দেশটা যদি অঘোষিত হিন্দুরাষ্ট্র না হত, তাহলে এতদিনে আসামের মুখ্যমন্ত্রীকে জেলের ঘানি টানতে হত। তাঁর খোলাখুলি মুসলমানবিদ্বেষ এবং সরাসরি গণহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার একাধিক ঘটনা ইতিমধ্যেই সারা দেশে তোলপাড় ফেলে দিয়েছে। কিন্তু যে সুপ্রিম কোর্ট দলিত ও তথাকথিত নিম্নবর্গের ছাত্রছাত্রীদের জন্য আনা ইউজিসি (বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন)-র দিশানির্দেশক প্রস্তাবগুচ্ছ তড়িঘড়ি আটকে দিয়ে মন্তব্য করে যে ‘আমরা হস্তক্ষেপ না করলে দেশে বিভাজন তৈরি হয়ে যাবে’, সেই কোর্টই আবার হিমন্ত বিশ্বশর্মার বিরুদ্ধে এফআইআরের আবেদনে সাড়া দেয় না। যুক্তি কী? প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন ‘পিটিশনাররা শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। আমরা তাঁদের সম্মান করি। পিটিশনারদের বলুন কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে টার্গেট না করতে। কিছু বাছাই করা ব্যক্তিকে টার্গেট করে অন্য ব্যক্তিদের অগ্রাহ্য করা ঠিক নয়।’ অন্য ব্যক্তি বলতে কারা? সে ব্যাখ্যা তিন বিচারকের বেঞ্চ দেয়নি। গোটা দেশে কোথায় কোথায় কে কে ঘৃণাভাষণ দিয়েছে সবার নাম খুঁজে বের করে একসাথে এফআইআর করতে হবে কি? তাও বলা হয়নি।
এতদিন জানা ছিল, দেশের প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য কোনো মন্ত্রী নির্বাচনের আগে বা নির্বাচনের প্রচারে অবশ্যই নিজের দলের লোক – আর পাঁচজন রাজনৈতিক কর্মীর মতই। কিন্তু একবার নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রীর আসনে বসে গেলে আর এঁরা দলীয় থাকেন না, হয়ে ওঠেন সকলের। যাঁরা তাঁকে বা তাঁর দলকে ভোট দিয়েছেন তাঁদের তো বটেই, যাঁরা দেননি তাঁদেরও। প্রধানমন্ত্রী দেশের সব নাগরিকেরই প্রধানমন্ত্রী, একজন মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সমস্ত অধিবাসীর মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে দলগত ভেদাভেদ থাকে না। কিন্তু ২০১৪ সালের পর থেকে শাসক দল হিসাবে যে বিজেপিকে দেখা যাচ্ছে, তারা এইসব প্রচলিত বিশ্বাস, রীতি, প্রথা, আইন ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। প্রত্যক্ষ ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করে আজকাল প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলোর প্রায় সব মুখ্যমন্ত্রীই প্রকাশ্যে মুসলমানদের নিশানা করে একের পর এক কদর্য বক্তব্য রেখে চলেছেন। ওই রাজ্যগুলোতে মুসলমানদের উপর ভয়াবহ আক্রমণ চলছে সরকারি উদ্যোগে। তাতে যোগ্য সঙ্গত করছে সংঘ পরিবারের বিভিন্ন সংগঠনের উগ্র হিন্দুত্ববাদী গুন্ডারা। বিজেপিশাসিত রাজ্য সরকারগুলো কুখ্যাত হয়ে উঠেছে এই অপরাধ সংগঠিত করার জন্যে। হিমন্তর নেতৃত্বে আসাম সম্ভবত এই প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থানে রয়েছে।
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
হিমন্তই সেই ব্যক্তি যিনি কিছুদিন আগে খোলাখুলি স্বীকার করে নেন যে, ভোটার লিস্টে বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) প্রক্রিয়া শুরুই করা হয়েছে মুসলমানদের জব্দ করতে, তাঁদের নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে বাদ দিতে। এতে তিনি দৃশ্যত উল্লসিত। তিনি বলেন, তাঁর কাজই হল মিয়াঁ মুসলমানদের এত হয়রান করা, যাতে তাঁরা আসাম ছেড়ে বাংলাদেশে চলে যেতে বাধ্য হন।
তিনি আরও বলেন, সর্বতোভাবে মুসলমানদের জব্দ করতে হবে। দৈনন্দিন জীবনের ছোটবড় নানা ব্যাপারেও তাদের হয়রান করে যেতে হবে। উদাহরণ দিয়ে বলেন ‘যদি কোনো মুসলমান রিকশাওয়ালার ভাড়া পাঁচ টাকা হয়, তাহলে তাকে চার টাকা দিতে হবে।’
বুঝুন, খাতায় কলমে গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ দেশের একটা রাজ্যের নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী জনগণকে এই উপদেশ দিচ্ছেন। আমাদের সমাজের ঐক্য ও সংহতির সাংবিধানিক রক্ষাকর্তা সুপ্রিম কোর্ট এতেও অবিচলিত।
হিমন্ত এখানেই থামেননি। তাঁর যে কাণ্ড নিয়ে সারা দেশে ধিক্কারের বন্যা বয়ে গেছে তা হল আসাম বিজেপির সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট হওয়া একখানা ভিডিও। সতেরো সেকেন্ডের সেই ভিডিওতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে হিমন্তকে কাউবয় সাজানো হয়েছে এবং তিনি দুজন মুসলমানের ছবির দিকে বন্দুক তাক করে আছেন। পিছনে কখনো লেখা আসছে ‘নো মার্সি’ (ক্ষমা নয়), কখনো ‘বিদেশিমুক্ত আসাম’ ইত্যাদি শব্দবন্ধ। দেশজুড়ে ছিছিক্কার পড়ে যাওয়ার পর ভিডিওটা মুছে দেওয়া হয়, হিমন্ত ওই ভিডিওর দায় নিতে অস্বীকার করেন, শেষমেশ বিজেপি তাদের সোশাল মিডিয়ার দায়িত্বে থাকা রণবিকাশ গৌরবকে বহিষ্কার করে।
কাশ্মীরের পরেই জনসংখ্যায় মুসলমানদের শতকরা হার আসামে সব থেকে বেশি। রাজ্যের প্রায় চার কোটি জনসংখ্যার মধ্যে ৩৫%, অর্থাৎ ১,৩০,০০০,০০ মানুষ এখানে মুসলমান ধর্মাবলম্বী। এই রকম এক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর যে গণতান্ত্রিক চেতনা, দায়িত্ববোধ, সহনশীলতা, সংবিধানের প্রতি আস্থা থাকা দরকার তা হিমন্তের মধ্যে নেই তো বটেই, সার্বিকভাবে এমন একজন ব্যক্তি গণতন্ত্রের পক্ষেই বিপজ্জনক। অথচ তাঁর বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থার কোনো সম্ভাবনা এখন পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না।
আসলে শাসক হিসাবে গোটা বিজেপি দল – প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী এবং চুনোপুঁটিরা – যে ধরনের অপরাধ নিত্য করে চলেছে, জার্মানির ইহুদিবিদ্বেষী হিটলারপন্থী শাসন ছাড়া তার কোনো প্রতিতুলনা নেই। এমনকি আমেরিকায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের মত ঘোরতর মুসলমানবিদ্বেষী, অভিবাসীবিরোধী রাষ্ট্রপ্রধানও নিউ ইয়র্কের মেয়র পদে জোহরান মামদানির বিজয়ের পর লোকদেখানো সৌজন্য বিনিময়ের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এদিকে ভারতে একজন মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি গণহত্যায় উস্কানি দিতে নেমে পড়েছেন, কাউবয় সেজে বন্দুক তাক করছেন। এ ঘটনা একেবারেই তুলনাহীন।
এরা এখন গলার শিরা ফুলিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করে যাচ্ছে যে, ইসলাম ধর্ম ভারতে বিদেশি ধর্ম। আফগান, মোগল, তুর্কিরা ভারতের বাইরের লোক। সুতরাং সব মুসলমানই অভারতীয়। খেয়াল করলে দেখা যাবে যে, পশ্চিমেও যে ধরনের আধুনিক ফ্যাসিবাদী আখ্যান বর্তমানে গড়ে উঠেছে তার আদর্শগত ভিত্তি হল মুসলমানবিদ্বেষ, এবং সেখানেও মুসলমানদের বিদেশি, অভিবাসী প্রভৃতি বলে চিহ্নিত করা হচ্ছে। অথচ ঐতিহাসিকরা বারবার বলছেন যে, এভাবে বিদেশি বলে কোনো ধর্মমত বা ধর্মীয় সম্প্রদায়কে চিহ্নিত করা অনৈতিহাসিক, ভ্রান্ত এবং বিপজ্জনক। ইউরোপ ও আমেরিকায় বর্তমানে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্ম হল খ্রিস্টধর্ম। অথচ সেই ধর্মের উদ্ভব আমেরিকা কিংবা ইউরোপে নয়, বরং এশিয়ায়। আবার ভারতে আধিপত্যকারী ধর্মমত হল হিন্দু, অথচ হিন্দুধর্ম অভিযোজিত হয়েছে যে বৈদিক ধর্মমত থেকে, তার উৎপত্তিও ভারতে নয়, ভারতের বাইরে— আজকের ইরানে। শুধু ইসলামই যে ভারতের বাইরে থেকে ভারতে এসেছিল তা নয়, বৈদিক ধর্ম এবং পারসিক ধর্মও বাইরে থেকেই এসেছিল। জনগোষ্ঠীর বিচারে শুধু যে তুর্ক, আফগান, মোগলরাই বহিরাগত তা নয়। আর্যরাও বহিরাগত, পার্শিরাও বহিরাগত, রাজপুতরাও বহিরাগত। এমনকি দ্রাবিড়রাও বহিরাগত। প্রকৃত প্রস্তাবে সমস্ত আধুনিক মানুশই (হোমো স্যাপিয়েন্স) পৃথিবীর অধিকাংশ অঞ্চলে বহিরাগত। আফ্রিকায় জন্মে তারা গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। মানুষের ইতিহাসই হল অনন্ত পরিযানের ইতিহাস। ধর্মমতও এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বিস্তৃত হয়েছে।
মজার ব্যাপার হল, যে হিন্দুত্ববাদীরা ইসলামকে বিদেশি ধর্ম বলে দাগাতে চায়, বিনায়ক দামোদর সাভারকরের পদাঙ্ক অনুসরণ করে ‘ভারত তাদেরই যাদের পিতৃভূমি এবং পূণ্যভূমি হল ভারত’ বলে প্রচার করে, তারাই আবার লাওস, কম্বোডিয়া কিংবা ইন্দোনেশিয়ায় রামায়ণ, মহাভারতের জনপ্রিয়তা নিয়ে গর্ববোধ করে। ভারতে উদ্ভূত বৌদ্ধধর্মের শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার, চীন, জাপান সমেত একগুচ্ছ এশিয়ার দেশে বিপুল বিস্তার লাভ নিয়ে তাদের আহ্লাদের শেষ নেই। জাপানে তো বৌদ্ধধর্ম বহুকাল রাজধর্মই ছিল। তাতে তারা সমস্যার কিছু দেখতে পায় না। মরিশাসের জনসংখ্যার ৬৮% যে ভারতীয়, তাতেও হিন্দুত্ববাদীদের কোনো সমস্যা নেই। এমনকি মরিশাসের শাসকরাও যে ভারতীয় বংশোদ্ভূত— একথা কে না জানে? বরং চিরকালই ভারতের শাসকরা মরিশাসের সঙ্গে প্রায় অধীনতামূলক সম্পর্ক গড়ে তুলতে উৎসাহী। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমীরশাহী প্রভৃতি দেশে বিপুলসংখ্যক ভারতীয় রয়েছেন। আমেরিকা, ব্রিটেন, কানাডার মত দেশে তো আছেনই। এঁদের অনেকেই সেসব দেশের নাগরিকও হয়ে গেছেন।
বিজেপি যদি সত্যিই নীতিগতভাবে অভিবাসীবিরোধী এবং ধর্মমতের এক দেশ থেকে অন্য দেশে বিস্তারের বিপক্ষে হয়, তাহলে তাকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এসবের বিরোধিতা করতে হবে এবং তার প্রতিবিধান করতে হবে। যে কোনো কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন মানুষই এসব করতে যাওয়া উদ্ভট বলবেন। বিজেপির আদর্শগত বক্তব্যও একইরকম উদ্ভট। অথচ এই উদ্ভট জিনিসগুলোই ভারতে তাদের ফ্যাসিবাদী রাজনীতির মূল ভিত্তি, যা আবার একশ্রেণির বোধশূন্য মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ফ্যাসিবাদের রমরমার সময়ে উদ্ভটত্বই হয়ে দাঁড়ায় ‘নয়া স্বাভাবিকতা’ (new normal)।
কিছুকাল আগেও যখন এমনধারা উদ্ভট রাজনীতির কথা বিশেষ কারও মাথায় আসত না, তখন দেশের সঙ্গে মানুষের সম্পৃক্ততা বিচার করা হত ঔপনিবেশিকতাবিরোধী দেশপ্রেম দিয়ে। সেই নিক্তিতে বিচার করলে অন্য কাউকে নয়, বিজেপি দল আর সংঘ পরিবারের আত্মীয়স্বজনদেরই এই দেশের মাটি থেকে বিতাড়িত করা উচিত। সেই নিক্তিতে বরং মুসলমানরা দেশপ্রেমিক। তাঁরা দেশের জন্য লড়েছেন, প্রাণ দিয়েছেন। দেশের স্বাধীনতার জন্য তাঁরা সর্বস্ব দিয়েছেন। সাভারকর যখন ব্রিটিশ সরকারের কাছে ‘কখনো ইংরেজ শাসনের বিরোধিতা করব না’ বলে মুচলেকা দিয়ে জেল থেকে বেরিয়ে এসে মুসলমানরাই প্রধান শত্রু বলে কামান দেগেছেন, মুসলমানরা তখন ইংরেজ শাসকদের সঙ্গে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে লড়াই করছিলেন।
একটা সামান্য ঘটনার কথা উল্লেখ করে লেখা শেষ করা যাক। আনন্দবাজার পত্রিকা প্রতিদিন তাদের ১০০ বছর আগেকার খবরের কিছু টুকরো প্রকাশ করে। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ১৯২৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারির একটা খবর বেশ মজাদার
‘গত রাত্রিতে পাটনা জংসনে এক মজার কান্ড ঘটিয়াছে। হাকিম আজমল খাঁ ৭ নং আপ এক্সপ্রেসে পাটনা ত্যাগ করিতেছিলেন। স্যর আলী ইমাম, স্যর ফকরুদফিন, মৌলানা শফি দাউদ, প্রফেসর আব্দুল বারি তাঁহাকে বিদায় দিবার জন্য স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন। একখানা দ্বিতীয় শ্রেণী কামরায় তিনজন ইউরোপীয় যাত্রী ছিল। হাকিমজীর ভৃত্য ঐ কামরায় ঢুকিয়া উপরের একখানা বার্থ নামাইতে চাহে। ইহাতে ইউরোপীয়দের আপত্তি হয়। স্যর আলি ইমামের পুত্র, ব্যরিস্টার মিঃ সাফদার কামরায় বিনীতভাবে সাহেবদিগকে অনুরোধ করেন। একজন সাহেব রাগিয়া উঠে এবং মিঃ সাফদারকে ঘুঁসি মারে। মিঃ সাফদার সাহেবটার ঘুঁসি সুদে আসলে ফিরাইয়া দেন। সঙ্গীর দুরবস্থা দেখিয়া আর একটা সাহেব লাফাইয়া ওঠে। স্যর আলী ইমামের আর এক পুত্র মিঃ হায়দার ইমাম ভ্রাতার সাহায্যে অগ্রসর হন। যথাসময়ে স্যর আলী ইমাম আসিয়া উভয়পক্ষকে নিরস্ত করায় কলহ বন্ধ হয় এবং সাহেবদ্বয় জিদ ত্যাগ করে।”
আনন্দবাজার খবরটির নামকরণ করে ‘সাবাস সাফদার সাবাস’।
মনে রাখতে হবে, এর তিন বছর আগে ১৯২৪ সালে সারাজীবন ইংরেজের সেবায় নিজেকে নিযুক্ত রাখার প্রতিশ্রুতির পর সাভারকরকে ইংরেজ সরকার মুক্তি দিয়ে দিয়েছিল। সাভারকরের উত্তরসূরি হিমন্তরা যে আজ মুসলমানদের দিকে বন্দুক তাক করবেন, তাতে আশ্চর্য কী?
মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।







