অনিন্দ্য হাজরা
নিউ ইয়র্কের মেয়র নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত জোহরান মামদানি। একাধিক কারণে তাঁর জয় তাৎপর্যপূর্ণ। সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের যে কয়েকজন রাজনীতিবিদ সরাসরি গাজায় ইজরায়েলের গণহত্যা এবং আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সরাসরি কথা বলেছেন, মামদানি তাঁদের অন্যতম। তারপরেও নিউইয়র্কের মত শহরে, যেখানে প্রায় দশ লক্ষ ইহুদি বাস করেন, সেখানে দাঁড়িয়ে জয় ছিনিয়ে আনা সহজ কাজ নয়। আমাদের মাথায় রাখতে হবে, মেয়র নির্বাচনের প্রচার শুরুর প্রাক-মুহূর্ত থেকেই মামদানির প্রধান প্রতিপক্ষ অ্যান্ড্রু কুওমো সহ রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থীরা এবং মামদানির নিজের দল, অর্থাৎ ডেমোক্র্যাটিক পার্টির লোকেরাও, তাঁকে ইহুদিবিদ্বেষী হিসাবে দাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। এই আবহে মামদানি তাহলে ঠিক কি করেছেন, যার ফলে এই নজিরবিহীন সাফল্য পেলেন?
মামদানির জয়ের রহস্য নিয়ে বিস্তর আলোচনা শুরু হয়েছে। সেই আলোচনা থেকে যা যা উঠে এসেছে তার অন্যতম হল নিবিড় জনসংযোগ। গত বছরের এই সময়ে, অর্থাৎ নভেম্বর মাসের গোড়ার দিকে, নিজের প্রচারাভিযান শুরু করেছিলেন জোহরান। সেই লড়াই ছিল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির আভ্যন্তরীণ নির্বাচনে জিতে দলের টিকিট নিশ্চিত করা। খাতায় কলমে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির লোক হলেও, তিনি আসলে ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্টস অফ আমেরিকা (ডিএসএ) নামে এক বামপন্থী সংগঠনের সঙ্গে ছাত্রজীবন থেকে যুক্ত। ডেমোক্র্যাট প্রাইমারি থেকেই জোহরানের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন ডিএসএ-র কমরেডরা।
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
বস্টন রিভিউ ডট নেটের প্রতিবেদনে সেই অভিজ্ঞতাই তুলে ধরেছেন জ্যাকারি কান নামে ডিএসএ-র একজন। তাঁর অভিজ্ঞতায় ‘সত্যি কথা বলতে, শুরুতে মনেই হয়নি মামদানির প্রচারাভিযান কোনো দাগ কাটতে পারবে। আমি ওকে আগে থেকে চিনতাম, তাও আমেরিকার রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে মনে হয়েছিল, ও পারবে না। তারপরেও ওর নির্বাচনী তহবিলে আমি ১০০ ডলার সাহায্য করেছিলাম। আমায় অবাক করে দিয়ে, মামদানি নিজে আমায় ফোন করে সেই সাহায্যের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছিল।’
আমেরিকার রাজনীতি ভীষণভাবে কর্পোরেটনির্ভর। কর্পোরেটদের লক্ষ লক্ষ ডলার অনুদান এবং সাহায্য আগেভাগেই ঠিক করে দেয় কোন প্রার্থী নির্বাচনে জিততে চলেছেন। স্বাভাবিকভাবেই মাত্র ১০০ ডলার সেখানে মূল্যহীন। কিন্তু বিকল্প পথে হেঁটে, সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে, তহবিল সংগ্রহ করেও যে নিউ ইয়র্কের মত শহরের মেয়র নির্বাচনে জেতা যায়, তা জোহরান প্রমাণ করে দিয়েছেন।
তাঁর প্রচারাভিযান আরও একটা কারণে নজিরবিহীন। এই নির্বাচনে প্রায় এক লক্ষ স্বেচ্ছাসেবক দিনরাত এক করে তাঁর জন্য প্রচার চালিয়েছেন। ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রাইমারি নির্বাচনের সময়ে ৫০,০০০ কর্মী জোহরানের হয়ে প্রচার করেন। সেই পর্যায়েই ১৬,০০,০০০ বাড়ির দরজায় কড়া নেড়ে জোহরানকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান তাঁরা। এই স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর সামনে কার্যত ম্লান হয়ে যায় বিরোধীরা। জোহরানের কাছে প্রাইমারিতে হেরে যাওয়া কুওমো শেষমেশ নির্দল প্রার্থী হিসাবে মেয়র নির্বাচনে দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন। তিনি কতজন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করেছিলেন তা বলতে অস্বীকার করেছেন, আর রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী কার্টিস সিলওয়ার ছিল মাত্র ৫,০০০ স্বেচ্ছাসেবক।
জোহরানের প্রচারের দিকে তাকালে ধাঁধা লাগতে পারে, তিনি আমেরিকায় প্রচার চালাচ্ছেন, না পশ্চিমবঙ্গের কোনো প্রান্তে? কারণ এই রাজ্যে বামপন্থী দলগুলোকে যে কায়দায় প্রচার করতে দেখতে আমরা অভ্যস্ত, প্রায় সেই কায়দাতেই নিউ ইয়র্কে প্রচার চালিয়েছেন তিনি।
জ্যাকারি কান বলেছেন, গোটা শহরে প্রায় ৪২ জন ‘স্টেজিং হোস্ট’ জোহরানের জন্য কাজ করেছেন। এই হোস্টরা নিজেদের বাড়ির দরজা স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য খুলে দিয়েছিলেন। ওই বাড়িগুলো পরিণত হয় নির্বাচনী ক্যাম্প অফিসে। সেখান থেকেই স্থানীয় স্তরে পরিচালিত হয় জোহরানের প্রচারাভিযান।
আদতে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সদস্য কুওমোকে ব্লুমবার্গ সহ বৃহৎ পুঁজি সাহায্য তো করেছিলই, পাশাপাশি কমিউনিজমের ভূত দেখিয়ে নিজের দলের প্রার্থীকে ছেড়ে তাঁকে সমর্থন করেছিলেন খোদ ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই বিপুল শক্তির মোকাবিলায় নিবিড় জনসংযোগে মন দেন জোহরান। জিতলে নিউ ইয়র্কের সাধারণ মানুষের জন্য কী কী করবেন, সেই প্রচার চালানোর জন্য তিনি বেছে নেন কার্যত নিজের প্রতিদ্বন্দ্বীর গড়কেই। কো-অপ সিটি বা বরো পার্কের মতো এলাকা প্রাইমারিতে কুওমোকে ভোট দিয়েছিল। ওইসব এলাকায় প্রচার চালানোর জন্য আলাদা করে ‘স্টেজিং হোস্ট’ নিয়োগ করেছিলেন জোহরান। ওই নির্বাচনী কার্যালয়গুলোকে কেন্দ্র করে কুওমোর খাস তালুকে নিবিড় প্রচার চালান জোহরানের স্বেচ্ছাসেবকরা।
নিবিড় প্রচারে ব্যক্তিগতভাবেও নজর কেড়েছেন জোহরান। আমেরিকার সংবাদমাধ্যমে তাঁর সম্পর্কে বলা হয়, তিনি দারুণ শ্রোতা। ভালো করে প্রশ্ন না শুনে যেমন তিনি কোনো উত্তর দেন না, তেমনই ১০-২০ সেকেন্ড না ভেবে কোনো মন্তব্য করেন না। এহেন স্থিতধী জোহরান নজর কেড়েছেন টিকটক এবং ইনস্টাগ্রাম দিয়ে প্রচারেও।
তিনি নিউ ইয়র্কের রাজনীতিতে প্রথম দাগ কাটেন ২০২১ সালে। সেখানকার ট্যাক্সিচালকদের জন্য টানা ১৫ দিন অনশন করেন। এই মাটির কাছাকাছি থাকার ব্যাপারটা এই নির্বাচনেও বজায় রেখেছিলেন। প্রথমত, নিউ ইয়র্কের সমস্ত অংশের মানুষের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা করেছেন। দ্বিতীয়ত, শহরের যেসব অংশে প্রাথমিকভাবে পিছিয়ে ছিলেন, সেখানে গিয়েও নিয়মিত জনসংযোগ করেছেন। একেবারে রাস্তায় নেমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মত বিনিময় করতে দেখা গিয়েছে।
নিউইয়র্কের বিভিন্ন অভিবাসী সম্প্রদায়ের মাঝে গিয়ে আলাদা প্রচার করাই নয়, তাদের জন্য নির্দিষ্ট বক্তব্য এবং ভাষ্য সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল জোহরানের দলবলের তরফে। যেমন অভিবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মধ্যে নিজের বক্তব্য পৌঁছে দিতে ঢাকার কায়দায় নিউ ইয়র্কের রাস্তায় ‘শোডাউন’ করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সঙ্গে চলেছে অবিরাম বাংলায় স্লোগান, ঠিক যে কায়দায় বিএনপি কিংবা আওয়ামী লিগের প্রার্থীদের প্রচার হয়ে থাকে।
জোহরান নিজে ভারতীয় মা এবং উগান্ডান বাবার সন্তান হলেও তাঁর বেড়ে ওঠা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই। কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার অভিবাসীদের কাছে নিজের বক্তব্য পৌঁছে দিতে চোস্ত হিন্দি কিংবা উর্দুতে ভিডিওতে কথা বলতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সেই ভিডিওতে যেমন তিনি স্বচ্ছন্দে লস্যিতে চুমুক দিয়েছেন, তেমনই সহজভাবে র্যাংকিং পদ্ধতিতে কীভাবে ভোট দিতে হবে তাও ব্যাখ্যা করেছেন। সঙ্গে বলিউডের গানের জুতসই ব্যবহারও ছিল।
জোহরানের বিরুদ্ধে কিন্তু প্রথম থেকেই ভারতীয় ও ইহুদিদের একাংশকে সক্রিয় করে ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকানদের একটা অংশ। কর্পোরেট মিডিয়ার টাকায় এই অংশ প্রচার চালায় ঠিক কী কী ভাবে মামদানি যথাক্রমে হিন্দুবিদ্বেষী এবং ইহুদিবিদ্বেষী। যেমন নিউ ইয়র্কের এক মন্দিরে নাকি তিনি জুতো পরে প্রবেশ করেছেন – এই অভিযোগ তুলে সরব হয় উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা। সেই ভুয়ো প্রচার বাতিল করতে সক্রিয় করা হয় ‘হিন্দুজ উইথ মামদানি’ নামে এক মঞ্চকে। সেই মঞ্চের তরফে পালটা প্রচার চালিয়ে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের প্রচার ভোঁতা করে দেয় জোহরানের ক্যাম্পেন টিম। ইহুদি ভোটারদের বিভ্রান্তি কাটাতেও একই পদ্ধতি নেওয়া হয়।
এর পাশাপাশি প্রচারের শেষ লগ্নে দিনে প্রায় ২৪ ঘন্টাই প্রচার করতে দেখা গেছে জোহরানকে। আমেরিকার কর্পোরেট নির্বাচনী ব্যবস্থায় এই জিনিস কল্পনাই করা যায় না। ওয়ার রুমের ঠান্ডা ঘরে বসে, কম্পিউটারের পর্দায় ভোটারদের পছন্দের ওঠানামা মূল্যায়ন না করে জোহরান মাঝরাতেও কোনো সমপ্রেমীদের ক্লাব কিংবা কোনো মিউজিক কনসার্টে গিয়ে জনসংযোগ করেছেন, নতুন প্রজন্মকে বুথমুখী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একের পর এক এই জাতীয় ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, সাধারণ মানুষ ব্যাপক সমর্থন জানাচ্ছেন তাঁর এই জাতীয় উদ্যোগকে। ফলে শেষপর্যন্ত কুওমোর থেকে ১০% বেশি ভোট পেয়ে জিতেছেন।
এই নির্বাচনে ৫০.৪% ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন জোহরান। দ্য গার্ডিয়ান লিখেছে, এর আগে অভিবাসীসহ অন্যান্য প্রান্তিক সম্প্রদায় ভোট নিয়ে বিশেষ মাথা ঘামাত না, কারণ মূল রাজনৈতিক শক্তিগুলো তাদের কথা বলত না। জোহরান সেই হিসাবে উলটে দিয়েছেন। ফলে ওই অংশের মানুষ ভোট দিয়েছেন এবং তাঁকেই দিয়েছেন।
ইদানীং ভারতীয় রাজনীতিতেও কর্পোরেট অনুদান এবং সেই অনুদানে ভর করে প্রশান্ত কিশোরদের মত ভোটকুশলীদের আগমন ঘটেছে। এই ভোটকুশলীরা বিপণনের কায়দায় প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীকে পণ্য হিসাবে মানুষের সামনে হাজির করে। সাধারণ ভোটার তাদের কাছে স্রেফ ক্রেতা। এই ভোটকুশলীরা নিজেদের পণ্যকে আকর্ষণীয় করে ক্রেতাদের মন জয়ের চেষ্টা চালাচ্ছে। এই বাজারি ভোট অর্থনীতির ফলে ভোটার এবং রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাতন্ত্র্য হারিয়ে যাচ্ছে। পাড়ার মানুষের পাশে থাকার রাজনীতি ছেড়ে দলগুলোর নিচুতলার কর্মীরা স্রেফ ভোটারদের তথ্য সংগ্রহের এজেন্টে পরিণত হচ্ছেন। জোহরানের এই জয়ের ফলে আমাদের দেশের অনেক বামপন্থী স্বাভাবিকভাবেই উজ্জীবিত। এই মুহূর্তে প্রশান্ত কিশোর মডেলের সঙ্গে কীভাবে লড়াই করা উচিত, অনেক ক্ষেত্রেই তাঁরা সেটা বুঝে উঠতে পারছেন না। জোহরানের জয় কিন্তু রাস্তা দেখিয়ে দিয়েছে।
আরো পড়ুন প্রশান্ত কিশোর ভারতীয় রাজনীতির বিপথগামিতার লক্ষণ
তিনি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন, নিবিড় জনসংযোগের মাধ্যমে মানুষের কাছে নিজেদের বক্তব্য পৌঁছে দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। এই পথে হেঁটে এবং সোশাল মিডিয়া ও নিউ মিডিয়াকে ব্যবহার করে সমাজের সমস্ত স্তরে নিজেদের বক্তব্য এবং ভাষ্য সফলভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। জনপ্রিয় সংস্কৃতির প্রগতিশীল উপাদানগুলোকে প্রগতিশীল ও বামপন্থী রাজনীতির স্বার্থে কাজে লাগানো সম্ভব। সংখ্যাগুরুবাদ ও উগ্র জাতীয়তাবাদের সোনার সময়ে দাঁড়িয়েও সংখ্যালঘুর অধিকারের কথা সোচ্চারে এবং জনপ্রিয়ভাবে বলা সম্ভব, যদি মানুষের কাছে পৌঁছনোর সঠিক পদ্ধতি আপনি জানেন। এই কাজটুকু করতে পারলেই তথ্যসর্বস্ব নির্বাচনী প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা সম্ভব।
জোহরান নিজের স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী এবং মেধাকে ব্যবহার করে নিউ ইয়র্কের মূল সমস্যাগুলোকে প্রথমে চিহ্নিত করেছেন। তারপর শহরের সমস্ত অংশের মানুষের কাছে পৌঁছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন কীভাবে সেই সমস্যার সমাধান করবেন। বিশেষত সেই অংশের মানুষের কাছে বেশি করে পৌঁছেছেন, যাদের কেউ এতদিন নির্বাচনী ব্যবস্থার অংশ বলেই মনে করেনি। আমেরিকার নির্বাচনী ব্যবস্থার উপর সেদেশের অধিকাংশ মানুষ বীতশ্রদ্ধ। জোহরানের উত্থান সেখানে তাজা বাতাসের মত। নিউ ইয়র্ক শহরে অন্তত সাধারণ মানুষের হাতে ফের একবার রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করার শক্তি তিনি ফিরিয়ে দিয়েছেন। তার প্রতিদান হিসাবেই যেন সাধারণ মানুষ তাঁকে জয়ী করেছেন।
আমাদের দেশেও এই মুহূর্তে আদানি, আম্বানিদের মত বৃহৎ পুঁজি রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করা শুরু করেছে। দেশের সাধারণ মানুষ রাজনীতির উপর আস্থা হারাতে শুরু করেছেন। এই অবস্থায় দেশের মানুষের রাজনীতিতে অংশ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা যদি ফের প্রতিষ্ঠা করতে পারেন বামপন্থীরা, আগামীদিনের ভারতের জন্য তার চেয়ে ভালো কিছু হতে পারে না।
মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।








