মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের করোনা পরিস্থিতি ও অতিমারী মোকাবিলার বিশৃঙ্খল প্রয়াস দেশটাকে বিশ্বের দরবারে হাস্যাস্পদ করেছিল বিগত বছরের অনেকটা সময় জুড়ে। একদিকে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ডিটারজেন্টের ইনজেকশন দিয়ে ভাইরাস দমনের অনবদ্য প্রস্তাব দিচ্ছিলেন, অন্যদিকে তাঁরই প্ররোচনায় তাঁর অনুগামীরা মাস্ক বর্জন এবং সামাজিক দূরত্ব তথা লকডাউন অমান্য করে নিজেদের অপরাজেয় প্রমাণ করতে বদ্ধপরিকর ছিলেন। দেশজুড়ে রোজ আক্রান্তের সংখ্যা এবং মৃত্যুর নতুন রেকর্ড তৈরি হচ্ছিল। সেই আমেরিকাই এই মুহূর্তে কোভিড-১৯ টিকাকরণে বেশ এগিয়ে। নতুন আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সংখ্যাও নিম্নগামী বা স্থিতিশীল। কীভাবে হল এই অসাধ্য সাধন? খুব সহজে বলে দেওয়া যায় যে বিত্তবান দেশ হিসাবে এ তো হবারই কথা, নইলে আর কিসের আমেরিকা! এটাও বলা যায় যে বিডেন সরকারের মঞ্চে প্রবেশ এবং কিছু কার্যকরী পদক্ষেপের কারণে এমনটা ঘটেছে। দুটোই সত্য, কিন্তু অতিসরলীকৃত। সে আলোচনাতে যাবার আগে একটু দেখা যাক এই মুহূর্তে ভ্যাক্সিনের ইঁদুর দৌড়ে কে এগিয়ে!

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের Oxford Martin Program on Global Development এবং Global Change Data Lab নামক বেসরকারি দাতব্য প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত প্রয়াস Our World in Data ওয়েবসাইট। সেই সূত্র অনুযায়ী পৃথিবীর ৮.২ শতাংশের সামান্য বেশি মানুষ ৭ই মে অবধি কোন না কোন কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিনের অন্তত একটি ডোজ পেয়েছেন। বলার অপেক্ষা রাখে না, যে সমস্ত কিছুর মত যেহেতু মানুষের বাঁচা মরার অধিকার এবং স্বাস্থ্যের অধিকার আজ পণ্য, ভ্যাক্সিনেশনে যা বৈষম্য তা দেখে গ্র্যান্ড ক্যানিয়নও লজ্জা পাবে। উদাহরণস্বরূপ কিছু দেশের অন্তত একটি ডোজ পাওয়ার শতাংশ দেখে নেওয়া যাক (৭ মে অবধি, অথবা শেষ পাওয়া আপডেট অনুযায়ী)।

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

  • ইজরায়েল: ৬৩%
  • সংযুক্ত আরব আমিরশাহী (UAE): ৬২%
  • ব্রিটিশ যুক্তরাজ্য: ৫২%
  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: ৪৫%
  • চিলি: ৪৪%
  • কাতার: ৩৮%
  •  জার্মানি: ৩২%
  • ব্রাজিল: ১৫%
  • ভারত: ১০%

অর্ধেকের বেশি মানুষ অন্তত একটি ডোজ পেয়েছেন এমন আরো নজির রয়েছে। বিশেষত আয়তন ও জনসংখ্যায় অপেক্ষাকৃত ছোট কিছু দেশে। যেমন ধরুন:

  • জিব্রাল্টার: প্রায় ১০০ শতাংশ
  • সিশেলস: ৬৯%
  • মালদ্বীপ: ৫৬%
  • ভুটান: ৬২%

ভ্যাক্সিনের সম্পূর্ণ ডোজ পেয়ে যাওয়া মানুষের সংখ্যা স্বাভাবিক কারণেই সব দেশেই একটু কম, কিন্তু প্রবণতা একই রকম:

  • ইজরায়েল: ৫৯%;
  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: ৩৩%;
  • ভারত: ২.৪%, ইত্যাদি।

সংক্ষেপে বলা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের করোনা টিকাকরণ কর্মসূচি আপাতত বিশ্বের সেরাদের মধ্যে। এ প্রসঙ্গে মানতেই হবে, যে ট্রাম্পবাবু ও তার সাঙ্গোপাঙ্গদের নেওয়া কিছু পদক্ষেপ অন্তত প্রথম দিকের দৌড়ে আমেরিকাকে কিছুটা এগিয়ে দিয়েছিল। (এই সত্য অবশ্য অন্য একটি সত্যের কাছে ম্লান হয়ে যায়। তা হল ওঁদের অবিমৃষ্যকারিতা, ক্ষমতালোলুপতা, এবং ঔদ্ধত্য ডিসেম্বর অবধি করজনি রতি দশটি  অনতত রটি জন )। ঠিক যেমন মোদীজির নেতৃত্বাধীন ভারত সরকার ী রতের এই বরতম িপরযয় জন দুটোর কোনটাই আমার মতামত নয়; এ হল ল্যানসেট নামক পৃথিবীর অন্যতম সেরা এবং দীর্ঘজীবী মেডিকেল জার্নালের বিশেষজ্ঞদের তথ্যভিত্তিক পর্যবেক্ষণ। ধমকধামক দিয়ে এইসব বেহায়া জার্নালগুলোর বক্তব্য ধামাচাপা দেওয়া কঠিন।

যা বলছিলাম। ট্রাম্প বাহিনী যখন দেখলেন যে কোনভাবেই আর এই অতিমারীকে ঢেকেঢুকে রাখা যাচ্ছে না, তৎক্ষণাৎ প্রতিষেধক তৈরি করানোকে পাখির চোখ করলেন। আমার মতন অনেকেরই ধারণা নভেম্বরের নির্বাচনই ছিল ওঁদের প্রকৃত লক্ষ্য, বাকি সব নিমিত্ত মাত্র। সামাজিক দূরত্বের পরামর্শ, জনসমাবেশ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ, মাস্ক পরা — এসব ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচার এবং অপরাজেয়, মাচো ভাবমূর্তি র সাথে বেমানান। প্রায় এক বছর আগে তৈরি হয় Operation Warp Speed নামক বিশাল পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ। বলা বাহুল্য, এই পদক্ষেপ অনেকের মনেই সন্দেহের উদ্রেক করেছে, যার পরিণাম টিকাকরণ সম্পর্কিত দ্বিধা বৃদ্ধি। যাঁরা অন্যান্য টিকা নিতে দ্বিধাগ্রস্ত নন (অর্থাৎ “anti-vaxxer” নন), তাঁরা অনেকে দুবার, অনেকে দুশোবার ভেবে দেখেছেন এই চটজলদি অনুমোদন পাওয়া করোনা নিবারক আদৌ ভরসাযোগ্য কিনা। এমনিতেই আফ্রিকান আমেরিকান ও অন্যান্য সংখ্যালঘুরা সঙ্গত (ঐতিহাসিক) কারণে মার্কিন প্রথাগত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও মানুষকেন্দ্রিক গবেষণাকে সন্দেহের চোখে দেখেন। এ প্রসঙ্গে দুটো নামোল্লেখ করে বাকিটা “জয় গুগল” বলে ছেড়ে দিলাম। ১) আলাবামার তুস্কেগী শহরের কুখ্যাত সিফিলিস গবেষণা (Tuskegee Syphilis Study)। ২) হেনরিয়েটা লাক্স (Henrietta Lacks)। এতদসত্ত্বেও কিছু সার্ভেতে দেখা যাচ্ছে আফ্রিকান আমেরিকান এবং শেতাঙ্গদের মধ্যে কোভিড ভ্যাক্সিন বিমুখতার বিরাট ফারাক নেই। কেউ কেউ মনে করেন যে সংখ্যালঘুরা অপেক্ষাকৃত তাড়াতাড়ি তাঁদের ভ্যাক্সিন দ্বিধা কাটিয়ে ওঠেন। সেই তুলনায় শেতাঙ্গ টিকাদ্রোহীদের অবস্থান অনেক সময়ে বেশি অনমনীয়।

যাই হোক, আমেরিকান ফেডেরাল গভমেন্ট ব্যাপক বিনিয়োগ করেন Pfizer এবং Moderna ভ্যাক্সিনগুলোতে এবং তার পরিবর্তে দশ লক্ষাধিক ডোজের প্রতিশ্রুতি আদায় করেন। এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো যে এহেন পদক্ষেপ যথেষ্ট অ-মার্কিন। এই প্রসঙ্গে জুলাই ২২, ২০২০ তারিখে নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত সারাহ ক্লিফের রতিদন কিছু অংশ উদ্ধৃত করা যায়: “The Trump administration’s commitment on Wednesday to purchase 100 million doses of a not-yet-finished vaccine is unusual in two ways. The private sector buys most vaccines in the United States, not the government.

The drug industry has lobbied to keep things that way; private payers usually pay more for vaccines than the government does.

And when the government does buy vaccines — typically on behalf of low-income children — it is almost always vaccines that have already received safety and efficacy approval from the Food and Drug Administration….”

সারমর্ম হল, ট্রাম্প সরকারের এই ১০০ মিলিয়ন (১০ কোটি) ভ্যাক্সিন ডোজ কিনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি নজিরবিহীন না হলেও বিরল। একেই তো আমেরিকাতে এইসব কেনাকাটা সাধারণত বেসরকারি ক্ষেত্রে করে থাকে (এবং ওষুধের বহুজাতিক সংস্থাগুলোর কেন তাতে মহানন্দ তা সহজেই অনুমেয়)। দ্বিতীয়ত, সরকার অনেক সময়ে নিম্নবিত্ত পরিবারের শিশুদের জন্য প্রতিষেধক কিনে থাকেন, কিন্তু সেই সমস্ত প্রতিষেধক তাদের উপকারিতা (efficacy) ও নিরাপত্তা (safety) অনুযায়ী আগেই ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FDA)-এর অনুমোদনপ্রাপ্ত হয়।

আমার মনে হয় অনেক ঘোরতর ট্রাম্প বিরোধী পরিস্থিতির নিরিখে এহেন পদক্ষেপের সাথে একমত হয়েছিলেন। জনগণের ট্যাক্স ডলারের ব্যাপারে যারা মিতব্যয়ী, তারাও মাথা চুলকে স্বীকার করে যে বাজি যদি রাখতেই হয়, এরকম প্রয়োজনেই রাখা যেতে পারে। ঐ একই নিবন্ধে সারাহ ক্লিফ আরো লিখেছেন যে ইতিপূর্বে ২০০৯-এর মে মাসে H1N1 (সোয়াইন ফ্লু) অতিমারী চলাকালীন ওবামা সরকার এরকম বাজি ধরেছিল। মার্কিন সরকার ফরাসি সংস্থা Sanofi-কে ১৯০ মিলিয়ন ডলারের বরাত দেন নতুন এই ভাইরাসের মোকাবিলায় ভ্যাক্সিন বানানোর জন্য। সেই ভ্যাক্সিন ছ মাস পরে ক্লিনিকাল ট্রায়ালে উত্তীর্ণ হয়। বলা বাহুল্য, এ ধরণের প্রয়াস সময়ে সময়ে প্রবল বিরোধের মুখোমুখিও হয়েছে । মোদ্দা কথা হল, সরকার বাহাদুর জনগণের হয়ে ওষুধপত্রের দরদাম করার ত্রিসীমানার মধ্যে গেলে ওষুধ/ভ্যাকসিন/যন্ত্রপাতি নির্মাতা হোমরা চোমরা, কর্পোরেট দাদা দিদি ও তাদের অনুদানে পরিপুষ্ট রাজনীতিবিদদের মধ্যে গেল গেল রব ওঠে। কিন্তু ২০২০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জেতার তাগিদ বুঝি অনেক কিছু গুলিয়ে দিল!

ফাস্ট ফরোয়ার্ড করি কয়েক মাস। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে Pfizer-BioNTech এবং Moderna কোভিড-১৯ প্রতিষেধককে জরুরী ভিত্তিতে ব্যবহারের অনুমতি (Emergency Use Authorization) প্রদান করা হয় যথাক্রম ১১ এবং ১৮ ডিসেম্বর | Pfizer-BioNTech-এর অনুমোদন ১৬ বছর ও তদূর্ধ্বদের টিকাকরণের জন্যে; Moderna ভ্যাকসিন অনুমোদিত হল ১৮ এবং তদূর্ধ্বের জন্যে। টিকাকরণ শুরু হয় ১৪ ডিসেম্বর থেকে। এ বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুমোদন পেল Johnson’s Janssen (J&J/Janssen) এর কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিন, ১৮ বছর এবং তদূর্ধ্বদের জন্য। অনেকেই শুনে থাকবেন, এই শেষোক্ত প্রতিষেধকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ দেখা দেওয়ার পর কিছুদিন এর ব্যবহার স্থগিত রেখে, ঘটনাগুলো খতিয়ে দেখে এর উপকারিতা, অপকারিতার তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে উপকারিতার পাল্লা ভারী — এই সিদ্ধান্তে এসে এপ্রিলের শেষ দিকে আবার এর ব্যবহার শুরু হয় আমেরিকাতে। এই একক ডোজ (single shot) ভ্যাক্সিনটি যদি নিরাপদে আরো ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হয়, পৃথিবী জুড়ে করোনা নিয়ন্ত্রণে এক বিরাট ভূমিকা নিতে পারে। এর জটিলতা সম্বন্ধে রিপোর্ট এলেই তার যথাসম্ভব পুঙ্খানুপুঙ্খ স্বচ্ছ অনুসন্ধান অত্যন্ত জরুরি।

এত কিছুর পরেও কিন্তু এ বছরের শুরুর দিকে, অন্তত মাসখানেক বা তার বেশি সময় জুড়ে মার্কিন মুলুকে ভ্যাক্সিন পরিস্থিতি বেশ অগোছালো ছিল। একদিকে চাহিদা তখন সরবরাহের থেকে বেশি, অন্যদিকে প্রয়োগের ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া থেকে শুরু করে, সাইট ক্র্যাশ করে যাওয়া, অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়া সত্ত্বেও বহুক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে ফেরত আসার মত সমস্যা দেখা দিয়েছিল। অর্থাৎ যতরকম জটিলতা স্বল্প সময়ে এরকম বিশাল কর্মকান্ডের আয়োজন করলে হতে পারে, কমবেশি সমস্ত রাজ্যেই তা দেখা গিয়েছিল। ধীরে ধীরে নিরলস প্রচেষ্টার দ্বারাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

মনে রাখতে হবে যে অনেককিছুর মতোই এ ক্ষেত্রেও সম্ভাবনা বা লাকের ভূমিকা থেকেই যায়। অনেকেই সহমত হবেন যে আগাম মজুদ করা ভ্যাক্সিনগুলো ট্রায়ালে উত্তীর্ণ না হলে ফাঁপরে পড়তে হবে। আর একটা মজার ব্যাপার দেখুন, যে মার্কিন দেশের “ফেলো কড়ি মাখো তেল” ব্যাপার স্যাপারকে আমরা অনেকেই বাহবা দিই, সেই দেশ কিন্তু চরম সঙ্কটে কড়ি না নিয়েই তেল দেবার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। শেষ করছি Centers for Disease Control and Prevention (CDC) ওয়েবসাইট থেকে কয়েকটা লাইন তুলে ধরে। প্রতিটি শব্দ কিন্তু খুব জরুরি!

কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিনের খরচ কে দিচ্ছে?

ফেডেরাল গভমেন্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী সমস্ত মানুষকে তাঁদের ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস বা স্বাস্থ্যবিমার অবস্থা নির্বিশেষে বিনামূল্যে ভ্যাক্সিন দিচ্ছেন।

কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিন প্রদানকারী যা যা করতে পারে না:

  • আপনার কাছ থেকে ভ্যাক্সিনের দাম চাইতে পারে না।
  • কোন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ফি, কো-পে বা কো-ইনশিওরেন্সের জন্য সরাসরি টাকা চাইতে পারে না।
  • স্বাস্থ্যবিমা কভারেজ না থাকার কারণে, কম কভারেজ থাকার কারণে অথবা নেটওয়ার্কের বাইরে থাকার কারণে কাউকে ভ্যাক্সিন দিতে অস্বীকার করতে পারে না।
  • যদি একমাত্র কোভিড-১৯ পরিষেবাই দিয়ে থাকে তাহলে ভ্যাক্সিন গ্রহীতার থেকে কোন অফিস ভিজিট বা অন্য ফি চাইতে পারে না।
  • কোন ব্যক্তিকে কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিন নেওয়ার জন্য সঙ্গে অন্য কোন পরিষেবা নিতেই হবে বলতে পারে না; তবে একইসঙ্গে অতিরিক্ত স্বাস্থ্য পরিষেবা দিতে পারে এবং সে জন্য বিল করতে পারে।

কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিন প্রদানকারী যা যা করতে পারে:

  • ভ্যাক্সিন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ফি-র জন্য ভ্যাক্সিন গ্রহীতার প্ল্যান বা প্রোগ্রাম (যেমন বেসরকারি স্বাস্থ্যবিমা, মেডিকেয়ার, মেডিকেইড) থেকে উপযুক্ত রিইমবার্সমেন্ট চাইতে পারে। তবে প্রদানকারী এইভাবে যে টাকা পেলেন না, সেই অংশ গ্রহীতার কাছে দাবি করতেপারে না
  • বিমাবিহীন ভ্যাক্সিন গ্রহীতাদের জন্য Health Resources and Services Administrations COVID-19 Uninsured Programexternal icon থেকে রিইমবার্সমেন্ট চাইতে পারে।

তথ্যসূত্র

১। https://www.thelancet.com/journals/lancet/article/PIIS0140-6736(20)32545-9/fulltext

২। https://www.thelancet.com/journals/lancet/article/PIIS0140-6736(21)01052-7/fulltext#.YJT9gI6enDY.twitter

৩। https://www.nytimes.com/2020/07/22/upshot/vaccine-coronavirus-government-purchase.html

৪। https://www.cdc.gov/coronavirus/2019-ncov/vaccines/faq.html?s_cid=10473:will%20covid%20vaccine%20be%20free:sem.ga:p:RG:GM:gen:PTN:FY21

৫। https://www.hrsa.gov/coviduninsuredclaim

ছবি Wikipedia ও Japan Times এর website থেকে।

লেখক রোড আইল্যান্ড কলেজের অধ্যাপক। মতামত নিজস্ব, প্রতিষ্ঠানের নয়।

Leave a Reply