পাভেল ধর চৌধুরী
ইতিমধ্যেই লোকসভা নির্বাচনের ছয় দফার ভোট সম্পন্ন হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের বুকেও বাকি সর্বশেষ দফার নির্বাচন। ভারতবর্ষের রাজনীতি বিগত এক দশকে আলোড়িত হয়েছে প্রান্তিক অংশের মানুষের উপর নিপীড়ন, জাতিসত্তার অধিকার, সাম্প্রদায়িক আগ্রাসন সহ নানা প্রশ্নে। তফসিলি জাতি, উপজাতি এবং সংখ্যালঘু অংশের মানুষের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার এই প্রক্রিয়া একমুখী নয়, বরং বহুমুখী। সংঘের ঘোষিত গেরুয়া সাম্রাজ্যের মূল প্রাণশক্তিই হলো আর্য জিনের আধিপত্যের আস্ফালন। ভারতবর্ষের দ্রাবিড় এবং অস্ট্রিক জিনবাহী মানুষের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারকে এরা অস্বীকার করে এবং সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক রক্তের বিশুদ্ধতার তত্ত্বের আমদানি করেছে সংঘ, যেখানে উচ্চবর্ণের বৌদ্ধিক আধিপত্য দাবি করা হয়। ফলে গত কয়েক বছরে এদেশে দেখা গেছে দলিতদের পিটিয়ে মারার ঘটনা, আদিবাসী মানুষের মুখে উচ্চবর্ণের পেচ্ছাপ করে দেওয়ার ভিডিও।
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
সংখ্যালঘু মানুষের উপর নিপীড়নের প্রশ্নে বিজেপি পরিচালিত সরকারের ভূমিকা তো সকলেরই জানা।
কেশব বলিরাম হেড়গেওয়ার, বিনায়ক দামোদক সাভারকর বা মাধব সদাশিব গোলওয়ালকাররা যে বিদ্বেষমূলক তত্ত্বের নির্মাণ করে গেছেন, নয়া উদারবাদী দুনিয়ায় তাকে প্রয়োগ করার অস্ত্র হিসাবে বিজেপি ধারণ করেছে দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রবর্তিত ‘একাত্ম মানবতাবাদ’ বা ইন্টিগ্রাল হিউম্যানিজমের তত্ত্ব। অসবর্ণ এবং আদিবাসীদের ঘৃণা করার দর্শনে ন্যূনতম তফাত আসেনি, কিন্তু কৌশল করে বর্ণাশ্রমে তাদের জন্য নির্ধারিত কর্মকে এক বিশেষ ধরনের পবিত্রতায় ভূষিত করা হচ্ছে এবং হিন্দুরাষ্ট্র গড়ার প্রধান সেনানী হিসাবে তাদেরই ঠেলে দেওয়া হচ্ছে সামনের সারিতে। কারণ নিজেদের চাকরবাকর মনে করার বদলে অংশীদার মনে করলে শোষিতের মধ্যে দ্রোহের উন্মেষ ঘটে না, তারা সগৌরবে নিজেদের হিন্দুত্ববাদী অভিযানের শরিক মনে করে। উদাহরণ চাই? জোমাটো বা সুইগিতে একজন শ্রমিক যখন নিজেকে একজন চালক হিসাবে কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত করে, তাকে ‘ড্রাইভার’ নয়, বরং ‘ডেলিভারি পার্টনার’ বলা হয়। কিন্তু কাজ শুরু করেই সে টের পায় এই পার্টনারশিপের মানে কী?
সে কথা বরং থাক। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে লোকসভা নির্বাচনের লড়াইকে দ্বিমুখী করার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বিকল্প শক্তি হিসাবে উঠে এসেছে ইন্ডিয়া জোট – বামপন্থীরা এবং কংগ্রেস। তফসিলি জাতি, উপজাতি এবং সংখ্যালঘু মানুষের জন্য এ রাজ্যের শেষ দফার নির্বাচনে যুযুধান দলগুলো তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে কী বলছে একটু জেনে নেওয়া যাক।
১) ‘মোদী কি গ্যারান্টি’ অনেক বেশি প্রত্যক্ষ, বক্তব্য স্পষ্ট। প্রান্তিক মানুষের জন্য যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, সেখানে সচেতনভাবেই সংখ্যালঘু মানুষের কল্যাণ সম্পর্কে কোনো ঘোষণা নেই। তফসিলি জাতি উপজাতির মানুষের জন্য যে ঘোষণা, তা বাহ্যত প্রীতিকর হলেও তার মধ্যে স্ববিরোধ রয়েছে। দলিত, আদিবাসীদের হিন্দুত্ববাদী এজেন্ডায় আত্তীকরণ করানোর তোড়জোড়ই সেখানে স্পষ্ট। ঘৃণার চাষে তারা নির্লজ্জ। কিন্তু তৃণমূল এসবের বাইরে। তাদের ঘোষণা এবং কাজের মধ্যে কোনো মিলই নেই। খালি চোখেই দেখা যায়, তাদের দাবি হাস্যকর এবং অতীতের কৃতকর্মের সঙ্গে ইশতেহারের ঘোষণা একেবারে সঙ্গতিহীন। প্রতিশ্রুতির বাহুল্যের বাইরে তাদের কোনো লক্ষ্য নেই বললেই চলে।
২) বিজেপির ইশতেহার বলছে ২০২৫ সালকে তারা বিরসা মুন্ডার স্মৃতিকে সামনে রেখে জাতীয় গৌরব বর্ষ হিসাবে ঘোষণা করবে। হয়ত সরকার ফিরলে এ কাজ করবেও। কিন্তু বিরসার মত সাম্রাজ্যবাদবিরোধী নায়ককে নিয়ে বিজেপির এত লাফালাফির কারণ কী? ওই – বিরসাকে সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের অংশীদার করে নেওয়া।
৩) বলা হয়েছে, আদিবাসীদের সংস্কৃতি এবং উত্তরাধিকারকে স্বীকৃতিদানের জন্য ট্রাইবাল আর্টস আকাদেমি, ট্রাইবাল রিসার্চ সেন্টার ইত্যাদি তৈরি করা হবে। এইসব থিঙ্কট্যাঙ্ক নির্মাণের কাজ কারা করবে? অবশ্যই সংঘবাদী বুদ্ধিজীবীরা। বুঝতে অসুবিধা হয় না, কোন ধরনের মনগড়া ইতিহাস আদিবাসীদের গেলাতে চায় বিজেপি।
৩) পিএম সুরাজ পোর্টালের মাধ্যমে আদিবাসীদের ঋণের ক্ষেত্রে সুবিধা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে বিজেপির ইশতেহারে। অথচ তাদের জীবনযাত্রার উন্নতিকল্পে লেখাপড়ায় বরাদ্দ বাড়ানোর কথা নেই। এদিকে সংরক্ষণ তুলে দেওয়ার চেষ্টা তো চলছেই, কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি করা হয়নি দশবছরের শাসনে। কিন্তু ঋণ দেওয়া হবে। দেশের বিপুল সংখ্যক দলিত ও আদিবাসী মানুষকে ঋণের ফাঁদে ফেলতে পারলে তাদের সামাজিক শক্তিকে দুর্বল করে দেওয়া সম্ভব হবে।
৪) অরণ্যজাত পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপ তৈরি করার কথা বলা হয়েছে ‘মোদী কি গ্যারান্টি’-তে। লেখা হয়েছে ‘We will encourage innovative and technology-driven startups to initiate commercially viable and sustainable forest-based enterprises and value addition for forest produce.’ দেশের বনসম্পদ এবং অরণ্যনির্ভর জনজাতিগুলির যে স্থানীয় উৎপাদন প্রক্রিয়া ও অরণ্যনির্ভর জীবনযাপন, তার শিরদাঁড়া ভেঙে দিয়ে সোজাসুজি তাকে কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণে আনার প্রক্রিয়া জোরদার হবে এতে। অরণ্যনির্ভর স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রকে আন্তর্জাতিক পুঁজির লোভনীয় বাণিজ্যিক চাকচিক্যের আওতায় নিয়ে আসা ছাড়া নরেন্দ্র মোদীর অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই। স্বল্প পারিশ্রমিকে জনজাতির মানুষ তৈরি করবেন বিরল বনজসম্পদজাত দ্রব্য, আর সেগুলো শহরের বাজারে এবং বিদেশের বাজারে উঁচু দরে বিক্রি হবে।
৫) সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে দলিত এবং আদিবাসীদের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে বিজেপির ইশতেহারে একটাই বক্তব্য – তাদের মন্ত্রিসভার ৬০% সদস্য তফসিলি জাতি ও উপজাতি থেকে উঠে এসেছেন। কিন্তু ঘটনা হল, লোকদেখানো মন্ত্রিত্ব আর টোকেনিজমের চর্চা করলে প্রান্তিক মানুষের কোনো কল্যাণ হয় না। তাঁদের বর্ণহিন্দুদের সমান সম্মান দেওয়াও যে সংঘ পরিবারের উদ্দেশ্য নয় তার বড় প্রমাণ – রামমন্দিরে রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠায় দেশের আদিবাসী রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ না জানানো।
৬) ‘মোদী কি গ্যারান্টি’ ইশতেহারে পরিভাষার রাজনীতিও লক্ষ্য করার মত। শারীরিক প্রতিবন্ধী মানুষকে ‘দিব্যাঙ্গ’ বলে সম্বোধন করার মধ্যে কোনো বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি নেই, বরং এতে প্রতিবন্ধীদের জীবনের মরণপণ লড়াইকে লঘু করা হয়। কিন্তু তাদের জন্য শিক্ষার সুযোগ তৈরির বিষয়ে, বিনামূল্যে জীবনধারণের উপযোগী উপকরণ বন্টন নিয়ে একটি বাক্যও ব্যয় করা হয়নি। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষা, কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করার ব্যাপারে কোনো ঘোষণা নেই। ‘গরিমা গৃহ’ তৈরি করার মত আপাত চকচকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের কোন উপকারটা হবে?
৭) তৃণমূলের ব্যাপারস্যাপার খানিক আলাদা। তারা ইশতেহারে লিখেছে, জয়লাভ করলে তারা নারায়ণী ব্যাটেলিয়ন তৈরি করবে। কিন্তু কাজ এবং এই ঘোষণার মধ্যে কোনো মিল নেই। বাস্তবায়ন সফল না হতে পারে, কিন্তু প্রচেষ্টা তো থাকবে!
বিধানসভা হোক বা সংসদ – তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা গত ১৩ বছরে একবারও নারায়ণী ব্যাটেলিয়নের পক্ষে একটি কথাও তোলেননি। ফলে এই ঘোষণার বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে সন্দিহান রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষ। নিজেদের ইশতেহারে ‘মাহাতো সম্প্রদায়’ বলে একটি সম্প্রদায়ের নাম উল্লেখ করে তাদের তফসিলি উপজাতির স্বীকৃতি পাইয়ে দেওয়ার জন্য লড়বে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তৃণমূল।
প্রথমত, ‘মাহাতো সম্প্রদায়’ বলে কোনো জনজাতির অস্তিত্ব নেই। যাঁরা আছেন তাঁরা হলেন কুড়মি। দ্বিতীয়ত, কুড়মি সমাজের দাবিদাওয়া নিয়ে সুস্থ আলোচনার পথে অগ্রসর হওয়ার বদলে তাদের উপর গত এক বছরে যে আক্রমণ এবং মিথ্যা মামলার স্রোত নামিয়ে এনেছে তৃণমূল, তা ন্যক্কারজনক। যখন নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করা হয়েছিল, তখন সিএএ-এনআরসি নিয়ে তৃণমূলের অবস্থান একরকম ছিল। পরবর্তীকালে ইন্ডিয়া ব্লক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর সিএএ নিয়ে মমতা ব্যানার্জির অবস্থান বারবার বদলেছে। ফলে তাদের অবস্থান ঠিক কোনটা, তা বোঝা একটু মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়।
এর বাইরে কোনো নির্দিষ্ট দায়িত্বপূরণ করার ঘোষণা তাদের ইশতেহারে নেই।
আরো পড়ুন মহিলাদের জন্যে দলগুলোর ইশতেহার যত গর্জে তত বর্ষে না
৮) সিপিএমের ইশতেহারে বাম রাজনীতির মৌলিক বোঝাপড়া অনুযায়ী ভূমি ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর কথা বলেছে। প্রত্যেক ভূমিহীন আদিবাসী পরিবারকে পাঁচ একর আবাদযোগ্য ভূমি বন্টন করার কথা বলেছে সিপিএম।
৯) ভারতবর্ষের ক্ষেত্রে বড় সমস্যা হল বেসরকারি ক্ষেত্রে সংরক্ষণ প্রক্রিয়াকে সোজাসুজি বুড়ো আঙুল দেখানো হয়। বেসরকারি ক্ষেত্রে সংরক্ষণ বলবৎ করার জন্য নির্দিষ্ট আইন পাস করার পক্ষে আওয়াজ তুলেছে সিপিএম।
১০) Scheduled Castes and Scheduled Tribes (Prevention of Atrocities) Act 1989 এবং POA Amendment Act 2015-এর মত আইন দুটির রূপায়ণের কথা রয়েছে তাদের ইশতেহারে। সেইসাথে দ্বিতীয় আইনটিকে সংবিধানের নবম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলা হয়েছে। ১৯৮৯ সালের এসসি এসটি আইন অনুসারে প্রতিটি জেলায় যে অত্যাবশ্যকীয় স্পেশাল কোর্ট হওয়ার কথা, তাকে বাস্তব রূপদান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সিপিএম। খাদ্য সুরক্ষা আইনের আওতায় সমস্ত আদিবাসী সম্প্রদায়কে আনার কথাও বলা হয়েছে।
১১) সাফাইকর্মীদের ‘সাফাই বন্ধু’ বলে সম্বোধন করেই দায় সমাপন করা হয়নি, নীতিগত প্রশ্নে চুক্তিভিত্তিক সাফাই কর্মীদের স্থায়ী করার কথা বলা হয়েছে।
১২) জাতীয় অরণ্য নীতি বাতিল করে বনসম্পদের বেসরকারিকরণ রোধ করার কথাও রয়েছে সিপিএমের ইশতেহারে। কয়েক হাজার বছরের উত্তরাধিকার বহনকারী জমি থেকে আদিবাসীদের উচ্ছেদ করার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও সংসদে আওয়াজ তুলেছে বামপন্থীরা। সিপিএম সহ সমস্ত বাম শক্তি জল জঙ্গল জমির অধিকার রক্ষার প্রশ্নে সংসদে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলা হয়েছে। আদিবাসীদের কুটির শিল্পের উপর ন্যূনতম সহায়ক মূল্য চালু করার কথাও বলা হয়েছে।
১৩) আদিবাসীদের ভাষা এবং লিপির সংরক্ষণ ও উৎকর্ষ বিধানের প্রশ্নে নির্দিষ্ট প্রস্তাব রয়েছে। ভিলি, গোন্ডী এবং কোক বোরোক ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।
১৪) সংখ্যালঘু মানুষের উপর লাগাতার আক্রমণের বিরুদ্ধে Prevention of Atrocities Against Minorities Act বাস্তবায়িত করা হবে বলা হয়েছে। সংখ্যালঘু কমিশনের ক্ষমতা বৃদ্ধি, সাচার কমিটি এবং রঙ্গনাথ মিশ্র কমিশনের প্রস্তাবগুলির বাস্তবায়ন, মুসলমান ছাত্রীদের জন্য স্কলারশিপ ফেলোশিপের বরাদ্দ বৃদ্ধি, উর্দু পাঠ্যপুস্তকের মানোন্নয়ন, উর্দু শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণ সহ একাধিক দাবি পূরণ করার কথা ইশতেহারে যুক্ত করেছে বামপন্থীরা।
১৫) শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী মানুষের কল্যাণের প্রশ্নে বাংলার রাজনীতির দক্ষিণপন্থী দলগুলো নীরব হলেও সিপিএমের ইশতেহারে সুনির্দিষ্ট বক্তব্য রয়েছে।
এই হল সপ্তম দফার নির্বাচনে যুযুধান রাজ্যের প্রধান তিনটি দলের ইশতেহারের মূল নির্যাস। বেছে নেওয়ার ভার বাংলার ভোটারদের।
নিবন্ধকার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।







