হেঁটে বাড়ি ফিরতে গিয়ে রেললাইনের উপরেই ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। ট্রেন বন্ধের জন্য যখন হাঁটতে হচ্ছে, তখন রেললাইন দিয়ে ট্রেন যাবে না সেই নিশ্চয়তাতেই হয়ত শুয়ে পড়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু মালগাড়ি তাঁদের পিষে দিয়ে গিয়েছিল, মারা গিয়েছিলেন ১৬ জন শ্রমিক, যাঁরা পেটের দায়ে বাড়ি ছেড়ে পাড়ি দিয়েছিলেন এই দেশেরই এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে।

রুটি
ঔরঙ্গাবাদের রেললাইনে মৃত শ্রমিকদের রক্তাক্ত রুটি

ঘটনাকাল ২০২০ সালের মে মাস। রক্তাক্ত শ্রমিকদের মরদেহ আর রক্তাক্ত রুটির সেই ছবি দেখে শিউরে উঠেছিল সারা বিশ্ব। বিহারের মুজফফরপুর রেল স্টেশনে আরেক মর্মন্তুদ দৃশ্যও নাড়িয়ে দিয়েছিল নাগরিক সমাজকে। মায়ের মৃতদেহকে জাগাতে চেষ্টা করছে অবোধ শিশু। শিশুটি জানেও না, যে তার মা আর কোনোদিন জাগবেন না। ভিড়ে ঠাসা ট্রেনে চড়ে কাজের জায়গা থেকে বাধ্য হয়ে বাড়ি ফিরছিলেন মহিলা শ্রমিক, সঙ্গে ছিল শিশু সন্তান। জীবন্ত অবস্থায় তিনি বাড়ি ফিরতে পারেননি।

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন

~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

অপরিকল্পিত লকডাউন ঘোষণার বলি হয়েছিলেন এদেশের শ্রমিকরা। রাতারাতি তাঁরা এই দেশের কাছে অচ্ছুত হয়ে গিয়েছিলেন। কেউ হয়ত বহুতল বাড়ি বানিয়েছেন, কেউ গৃহ সহায়ক বা সহায়িকার কাজ করেছেন। কর্মস্থলে তাঁরা হয়ে গিয়েছিলেন আশ্রয়হীন। অন্য রাজ্যে কাজ করতে যাওয়া এইসব শ্রমিকদের দায় কেন্দ্রীয় সরকার বা অধিকাংশ রাজ্য সরকারই স্বীকার করেনি। বাড়ি ফেরার পথে পেয়েছেন নানা রাজ্য সরকারের অমানবিক আচরণের পরিচয়। কোথাও পুলিশের চোখকে ফাঁকি দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পথ পাড়ি দেওয়া, কোথাও বা তাঁদের গায়ে কোভিড নাশক স্প্রে করে দেওয়া। সরকারের আচরণে মনে হচ্ছিল এঁরা যেন দাগী অপরাধী।

কোনোমতে যাঁরা বাড়ি ফিরতে পেরেছিলেন, তাঁরাও ফিরে এসে হেনস্থার শিকার হন। পশ্চিমবঙ্গ সরকার তো প্রথম দিকে তাঁদের এ রাজ্যে ঢুকতে না দিতে আন্তঃরাজ্য সীমান্তে ব্যারিকেড তুলেছিল। যেন এঁরা অন্য দেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারী। গ্রামে ফিরেও একঘরে হয়ে থাকতে হয়েছিল। সামাজিক দূরত্বের নাম করে তখন রাষ্ট্র নাগরিকদের মধ্যে পারস্পরিক ঘৃণা, সন্দেহ জাগিয়ে তুলতে ব্যস্ত। খেয়াল খুশি মত লকডাউনের সময়সীমা ঘোষণা করে, একের পর এক নিষেধাজ্ঞা জারি করে আর বাসন বাজাতে, আলো জ্বালাতে বলে কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকার নিজেদের ক্ষমতা দেখাতেই ব্যস্ত ছিল। নাগরিকদের প্রতি কর্তব্য পালন করেনি।

অন্য রাজ্য থেকে বাড়ি ফিরতে গিয়ে যখন রাস্তাতেই শ্রমিকরা মারা যাচ্ছিলেন, তখন কেন্দ্রীয় সরকারের উকিল দেশের সর্বোচ্চ আদালতে বলেছিলেন, কোনো শ্রমিক নাকি রাস্তায় নেই। আদালতও প্রথমে সেই নির্লজ্জ মিথ্যাকেই স্বীকৃতি দিয়েছিল। আমাদের সামনে উঠে এসেছিল অন্ধকার ভারতের বাস্তব চিত্র। যাদের শ্রমে এই দেশের সম্পদ গড়ে উঠছে, অসংগঠিত ক্ষেত্রের সেই শ্রমিকরা কত অসহায়। আমরা কোনোদিন তাঁদের সহনাগরিক বলে মনেও করিনি।

শ্রমিকদের প্রতি রাষ্ট্রের চরম উদাসীনতার কঙ্কালসার চেহারাটা প্রকাশ্য হয়েছিল অতিমারী পর্বে। বাড়ি ফিরতে গিয়ে কতজন শ্রমিক প্রাণ হারালেন, কোভিডে আক্রান্ত হলেন স্রেফ রাষ্ট্রীয় উদাসীনতার কারণে – তার হিসাব আজ পর্যন্ত সরকার দিতে পারেনি। রেলমন্ত্রকের অব্যবস্থার দায়ও কম নয়। বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করতে তারা যেমন দেরি করেছে, তেমন সেই ট্রেনগুলোতেও ছিল চূড়ান্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। বললে ভুল হবে না, যে সরকারি অব্যবস্থার জন্যই শ্রমিকদের মধ্যে অতিমারী ছড়িয়েছিল।

দেশজুড়ে চলা এখনকার ভোট নামক গণতন্ত্রের মহোৎসবে প্রবাসী শ্রমিকদের সেই দুরবস্থা প্রচারে আসছে না। লকডাউনের সময়েই ধরা পড়েছিল, ভিনরাজ্যে কাজ করতে যাওয়া শ্রমিকদের সম্পর্কে কোনো তথ্য কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারের কাছে নেই। যারা প্রতিদিন নতুন নতুন নিয়ম করে, পরিচয়পত্র চালু করে, নথি জমা দিতে বলে নাগরিকদের ব্যতিব্যস্ত রাখে, তারা শ্রমিকদের খবর রাখে না। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার নামে নাগরিকের উপর নজরদারি বেড়ে চলে, অথচ নাগরিকদের জীবন জীবিকার খবর রাষ্ট্র রাখে না।

অথচ ১৯৭৯ সালের ইন্টার-স্টেট মাইগ্র‍্যান্ট ওয়ার্কমেন (রেগুলেশন অফ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড কন্ডিশনস অফ সার্ভিস) আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ হলে অন্য রাজ্যে কাজ করতে যাওয়া শ্রমিকদের তথ্য সরকারের কাছে থাকত। তাঁদের ঠিকাদাররাও দায় অস্বীকার করতে পারত না। ঠিকাদার, নিয়োগকর্তা, কোম্পানি কেউই এই শ্রমিকদের কথা ভাবে না। ভাবতে বাধ্য করার জন্য আইন থাকলেও তা মানতে সরকারও মালিক পক্ষকে বাধ্য করে না। এমনকি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলোও এদের প্রতি উদাসীন থেকেছে। অতিমারীতে হেনস্থার শিকার হয়ে, প্রাণ দিয়ে এই শ্রমিকরা প্রমাণ করলেন যে তাঁরাও মানুষ।

সারা দেশ তাঁদের দুরবস্থার কথা জানার পর, বিশ্বে ভারতের বিকাশের ঢোল ফেটে যাওয়ার পর চলল নানা প্রকল্পের ঘোষণা। রেশন দেওয়ার ব্যবস্থা, নাম নথিভুক্ত করার ব্যবস্থা, সামাজিক সুরক্ষার ব্যবস্থা – আরও কত কিছু। পশ্চিমবঙ্গ সরকারও সেইসময় এঁদের জন্য আর্থিক সহায়তার প্রকল্প ঘোষণা করেছিল। সম্প্রতি আরেকটি প্রকল্প ঘোষণা করেছে। এই রাজ্যে জীবিকার ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়ে চলেছে। কিন্তু অবস্থা এতটুকুও বদলায়নি।

অতিমারীর সুযোগেই কেন্দ্রীয় সরকার শ্রম আইনগুলি তুলে দিয়ে চারটি নতুন শ্রম কোড এনেছে। এক দেশ এক আইনের নামে মালিক পক্ষকে সুবিধা করে দিতে শ্রমিকদের অর্জিত অধিকারগুলো কেড়ে নিয়েছে। ১৯৭৯ সালের আইনটাও উঠে গেছে। শ্রম কোডে ভিনরাজ্যে কাজ করতে যাওয়া শ্রমিকদের জন্য নানা সুবিধা এবং আর্থিক-সামাজিক প্রকল্পের কথাও রয়েছে। কিন্তু তাঁদের জীবন জীবিকার নিশ্চয়তা নেই। বাস্তবে না আছে তাঁদের ন্যূনতম মজুরি, না আছে কাজের নিশ্চয়তা। সামান্য কিছু খাদ্যদ্রব্য রেশনে দিয়েই দায় সারতে চায় সরকার।

অতিমারির পরেও কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন অনেক শ্রমিক। ২০২৩ সালে মিজোরামে রেল সেতু নির্মাণ করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ২৩ জন শ্রমিক। তাঁরা পশ্চিমবঙ্গেরই বাসিন্দা। প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের চারধাম প্রকল্পে কাজ করতে গিয়ে ৪১ জন শ্রমিক পাহাড়ি সুড়ঙ্গে ১৭ দিন আটকে ছিলেন। নির্মাণকারী সংস্থা শ্রমিকদের নিরাপত্তাজনিত নিয়ম সঠিকভাবে না মানলেও শাস্তি হয়নি। নির্মাণকারী সংস্থা নবযুগ ইঞ্জিনিয়ারিং নির্বাচনী বন্ডে বিজেপিকে ৫৫ কোটি টাকা চাঁদা দিয়েছে। শ্রমিকদের নিরাপত্তা দিতে তাদের বয়েই গেছে। সরকারি কাজেই যদি শ্রমিকদের এই অবস্থা হয়, তাহলে বেসরকারি কাজে কী অবস্থা তা বুঝতে অসুবিধা হয় না।

রাজ্যের তৃণমূল সরকার এই রাজ্যে কাজ দেওয়ার আশ্বাস দিলেও, অন্য রাজ্যে কাজ করতে চলে যাওয়া মানুষের স্রোত কিন্তু কমে নি। যারা অতিমারির সময়ে হেনস্থার শিকার হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন, তাঁদের অধিকাংশই আবার অন্য রাজ্যে কাজে চলে গেছেন। দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনেকেই লেখাপড়া ছেড়ে দিয়েছে। তাদেরও বড় অংশ চলে গেছে অন্য রাজ্যে, এমনকি অনেকে ১৮ বছর বয়সের আগেই। মহিলারা কাজের ক্ষেত্রে যেমন যৌন হেনস্থার শিকার হন তেমনই অনেক পাচার চক্রের খপ্পড়েও পড়েন। পশ্চিমবঙ্গ এখন সারা দেশের সস্তা শ্রম বাহিনী যোগান দেওয়ার জন্য অন্যতম বড় রাজ্য। কেউ যাচ্ছেন দীর্ঘস্থায়ীভাবে, কেউ বা যাচ্ছেন নির্দিষ্ট মরশুমে। চাষে ক্ষতি, কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় এই রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে চলে যাওয়া মানুষের সংখ্যা বেড়ে চলেছে।

কৃষিজীবী মানুষের সংখ্যা হ্রাস নাকি উন্নয়নের লক্ষণ। উন্নয়নের আরেক লক্ষণ পরিষেবা ক্ষেত্রের বিকাশ। ২০২২-২৩ সালে ভারতের জিডিপির ৫৩ শতাংশের বেশি এসেছিল পরিষেবা ক্ষেত্র থেকে, কৃষি থেকে এসেছিল ১৮%। ভিনরাজ্যে কাজ করতে যাওয়া শ্রমিকদের বড় অংশই নির্মাণ, হোটেলসহ নানা পরিষেবা ক্ষেত্রে কাজ করেন। অনেকে আবার নানা শিল্পে অসংগঠিতভাবে কাজ করেন। দেশের জিডিপি বাড়ে, কিন্তু সেই জিডিপি বৃদ্ধিতে যাঁদের শ্রমের অবদান আছে তাঁদের দিন বদলায় না। শ্রম কোডের গালভরা বাক্য, সমকাজে সম বেতনের আদালতের নির্দেশ – কোনোটাই বাস্তবে তাঁদের আচ্ছে দিন আনে না।

পুঁজির সচলতার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে নানা রাষ্ট্রীয় সুযোগ। পুঁজি অন্য দেশ বা রাজ্য থেকে এলে সেটা হয় বিকাশ, আর শ্রম অন্য রাজ্যে গেলে তাকে শস্তা করাই হয় লক্ষ্য। পুঁজি আর শ্রমের দ্বন্দ্বে রাষ্ট্রের পক্ষপাতিত্ব স্পষ্ট। শ্রম সচল হবে, আবার তাকে শস্তাও হতে হবে – এটাই পুঁজিবাদের নিয়ম। জীবিকার নিরাপত্তা বা অন্যান্য ন্যায্য অধিকার দিয়ে পুঁজি শ্রমের মূল্য বাড়াতে চায় না। বরং বেকার সমস্যা বাড়ার সুযোগে শ্রমের মূল্য কমায়। ভিনরাজ্যের শ্রমিকরা শস্তা শ্রমের যোগানদার।

জীবিকার নিরাপত্তা না থাকায় তাঁদের সংগঠিত হওয়াই কঠিন। কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলিও এঁদের সমস্যা নিয়ে খুব একটা কাজ করে না। প্রতিষ্ঠানমুখী ট্রেড ইউনিয়ন রাজনীতি এমনিতেই অসংগঠিত ক্ষেত্রের প্রতি উদাসীন। তার উপর অন্য রাজ্য থেকে কাজ করতে আসা অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের মূল্য তাদের কাছে আরও কম। তবে অতিমারীর পর ট্রেড ইউনিয়নগুলোর এই মনোভাব কিছুটা বদলেছে।

শ্রমিকরা যে রাজ্যে কাজ করেন সেই রাজ্যের ভোটার নন বলে সেখানকার রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে তাঁদের মূল্য নেই। আবার যেখানকার বাসিন্দা, সেখানকার দলগুলিও চলে হিসাব করে। ভোট দিতে বাড়ি এলে কোন দলের লাভ তা নিয়ে চলে নানা হিসাবনিকাশ। অথচ গ্রামবাংলার অর্থনীতিতে কিন্তু আজ এঁদের গুরুত্ব কম নয়। তাঁদের পাঠানো অর্থে বাড়ির লোক জিনিস কিনছেন, গ্রামের ব্যবসা বাণিজ্যে তার প্রভাব বাড়ছে। অন্য রাজ্যে কাজ করতে যাওয়া শ্রমিকদের মাধ্যমে গ্রামের জীবিকার ধরন, সামাজিক জীবনেও বদল ঘটছে।

যদিও দেশজুড়ে চলা নির্বাচনী প্রচারে তাঁদের সমস্যা ব্রাত্য। নানা চটকদারি প্রচার, মিথ্যা প্রতিশ্রুতির প্রতিযোগিতা আর পরিচয় সত্তার রাজনীতিতে শ্রেণি রাজনীতি গুরুত্ব হারাচ্ছে। করোনা অতিমারীর পর দেশে এই প্রথম লোকসভা নির্বাচন। সেদিনের সেই মর্মন্তুদ ঘটনাগুলি, শ্রমিকদের প্রতি রাষ্ট্রের উদাসীনতা যদি নির্বাচনের ইস্যু না হয় তবে এটা কিসের গণতন্ত্রের মহোৎসব? অন্য রাজ্যে কাজ করতে যাওয়া শ্রমিকদের অধিকারকে নির্বাচনের ইস্যুতে পরিণত করার দায় শ্রমিক, নাগরিক সমাজ এবং অবশ্যই শ্রেণি রাজনীতির ভিত্তিতে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক দলগুলির।

মতামত ব্যক্তিগত

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

1 মন্তব্য

  1. মৃন্ময় সেনগুপ্ত-র এই লেখা মনে করিয়ে দিল লেখক মিলান কুন্দেরার সেই বিখ্যাত কথাটি।
    The struggle of man against power is the struggle of memory against forgetting.”
    (Milan Kundera, The Book of Laughter and Forgetting)

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.