ফিফা প্রদত্ত র্যাঙ্কিংয়ে ভারতের সবচেয়ে ভাল অবস্থান ছিল নয়ের দশকের মাঝামাঝি। ১৯৯৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপ যোগ্যতার্জন পর্বে ভারতীয় ফুটবল দল লেবাননের সঙ্গে ড্র করেছিল, হংকংকে হারিয়েছিল। ১৯৯৬ সালে ভারতীয় দলের র্যাঙ্কিং ছিল ৯৪। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মতো কঠিন প্রতিপক্ষকেও হারাতে সমর্থ হয়েছিল ভারত। কিন্তু সেই ধারাবাহিকতা পরের দশক থেকে আর থাকেনি। ২০১৭ সালে স্টিফেন কনস্টানটাইনের প্রশিক্ষণে ভারত ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৯৬তম স্থানে উঠে আসে। সেবছর একটিও খেলায় না হেরে (দুটি ড্র এবং সাতটি জয়) যথেষ্ট ভাল ফুটবল উপহার দিয়েছিল জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা। ২০১৯ সালে ইগর স্টিমাচ দায়িত্ব নেওয়ার পর গোড়ার দিকে ভারতীয় দলের উল্লেখযোগ্য ফলাফল ছিল কাতারের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র। ২০১৯-২০২৩ ভারতের র্যাঙ্কিং একশোর আশেপাশে থেকেছে। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ বা ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপে সাফল্য এসেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় বিশ্বকাপের যোগ্যতার্জন পর্বে দ্বিতীয় রাউন্ডের বেশি এগোতে পারেনি। এশিয়ান কাপের মত কঠিন প্রতিযোগিতায় হতশ্রী পারফরম্যান্স হয়েছে।
তাই প্রশ্ন থেকেই যায় যে, শেষ ৩০ বছরে ভারতীয় ফুটবল দলের তাৎপর্যপূর্ণ উন্নতি হল কি? ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে একশোর আশেপাশে ওঠানামা বা এশিয় স্তরে কঠিন প্রতিপক্ষের সামনে মুখ থুবড়ে পড়া তো অব্যাহত রইল। তাহলে আদৌ কি ভারতীয় ফুটবলের স্থিতাবস্থা কাটল? ইগর অবশ্য অভিযোগ করেছেন ইন্ডিয়ান সুপার লিগের চালক ফুটবল স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড (এফএসডিএল) এবং এআইএফএফ তাঁর কথা অনুযায়ী ক্রীড়াসূচি তৈরি করেনি। ফলে জাতীয় দলের অনুশীলন এবং প্রশিক্ষণ শিবিরের জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া যায়নি।
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
এআইএফএফ অবশ্য এই অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছে। তারা জানিয়েছে যে এফএসডিএল এবং সংশ্লিষ্ট ক্লাবগুলির সঙ্গে যথাযথ আলোচনা করেই সূচি নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের যাতে অনেকটা সময় অনুশীলন করাতে পারেন ইগর, সে চেষ্টাও করা হয়েছিল। যদিও সংবাদমাধ্যমে প্রায়ই দেখা গেছে, ইগর অনুযোগ করছেন তিনি জাতীয় দলের শিবিরে খেলোয়াড়দের ঠিক সময়ে পাচ্ছেন না। প্রাথমিক তালিকা তৈরি করার পরে তাঁকে সাতবার বদল করতে হয়েছে। ফুটবলাররা চোট আঘাতের জন্য জাতীয় শিবিরে সময় কম পেয়েছেন। স্টিমাচের জিপিএস-ভেস্ট বিষয়ে অভিযোগের বিরুদ্ধে দীর্ঘ প্রতিযুক্তি সাজিয়েছে এআইএফএফ। এশিয়ান গেমসে যাওয়ার পথে ফুটবলারদের বহুমূল্যবান জিপিএস-ভেস্টগুলি নাকি হারিয়ে যায় এবং প্রায় সাত মাস পরে নতুন জিপিএস-ভেস্ট আসে। অনুশীলনে ‘মাত্র’ পঞ্চাশ দিন ভেস্টগুলি ব্যবহার করা যায়নি, ইগর তাঁর অভিযোগপত্রে ব্যাপারটা অতিরঞ্জিত করেছেন।
কিন্তু জিপিএস-ভেস্ট সময় মত পেলেই যে ভারতীয় ফুটবল দল বিশ্বকাপের যোগ্যতার্জন পর্ব পার করে যেত, তা বোধহয় নয়। বরং শুধুমাত্র জিপিএস-ভেস্টকে কেন্দ্র করে যুক্তি-প্রতিযুক্তির আড়ালে ভারতীয় ফুটবলের মূল সমস্যা চাপা পড়ে যাচ্ছে। সুনীল ছেত্রীকে ৩৯ বছর বয়স পর্যন্ত ভারতের জাতীয় দলের স্ট্রাইকারের ভূমিকা পালন করতে হল। এত বছরেও তাঁর গুণমানের বিকল্প স্ট্রাইকার তৈরি হল না কেন? আইএসএলে ‘বিশ্বমানের’ ফুটবলারদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ভারতীয় ফুটবলাররা খেলেন। তাহলে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় তাঁদের খেলায় সেই ছাপ ধারাবাহিকভাবে পড়ে না কেন? কেন এশিয়ার একটু বেশি শক্তিশালী দলের বিপক্ষে ‘সেরা’ ভারতীয় খেলোয়াড়দের রক্ষণাত্মক আত্মঘাতী নীতি নিয়ে খেলতে নামতে হয়? ‘গোল খাব না’ মানসিকতা এড়িয়ে ‘গোল দেব’ নীতি কেন নেওয়া যায় না? বছরের পর বছর ভারতের ফুটবলপ্রেমীরা জবাব খুঁজে চলেছেন। স্টিমাচের প্রশিক্ষণে ২০২৩ সালে ভারতীয় দলের পারফরম্যান্স অন্তত তাকিয়ে দেখা গেছিল। কিন্তু সেই সময়েই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে – তিনি নাকি জাতীয় শিবিরে জ্যোতিষী ডেকে এনে ফুটবলার নির্বাচন করেছিলেন। এমন পশ্চাৎপদ বিজ্ঞানবিরোধী কার্যকলাপের জন্য সমালোচনার ঝড় উঠতে তড়িঘড়ি ‘ব্যবস্থা’ নেয় এআইএফএফ। যদিও ইগর বলেছিলেন, ফুটবল সংস্থার শীর্ষস্থানীয় কর্তারাই (তৎকালীন সভাপতি কুশল দাস) দিল্লির জ্যোতিষী ভূপেশ শর্মার সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছিলেন। ভূপেশ প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা নিয়ে খেলোয়াড়দের ঠিকুজি কুষ্ঠি বিচার করেছিলেন। ইগর এবং ভূপেশের মধ্যে শতাধিক মেসেজ চালাচালির খবরও প্রকাশিত হয়েছিল। দুজন দক্ষ ফুটবলারকে নাকি জাতীয় দল থেকে বাদ রাখা হয়েছিল তাঁদের গ্রহনক্ষত্র প্রতিকূল বলে।
ক্ষমার অযোগ্য এইসব অপরাধের পরেও ইগরের উপরে আস্থা রেখেছিল ভারতীয় ফুটবল সংস্থা! কেন? তাহলে কি ইগরের এহেন অবৈজ্ঞানিক মানসিকতার উপরে তাঁদের ভরসা ছিল? ইগরের অভিযোগের বিরুদ্ধে এই ‘জ্যোতিষী কাণ্ড’ তুলে ধরেছে তাঁরা, কিন্তু এতদিন কেন তা সত্ত্বেও ইগরকে দায়িত্বে রাখা হয়েছিল? ইগর আরেকটি মারাত্মক অভিযোগ করেছেন – কল্যাণ চৌবে এবং স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (সাই) কর্তারা এশিয়ান গেমসের জন্য স্টিমাচের তৈরি করা ফুটবলার তালিকা বদলে দিয়েছিলেন। তাঁকে বাধ্য করেন তিনজন সিনিয়র ফুটবলারকে দলে রাখতে। কল্যাণ এবং সাই কর্তারা আইএসএলের বিশেষ কিছু ক্লাবকে অনুমতি দেন এশিয়ান গেমসে জাতীয় দলের জন্য ফুটবলার বেছে দিতে। এই অভিযোগের কিয়দংশও যদি সত্যি হয়, তাহলে তা ভারতীয় ফুটবলের জন্য ক্ষতিকর। রাজনৈতিক দল এবং কর্পোরেটের অঙ্গুলিহেলনে জাতীয় দলের খেলোয়াড় নির্বাচন নিয়ন্ত্রিত হলে তার প্রভাব খারাপ হতে বাধ্য। এতে বিশেষ বিশেষ ফ্র্যাঞ্চাইজের মালিক কলার তুলতেই পারেন, কিন্তু আখেরে ভারতীয় ফুটবলের ক্ষতি। এআইএফএফ তাদের বিবৃতিতে এই গুরুতর অভিযোগটি নিয়ে নীরব। তাহলে কি সত্যিই অনেকটা ঘুণ ধরে গেছে ভারতীয় ক্রীড়া কাঠামোয়?
#
ভারতীয় দলের লাগাতার অনুন্নতি নিয়ে ইগর আরও কিছু মারাত্মক অভিযোগ করেছেন। তার সঙ্গে জড়িয়ে আছে এফএসডিএল এবং এই মুহূর্তে ভারতের শীর্ষস্থানীয় ফুটবল লিগ আইএসএল। ১) দেশের শীর্ষ ফুটবল লিগ এআইএফএফ চালায় না, বরং একটি কর্পোরেট সংস্থা চালায় – এমনটা হওয়া অদ্ভুত। ২) ভারতের সবচেয়ে পয়সাওয়ালা আর বড় ফুটবল ক্লাব বাংলাদেশ এবং মালদ্বীপের ক্লাবের কাছে হারছে। কাজেই ভারতের জাতীয় দল আফগানিস্তানের কাছে হারবে, এতে আশ্চর্যের কিছু নেই। ৩) এফএসডিএল এবং এআইএফএফের মধ্যেকার চুক্তি সন্দেহজনক। এফএসডিএল যে আইএসএল পরিচালনা করে, তাতে কোনো অবনমন নেই। অবনমনবিহীন লিগের কোনো গুরুত্বই নেই। উক্ত অভিযোগগুলি ভারতীয় ফুটবলের উন্নতি, অবনতির সঙ্গে প্রত্যক্ষ সম্পর্কযুক্ত।
ভারতীয় ফুটবল সংস্থা তাদের বিবৃতিতে এফএসডিএল এবং আইএসএল সম্পর্কিত অভিযোগ নিয়ে একটি শব্দও ব্যয় করেনি (একটি বাক্যে এফএসডিএলকে ‘বাণিজ্যিক অংশীদার’ বলেছে শুধু)। এফএসডিএল ভারতীয় ফুটবলে কর্পোরেট ছোঁয়া এনেছে এবং ভারতীয় ফুটবলের খোলনলচে আমূল বদলে দিয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে আইএসএল আয়োজন করছে তারা। প্রথমে আটটি, পরে দশটি এবং এরপর মোট ১৪টি (বা ১৩টি) দল আইএসএল খেলবে। এফএসডিএল এবং সংলগ্ন মহা পুঁজিপতিদের আধিপত্যে আইএসএলকে ভারতের এক নম্বর লিগ করার জন্য ক্রমশ আই লিগ ও অন্যান্য ফুটবল প্রতিযোগিতাকে গুরুত্বহীন করে দেওয়া হয়েছে। সুচারুভাবে দীর্ঘ সময় ধরে এই কাজটিই করা হয়েছে। গোয়া, কেরালা এবং বাংলা জাতীয় দলে ধারাবাহিকভাবে ফুটবলার জোগান দিত। তাঁরা যথেষ্ট কার্যকরীও ছিলেন। কিন্তু আইএসএল চালু হওয়ার পরে, আই লিগের গুরুত্ব বছরের পর বছর কমানোর ফলে এবং জেলা ও রাজ্যস্তরের লিগগুলিকে অন্ধকারে ঠেলে দেওয়ার ফলে ভারতের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ফুটবল ক্লাব বাধ্যত হারিয়ে গেছে। ভারতের প্রথম সারির লিগে সালগাঁওকর, ডেম্পো, মাহিন্দ্রা, জেসিটি, চার্চিল ব্রাদার্স নেই। অথচ দেড়, দুই দশক আগে পর্যন্ত এই ক্লাবগুলিই ভারতীয় ফুটবলারদের দক্ষ ও সাবালক করে তুলত।
সন্তোষ ট্রফি, আইএফএ শিল্ড, ডুরান্ড কাপ এখন গুরুত্বহীন। ফেডারেশন কাপ উঠে গিয়ে সুপার কাপ হয়েছে ২০১৮ সাল থেকে। গত মরসুম থেকে ওড়িশার রাজ্য সরকার এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং আয়োজক। সুপার কাপের বিজয়ী দল এএফসি কাপে খেলার সুযোগ পায়। অথচ গত মরসুম থেকে টালবাহানা শুরু হয়েছে সুপার কাপের সময় সূচি নিয়ে। কিন্তু আইএসএল বা সুপার কাপের মত প্রতিযোগিতায় জিতে এশিয় স্তরের প্রতিযোগিতায় খেলতে গিয়ে ভারতীয় দলগুলি যে খুব বেশি সুবিধা করতে পারে না, পরিসংখ্যানই সেকথা বলে দেয়। প্রথমবার এফ সি গোয়া ছটি ম্যাচের মধ্যে একটিও জিততে পারেনি। গত মরসুমে অতি বৃহৎ কর্পোরেট সিটি গ্রুপের মালিকানাধীন মুম্বাই সিটি সবকটি ম্যাচ হেরেছিল। কোনোবারই ভারতীয় দলগুলি গ্রুপ পর্ব পার করতে পারেনি। এএফসি কাপেও ভারতীয় দলগুলির অবস্থা তথৈবচ। গোয়েঙ্কা গ্রুপের প্রায় ৭৫ কোটি টাকার দল নিজেদের গ্রুপে তৃতীয় হয়েছিল। ওড়িশা এফসি গ্রুপ পর্ব পার করলেও পরের রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়ার ফুটবল দলের কাছে লজ্জাজনক পরাজয়ের সম্মুখীন হয়।
আরো পড়ুন সন্তোষ ট্রফি দেখিয়ে দিল সাবেকি টুর্নামেন্টের কোনো বিকল্প নেই
তাহলে ভারতীয় ফুটবলের সমস্ত পর্যায়ের খেলার কাঠামোতেই যে গলদ থেকে যাচ্ছে, তা ভাবার সময় কি এখনো আসেনি? নাকি জাতীয় দলের প্রশিক্ষককে বরখাস্ত করে আর বাদানুবাদে সপ্রতিভতা দেখিয়েই যাবতীয় দুর্বলতা ঢেকে ফেলা যায়? লিগে অবনমন চালুর বিষয়ে স্টিমাচের যুক্তির যাথার্থ্য রয়েছে। ফুটবলে উন্নত এবং উন্নয়নাকাঙ্ক্ষী সব দেশের ফুটবল লিগে অবনমন আছে। অবনমনের অর্থ কোনো দলের অপমান নয়, নিচের স্তর থেকে উঠে আসা দলকে সুযোগ দেওয়া এবং লিগকে প্রতিযোগিতামূলক রাখা। নিয়মিত ভাল ফুটবলার তুলে আনার এ এক নির্ভরযোগ্য পন্থা। উল্লেখ্য, ইগর শুধু বরখাস্ত হওয়ার পরেই আইএসএল নিয়ে অভিযোগ জানাচ্ছেন না। এর আগেও তিনি আইএসএলের কার্যকারিতা এবং কাঠামো নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন। ‘ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যতের জন্য আইএসএল মোটেই ভাল প্রতিযোগিতা নয়’ – ২০২২ সালের জুন মাসেই একথা বলেছিলেন। তাঁর মত ছিল, দেশের প্রধান লিগ ১০-১১ মাস ধরে চলা দরকার। সম্প্রচার আর কর্পোরেট অনুগ্রহের ভিত্তিতে ফুটবলের সূচি সাজানো উচিত নয়। কমপক্ষে ১৮টি দল দেশের প্রধান লিগে খেলুক এবং লিগে ওঠানামা চালু হোক। প্রত্যেক ফুটবলার সারা বছর কমপক্ষে ৫০টি করে ম্যাচ খেলুন এবং প্রথম সারির প্রতিযোগিতাগুলিতে আরও পরিশ্রম করার সুযোগ দেওয়া হোক।
কিন্তু এআইএফএফের প্রাক্তন বা বর্তমান কর্তারা তাঁর পরামর্শে কর্ণপাত করেননি। কারণ স্টিমাচের সঙ্গে সহমত হওয়া মানে আইএসএল ফ্র্যাঞ্চাইজগুলির মালিকদের চটানো। স্টিমাচের পরামর্শে সায় দেওয়া মানে সবচেয়ে বড় শিল্পপতি গোষ্ঠীর স্বার্থে আঘাত, যে গোষ্ঠীর সুতো জুড়ে আছে দেশের শাসক দলের সঙ্গে। সত্যি বলতে, যে চুক্তির ভিত্তিতে আইএসএল প্রতিষ্ঠা হয়েছে সেই অনুযায়ী ফেডারেশন ওসব ব্যবস্থা নিতেও পারে না।
শেষাংশ আগামীকাল
মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।








