এক দশকের বেশি হয়ে গেল। নীতিন গড়করির ব্যবসা সংক্রান্ত একটি খবর নিয়ে কয়েকদিন তোলপাড় চলেছিল জাতীয় মিডিয়ায়। সেই ব্যবসার জন্য কীভাবে ভুয়ো কোম্পানি খোলা হয়েছিল তা নিয়েই ছিল খবর। কয়েকদিন খবরটি চলার পরে তা নিয়ে কোথাও আর বিশেষ উচ্চবাচ্য হয়নি। গড়করি এরপরেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছেন। তাঁর সড়ক পরিবহন মন্ত্রকও গড়গড়িয়ে চলছে। নরেন্দ্র মোদীর বিকল্প হিসাবে তাঁর নাম বারবার উঠেছে, তুলেছে সেই মিডিয়াই, যারা তাঁর ব্যবসা নিয়ে খবর করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল কিছুদিন। সেও এক প্রকার মিডিয়া ট্রায়ালই ছিল। টিভি সাংবাদিকদের হাতে তখন ‘বিশেষ সূত্র মারফত’ পাওয়া বেশ কিছু কাগজপত্র আর ভুয়ো ঠিকানায় গিয়ে হানা দেওয়ার ফুটেজ। সরকারি তদন্তের আগেই নীতিনকে দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী বলে ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছিল।
সেদিন সাধারণ দর্শক বা পাঠকদের হয়ত মনে হয়েছিল যে একজন প্রভাবশালী রাজনীতিবিদের দুর্নীতি ফাঁস করে কী মহান কাজই না করেছে সংবাদমাধ্যম। কিন্তু সত্যিই কি নীতিনের ‘দুর্নীতি’ নিয়ে চিন্তিত ছিল মিডিয়া? হয়ত না। একটু তলিয়ে দেখলে বোঝা যায়, এই খবরের পিছনে অন্য উদ্দেশ্য লুকিয়ে থাকতে পারে। কারণ খবরটি প্রকাশ্যে আসার ঠিক পরেই ছিল বিজেপির জাতীয় সভাপতি নির্বাচন। দলেরই একটি গোষ্ঠী চাইছিল না যে নীতিন দ্বিতীয়বারের জন্য জাতীয় সভাপতি হন। ব্যবসা সংক্রান্ত দুর্নীতির খবরে কোণঠাসা হয়ে যান তিনি, ফলে রাজনাথ সিংকে বিজেপি সভাপতি করে।
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
ধান ভানতে শিবের গীত গাওয়ার একটাই কারণ। সংবাদমাধ্যমে আমরা যা দেখি তার পিছনে যে সবসময়েই বৃহত্তর রাজনীতি কাজ করে তা বোঝানো। সে রাজনীতির হদিশ সাধারণ পাঠক বা দর্শক সহজে পান না। তাঁরা টাটকা খবরের জোয়ারেই ভাসতে থাকেন। সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যা সংক্রান্ত খবরও তেমনই বৃহত্তর রাজনীতির শিকার।
গড়করির ব্যবসার খবর যেমন বিজেপির সভাপতি ঘোষণা মিটে যেতেই সংবাদমাধ্যম আর রাখেনি, তেমন কয়েক মাস সুশান্তের জন্যে দরদ উথলে উঠলেও, সেই ঘটনাও পরে আর মনে রাখেনি সংবাদমাধ্যম। তাঁর বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী সমেত প্রায় গোটা বলিউডকে খলনায়ক বানিয়ে দিয়ে অন্য খবরের দিকে নজর চলে গিয়েছিল দেশের গোটা সংবাদমাধ্যমের। এখন সিবিআই আদালতে গিয়ে সুশান্তের মৃত্যু সংক্রান্ত মামলাগুলো বন্ধ করার আর্জি জানানোর পর আবার আমরা মিডিয়া ট্রায়াল নিয়ে নড়েচড়ে বসেছি। তবে এখনো হয়ত ঠিক করে বুঝে উঠতে পারিনি, সুশান্তের আত্মহত্যাকে হাতিয়ার করে জাতীয় সংবাদমাধ্যম কোন রাজনীতির হাত শক্ত করছিল।
২০২০ সালের জুন মাসে সুশান্তের আত্মহত্যার খবর নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী। তাঁর বান্ধবী রিয়াকে টেনে বলিউডে ড্রাগের ব্যবসার ‘পর্দা ফাঁস’ করতে উঠে পড়ে লেগেছিলেন অর্ণব গোস্বামী, নভিকা কুমাররা। কীভাবে সুশান্তকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দিয়েছিলেন রিয়া – তা নিয়ে তত্ত্বের কমতি ছিল না। সুশান্তের বাবাও রিয়ার বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মামলা করেন। উল্টোদিকে রিয়াও সুশান্তের বোন প্রেসক্রিপশন জাল করে কীভাবে ওষুধ কিনতেন তা নিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। এই ঘোলা জলে রিয়া ও তাঁর ভাইকে হাজতবাসও করতে হয়েছিল। আদালত কিছু করার আগেই রিয়াকে দোষী সাব্যস্ত করে দেওয়া হয়েছিল টিভি স্টুডিও থেকেই।
সেই মিডিয়া ট্রায়াল এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, বম্বে হাইকোর্টে প্রায় দুই ডজন জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। সেই মামলার রায় দিতে গিয়ে আদালত স্মরণ করিয়ে দেয় – কীভাবে টিভি মিডিয়া ট্রায়াল ভয়ংকর আকার নিচ্ছে। যে মিডিয়া খাপ পঞ্চায়েতের সমালোচনা করে খবর করে, তারাই একপ্রকার খাপ পঞ্চায়েত বসিয়ে অভিযুক্তকে দোষী বানিয়ে ছাড়ছে। আদালতের বক্তব্য ছিল – আত্মহত্যার খবর করতে গিয়ে যেন সংবাদমাধ্যম ঘটনার পুনর্নির্মাণ না করে, সাক্ষীদের সাক্ষাৎকার না নেয়, সংবেদনশীল তথ্য জনসমক্ষে না আনে। আদালতের বা প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার নির্দেশনামা মেনেই যেন কাজ করে। কিন্তু কে কার কথা শোনে? টিভি মিডিয়ার জন্য স্বশাসিত সংস্থার তৈরি করা নির্দেশাবলীও মেনে চলেননি টিভি চ্যানেলের সম্পাদকরা।
প্রায় পাঁচ বছর পরে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা বা সিবিআই সুশান্তের আত্মহত্যার তদন্ত নিয়ে চলা দুটো মামলাই বন্ধ করে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছে আদালতে। একটায় সুশান্তের বাবা কে কে সিং রিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিলেন। অন্যটায় রিয়া অভিযোগ করেছিলেন সুশান্তের বোনের বিরুদ্ধে। গোয়েন্দাদের রিপোর্ট অনুযায়ী, অকুস্থল পরীক্ষা করে, ফরেন্সিক পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে, সাক্ষীদের সঙ্গে কথা বলে এবং বিশেষজ্ঞদের রিপোর্ট দেখে তাঁরা নিশ্চিত হয়েছেন, সুশান্তের মৃত্যু আত্মহত্যাই। এতে রিয়ার কোনো ভূমিকা নেই। রিয়া কখনোই সুশান্তকে ফুঁসলিয়ে টাকা আদায় করেননি। আবার রিয়া যে অভিযোগ করেছিলেন সুশান্তের বোন ভুয়ো প্রেসক্রিপশন দেখিয়ে ওষুধ কিনে সুশান্তকেই খাওয়াতেন, তারও কোনো সারবত্তা খুঁজে পাননি সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা।
এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই রব উঠেছে মিডিয়া ট্রায়াল নিয়ে। দাবি উঠেছে – অর্ণবের মত সাংবাদিকদের রিয়ার কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। ‘আমায় ড্রাগ দাও, ড্রাগ দাও’ বলে রিয়াকে অপরাধী বলে দাগিয়ে দেওয়া অর্ণবের পুরনো ভিডিও আবার ভাইরাল হয়েছে। এক রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, প্রায় তিন মাস ধরে লাগাতার সুশান্তের আত্মহত্যার খবর ও তা নিয়ে আলোচনা সভা বসিয়েছিলেন জাতীয় মিডিয়ার নামকরা অ্যাংকররা। সেইসময় তাঁরা যেসব প্রাইম টাইম শো করেছিলেন তার বিতর্কগুলোর মধ্যে ৬৫%-৬৯% বিতর্কের বিষয়ই ছিল সুশান্তের আত্মহত্যার ঘটনা। অর্থাৎ লাগাতার তাঁরা সুশান্তের ঘটনাকেই শিরোনামে রেখেছিলেন। সেই বিতর্কের ৪৮% সময় কেটেছে শুধু অ্যাংকরদের চিৎকারে। অতিথিরা বলার সময় পেয়েছেন মাত্র ৩২%। বাকি সময়টা একে অন্যের সঙ্গে ঝগড়া করেছেন।
মিডিয়া ট্রায়াল কোনো নতুন ব্যাপার নয়। বিচারব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রিতার দোহাই দিয়ে, আইনি পদ্ধতির তোয়াক্কা না করেই কোনো ঘটনার জন্য কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা প্রায় নিয়মে পরিণত হয়েছে। এসব পাড়ার মোড়ের আলোচনায় হয়ে থাকে। কিন্তু জাতীয় টিভির স্টুডিওর আলোচনাও পাড়ার চায়ের দোকানের আলোচনার মানেই নেমে এসেছে। কারোর কাছে প্রমাণ থাক বা না থাক, আগে দোষী বলে চরিত্রহনন করে দাও। পরে যা হবে দেখা যাবে। কারণ বহুদিন ধরেই টিভি চ্যানেলের সম্পাদকীয় বৈঠকে কাউকে কী প্রশ্ন করা হবে তা ঠিক করার আগেই কার কাছ থেকে কী উত্তর বের করতে হবে তা ঠিক হয়ে যায়। সেই উত্তর অনুযায়ী তৈরি হয় সাক্ষাৎকারের প্রশ্নপত্র।
একথা ঠিক যে মিডিয়া ট্রায়াল কখনো কখনো জনস্বার্থে কাজ করেছে। সোশাল মিডিয়া ও টিভি চ্যানেলের রমরমার আগে ১৯৯৯ সালের জেসিকা লাল হত্যা মামলায় ছাড়া পেয়েও কংগ্রেস নেতা বিনোদ শর্মার ছেলে মনু শর্মাকে ফের বিচারের সামনে পড়তে হয়েছিল এই মিডিয়া ট্রায়ালের দৌলতেই। এরকম আরও কয়েকটা উদাহরণ পাওয়া যাবে বটে, কিন্তু আদালতে দোষী প্রমাণ হওয়ার আগেই কাউকে দোষী বলে দেগে দেওয়া শুধু সেই ব্যাক্তির জন্য বিপজ্জনক নয়, সমাজের জন্যও সমান বিপজ্জনক।
সাধারণভাবে আমাদের ধারণা, সংবাদমাধ্যমে এসব করে চ্যানেলের টিআরপি বা কাগজের কাটতি বাড়াতে। কিন্তু এর পিছনের রাজনীতি আমাদের চোখের আড়ালে থেকে যায়। সুশান্তকে নিয়ে মিডিয়া ট্রায়ালও এর বাইরে নয়।
ওই মিডিয়া ট্রায়ালে যাঁর সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে তিনি অবশ্যই রিয়া। শুধু যে তাঁর মানহানি হয়েছে তা নয়, তিনি সাধারণ মানুষের চোখে খলনায়িকা হয়ে গিয়েছেন। হিন্দি ছবিতে একসময় যেসব চরিত্রকে ‘ভ্যাম্প’ বলা হত, তাঁকে তেমন একজন মহিলা বলে তুলে ধরা হয়েছে। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে রিয়ার কাজ পাওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে, মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছেন। যদিও তিনি আবার নতুন করে কেরিয়ার শুরু করতে চেষ্টা করছেন, তবু যে ক্ষতি হয়েছে তার দায় সংবাদমাধ্যমেরই। সেই ক্ষতি পূরণ করার ক্ষমতাও তাদের নেই।
কিন্তু এই মিডিয়া ট্রায়ালে সুশান্ত আর রিয়া উপলক্ষ্য মাত্র, আসল লক্ষ্য ছিল বলিউড। ২০১৪ পরবর্তী সময়ে ভারতের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক দূত বলিউডকে কালিমালিপ্ত করার প্রয়াস শুরু হয়। সে রিয়ার সঙ্গে ড্রাগ মাফিয়াদের যোগসূত্র স্থাপন করাই হোক বা শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ানের বিরুদ্ধে পার্টিতে মাদক দ্রব্যসহ ধরা পড়ার অভিযোগই হোক – গোটা বলিউডকে হেয় প্রতিপন্ন করার প্রয়াস জারি ছিল। জাতীয় স্তরের সংবাদমাধ্যমের এক বড় অংশ এই গল্পটা সুনিপুণভাবে তৈরি করেছিল যে, বলিউড কেবল মাদকের আখড়া। বলিউডই সুশান্তকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে। কোনো সন্দেহ নেই যে সুশান্তের পরিণতি বিশেষভাবে বলিউডের মতো গ্ল্যামারাস সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির ত্রুটি বিচ্যুতির দিকে নজর দেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল। কিন্তু তা নিয়ে গভীর আলোচনার চেষ্টা না করে একযোগে মিডিয়া গোটা বলিউডকেই কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করে যাচ্ছিল। এটা গোটা বিশ্বে নরেন্দ্র মোদীকেই ভারতের একমাত্র গ্রহণযোগ্য ব্র্যান্ড হিসাবে তুলে ধরার চেষ্টাতেই করা হয়ে থাকে বা ব্যক্তিগত শত্রুতা থেকে, বলিউডের ঝলমলে ভাবমূর্তি মাটিতে মিশিয়ে দেওয়াই তখন সংবাদমাধ্যমের একমাত্র কাজ হয়ে উঠেছিল। বলিউডকে কালিমালিপ্ত করার প্রচেষ্টা এমন পর্যায়ে গিয়েছিল যে বলিউডের তারকা অভিনেতা-প্রযোজকরা আদালতের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হয়েছিলেন। কিন্তু আদালতের কথাতেও কাজ হয়নি।
আরো পড়ুন অমিতাভ মুখ খুললেন, তবে শরশয্যায়
সেইসময় মহারাষ্ট্রেও বিজেপিবিরোধী মহাবিকাশ আঘাড়ির সরকার ক্ষমতায় ছিল। সেই সরকারের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরেকেও কোণঠাসা করার চেষ্টা মোদীভক্ত সংবাদমাধ্যমের ছিল। সুশান্তের ঘটনায় সে কাজ সহজ হয়ে গিয়েছিল।
যতক্ষণ সরকারের হাত মিডিয়ার মাথার উপর রয়েছে এবং মিডিয়ার হাত সরকারের পায়ে, ততক্ষণ মিডিয়া ট্রায়াল নিয়ে শত আলোচনাতেও কোনো লাভ হবে না। কোনো কোনো সংবাদমাধ্যম সরকারের বিরুদ্ধে কোনো খবর করলে তথ্য সম্প্রচার সংক্রান্ত আইন দেখিয়ে চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়ার শাস্তি সরকার দিয়ে থাকে। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে সাতখুন মাফ।
অবশ্য মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধ করতে সরকারি উদ্যোগের বিপদও কম নয়। কিন্তু নিজেরাই নিজেদের জন্য নিয়মাবলী বানিয়েও তা মেনে চলতে পারছে না টিভি চ্যানেলগুলো। এই দুয়ের মাঝে পড়ে ধোঁকা খাচ্ছেন সাধারণ দর্শক ও পাঠক। একেকটা ঘটনায় একেকটা চরিত্র সম্পর্কে একপেশে ধারণা তৈরি করে নিচ্ছেন তাঁরা। যতদিনে আইনি পদ্ধতিতে সেই ঘটনার বিচার শেষ হচ্ছে, ততদিনে সেই ঘটনা ভুলেও যাচ্ছেন তাঁরা। শুধু মিডিয়ার দৌলতে মনের মধ্যে গেঁথে থাকছে মিডিয়ার আলেখ্য।
এই সেদিন পশ্চিম ভারতীয় এক ছাত্রীর কাছে শুনলাম – বাঙালি মহিলাদের ‘কালা জাদু’ করার বিশেষ পারদর্শিতা নিয়ে তার জানা নানা কাহিনী। এই সব জ্ঞানের উৎস জিজ্ঞাসা করায় সে উত্তর দিয়েছিল – রিয়াকে নিয়ে খবরাখবর থেকেই এসব জানতে পেরেছে!
মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।








