা বা রাজ ঠাকরে ‘কিং মেকার’ হবেন কিনা তা ঠিক হতে অনেক দেরি। রাজ ও উদ্ধবের মানসম্মানের লড়াই এখন বৃহন্মুম্বই কর্পোরেশন বা বিএমসি। সেখানে অবিভক্ত শিবসেনা গত নির্বাচনে একক বৃহত্তম দল হিসাবে ৮৪টি আসনে জিতেছিল, তবে ৮২ আসন পেয়ে ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছিল বিজেপি। রাজের মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা জিতেছিল সাত আসনে। দেশের সবচেয়ে ধনী এই কর্পোরেশনের উপর নজর সব দলেরই। নির্দল ও ছোট দলগুলির কাউন্সিলর নিয়ে উদ্ধবের নেতৃত্বাধীন শিবসেনাই এই কর্পোরেশন চালিয়ে এসেছে। এছাড়াও মুম্বই মেট্রোপলিটান রিজিয়নে থানে, কল্যাণ-ডম্বিভিলি, নভি মুম্বই, উলহাসনগরের মতো আটটি কর্পোরেশনেও অবিভক্ত শিবসেনার দাপট ছিল গত নির্বাচন পর্যন্ত। এই অঞ্চলে বিজেপির ভোট যখন ২৮.০৪%, অবিভক্ত শিবসেনার হাতে তখন ২৭.২%।
আসলে এই ভোট ভাঙতেই শিবসেনাকে দুভাগ করেছে বিজেপি। ফলে উদ্ধবের শক্তি হ্রাস পেয়েছে। অথচ রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে গেলে এই কর্পোরেশনগুলিতে নিজের দাপটও টিকিয়ে রাখতে হবে, নয় তো মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে আরও গুটিয়ে যাবেন উদ্ধব। লোকসভা নির্বাচনে ‘বালাসাহেবের ছেলের পিঠে ছুরি মেরে শিবসেনাকে ভেঙে সরকারের দখল নিয়েছে বিজেপি’— এই আলেখ্য কাজ করলেও, বিধানসভা নির্বাচনে যে করেনি, তা দেখাই গেছে।
তাই উদ্ধব রাজের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সেই বালাসাহেবের স্মৃতিও উস্কে দিতে চাইছেন। একদিকে যেমন পুরনো ‘মারাঠি অস্মিতা’-র কথা তুলে ধরছেন রাজ-উদ্ধব, অন্যদিকে এটিকে ঠাকরে পরিবারের মিলন হিসাবেও দেখাতে চাইছেন (রাজ ও উদ্ধব এতদিন এক দলে থাকেননি বটে, তবু পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের মধ্যে রাজনীতির ছাপ পড়েনি)।
রাজের হাতে কাউন্সিলর বেশি না থাকলেও, উগ্র সমর্থক রয়েছে অনেক। সঙ্গে রাজের ‘দাদাগিরি’। পরিষদীয় রাজনীতিতে শূন্য হলেও মেজাজে এখনও ১০০ পাবেন তিনি, যে মেজাজের জন্য বালাসাহেব বিখ্যাত ছিলেন। কার্টুনিস্ট কাকা আর কার্টুনিস্ট ভাইপোর মধ্যে অনেক মিল আছে। রাজ জানেন কীভাবে খবরের শিরোনাম থাকতে হয়। সব মিলিয়ে রাজের ‘মেজাজ’ আর উদ্ধবের সংগঠন যদি এক হয়, তাহলে মহারাষ্ট্রের বিজেপিবিরোধী রাজনৈতিক পরিসরে খানিকটা জায়গা আবার ফিরে পেলেও পেতে পারে ঠাকরে পরিবার।
জায়গা ফিরে পাওয়ার জন্য দুই ভাই যথেষ্ট উদ্বিগ্ন ও উদ্যোগী। এখানেই দুই তুতো ভাইয়ের মিলনের দ্বিতীয় কারণ। তাঁদের চিন্তা নিজেদের ছেলেদের নিয়ে। উদ্ধবের ছেলে আদিত্য রাজনীতিতে পোক্ত হয়ে গেছেন, মন্ত্রী হয়েছেন। কম ভোটে হলেও জিতে বিধায়ক হয়েছেন ভরাডুবির নির্বাচনেও। কিন্তু রাজের পুত্র অমিত রাজনীতিতে এখনো হামাগুড়ি দিচ্ছেন। ত্রিমুখী লড়াইয়ে মাহিম কেন্দ্র থেকে নিজের ছেলেকে জেতাতে পারেননি রাজ। তাই ঠাকরে পরিবারের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও এই ‘মিলন’ জরুরি।
কিন্তু শঙ্কা অন্য জায়গায়।
বালাসাহেব ‘মারাঠি অস্মিতা’-র পাশাপাশি কট্টর হিন্দুত্ববাদেরও প্রবক্তা ছিলেন। সেই সুর ধরেই ১৯৯১ সালে মুম্বইয়ে পিচ খুঁড়ে দিয়ে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বাতিল করে দিতে বাধ্য করেছিল বালাসাহেবের শিবসেনা। তিনি স্বাভাবিকভাবেই বাজপেয়ী-আদবানিদের এনডিএ-র শরিক হয়েছিলেন। দীর্ঘদিনের জোট সম্পর্ক ছিল শিবসেনা ও বিজেপির মধ্যে। কিন্তু বালাসাহেবের পুত্র উদ্ধব ২০১৪ সালের পরেই বুঝেছিলেন, বিজেপির সঙ্গে মহারাষ্ট্রে ঘর করা মানে নিজের পায়ে কুড়ুল মারা। যে আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে ফড়নবীশ-অমিত শাহরা বিজেপিকে মহারাষ্ট্রে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তাতে অচিরেই উদ্ধবের শিবসেনাকে তাঁরা গিলে ফেলবেন। তাই তিনি বিজেপির সঙ্গে নির্বাচনে লড়েও ২০১৯ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করে শরদ এবং কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গড়েছিলেন।
উদ্ধব যা নিয়ে শঙ্কিত ছিলেন, হয়েছেও তাই। বিজেপি শিবসেনাকে ভেঙে দিয়েছে। মহারাষ্ট্রের রাজনীতি যে দিকে এগোচ্ছে তাতে এবার ভাঙা শিবসেনার একনাথকেও মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ব্রাত্য করে দিতে দ্বিধা করবেন না ফড়নবীশরা। উদ্ধবকে সরিয়ে মহারাষ্ট্রের, বিশেষত মারাঠাদের, মন জয় করতে একনাথকে মুখ্যমন্ত্রী করেছিলেন মোদী-শাহরা। তবে শেষ নির্বাচনের পর একনাথকে উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। ফড়নবীশ সরকারে তিনি খুব একটা স্বস্তিতে নেই।
তাই মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে নিজেকে নতুনভাবে তুলে ধরার জন্য উদ্ধবের শিবসেনার সামনে বড় সুযোগ এসে গেছে। বিজেপিবিরোধী জোটে থাকতে গিয়ে কট্টর হিন্দুত্ববাদের পথ থেকে খানিকটা সরে এসেছেন উদ্ধব, তবে ঝোঁক একেবারে যায়নি। অন্য দিকে রাজ বিজেপিকে বিভিন্ন নির্বাচনে সমর্থন করেছেন (তা নিয়ে এপ্রিল মাসের কথা চালাচালিতে রাজকে বিঁধেছিলেন উদ্ধব)। কট্টর হিন্দুত্ববাদের রাস্তায় রাজের ঝোঁক উদ্ধবের থেকে বেশি। রামমন্দির উদ্বোধনে যাননি বটে, কিন্তু দুই ভাই আলাদা করে বিভিন্ন সময়ে অযোধ্যা যাত্রা করে এসেছেন।
কিন্তু বিজেপিবিরোধী শক্তি হিসাবে নিজেদের আলাদা পরিচয় গড়ে তুলতে হলে কট্টর হিন্দুত্ববাদে কাজ হবে না। বিজেপি-আরএসএসের থেকে আর কত কট্টর হবে ঠাকরে পরিবার? দুই দলের মধ্যে আলাদা কী দেখবেন ভোটাররা? তবে হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির আওতায় থাকা রাজ-উদ্ধবকে নিয়ে বিজেপি যারপরনাই খুশি হবে। তার থেকেও বেশি খুশি হবে সংঘ পরিবারের অন্য সদস্যরা। বিরোধী পরিসরেও তাদের মতাদর্শের কাছাকাছি কোনো দল থাকা আসলে তাদেরই জিত।
এই পরিস্থিতিতে ঠাকরে ভাইদের কাছে ‘মারাঠি অস্মিতা’-ই একমাত্র হাতিয়ার হওয়া উচিত। তাতে অবশ্য বিপদে পড়তে পারেন উত্তর ভারতীয় ও বাঙালি প্রবাসীরা। নতুন সংগঠন স্বজাতির ভোটারদের মন জয় করার জন্য এঁদেরই চাঁদমারি করবে। ফলে শুরু হবে এক অন্য পর্ব।
মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।







