অনিন্দ্য হাজরা

নিজের নির্বাচনী প্রচারে আমেরিকার বর্তমান রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার বলেছিলেন, তিনি নাকি যুদ্ধ থামিয়ে দেবেন। দ্বিতীয়বারের জন্য হোয়াইট হাউজে ঢুকতে পারলেই তিনি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে চলা যুদ্ধগুলি, যার জন্য গোটা বিশ্বের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে, সেগুলিকে বন্ধ করবেন। সেই তালিকায় একদিকে যেমন ছিল ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, ঠিক তেমনই মধ্যপ্রাচ্যে ইজরায়েলের প্যালেস্তাইন আক্রমণ বন্ধ করার পাশাপাশি ওই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতিও তিনি দিয়েছিলেন।

বাস্তব যদিও সম্পূর্ণ অন্য কথা বলছে। ট্রাম্প রাষ্ট্রপতি হওয়ার পরে পাঁচ মাসের বেশি সময় কেটে গেলেও এই প্রতিশ্রুতি তিনি পূরণ করতে পারেননি। উন্নতির বদলে প্রতি ক্ষেত্রেই পরিস্থিতি আরও জটিল এবং ঘোরালো হয়েছে। সেই তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন হল ইরান আর ইজরায়েলের সরাসরি যুদ্ধে জড়ানো।

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন

~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

ট্রাম্প রাষ্ট্রপতি হওয়ার পরে একটি ধারণা তৈরি হয় যে, তিনি অনন্ত যুদ্ধের জাঁতাকল থেকে আমেরিকাকে বের করে আনবেন ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিতে। জো বাইডেন রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন তাঁকে বিঁধে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘বাইডেন আমাদের ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াতে চায়। তাঁর [বাইডেনের] আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা নেই, কারণ তিনি অপদার্থ।’ কিন্তু সেই ট্রাম্পের সময়কালেই আধুনিক পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথমবার সরাসরি যুদ্ধে জড়াল ইরান আর ইজরায়েল।

যদিও এমন ঘটনা প্রথম নয়। ২০১৫ সালে বারাক ওবামার আমলে ইরানের সঙ্গে সম্মিলিতি জাতিপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ সদস্য এবং জার্মানি ও ইউরোপিয় ইউনিয়নের পরমাণু চুক্তি (জয়েন্ট কমপ্রিহেন্সিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন) স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ২০১৮ সালে সেই চুক্তি ভেঙে ইরানের উপর আর্থিক নিষেধাজ্ঞার বিপুল বোঝা চাপিয়েছিলেন ট্রাম্প। চুক্তি ভাঙার সপক্ষে হোয়াইট হাউজ থেকে সরকারি বিবৃতি জারি করে বলা হয় ‘এটা একটা জঘন্য চুক্তি। এটা একপাক্ষিক চুক্তি। এই চুক্তি কোনো শান্তি আনেনি, আনতে পারে না।’ আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা মোটের উপর সহমত যে বর্তমানে ইরান-ইজরায়েল সংঘাত কিংবা ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় শুরু হওয়া সংকট – এসবের মূলে রয়েছে ট্রাম্পের সেই চুক্তিভঙ্গ।

পরমাণু চুক্তি ভাঙার সপক্ষে জনমত তৈরি করতে একাধিক সভা এবং সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্প বলেছিলেন ‘ইরানের সঙ্গে হওয়া চুক্তির গোড়ায় গলদ রয়েছে। বর্তমান চুক্তির পচাগলা, ভেঙে পড়া কাঠামো দিয়ে আমরা ইরানকে পরমাণু বোমা তৈরি থেকে আটকাতে পারব না।’ তার বদলে তাঁর অভিপ্রায় ছিল, সর্বাত্মক শক্তি দিয়ে ইরানের উপর ভয়ঙ্কর চাপ তৈরি করা, যাতে তারা পরমাণু বোমা তৈরি করার কথা স্বপ্নেও না ভাবে।

সেই নীতির কী ফল হয়েছে তা আজ গোটা বিশ্ব দেখতে পাচ্ছে। কূটনৈতিক ব্যর্থতা ইরান ও তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের সরাসরি সংঘাতের মুখে ঠেলে দিয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্টের উত্তর সম্পাদকীয় প্রবন্ধে গত শুক্রবার ম্যাক্স বুট লিখেছেন ‘নিখুঁত না হলেও ইরানের পরমাণু বোমা তৈরির প্রকল্প মোকাবিলার ক্ষেত্রে সবথেকে কার্যকরী ছিল ২০১৫ সালের চুক্তি। সেই চুক্তির ফলে পরমাণু বোমা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ৯৭% ফিসাইল বস্তু এবং সেন্ট্রিফিউজের দুই তৃতীয়াংশ নষ্ট করতে রাজি হয়েছিল ইরান। এছাড়াও তাদের পরমাণু প্রকল্পকে আন্তর্জাতিক দুনিয়ার সামনে মেলে ধরেছিল তেহরান। ইরান চুক্তি ভঙ্গ করে বোমা তৈরি শুরু করলেও সেই ক্ষেত্রে কম করে এক বছরের বেশি সময় বা ‘ব্রেক আউট টাইম’ লাগত। বর্তমানে সেটা কমে দাঁড়িয়েছে এক কিংবা দুই সপ্তাহে।’

নিজের যুদ্ধবিরোধী ভাবমূর্তি ধরে রাখতে ইরান-ইজরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমেরিকার সেক্রেটারি অফ স্টেট মার্কো রুবিও বিবৃতি দিয়েছিলেন ‘ইরান নিজের সিদ্ধান্তে সংঘর্ষ শুরু করেছে। আমেরিকার এতে কোনো ভূমিকা নেই।’

যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটাও মিথ্যা কথা। দ্য টাইমস অফ ইজরায়েল-এ ১৩ জুন লাজার বেরমান এক প্রতিবেদনে লিখেছেন, সংঘর্ষ শুরু হওয়ার আগে ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি নিয়ে যে আলোচনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চালাচ্ছিল, তা নিছক নাটক। সামরিক পরিভাষায় যাকে বলে ‘ডিসেপশন’। ইজরায়েলের অন্যতম বহুল প্রচারিত এই সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, পরমাণু চুক্তি নিয়ে বৈঠক চালিয়ে গিয়ে ইরানকে আমেরিকা ছদ্ম আশ্বাস দেওয়ার চেষ্টা করে যে আর যা-ই হোক, যুদ্ধ হবে না। সেই ছদ্ম আশ্বাসের ফাঁক দিয়েই অতর্কিতে হামলা করে ইজরায়েল, এবং ইরানের প্রথম সারির পরমাণু বিজ্ঞানী থেকে শুরু করে সামরিক কর্তাদের হত্যা করা হয়।

এই যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা সেখানেই সীমাবদ্ধ নয়। মিডল ইস্ট আই-এর ১৩ জুনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালানোর ফাঁকেই ইজরায়েলকে তিনশোর কাছাকাছি হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র পাঠিয়েছিল আমেরিকা। সুতরাং ট্রাম্প প্রশাসন যতই বলার চেষ্টা করুক ইজরায়েলের সামরিক অভিযান সম্পর্কে তারা কিচ্ছুটি জানত না, বাস্তব অন্য কথা বলছে।

আমেরিকা এবং ইজরায়েলের এই সামরিক অভিসারের ফলে নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যে নজিরবিহীন অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। শনিবার ইরান তেল আভিভে লাগাতার হামলা চালানোর পর সরাসরি ইরানের তেলের ভাণ্ডারে হামলার হুমকি দিয়েছে ইজরায়েল। পালটা লোহিত সাগর এবং পারস্য উপসাগরে জাহাজ চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে রেখেছে ইরান। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সাহায্যে ভারত মহাসাগরেও এই অশান্তির রেশ ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান।

আরো পড়ুন বন্দুকপন্থী ট্রাম্প আক্রান্ত হতেই ইরানের দোষ?

আমেরিকার এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এআইএ) ২০২৩ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রতিদিন দুই কোটি ১০ লক্ষ ব্যারেল খনিজ তেল পারস্য উপসাগর দিয়ে বাহিত হয়, যা গোটা বিশ্বের তেলের জোগানের ২০%-২১%। প্রতিবছর সমুদ্রপথে বেচাকেনা হওয়া তেলের মোট ৩০%-৩৫% ওই অঞ্চল দিয়ে যাতায়াত করে। একইভাবে লোহিত সাগর দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৬২ লক্ষ ব্যারেল তেল যাতায়াত করে, যা সারা বিশ্বের সমুদ্র মারফত তেল বাণিজ্যের প্রায় ১০%।

এই মুহূর্তে এক ব্যারেল অপরিশোধিত খনিজ তেলের দাম ৭৪-৭৫ ডলার। জেপি মর্গানকে উদ্ধৃত করে দি ইকনমিক টাইমস ১৩ জুন লিখেছে, ওই অঞ্চলে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়লে সেই দাম ব্যারেল পিছু ১২০ ডলার ছাড়াতে পারে। তার ফল গোটা পৃথিবীকে ভুগতে হতে পারে। ভারতে তেলের দাম একবার বাড়লে আর কমে না। ফলে পরিস্থিতি কী হতে পারে তা সহজেই অনুমান করা যায়। এর পাশাপাশি সংঘর্ষের ফলে তেলবাহী জাহাজের বিমা খরচও বাড়বে। ঘুরপথে তেল আনার খরচও বেশি হবে স্বাভাবিকভাবেই।

সমুদ্রপথে আসা খনিজ তেলের উপরেই ভারত, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়ার মত দেশগুলোর অর্থনীতি টিকে রয়েছে। এই যুদ্ধের প্রভাব এই দেশগুলোতে পড়ার মানে হল শেয়ার বাজারে ধস। এই যুদ্ধ বেশিদিন চললে কাতার, কুয়েত, ইরাকের মত পারস্য উপকূলের দেশগুলিও সমস্যায় পড়বে, কারণ তাদের কাছে সমুদ্রপথে তেল বিক্রি করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও তাঁর উগ্র দক্ষিণপন্থী গা জোয়ারির রাজনীতি গোটা মধ্যপ্রাচ্যকে অশান্ত করে রেখেছে। এক কিংবা দুই বছর নয়, সেই নয়ের দশক থেকে নিজের রাজনীতির স্বার্থে এই অঞ্চলে অস্থিরতা তৈরি করে চলেছেন নেতানিয়াহু। অসলো চুক্তির মাধ্যমে সেইসময়েই প্যালেস্তাইন সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু উগ্র দক্ষিণপন্থী রাজনীতির হাত শক্ত করার জন্য ঘোষিতভাবে সেই চুক্তিকে ‘সাবোতাজ’ করেছেন নেতানিয়াহু। সাম্প্রতিককালে এ কাজে তাঁর সবথেকে বড় বন্ধুর ভূমিকা নিয়েছেন ট্রাম্প।

এই আবহেই ইজরায়েল ইরান আক্রমণ করার পর ইউটিউব চ্যানেল জাজিং ফ্রিডমকে জেফ্রি স্যাক্স এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন ‘বর্তমান পৃথিবীতে কূটনীতির অবলুপ্তি ঘটেছে। আমরা এক ধরনের ফ্যাসিবাদী সময়ে বাস করছি। হয় তোমায় আমার পূর্ণ বশ্যতা স্বীকার করতে হবে, নইলে তোমায় পিষে মারা হবে।’

তা সত্ত্বেও যুদ্ধবিরোধী ভাবমূর্তি বজায় রেখে বিপুল আর্থিক মুনাফা করে চলেছেন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি। ট্রাম্পের ২০২৪ সালের আর্থিক হিসাব অনুযায়ী, ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ ব্র্যান্ডের জামা, জুতো এবং ঘড়ি বিক্রি করে তিন মিলিয়ন ডলারের বেশি আয় হয়েছে। ট্রাম্পের লেখা সেভ আমেরিকা বইটি বিক্রি করে আরও তিন মিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে। মজার কথা, ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ বা ‘মাগা’ ব্র্যান্ড দাঁড়িয়ে আছে বিদেশের ব্যয়বহুল যুদ্ধগুলি থেকে আমেরিকাকে বের করে আনার উপরে।

এর মধ্যে আরেক রাজনৈতিক বিনোদন হল ট্রাম্পের সঙ্গে পুঁজিপতি ইলন মাস্কের বিরোধ। মে মাসে ট্রাম্প ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল’ নামে একটি বিল পাশ করিয়েছেন। সেই বিলের আর্থিক অসঙ্গতির দিকগুলিকে তুলে ধরে মাস্ক বলেছেন ‘এই বিল অসভ্যতার নামান্তর।’ এছাড়াও তিনি জেফ্রি এপস্টাইন ফাইল প্রকাশের দাবিও জানিয়েছেন। মাস্ক নিজের এক্স হ্যান্ডেলে দাবি করেছেন, শাস্তিপ্রাপ্ত যৌন উৎপীড়ক এপস্টাইনের ফাইলে ট্রাম্পের নাম আছে এবং তাঁকে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে বরখাস্ত করা দরকার। পালটা নিজের মালিকানাধীন সোশাল মিডিয়া ট্রুথে ট্রাম্প মাস্কের সম্পর্কে একাধিক আপত্তিকর মন্তব্য করেন ট্রাম্প। পরবর্তীকালে অবশ্য মাস্ক নিজের পোস্টগুলি মুছে ফেলে বলেন ‘একটু বেশি বাড়াবাড়ি করা হয়ে গিয়েছিল।’ প্রকাশ্যে ট্রাম্পও সুর নরম করেন। যদিও হোয়াইট হাউজের বিভিন্ন সূত্রের দাবি, প্রকাশ্যে যা-ই দেখানো হোক, বাস্তবে এই শৈত্য একেবারেই কাটেনি।

এগুলি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ট্রাম্পের কাজের ধরন খুঁটিয়ে লক্ষ করলে দেখা যাবে, যা-ই প্রতিশ্রুতি দিন না কেন, তিনি তা পূরণ করতে ব্যর্থ হন, ঘেঁটে ঘ করে ফেলেন। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ইরান প্রশ্নে শক্তিশালী ভূমিকা নেওয়ার কথা বললেও, শেষপর্যন্ত সামলে উঠতে পারেননি এবং আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতাকে নেতানিয়াহুর মত ধূর্ত রাজনীতিবিদের কাছে বন্ধক রাখতে বাধ্য হয়েছেন।

ট্রাম্পের অধ্যায় আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যে আন্তর্জাতিক শান্তি এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে কূটনীতির কোনো বিকল্প হতে নেই। আলোচনার মাধ্যমেই যে কোনো সমস্যার সমাধান মিলতে পারে। সোশাল মিডিয়ার গরম গরম পোস্ট মিডিয়া ফুটেজ দিতে পারে। কিন্তু স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজন নম্রতা, ধৈর্য এবং আলোচনা। দুঃখের বিষয়, বর্তমান বিশ্বে এই মূল্যবোধের জায়গা নিয়েছে দেখানেপনা।

নিবন্ধকার সাংবাদিক, বর্তমানে ব্রিটেনে স্নাতকোত্তর স্তরে পাঠরত। মতামত ব্যক্তিগত

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.