সন্তোষ সেন
পশ্চিম আকাশে ঘনীভূত হচ্ছে আশঙ্কার কালো মেঘ। এই নিবন্ধে আমেরিকার দাদাগিরি ও দখলদারি নিয়ে একটা নিতান্ত প্রাথমিক আলোচনা করব। ডলার সাম্রাজ্যবাদ কতটা ভীত সন্ত্রস্ত তার খানিক আভাস রাখার চেষ্টা করব।
আতঙ্কের বাতাস বইছে বিশ্বজুড়ে। প্রশান্ত মহাসাগরে বুকে চোখে না পড়ার মত ছোট্ট কয়েকটা দ্বীপ আছে। সেগুলো আবার মূলত আগ্নেয় দ্বীপ। তার মধ্যেই পড়ে মার্শাল আইল্যান্ডস। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দখলে চলে যায় এই দ্বীপরাষ্ট্র। কেন? শুনবেন সেই গল্প? দীর্ঘকাল ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমস্ত পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্র হিসাবে মার্শাল আইল্যান্ডসকে ব্যবহার করা হয়েছে। ১৯৪৬-১৯৫৮ – এই সময়কালে ৬০ খানার বেশি পারমাণবিক পরীক্ষার সাক্ষী থেকেছেন ওই দ্বীপরাষ্ট্রের অধিবাসীরা। অভিঘাতে তাঁদের ভুগতে হয়েছে তেজষ্ক্রিয় বিকিরণজনিত নানারকম শারীরিক সমস্যায়। সে কারণে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার প্রবণতাও বেড়েছে বিগত কয়েক দশকে। এখন এই দ্বীপে রয়েছেন মাত্র ৪২,০০০ মানুষ।
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
কেন আতঙ্কের নাম মার্শাল আইল্যান্ডস? কারণ প্রশান্ত মহাসাগরের জল বাড়ছে প্রতিনিয়ত। দ্বীপরাষ্ট্র পৌঁছে যাচ্ছে অবলুপ্তির কিনারায়। সেই ১৯৯৩ সাল থেকেই প্রতিবছর গড়ে প্রায় চার মিলিমিটার করে উঁচু হচ্ছে জলস্তর। পৃথিবীর জলস্তর বৃদ্ধির গড়ের তুলনায় যা দ্বিগুণ। অদূর ভবিষ্যতের ভয়ঙ্কর ছবিটা দিনের আলোর মত স্পষ্ট। মহাসাগরের জলের উচ্চতা আর এক মিটার বেড়ে গেলেই লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যাবে এই দ্বীপ। জল যদি আরও বাড়ে, তাহলে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে নৈসর্গিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ একটা গোটা দেশ।
তেজষ্ক্রিয় বিকিরণের ইতিহাস আর প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে চিরতরে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা – এই দুয়ের মধ্যে এখন মার্শাল আইল্যান্ডস। তবু একটা ফুটবল সযত্নে রাখা সেন্টার সার্কলে। বাইশ জোড়া পা তৈরি হচ্ছে, বুটের ফিতে বাঁধছে। দৌড়ের বাঁশি বাজল বলে। গোল পাক না পাক, তাদের ডিফেন্স মজবুত। কেমন ডিফেন্স? মাত্র পাঁচ বছর আগে এই দ্বীপের ফুটবল ফেডারেশনের পথ চলা শুরু। নতুন ফুটবল দল গঠন, জুনিয়র খেলোয়াড়দের লালনপালন এবং ফুটবলকে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়াই তাদের কাজ। হাজার মাইল দূরে বসেই ব্রিটেন থেকে নতুন ফুটবল দল তৈরির কাজ করছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা। ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের মধ্যে থাকতে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া মানুষগুলোর প্রতিবাদ, প্রতিরোধ, ঘুরে দাঁড়ানোর প্রক্রিয়াটা লক্ষ্য করার মতো। নতুন বল তৈরি হয়েছে, ‘নো হোম’ নামে বিশেষ জার্সি হয়েছে। জার্সিতে জ্বলজ্বল করছে –১.৫। পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে যাওয়ার বিপদ সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে সচেতন সজাগ করতেই এই নয়া উদ্যোগ। ওই জার্সির ছবি সোশাল মিডিয়ায় দেখার পর নেটিজেনরা নড়েচড়ে বসেছেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে – কোনো জার্সির ডান কাঁধ কাটা, কোনটার বাম হাতা, অন্য কোনোটার পেট, বুক। পরপর ছবিগুলোতে জার্সি যেন ছিঁড়েখুঁড়ে যাচ্ছে আরও। যেন তা ক্রমশ বিলুপ্ত হওয়ার মুখে। আমেরিকার দাদাগিরির বিরোধিতা এবং মার্শাল আইল্যান্ডস আর সে দেশের ফুটবলের বর্তমান সংকটকে যথাযথভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য এর চেয়ে অভিনব ভাবনা আর কী হতে পারত? খেলাকে কেন্দ্র করে প্রাকৃতিক সংকটের মধ্যে নিজেদের বাঁচিয়ে রাখার তীব্র আকুতি, মর্মবেদনা ব্যক্ত হয়েছে ওই জার্সিতে।
এই প্রসঙ্গেই এসে পড়ে পৃথিবীর অন্যতম পরিবেশ দুষ্কৃতি ডোনাল্ড ট্রাম্প সাহেবের আরও একটা ভয়ঙ্কর দাদাগিরির হুঙ্কারের কথা। মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া গাজা ভূখণ্ডকে নতুন করে সাজিয়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি গাজা দখল করার কথা ঘোষণা করেছেন। স্লোগান দিয়েছেন ‘মেক গাজা বিউটিফুল এগেন’। যদিও তার পিছনে আসল স্লোগানটা হল ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেন’। দেড় বছর ধরে চালিয়ে যাওয়া অনৈতিক অমানবিক ইজরায়েলি আক্রমণে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজা ভূখণ্ডের মহাশশ্মানে বলিপ্রদত্ত হয়েছেন ৪৬ হাজারের বেশি প্যালেস্তানীয় অধিবাসী। জখম, অসুস্থ ও পঙ্গু হয়ে এখনো কোনোক্রমে মৃত্যুর দোরগোড়ায় থেকে ফিরে আসা কয়েক লক্ষ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হবে বিভিন্ন প্রতিবেশী রাষ্ট্রে। তার জন্য সেই সেই রাষ্ট্রগুলোর কাছে দরবার করেছেন বিশ্বত্রাতার মহামানব ট্রাম্প অ্যান্ড কোম্পানি। ট্রাম্প বলেই দিয়েছেন, প্যালেস্তিনীয়দের গাজায় ফিরে যাওয়ার অধিকার দেওয়া হবে না। যদিও গাজার মানুষ এবং লড়াকু সংগঠন হামাসের নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ট্রাম্পের এই পরিকল্পনায় তাঁরা জল ঢালবেন। বলাই বাহুল্য, আমেরিকার গাজা দখলের বাসনা আন্তর্জাতিক নিয়মকানুনের বিরুদ্ধে। তাছাড়া সম্মিলিত জাতিপুঞ্জে অধিকাংশ দেশই স্বাধীন প্যালেস্তাইন রাষ্ট্র গঠনের কথাই বলেছে। তবুও অভ্যাসমত আগ বাড়িয়ে ট্রাম্প তাঁর লম্বা হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন গাজা পর্যন্ত। এমনকি ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হামাস বাকি ইজরায়েলি বন্দিদের মুক্তি না দিলে যুদ্ধবিরতি তুলে নেওয়া হবে বলেও হুমকি দিয়েছেন।
জর্ডন নদী দিয়ে আরও কত জল, রক্ত বয়ে যাবে তা ভবিষ্যৎই বলবে। প্রথমে ইজরায়েলকে প্রচুর পরিমাণে যুদ্ধাস্ত্র ও বিলিয়ন ডলারের সামরিক সাহায্য করে ৪৬ হাজারের বেশি মানুষকে মেরে গাজাকে মৃত্যুপুরীতে পরিণত করল বাইডেন প্রশাসন। এখন শকুনির মত গাজায় ঝাঁপিয়ে পড়তে চায় আমেরিকার পুঁজিপতিরা, নয়া বিনিয়োগের ডালি হাতে। মানুষের মৃত্যুকেও আজ পণ্যে পরিণত করতে হাত কাঁপে না লগ্নি পুঁজির মালিকদের। প্রায় একটা গোটা দেশকে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়ার পর সেই দেশকেই সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলার জন্য অধিবাসীদের হটিয়ে তার দখল নিয়ে নাকি পুনর্নির্মাণ করা হবে। যুদ্ধবাজ বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ঘাড় নেড়ে দোসর আমেরিকার এই প্রস্তাবে সায় দিয়েছেন। এদের ভালমানুষীর আসল উদ্দেশ্য সকলের কাছেই স্পষ্ট। গাজায় মার্কিন ও ইজরায়েলি পুঁজিপতিদের ব্যবসা করার সুযোগ করে দেওয়া। এই হচ্ছে আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদ, নয়া উপনিবেশবাদ।
পূর্ববর্তী পরিকল্পনামাফিক ট্রাম্প প্রশাসন কানাডা ও মেক্সিকো থেকে আমেরিকায় ঢোকা সমস্ত পণ্যের উপর ২৫% শুল্ক চাপিয়েছে। চীনের ক্ষেত্রে বাণিজ্য শুল্ক ধার্য হয়েছে ১০%। তবে ইজরায়েলকে এক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। জিগরি দোস্ত বলে কথা। বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা ঘনীভূত হচ্ছে ট্রাম্পের নতুন নতুন নীতি কার্যকর করার মধ্যে দিয়ে।
এবার তাকানো যাক ট্রাম্পের নতুন অভিবাসন নীতির দিকে। ক্ষমতায় এসেই তিনি ঘোষণা করেছেন – আমেরিকা থেকে সমস্ত অবৈধ অভিবাসীদের তাড়িয়ে দেওয়া হবে। শুরু হয়েছে বিতাড়ন প্রক্রিয়া। কানাডা, কলম্বিয়া সহ বিভিন্ন দেশ, এমনকি ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ বন্ধু আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীকেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে – আপনার দেশের বেআইনি অভিবাসীদের ফেরানো হবে।
কীভাবে চলছে এই বিতাড়ন বা উচ্ছেদ প্রক্রিয়া? খবরে প্রকাশ, হাতে-পায়ে শিকল পরিয়ে এই সমস্ত অসামরিক মানুষজনকে প্লেনে বসিয়ে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। আজকাল বোধহয় গৃহপালিত পশুদেরও এভাবে স্থানান্তরিত করা হয় না। আর কত নীচে নামবে হে, উন্নত দেশের সভ্য মানুষ? মানবিকতার এই চূড়ান্ত অপমান দেখে কলম্বিয়ার প্রধানমন্ত্রী গুস্তাভো পেত্রো গর্জে উঠেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন – এভাবে নিজের দেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেবেন না। স্বখরচায় স্বদেশের মানুষকে স্বাভাবিকভাবে ফিরিয়ে আনবে কলম্বিয়া। কুর্নিশ কলম্বিয়ার সরকারকে। কিন্তু আমাদের দেশের বিশ্বগুরু প্রধানমন্ত্রী নীরব থাকলেন, যখন কয়েকশো ভারতীয়কে অপমানজনকভাবে হাতকড়া পরিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হল। শুধু তাই নয়, ভারত সরকার জানিয়ে দিয়েছে, সমস্ত অবৈধ অভিবাসীদের ফিরিয়ে আনা হবে। এখানেই থেমে না থেকে আমেরিকার সঙ্গে সামরিক ও অর্থনৈতিক সুসম্পর্ক বজায় রাখতে দেশের অর্থমন্ত্রী বাজেটে আমেরিকা থেকে আমদানিকৃত বেশ কিছু পণ্যের উপর শুল্ক কমিয়ে দিয়েছেন। আরও একধাপ এগিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়ে দিয়েছে – তারা আরও ৩০ খানা পণ্যের উপর শুল্ক কমানোর কথা ভাবছে। ধন্য আমার দেশের সরকার! আসলে সবার আগে দেশের কর্পোরেটের বাণিজ্যিক স্বার্থ বজায় রাখাই ওদের মূল ধর্ম। এখানে কিন্তু কে হিন্দু, কে মুসলমান, কে খ্রিস্টান, কে শিখ তা বিচার করা হয় না।
এদিকে চীন আরও একবার আমেরিকার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়েছে। ২০ জানুয়ারি তারা প্রকাশ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন অ্যাপ ডিপসিক। এই বিনামূল্যে বিতরিত অ্যাপ বাজারে চালু মার্কিনি চ্যাটজিপিটির মত অ্যাপের চেয়ে অনেক কম খরচে একই কাজ করে ফেলতে পারে। এর ব্যবহারও শুরু হয়ে গেছে বহুল পরিমাণে। প্রযুক্তির প্রতিযোগিতামুখর বিশ্বে আমেরিকাকে পিছনে ফেলে চীন এক ধাপ এগিয়ে গেল বলেই মনে করা হচ্ছে।।
এবার কি তাহলে চীন-আমেরিকার মধ্যে প্রযুক্তি যুদ্ধ? সেই আভাস মিলছে ট্রাম্পের কণ্ঠে। উদ্বেগ না লুকিয়ে তাঁর স্পষ্ট নির্দেশ – আমেরিকার তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলো এবার তেড়েফুঁড়ে লাগুক এই প্রতিযোগিতায় জয় ছিনিয়ে আনতে। প্রতিযোগিতা, জয় ছিনিয়ে আনা, ইত্যাদি শব্দগুলোর অভিঘাতে উঠে আসে আসল কথাটা – রাজনীতি ও ক্ষমতার আস্ফালন এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতা কুক্ষিগত করে ডলার সম্রাজ্যকে চাঙ্গা করা। চীনকে উন্নততর চিপ রফতানি করা আমেরিকা আগেই বন্ধ করেছিল। তবুও শেষরক্ষা হল না। তার জ্বলন্ত প্রমাণ এই ডিপসিক। চীনের এই নতুন প্রযুক্তির ঠ্যালায় আমেরিকার এক বিরাট তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানি এক দিনে ৬০০ বিলিয়ন ডলার খুইয়েছে শেয়ারে বাজারে।
আরো পড়ুন আমেরিকায় বিধ্বংসী দাবানল: প্রকৃতি লুঠ করার শেষ কোথায়?
এই গ্রহের প্রাণ, প্রকৃতি, পরিবেশের সবচেয়ে বড় শত্রু হল মার্কিন সাম্রাজ্য। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পরে পরিবেশের জন্যে বিপদ আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে মার্কিন সাম্রাজ্য। ট্রাম্প ইতিমধ্যেই পরিবেশ রক্ষার জন্যে যে প্যারিস চুক্তি, তা থেকে বেরিয়ে আসার আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। কাগজের স্ট্রয়ের বদলে প্লাস্টিকের স্ট্র ব্যবহার ফের চালু করার আদেশও দিয়ে ফেলেছেন। ক্ষমতায় ট্রাম্পের প্রত্যেকটা দিন পরিবেশ বাঁচানোর লড়াইয়ের কফিনে একেকটা পেরেকের মত হয়ে উঠছে। মার্শাল আইল্যান্ডস থেকে নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ – পৃথিবীর সমস্ত কোণে এর ফলাফল ভোগ করতে হবে। তবে আশার কথা এই যে ট্রাম্প যতই আস্ফালন করুন, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্য আসলে কমছে। তা টিকিয়ে রাখতেই ট্রাম্পের যাবতীয় আস্ফালন।
মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।







