পারসা তারিক
দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার লিটর গ্রামের যেসব খালে একসময় বছরের বেশিরভাগ সময়ে জল থাকত, সেগুলো এখন অগভীর, সরু এবং জল এই আছে তো এই নেই— এমন ধারায় পরিণত হয়েছে। বশীর আহমেদ কুল্লের (৫৬) মত চাষিদের জন্যে এই বদল একদিন হঠাৎ ঘটে যাওয়া ঘটনা নয়। ব্যাপারটা ঘটেছে ধীরে ধীরে, শীতের পর শীত জুড়ে। যত বরফ পড়া কমেছে, বরফ তাড়াতাড়ি গলেছে এবং খালের জল আগের চেয়ে তাড়াতাড়ি শুকিয়ে গেছে।
খেতের মধ্যে দিয়ে যাওয়া একটা সরু সেচের নালির পাশে দাঁড়িয়ে বশীর বললেন ‘আগে নদীনালাগুলোতে প্রায় সারাবছর জল থাকত। এখন বরফ পড়া কমে যাওয়ায় জলের স্তর ঝপ করে নেমে গেছে। চাষ করা শক্ত হয়ে গেছে।’ তিনি জানালেন যে গতবছর জল কমে যাওয়ার ধরনটাও বদলে গেল বলে মনে হচ্ছিল। মরশুমের শুরুর দিকে জল দরকারের চেয়েও বেশি ছিল, তারপর জুলাই মাস একেবারে শুকনো কাটে। ফলে যে বরফগলা জল দিয়ে গ্রীষ্মে সেচের কাজ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল, বরফ আগেই গলে গিয়ে সেই জল উধাও হয়ে যায়। বললেন ‘জলটা এল ভুল সময়ে। তখন সবে ধান রোয়া হয়েছে। তখন জল দাঁড়িয়ে যাওয়া দরকার। কিন্তু ততদিনে খেত শুকোতে শুরু করে দিল। ফসলের ক্ষতি হল।’
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
বশীরের মত চাষিরা যা বলছেন তা কেবল বরফ পড়া কমে যাওয়ার ঘটনা নয়, বরং কাশ্মীরের সেচ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার এক গভীরতর প্রকাশ। এখানকার সেচ নির্ভর করত পাহাড়ে সঞ্চিত বরফ আর খেতে জলের সমবেত রক্ষণাবেক্ষণ— দুটো জিনিসের উপরেই। দুটোই এখন একসঙ্গে দুর্বল হয়ে পড়ছে।
প্রবল চাপে পড়ে যাওয়া সেচ ব্যবস্থা
লিটর গ্রামের চারদিকে ধানখেত আর ফলের বাগান। চাষের জমির মধ্যে দিয়ে সেচের খাল জালের মত ছড়িয়ে আছে। এই খালগুলো রাম্বি আরা নদীর সঙ্গে যুক্ত উপনদীগুলো থেকে জল পায়। রাম্বি আরার উৎস পীর পঞ্জাল গ্রন্থি এবং শোপিয়ানের একাংশ আর পুলওয়ামার মধ্যে দিয়ে বয়ে গিয়ে ঝিলামের উপনদী, শাখানদীসহ বড় জালটার সঙ্গে মিশে গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, বদলগুলো কেবল খালগুলোর মধ্যে নয়, নদীর উজানেও দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ এর জন্য দায়ী করেন লস্যিপোরার কাছে রাম্বি আরা নদী থেকে বেআইনি বালি, নুড়িপাথর ও বড় বড় পাথর উত্তোলনকে। একজন বাসিন্দা বললেন, এই কাজটা সাধারণত রাতের অন্ধকারে করা হয়।
তাঁর বক্তব্য ‘রাম্বি আরা আমাদের এলাকার পাশ দিয়েই গেছে। লস্যিপোরায় লোকে নদী থেকে বড় ছোট পাথর তুলে নিয়ে চলে যায়। জেসিবির মত মেশিন আর ট্রাক নিয়ে আসে, রাতে এসব তুলে নিয়ে যায়। একটা-দুটো গাড়ি নয়, কখনো কখনো কয়েক ডজন ট্রাক ভর্তি করে নিয়ে যায় এক রাতে। এর ফলে জলের স্তর নেমে গেছে।’ সবাই বললেন, এর ফলে আশপাশের গ্রামগুলোতেও সেচ খালে ঢোকা জলের পরিমাণ কমে গেছে।
বহু প্রজন্ম ধরে লিটরের মত গ্রামগুলোর সেচ যৌথ ব্যবস্থা হিসাবে কাজ করত। গোটা শীতকাল জুড়ে পীর পঞ্জাল পাহাড়ে বরফ জমত আর সেটা ক্রমশ গলতে গলতে নেমে এসে নদীগুলোতে বইত, যা খালগুলোতে ঢুকিয়ে নেওয়া হত। এই খালগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ করত সরকারি দফতর আর গ্রামবাসীরা মিলে। প্রত্যেক চাষের মরশুমের আগে বাসিন্দারা সকলে মিলে ছোট চ্যানেলগুলোয় জমা পলি পরিষ্কার করতেন, যাতে সারা গ্রামের সব খেতে জল পৌঁছনো নিশ্চিত করা যায়। একদম শেষ প্রান্তেও যেন জল পৌঁছয়। সেই ব্যবস্থা এখন দুর্বল হয়ে পড়ছে।
এখন খালের নেটওয়ার্কের রক্ষণাবেক্ষণ সরকারের সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ দফতরের অধীনে। বাসিন্দারা বলছেন আগেকার মত গ্রামবাসীদের পলি পরিষ্কার করার যৌথ উদ্যোগ কমে গেছে, ফলে কাজের বেশিরভাগটাই নির্ভর করছে সরকারের বিভিন্ন বিভাগের উপর। সেই যৌথ ব্যবস্থা আগের মত না থাকায় সরকারি উদ্যোগে বিলম্ব বেশি করে চোখে পড়ছে। বশীর যেমন বললেন যে খালের রক্ষণাবেক্ষণ প্রায়শই অনেক দেরিতে হয়। ‘খাল পরিষ্কার করা সেচ দফতরের কাজ। কিন্তু সাধারণত ওরা কাজ শুরু করে চাষের মরশুম শুরু হয়ে গেলে।’
ওই দফতরের এক সুপারভাইজারের ব্যাখ্যা ‘আমরা যদি বেশি তাড়াতাড়ি পরিষ্কার করে দিই, তাহলে চাষিরা ধান রোয়ার আগেই আবার পলি পড়ে যাবে।’
বরফ আর জলের নির্ভরযোগ্য আধার নয়
ক্রমশ সব গবেষণাই বলছে যে জম্মু ও কাশ্মীরের বরফ লাগাতার কমছে, গত কয়েক বছরে বেশি দ্রুত হ্রাস দেখা যাচ্ছে। এবারের শীত ছিল বড়সড় উদাহরণ। চিল্লাই কলন, অর্থাৎ যে ৪০ দিনে চিরকাল সবচেয়ে বেশি বরফ পড়ে, সেই সময়েই উপত্যকার বড় অংশে আর্দ্রতার তীব্র ঘাটতি দেখা গেছে। ফলে মরশুমের পরের দিকে জলের প্রবাহ বজায় রাখার মত যথেষ্ট বরফ পড়েইনি। যথেষ্ট পরিমাণ বরফ না জমায় যেটুকু বরফ পড়ে সেটা দ্রুত গলে যায়। তাতে জল দ্রুত নিচের দিকে বয়ে যায় এবং ফসলের যখন জল সবচেয়ে বেশি দরকার তখন সামান্যই পাওয়া যায়।
হাইড্রোলজি, ওয়াটারশেড ম্যানেজমেন্ট এবং জলবায়ুর সঙ্গে যুক্ত জল ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করেন, এমন একজন জল সংস্থান প্রযুক্তিবিদ হলেন সঞ্জীব সিং পরিহার। তিনি বললেন ‘কাশ্মীরে বরফ পড়ার ধরন বদলে যাচ্ছে। শীতকালের প্রিসিপিটেশনের বেশিটাই এখন বরফের বদলে বৃষ্টি হয়ে পড়ছে, আর ঐতিহাসিকভাবে জমে থাকা বরফ যখন গলত তার চেয়ে তাড়াতাড়ি গলে যাচ্ছে।’
সঞ্জীব ব্যাখ্যা করলেন যে চিরকাল বরফের স্তূপ জলের মরশুমি আধার হিসাবে কাজ করত। কিন্তু ‘বরফ জমা কমে যাওয়া এবং আগে গলে যাওয়ার ফলে চাষের ভরা মরশুমে, বিশেষ করে জুন আর জুলাই মাসে, জলের জোগান কমে যাচ্ছে।’ তাপমাত্রাও বেশি হচ্ছে বলে বরফ গলার সময়টা এগিয়ে আসছে, ফলে নদীতে সবচেয়ে বেশি জল বয়ে আসা বেশ কয়েক সপ্তাহ আগেই ঘটে যাচ্ছে।
সঞ্জীব বললেন ‘এর ফলে মার্চ বা এপ্রিলে তুলনায় বেশি প্রবাহ হয়, তারপর যে মাসগুলোতে ফসলের জন্যে জল সবচেয়ে বেশি দরকার সেই মাসগুলোতে জল কমে যায়। ধানচাষিদের জন্য প্রথম গ্রীষ্মে জল দাঁড়িয়ে যাওয়া দরকার। এই গোলমালটা হওয়াতে তাঁদের সেচ ব্যবস্থার উপরে ভীষণ চাপ পড়ে।’ তাঁর মতে এর ফল হল প্রাকৃতিক সঞ্চয়টাই কমে যাওয়া। ‘বরফ দ্রুত গলে গেলে কম সময়ে বেশি জলের প্রবাহ হয়, দীর্ঘদিন ধরে কিছু পরিমাণ প্রবাহ পাওয়া যায় না। ইদানীং নদীগুলোতে তাড়াতাড়ি জল এসে যায়, তারপর মরশুমের পরের দিকে জল কমে যায়।’
স্থায়ী সমস্যা
খালের নেটওয়ার্কের দূরতম প্রান্তে থাকা চাষিদের উপর এসবের প্রভাব আরও গুরুতর।
অবন্তীপোরার ৪৮ বছর বয়সী চাষি মহম্মদ আলতাফ পারায় বললেন, গতবছর জল তাঁর জমি পর্যন্ত আদৌ পৌঁছয়নি। ‘আমরা জমি তৈরি করলাম, ট্র্যাক্টর চালালাম, সবই করলাম। কিন্তু আমাদের জমিটা একেবারে শেষ প্রান্তে। খালে জল যখন কমে গেল, তখন আর আমাদের জমিতে পৌঁছল না।’ আলতাফের ফসল শুকিয়ে গেল। ‘আগে ২০-৩০ হাজার টাকা লাভ হত জমি চাষ করে। গতবছর উলটে পাঁচ হাজার টাকার ক্ষতি হয়ে গেল। সব পরিশ্রম জলে গেল।’
আলতাফ ও অবন্তীপোরার অন্য চাষিরা মিলে সরকারের বসানো একখানা পাম্পের মেরামতির জন্যে বারবার আবেদন জানিয়েছেন। ওই পাম্প থেকে তাঁদের জমিতে জল সরবরাহ হত। পাম্পটা এখনো আছে, কিন্তু কাজ করে না। আলতাফ বললেন ‘জলের স্তর নেমে গেছে, পাইপটা জলস্তরের চেয়ে উপরে। ফলে ওটা কাজ করে না।’ তাই চাষিরা অনুরোধ করেছিলেন পাইপটাকে নামিয়ে এখনকার স্তরে নিয়ে যাওয়া হোক। এখনো সেই আবেদন সম্পর্কে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বহুবছর কেটে গেছে।
এই প্রবণতা চাষিদের যৌথ সমাধানের বদলে ব্যক্তিগত সমাধানের দিকে ঠেলে দিয়েছে। দক্ষিণ কাশ্মীর জুড়ে চাষিরা ক্রমশ বেশি বেশি করে ব্যক্তিগত নলকূপের দিকে ঝুঁকছেন, যাতে খরচ প্রচুর এবং যৌথ সেচ ব্যবস্থাকেও দুর্বল করে দেয়। জুনেদ ইউসুফ (৩০) নিজের জমিতে নিজের খরচে নলকূপ বসিয়েছেন প্রায় ১.৫ থেকে ২ লাখ টাকা খরচ করে। বললেন ‘আমি ধার নিয়ে টাকাটার ব্যবস্থা করেছি।’ আরও বললেন যে এই নলকূপ কেবল সেচের কাজে ব্যবহার করা হয়, ধান চাষ করতে নয়।
সরকারি সাহায্য পাওয়া যায়, কিন্তু তার নাগাল এখনো সব জায়গায় সমান নয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সেচ বিভাগের এক কর্মী বললেন, হোলিস্টিক এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের মত প্রকল্পের অধীনে চাষিরা নলকূপ বসানোর খরচে ৫০%-৭০% ভর্তুকি পেতে পারেন। তবে তিনি স্বীকার করলেন যে এই সাহায্য পাওয়া নির্ভর করে তহবিলের টাকার জোগান এবং আবেদনের সময়ের উপরে।
ইউসুফ জানালেন তিনি কোনো ভর্তুকি পাননি। ‘ব্যাপারটায় অনেক সময় লাগে, প্রচুর কাগজপত্তরও লাগে। টাকাটা কবে পাওয়া যাবে তারও ঠিক নেই।’ তিনি বললেন, আবেদন গৃহীত হলেও টাকা পেতে ছ মাস থেকে একবছর লেগে যায়। ‘খরচ করে ফেলে তারপর অপেক্ষা করতে হয়। কখনো কখনো টাকাটা আদৌ পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ থেকে যায়।’
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সেচের জলের অভাব কেবল পরিবেশগত সমস্যা নয়, ব্যবস্থাপনার ত্রুটিও বটে।
সঞ্জীব বললেন ‘কমতে থাকা বরফের স্তূপ অবশ্যই একটা বড় সমস্যা। কিন্তু খালে পলি জমে যাওয়া, নদীর উজানে নানা পরিবর্তন, বাড়তে থাকা ইভোট্রান্সপিরেশন এবং অপর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণও কার্যকরী জল সরবরাহের অভাবের কারণ।’
তিনি যোগ করলেন, অরণ্য ধ্বংস এবং নদীর উজানে নির্মাণকাজ জল কমে যাওয়ার প্রক্রিয়া আরও বাড়িয়ে দেয়। ‘ওতে ইনফিলট্রেশন আর ভূগর্ভস্থ জল আবার পূরণ হওয়া কমে যায় এবং রানঅফ ভেলোসিটি বাড়ে। জল দাঁড়ানোর বদলে চট করে বয়ে চলে যায়।’ সঞ্জীব আরও সাবধান করলেন যে ভূগর্ভস্থ জলের উপর বাড়তে থাকা নির্ভরতা সুস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম। ‘পর্যাপ্ত পরিমাণে আবার পূরণ ছাড়াই যদি মাটির তলা থেকে জল তোলা বেড়ে যায়, ভূগর্ভস্থ জলস্তর নেমে যেতে পারে। সে আরেক সংকট।’
বদলাতে থাকা শস্য
চাষিরা এই বদল খেতেই দেখতে পাচ্ছেন। পুলওয়ামার শাবির আহমেদ ভাট (৬৩) বললেন, একসময় যতদূর দেখা যায় ধান ফলত। ‘এখানে বিরাট বিরাট এলাকা জুড়ে ধান চাষ হত। কিন্তু জলের অভাবে লোকে চাষ বদলে ফেলছে। এখন লোকের আপেলের ঘন বাগান করছে। ওটা অনেক কম জলেও হয়ে যায়।’
বিশেষজ্ঞদের মতে, এরকম পরিবর্তন জলের চাহিদা কমাতে পারে, কিন্তু ওসব করে স্থায়ী সমাধান হবে না। সঞ্জীব বললেন ‘উদ্যান পালন একটা যৌক্তিক পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু এই ফসলগুলোও মরশুমি জলের উপর নির্ভরশীল এবং নতুন অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করে।’
শোপিয়ানের হ্যারিস মুশতাক মীর (২৫) বললেন রোজগার কমে যাওয়া বহুবছর ধরে লক্ষ করা যাচ্ছে। ‘আগে যেখান থেকে আমরা দশ টাকা কামাতাম, সেখান থেকে আমরা পাঁচ টাকা কামাচ্ছি। এরকম চলতে থাকলে হয়তো আমরা চাষবাস বন্ধ করে দিতে বাধ্য হব।’
লিটর গ্রামের বশীর বললেন, চাষিরা যেভাবে পারেন মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। ফসলে বদল আনছেন, চাষের জমি কমাচ্ছেন, জলের নাগাল পাওয়ার নতুন নতুন পথ খুঁজে বের করছেন। কিন্তু এসবেরও সীমা আছে। ‘চাষবাস জলের উপরেই নির্ভর করে। জলই না থাকলে আমরা কী করতে পারি?’
প্রতিবেদক একজন ফ্রিলান্স সাংবাদিক এবং 101reporters.com–এর সদস্য। এই প্রতিবেদন ওই ওয়েবসাইট ও নাগরিক ডট নেটের সহযোগিতার ভিত্তিতে মূল প্রতিবেদন থেকে ভাষান্তরিত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।








