ব্রাজিলের সদ্যসমাপ্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বামপন্থী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা, ওরফে লুলা, বিদায়ী রাষ্ট্রপতি ও দক্ষিণপন্থী লিবারেল পার্টির নেতা জেয়ার বলসোনারোকে হারিয়ে ১২ বছর পর রাষ্ট্রপতি হলেন। টানটান এই লড়াইয়ে লুলা পেয়েছেন ৫০.৯% ভোট, আর বলসোনারো পেয়েছেন ৪৯.১% ভোট।

অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, এই নির্বাচন ব্রাজিলে ১৯৬৪ থেকে ১৯৮৫ অবধি চলা সামরিক শাসন পরবর্তী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনগুলোর অন্যতম। বলসোনারোর ফ্যাসিবাদী শাসন দেশকে অভাবনীয় বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে – এমন মত অনেকেরই। দু দশকের ভয়ানক সামরিক শাসনের খোলাখুলি সমর্থনকারী এই প্রাক্তন সেনাকর্মীর নেতৃত্বে ব্রাজিলের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ধ্বংস করার সমস্ত চেষ্টাই হয়েছে। পুলিশ, সেনা, বুর্জোয়া মিডিয়া ব্যবহার করে বলসোনারো সরকার অন্যায়ভাবে বিরোধী কণ্ঠগুলোকে দমন করেছে এবং বিরোধী আন্দোলনগুলোকে কালিমালিপ্ত করতে সফল হয়েছে। তার আমলে ভয়ানক বেড়েছে পুলিসি অত্যাচার এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ঘটনা। সেনা এবং আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবসায়ী সংস্থার সমর্থনপ্রাপ্ত বলসোনারো বন্দুক সংক্রান্ত আইন শিথিল করতে এবং পুলিশের সতর্কতামূলক শক্তি বাড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যক্ষ সমর্থক। চূড়ান্ত গরিববিরোধী আইন প্রণয়নের মধ্য দিয়ে নয়া উদারবাদী নীতি অনুসরণ করে তার সরকার পেট্রোবাসের মতো নামী সরকারি তেলের কোম্পানিসহ অন্যান্য দেশিয় সম্পদ বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের শরিক বলসোনারো সরকার ওয়াশিংটনের সুবিধা করে দেওয়ার জন্যই তার দেশের শ্রমজীবী ও আদিবাসী জনজাতির মানুষের জীবন নির্লজ্জের মত বাজার অর্থনীতির হাতে তুলে দিয়েছে। সবচেয়ে মারাত্মক হল, আমাজনের জঙ্গল কর্পোরেটদের হাতে বেচে দেওয়ার নোংরা ষড়যন্ত্র করেছে ওই সরকার। দুনিয়ার ফুসফুস আমাজনের জঙ্গল বিশ্বের ১৪% পাখি, ১৮% ভাস্কুলার উদ্ভিদের বাসস্থান। আমাজনে বলসোনারো সরকারের প্রথম তিন বছরে ৩৪,০০০ বর্গকিলোমিটার অরণ্য ধ্বংস হয়েছে, যার জেরে লক্ষ লক্ষ আদিবাসী মানুষ এবং ততোধিক পশুপাখির জীবন বিপন্ন।

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

চরম প্রতিক্রিয়াশীল ও বিজ্ঞানমনস্কতার শত্রু বলসোনারো বিভিন্ন পরিবেশ বিজ্ঞান সংস্থার অর্থবরাদ্দ কমিয়ে দিয়েছে, বেআইনি খনন আর অরণ্য ধ্বংস রোধ করার আইন বাতিল করেছে এবং আরও নানাভাবে বৃহৎ কৃষি-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাণিজ্যিকভাবে গরু চরানো (গোমাংসের জন্য) এবং সয়া উৎপাদনের জন্য আমাজন ধ্বংসের কাজে সাহায্য করেছে। পৃথিবীব্যাপী কোভিড-১৯ অতিমারীর সময়ে বলসোনারো সরকারের চূড়ান্ত অমানবিক, অবৈজ্ঞানিক ও বর্বরোচিত নীতি সারা বিশ্বে নিন্দার ঝড় তুলেছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী ব্রাজিলে ৫,৫০,০০০-এর বেশি মানুষ কোভিডে মারা গেছেন। বলসোনারো কোভিডকে “সামান্য জ্বর” বলে মার্কিন সংস্থা ফাইজারের থেকে ভ্যাকসিন নিতে অস্বীকার করে। মৃত্যুমিছিলের মধ্যেই শপিং মল, গির্জা খোলা রেখে দেয়, অসুখের পরোয়া না করে মিটিং-মিছিল করে যায়, লকডাউন প্রয়োগকারী গভর্নর এবং সুপ্রিম কোর্টের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীকে উস্কে দেয়, বিভিন্ন অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কোভিড সারিয়ে তোলার পক্ষে সওয়াল করে। ব্রাজিলের কংগ্রেসের তদন্ত অনুযায়ী, বলসোনারো সরকার বেআইনিভাবে ভ্যাকসিন ডোজ প্রতি এক ডলার ‘কিকব্যাক’ দাবি করেছিল এক সংস্থার থেকে।

ওই সরকারের বহু হর্তাকর্তা দুর্নীতিতে অভিযুক্ত। এহেন ফ্যাসিবাদী, দুর্নীতিগ্রস্ত, উদারনৈতিক সরকারের পক্ষে দরাজ সমর্থন ছিল ব্রাজিলের উচ্চবর্গীয় অভিজাতদের, যাদের মধ্যে প্রধান হল সামরিক ব্যক্তিত্ব, কৃষি-ব্যবসায়ী কর্পোরেট, সুবিধাবাদী লিবারেল পার্টিগুলো এবং গোঁড়া খ্রিস্টান ইভাঞ্জেলিকাল গোষ্ঠীর লোকজন। আত্মমগ্ন, ক্ষমতালোভী, উগ্র জাতীয়তাবাদী বলসোনারো এদের কাছের মানুষ। তার হার এক অর্থে ব্রাজিলিয় অভিজাত শ্রেণির হার।

বলসোনারো সরকার সম্পর্কে এত কথা বলার একমাত্র কারণ, লুলার এই ঐতিহাসিক জয়ের তাৎপর্য বোঝানো। পেশায় ইস্পাত শ্রমিক লুলা গত শতকের সাত-আটের দশকে অগণতান্ত্রিক সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে জোরালো কণ্ঠস্বর হিসাবে নিজেকে স্থাপন করেছিলেন। অসম্ভব কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধিসহ আরও অনেক দাবি নিয়ে ধাতু শ্রমিকদের সংগঠিত করতে করতে লুলা হয়ে যান তাঁদের আত্মার আত্মীয়। অসংখ্য প্রতিকূলতা পেরিয়ে যখন বামপন্থী প্রগতিশীল ওয়ার্কার্স পার্টি তৈরি হয় ১৯৮০ সালে, লুলা ছিলেন তার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। কোনোদিনই সেভাবে প্রথাগত পড়াশোনা না করতে পারা লুলা ব্রাজিলের গরিব কৃষক, শ্রমিকদের সাম্যবাদের গভীর পাঠ দিতে থাকেন। ট্রেড ইউনিয়ন সব শ্রমিকের অধিকার – এই স্লোগান তুলে সেইসময় দশকে শ্রমিক আন্দোলনকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার আন্দোলনের সঙ্গে জুড়ে দিতে সক্ষম হন তিনি। তীব্র নয়া উদারবাদের হাওয়ার মধ্যে লুলা কৃষিজমির সমবন্টন, ফসলের উচিৎ দাম, পুঁজির উপর শ্রমের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করার সংগ্রামের মধ্য দিয়ে মানুষের সমাজতন্ত্র তৈরি করতে অগ্রণী হন।

আট ও নয়ের দশকের অন্ধকারের পর একুশ শতকের শুরুতে লাতিন আমেরিকায় গোলাপি ঝড়ের সূচনা হয়। ভেনেজুয়েলা, আর্জেন্টিনা, মেক্সিকো, পেরুসহ ব্রাজিলেও ২০০৩ সালে লুলার নেতৃত্বে বামপন্থী সরকার গঠিত হয়। ‘একুশ শতকের সমাজতন্ত্র’ লুলার ওয়ার্কার্স পার্টির হাত ধরে ধীরে ধীরে গড়ে উঠতে থাকে। প্রচুর প্রতিকূলতার মধ্যেও গরীবের কষ্ট কিছুটা কমানোর লক্ষ্যে বহু সমাজকল্যাণমূলক প্রকল্প রূপায়ণ করে তাঁর সরকার। শান্তনু দের লেখা নতুন আবর্তে লাতিন আমেরিকা থেকে জানা যায়, লুলার সরকার ৩ কোটি ১৫ লক্ষ মানুষকে দারিদ্র্য সীমার উপরে তুলে এনেছে, আর ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষকে চরম দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করেছে। বলসা ফ্যামিলিয়া (পারিবারিক ভাতা) ব্রাজিলের গরিব পরিবারগুলোকে সরাসরি আর্থিক সাহায্য করেছে। গ্রামীণ বিদ্যুতায়ন, গরীব মানুষের বাড়ি, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল তৈরির ক্ষেত্রেও তাঁর সরকার উল্লেখযোগ্য সাফল্য পায়। ন্যূনতম মজুরি বাড়ে ৮৪%, কর্মসংস্থানের জোয়ার আসে এবং বেকারত্ব কমে হয় ৪.৯%। গ্রামীণ রোজগারে অভূতপূর্বভাবে বৃদ্ধি দেখা যায়। ২০০১-০৯ সালে হতদরিদ্র মানুষের আয় বৃদ্ধি হয় ৯১%। ২০০৮-০৯ সালের বিশ্বজোড়া মন্দার মধ্যেও লুলার আমলে ব্রাজিলের আর্থিক মাথাপিছু জিডিপি বৃদ্ধি পেয়েছিল ২.৫%। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য, লুলার সময়ে আমাজনের অরণ্য ধ্বংসের হার অনেকটাই কমে গিয়েছিল।

তিনি লাতিন আমেরিকার বেশকিছু দেশ এবং আরও কয়েকটা দেশের সঙ্গে মিলে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাঙ্ক নির্ধারিত সাম্রাজ্যবাদী ও উদারনৈতিক অর্থনীতির থেকে আলাদা এক বিকাশের দিশা তৈরি করতে সচেষ্ট হন। ফলে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা মিলে ব্রিকস (BRICS) গঠিত হয়। ২০১৩ সালে নির্বাচিত দিলমা রুসেফের সরকারও লুলার প্রগতিশীল পথকেই অনুসরণ করে।

ভালমন্দ মিলিয়ে ভালই চলছিল। কিন্তু ব্রাজিলের পরিবারভিত্তিক অলিগার্কি কোনোভাবেই ওয়ার্কার্স পার্টির প্রগতিশীল রাজনীতিকে মেনে নিতে পারেনি। নিজেদের ‘কিচেন গার্ডেন’ মনে করা লাতিন আমেরিকায় বামপন্থী ও মধ্য-বামপন্থীদের আধিপত্য মেনে নিতে পারেনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও। ‘হাইব্রিড ওয়ার’ পদ্ধতিতে সাম্রাজ্যবাদী যুক্তরাষ্ট্র সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সমস্ত শাসক দলকে কালিমালিপ্ত করে সরকার ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। এই উদ্দেশ্যসাধনে তার প্রধান অস্ত্র হয় সংবাদমাধ্যম ও বিচারব্যবস্থা। যুক্তরাষ্ট্র ব্রাজিলের ওয়ার্কার্স পার্টি সরকারের বিরুদ্ধে হাইব্রিড ওয়ার লড়তে থাকে। ২০১৬ সালে ওয়ার্কার্স পার্টির বিভিন্ন নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে এবং সেই সুযোগে অলিগার্কির পেটোয়া কিছু বিচারক দিলমা এবং লুলাকেও হেনস্থা করতে থাকে। পুঁজির দালাল সংবাদমাধ্যমও ওয়ার্কার্স পার্টির বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে, দক্ষিণপন্থী বিদ্রোহী গভর্নরদের সমর্থন করে। অবশেষে বিচারব্যবস্থার ‘সফট কু’-র ফলে জনগণের ভোটে নির্বাচিত দিলমা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়।

কিন্তু অলিগার্কির চাঁদমারি ছিলেন শ্রমিকদের নয়নের মণি লুলা। তাঁর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন নানা দুর্নীতির অভিযোগ আনা শুরু হয় বিচারব্যবস্থার পক্ষ থেকে, দোসর হয় সংবাদমাধ্যম। ‘অপারেশন কার ওয়াশ’ নাম দেওয়া হয় দুর্নীতির বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ের, যা আসলে ছিল অপারেশন লুলা। উনি ঘুষ নিয়ে পেট্রোবাসের তেল নয়ছয় করেছেন, অযাচিত সুবিধা পাইয়ে দিয়েছেন তাদের – এমন অভিযোগ উঠলেও কোনো জোরালো তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি। কিন্তু ভুয়ো খবরে ভরে যায় সোশাল মিডিয়া, ওয়ার্কার্স পার্টিও এহেন বহুমাত্রিক আক্রমণের মোকাবিলা করতে অক্ষম হয়। দক্ষিণপন্থীরা বুঝতে পারে, লুলা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দাঁড়ালে তাঁর জয় অবশ্যম্ভাবী। তাই ২০১৮ সালে লক্ষ লক্ষ মানুষের তীব্র প্রতিবাদ সত্ত্বেও লুলাকে কারারুদ্ধ করা হয়।

বলসোনারো ক্ষমতায় এসেই বামপন্থীদের খতম করে দেওয়ার কথা বলে। কিছু অসমসাহসী সাংবাদিকের তদন্তে প্রমাণ হয়, লুলা ও দিলমার ফোন বেআইনিভাবে ট্যাপ করা হয়েছিল এবং ‘অপারেশন কার ওয়াশ’ আসলে ভিত্তিহীন। বিচারকদের কিছু বিস্ফোরক মন্তব্যের জেরে জানা যায়, তাঁরা অলিগার্কির হয়ে কাজ করছিলেন এবং লুলার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোর কোনো সারবত্তা নেই। সবশেষে ১৯ মাস জেল খেটে লুলা বেরিয়ে এলেন আর ২০২২ নির্বাচনে লড়ার ছাড়পত্র পেলেন। অক্টোবরের শুরুতে প্রথম দফার নির্বাচনে লুলা এগিয়ে থাকলেও দুজনের কেউই সম্পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করতে পারেননি। তারপর গোটা অক্টোবর জুড়ে বলসোনারোর দল সারা দেশে সন্ত্রাস চালাতে শুরু করে। বহু হুমকি, খুন, রক্তপাতের পরে অবশেষে লুলার অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন। তাঁর এই ফিরে আসা ব্রাজিলের অগুনতি শ্রমিক, কৃষক ও বিজ্ঞানমনস্ক অল্পবয়সী মানুষের অকুণ্ঠ ভালবাসার প্রতিফলন।

আরো পড়ুন বামপন্থার প্রত্যাবর্তন – লাতিন আমেরিকার লাল জোয়ার

কিন্তু লুলার সামনে কঠিন লড়াই। কংগ্রেসে এখনো দক্ষিণপন্থীদের ভিড়। তারা অলিগার্কির হয়ে সমস্ত প্রগতিশীল নীতির পিঠে ছুরি মারার চেষ্টা করবে। ওয়ার্কার্স পার্টির আভ্যন্তরীণ দুর্নীতিকেও দমন করতে হবে। ব্রাজিলে তিন কোটির বেশি মানুষ এখনো ক্ষুধার জ্বালায় জর্জরিত। বলসোনারো সরকারের ভ্রান্ত নীতিগুলোর জন্য তৈরি হওয়া গভীর অসুখ থেকে দেশকে বাঁচিয়ে তুলে নতুন বিকাশের পথে নিয়ে যাওয়া যথেষ্ট কষ্টসাধ্য। আমাজনকে বাঁচানো, বেকারি ও দারিদ্র্য হ্রাস, পুলিস ও সেনাবাহিনীকে মানবিক করে তোলার মত বহু কাজ তাঁর সামনে। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষের মতে, লুলা আগেরবারের মতই ব্রাজিলকে প্রগতিশীল পথে নিয়ে যেতে সক্ষম হবেন। নির্বাচিত হয়েই তিনি দারিদ্র্য ও ক্ষুধার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। তাঁর প্রত্যাবর্তন শুধুমাত্র ব্রাজিল নয়, সমস্ত পৃথিবীর দক্ষিণপন্থী উগ্র জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। পেরনামবুকোর শ্রমিক বস্তির এই সন্তান এক উন্নততর ভবিষ্যতের লড়াইয়ে কতটা অগ্রণী হতে পারেন, তার দিকে আমাদের সকলের চোখ থাকবে আগামী চার বছর।

মতামত ব্যক্তিগত

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.