এখন পরিবেশ অনুকূল। প্রত্যাশিতভাবেই অশান্তিপূর্ণ পঞ্চায়েত নির্বাচন সুসম্পন্ন, বাঙালির খুঁটিপুজোও শেষ। সুতরাং শ্রাবণ পূর্ণিমায় কাঁচুলি খুলে চাঁদ উঠবে আকাশে – এই অপেক্ষায় ছিলাম। হঠাৎ আকাশ থেকে উল্কাপাতের মত মণিপুর এসে দরজায় কড়া নাড়ল। আমরা কী করি? ফসল ফলানোর আগে নারীও ঋতুস্তব্ধা হয়, শুধু আমাদের কলম থামতে জানে না। তাকে বিধিসম্মত গোঙানি লিপিবদ্ধ করতেই হবে। অনুদানপ্রাপ্তদের নিয়মতান্ত্রিক কুচকাওয়াজ ছাড়া আর কিসেরই বা অধিকার আছে? সুতরাং কীভাবে আমরা মণিপুরকন্যাদের দেখব – এইখানেই আমাদের বিড়ম্বনা। এমনিতে মণিপুরের কথা বাঙালির অজানা নয়। মহাভারতের চিত্রাঙ্গদা থেকে ভায়া রবীন্দ্রনাথ, ঋতুপর্ণ ঘোষ। এমনকি মাঝেমধ্যে তেইশে জানুয়ারি এলে কোহিমায় আজাদ হিন্দ ফৌজের পতাকা উত্তোলনের কথাও বাঙালি স্মরণ করে। মণিপুরি ভাষার অক্ষরলিপিও কিছুদিন আগে পর্যন্ত বাংলা ছাঁদের ছিল। কিন্তু যোনিতে আগুনের ডালপালা বড় চামড়া পুড়িয়ে দেয়। তবুও আমাদের কিছু করার নেই। আমরা বহুদিন ধরেই অমোঘ চর্মকুষ্ঠে ভুগছি। ফ্রাঁসোয়া ত্রুফোর ফারেনহাইট ৪৫১ ছবিটিতে ছিল বই পোড়ানোর তাপমাত্রার নির্দেশ। বলা বাহুল্য তার আঙুল ছিল ফ্যাসিস্ট জার্মানির দিকে। আমাদের, অর্থাৎ বাংলা শিল্পের, দহনমাত্রা কত তা এখন আর কেউ জানে না।

আমাদের তরুণ বন্ধুরা অনেকেই বলেন, আমার মধ্যে স্মৃতিবিধুরতা কাজ করে। “আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম”! কিন্তু আমার মনে হয়, সত্যিই আজ মনে হয়, একজন শিল্পীর কি কিছুই করার নেই? যা আমাদের কাগজে পত্রে দেখতে পাচ্ছি তা খুব শিল্পীর কাজ বলে আমার মনে হয় না। হয়ত জীবনানন্দ দাশ থাকলে বলতেন “মানুষটা ম’রে গেলে যদি তাকে ওষুধের শিশি/কেউ দ্যায় – বিনি দামে – তবে কার লাভ –/এই নিয়ে চারজনে ক’রে গেল ভীষণ সালিশী।” সুতরাং আমাদের উত্তর-সম্পাদকীয় লেখার কাজ চলছে এবং সাইটে সাইটে মণিপুরের প্রকৃত সমস্যাটা কী তা নিয়ে শিল্পীজন ভাবিত। তাঁদের ভাবনায় সারবত্তা আছে বা থাকতে পারে – তা আমি অবিশ্বাস করি না। কিন্তু আমার প্রশ্ন অন্যত্র। একদিক থেকে আমরা এই প্রথম এমন একটা যুগে বাস করছি যখন ‘ফ্যাসিবাদ আসন্ন’ বা ‘গণতান্ত্রিক দেশে ফ্যাসিবাদ’ – এমন বলার চাইতে ‘আমরা ফ্যাসিবাদী যুগে বাস করছি’, একথা বলাই যে সঙ্গত তা সকলেই টের পাচ্ছি। এমন একটা সময়ে শিল্পী কী করবে?

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন

~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

শিল্পীর অনেককিছু করার থাকতে পারে। যেমন একটি প্যাভিলিয়নের গেট তৈরি করার সুবাদে যখন পাবলো পিকাসো জানতে পারলেন যে গের্নিকা শহর ধ্বংস হয়ে গেছে, তখন তাঁর কাছে রাত্রির আকাশ ফালাফালা হয়ে গেল প্রলয়ের বহ্নিতে। যেন অন্তিম লাভাস্রোত, যেন ধরিত্রীর শেষ রক্তবমন, যেন নরকের নির্বাক চলমানতা। আমরা ‘গের্নিকা’ (১৯৩৭) চিত্রপটটি দেখতে পেলাম।

পিকাসো
গের্নিকা ম্যুরাল। ছবি: উইকিমিডিয়া কমন্স

শিল্পী আর কী-ই বা করতে পারেন? এই যে সাড়ে ১১ ফুট লম্বা ও সাড়ে ২৫ ফুট চওড়া পটে মোড়া রইল সমস্ত শতাব্দীর ভয়াবহ ব্যান্ডেজ, আজ আমরা বড়জোর বিমূঢ় বিস্ময়ে মণিপুরের ভাইরাল ভিডিও দেখে প্রশ্ন করতে পারি, কেন পিকাসোর ছবি গের্নিকার থেকে আরও ভয়াল হল না? সত্য এই যে হলোকস্ট ও হিরোশিমা, ভিয়েতনাম যে শতাব্দী ধারণ করেছিল – সেখানেও গের্নিকাই প্রথম স্বপ্নভঙ্গ। আর শেষবারের মত আমরা আঁতকে উঠেছিলাম যখন হো চি মিন সরণিতে জ্বলন্ত যুবতীর নগ্নতা দৌড়ে যায়।

ভিয়েতনাম
ভিয়েতনামে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নাপাম বোমা ফেলার পর আতঙ্কিত শিশুদের দৌড়ে নগ্ন বালিকা। ছবি: উইকিপিডিয়া

আর আজ আমাদের প্রতিক্রিয়া কী? আমরা যে তরুণীটিকে দেখেছি তাতে নিষ্প্রাণ শব্দের মধ্যে দিয়ে ‘ধর্ষণ’ শব্দটিকে বারবার নাড়াচাড়া করেছি। এবং এই শব্দটি আমাদের কাছে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া বহন করে আনছে সে সম্বন্ধে আমরা নিশ্চিত নই। অথচ গদ্য তো খোকাখুকুর সংলাপ নয়, লিবিডো নির্যাসও নয়। বঙ্কিমচন্দ্রের রোহিণী যে জলতলে জল আলো করে শুয়েছিল, তার একমাত্র প্রতিতুলনায় মাণিকবাবুর ‘দুঃশাসনীয়’-তে রাবেয়া জলের মর্ম বোঝার দায়িত্ব নিল। ঐতিহাসিকভাবেই বঙ্কিম ও মাণিককে বাদ দিলে সমস্ত বাংলা গদ্য আজ হাড়হিম পুতুলের কুচকাওয়াজ বলে আমার মনে হয়। রোহিণী ও রাবেয়া শুধু শব্দানুপ্রাসই নয়, ব্যক্তিগত স্তর থেকে ঐতিহাসিক স্তরে পরিব্যাপ্ত এক লুকনো ইশতেহার। রাবেয়া শাসনের অতীত, সে কোনোভাবেই – না রাষ্ট্রের না স্বামীর – প্রভুত্ব মেনে নেয় না। সে নীরবে জলের গভীরে শুয়ে থাকে বলেই আমরা বুঝতে পারি, সে শব্দের ভূমিকাকেও অস্বীকার করল। বস্তুত যাঁরা কুরু রাজসভার প্রসঙ্গ আনবেন, তাঁরা সংস্কারবশতই আনবেন। দ্রৌপদীর তুলনায় রাবেয়া নিম্নবর্গীয় বলেই নয় – দ্রৌপদীর ক্ষেত্রে অনন্ত জুয়াখেলার আড়াল ছিল – রাবেয়া অন্ধকারকেও বিবসনা করে দেয়।

এই তো পুরুষতান্ত্রিক নৃশংসতা। গল্পটি যে দ্রুততার সঙ্গে চলচ্চিত্রের ভাষা আয়ত্ত করেছে তা অভাবনীয়। পরপর ডিজলভে মাণিকবাবু চিত্রনাট্যের অধিক এক চিত্রনাট্য লেখেন। বাঙালি বোধহয় কোনোদিন পৃথিবীর কোনো সাহিত্যে এত নির্মম মাতৃদর্শন করেনি। উলঙ্গ আদি প্রতিমা হিসাবে সুবর্ণরেখা চলচ্চিত্রে ঋত্বিক ঘটক সময়কে ব্যবহার করেছেন। কিন্তু আলবেয়ার কামুর আউটসাইডার উপন্যাসের প্রথম বাক্যের থেকেও নৃশংস এই ঔপনিষদীয় উচ্চারণ: “ছেলে মাকে ন্যাংটো দেখলে কি এসে যায়?” এরকম প্রশ্ন করার জন্যই বোধহয় আমাদের পক্ষে মাণিক বন্দ্যোপাধ্যায় বিধিনির্দিষ্ট। সন্ন্যাসী মৃত্যুর আগে প্রশ্ন করে, ভূতি প্রশ্ন করে, রাবেয়া শুধু প্রশ্ন করে না। আর আমরা দেখি রাবেয়া পাতাল থেকে মরণোত্তীর্ণ সংলাপ শুরু করবে ভেবে ইতিহাস বহুদূর পর্যন্ত আকাশে ও জলে, মর্মে ও সন্দর্ভে নিজেকে ক্রমেই প্রস্তুত করে নিচ্ছে প্রতিতর্ক নির্মাণের জন্য। অবিরাম নির্বুদ্ধিতা যখন শাব্দিক প্রতিরূপ রচনায় ব্যস্ত তখন মাণিক চিন্তার একটি উপমারহিত কারুকাজ, যা স্বয়ংসমাপ্ত নয়, যা আমাদের অন্তর্ভুক্তি দাবি করে, যা প্রতিদিনই প্রতি যুগে কিছু সম্পূরকতা আশা করে তা নির্মাণ করে গিয়েছিলেন।

এই যে রাতের পাহারা ও দিনের মুক্তি – একে আমরা কী করে বুঝব? মণিপুরের ভাইরাল ছবি আমাদের উত্তেজিত করে, আমরা কিছু কথাবার্তা বলি। কিন্তু প্রেমের বিহনে কোনো জ্ঞান নেই। তা যত সংসদীয় নিয়মতান্ত্রিকতার পাতা উদ্ধৃত করে, যতখানি প্রথামাফিক বিবেকের কাছে আবেদন করে তত আমরা দেখি আমাদের রক্তে কোনো ঢেউ ওঠে না। কেউ রাবেয়ার মত শুয়ে থাকে না। এই যে মণিপুরকন্যা প্রকাশ্যে হেঁটে চলেছেন, এই যে তাঁকে ঘিরে চুল্লির প্রহর, এই যে ভারতীয় সংবিধানের পাতাগুলো পুড়ে যায় – কত সেলসিয়াস তাপমাত্রায় তা আমরা জানি না। তা কি কোনো লেখক প্রকাশ করছেন? যে কবিতায় প্রকাশ করছেন সে কবিতা তো লেখা হয়ে গেছে। “গুটিপোকা সব প্রজাপতি হতে ভুলে গেছে গতকাল” – চারের দশকেই লেখা হয়ে গেছে। আজ যদি সেসব লেখা দেখা যায়, তাহলে বোঝা যায় আমরা শুধুমাত্র আমাদের হজম না হওয়া খাদ্যের পুনরুদ্গার করে চলেছি। কেন এমন হল? “এ-রকম কেন তবে স হ’য়ে গেল সব/বুদ্ধের মৃত্যুর পরে কল্কি এসে দাঁড়াবার আগে”?

আরো পড়ুন শুধু কুস্তির পদক নয়, দেবতার গ্রাসে আজ সবার সন্তান

একথা বলছি এই ভাবনা থেকে নয় যে আমার সময়ে কিছুই হয়নি, আগে অনেককিছু হয়েছে। বস্তুত আমি এই সময়েরই মানুষ। আত্মধিক্কার থেকে বলছি যে আসলে আমাদের মাথা শূন্য হয়ে গেছে। আমরা ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ঘটনা তৈরি করছি। আমরা বুঝতে পারছি না যে প্রত্যেক ক্রিয়া অন্তত খানিক নীরবতাও দাবি করতে পারে। প্রতিক্রিয়া দেড়মাস বাদেও তৈরি হতে পারে, যেমন গের্নিকা তৈরি হয়েছিল। আশ্চর্য এই যে দুশো বছর আগের বাঙালিদের অনেকেই চারুলতার স্বামী ভূপতির মত সংবাদপত্র প্রকাশ করে ভাবত সত্য প্রকাশিত হবে। এই সেদিনও তো বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায়ের সম্পাদকীয় অথবা সমর সেনের এডিটোরিয়াল মাঝবয়সী বাঙালির রাজনৈতিক মতামত গঠন করত। আজ সে ঋতুর অবসান হয়েছে। এখন সকালের খবর দুপুরে বাসি, দুপুরের কথা বিকেলে বাতিল। এখন সেই সময় যার সম্পর্কে নাস্তিবাদী মার্কিন শিল্পী অ্যান্ডি ওয়ারহল বলেছিলেন, প্রত্যেকেই ১৫ মিনিটের জন্য আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন হয়ে উঠতে চায়।

এই ছবির ভিত্তিতে চলচ্চিত্র স্রষ্টা ফেদেরিকো ফেলিনি যখন ‘পাপারাৎজি’ শব্দটি আমদানি করেছেন লা দোলচে ভিতা ছবিতে বা ধরা যাক, যখন টেলিভিশন রিয়্যালিটি শোয়ের আয়োজন করে, তখন দেখে মনে হয় “আমরা যাইনি ম’রে আজো – তবু কেবলি দৃশ্যের জন্ম হয়।” কোথাও কোনো প্রীতি নেই এতদিন পরে, শুধু দেখার চোখ আছে। সেই চোখ যখন ইরানে এক রূপসীর কেশ কর্তিত হয় তখনো দেখে যায়, যখন কোনো পারস্য রমণী স্তন মুক্ত করে তখনো দেখে যায়, আমরা মনে করি ধারাবাহিক নারী স্বাধীনতা। কিন্তু আমাদের জীবনে কুটোটি নড়ে না। আবার যখন কোনো নারী হিজাব পরে তখনো আমরা মনে করি নারী স্বাধীনতা। আমাদের জীবনে একটি চুলও খসে না। আমরা শুধু বীভৎসকে দ্রষ্টব্য মনে করে যাই। কিন্তু একটি সমাজের কি মেধাজীবী হওয়ার প্রয়োজন নেই? তাছাড়া সকলেই যদি সমাজতাত্ত্বিক আর ঐতিহাসিক হয়ে যায়, তাহলে তো একটা আড়াল নেওয়া হয়। এই যে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ বলতে আমরা পিতার উল্লাস, মায়ের আশীর্বাদ, প্রেমিকের চুম্বন ও ইতিহাসের উত্থানকে আইটেম সং হিসাবে ব্যবহার করি – তারপর আর আমাদের লজ্জার পরিসর কোথায় থাকে? মনে রাখতে হবে, এইসব কদর্য সংঘর্ষে বিরক্ত হয়েই কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ একদা মন্তব্য করেছিলেন, মিডিয়া হল সেই জায়গা যেখানে যাবতীয় গভীর ও চূড়ান্ত নিজস্ব অনুভূতি ও স্বীকারোক্তিসমূহ নিষিদ্ধ, অবদমিত ও উপহসিত।

আমার মণিপুর সম্পর্কে বক্তব্য এই যে সেখানকার ঘটনাবলী যে ভারতীয় সভ্যতার কলঙ্ক, মহেঞ্জোদারো থেকে আজ পর্যন্ত যে জীবন তার গায়ে এইসব দাগ অনপনেয়। কিন্তু একটা দেশের শিল্পীরা এই পরিস্থিতিতে কী করবে? ঐতিহাসিক তাঁর কাজ করতে পারেন, চিকিৎসক তাঁর কাজ করতে পারেন। কিন্তু সকলেই মায়াবীর মত জাদুবলে শব্দের বোরখা পরে নিতে পারে না। অনেকসময় শব্দও বন্দুকের কাছে হার মানে। এখন মণিপুরের জননী যন্ত্রণাদের বদলে আমাদের উলঙ্গ হওয়ার সময় হয়েছে। উলঙ্গ হতে প্রকৃতই সাহস লাগে। পিকাসো বলেছিলেন বেশ্যারও উলঙ্গ হতে সাহস লাগে। আমরা যারা বুদ্ধিজীবী হিসাবে শুধু প্রতিবাদপত্র এবং বিজ্ঞপ্তি লিখেই খালাস পাই তারা কি আবারও প্রশ্ন করব না, আমাদের এখনো বিবসন হতে দেরি আছে কিনা?

চে গুয়েভারা নিধনের পরে বলিভিয়ায় সামরিক ট্রাইব্যুনালে রেজি দ্যবরের সামান্য উক্তি ছিল – আই রিগ্রেট দ্যাট আই অ্যাম ইনোসেন্ট। আমার কেবলই মনে হয় আত্মহত্যা করার ক্ষমতাটুকুও আমাদের নেই। মায়ের অন্ত্যেষ্টির পর অশ্রুপাতের অধিকার আমার আর আছে কিনা তাও হয়ত তদন্তসাপেক্ষ।

মতামত ব্যক্তিগত

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

1 মন্তব্য

মতামত জানান

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.