শিবরাজ সিং চৌহানই ফের মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হবেন কিনা তা জানা যাবে কয়েক ঘন্টা পরে। তবে ওই রাজ্যে বিজেপির টানা চতুর্থবার জয় একটা জিনিস অবশ্যই প্রমাণ করে দিল, ২০১৪ সালের পর থেকে ভারতের নির্বাচনে দুর্নীতি কোনো ইস্যু নয়। সেবারই শেষ টু জি কেলেঙ্কারি, কয়লা ব্লক কেলেঙ্কারির মত বিষয় ভোটারদের প্রভাবিত করেছিল। তারপর থেকে দেখা গেছে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে যেমন সারদা কেলেঙ্কারি বা নারদ কেলেঙ্কারি ইস্যু হয়নি, তেমন মধ্যপ্রদেশেও ব্যাপম কেলেঙ্কারি নিয়ে ভোটাররা ভাবিত নন। এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে জাতীয় রাজনীতির গতিপ্রকৃতির চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা চলছে এসএসসি, টেট, পৌরসভা ইত্যাদিতে নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে। মধ্যপ্রদেশের ব্যাপম কেলেঙ্কারি এগুলোর চেয়েও মারাত্মক বললে ভুল হয় না। কারণ এখন পর্যন্ত এই রাজ্যের নিয়োগ কেলেঙ্কারির সাক্ষী বা মামলার সঙ্গে জড়িত অন্য কারোর রহস্যজনক মৃত্যু হয়নি। ব্যাপমের ক্ষেত্রে ৪০ জনের বেশি মানুষ তেমনভাবে মারা গিয়েছিলেন। দেখা যাচ্ছে তারপরেও বিজেপির জনপ্রিয়তায় ভাঁটা পড়েনি। ২০১৮ সালে তবু সরকার গড়তে হয়েছিল জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার সহায়তায় কংগ্রেসের বিধায়ক ভাঙিয়ে। এবার বিজেপি একাই দেড়শোর বেশি আসন জিতে ফেলল।

ভারতের হিন্দিভাষী রাজ্যগুলোতে বিজেপির আধিপত্য এমনিতে নতুন কিছু নয়। রাজস্থানের নির্বাচনে বরাবর গুরুত্ব পায় জাত আর মধ্যপ্রদেশে ধর্মের ভূমিকা বিরাট, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রভাব আছে একেবারে নিচের তলা পর্যন্ত। ছত্তিসগড়েও আদিবাসীদের মধ্যে আরএসএস সক্রিয়। ফলে এইসব রাজ্যে হিন্দুত্ব কখনোই সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যায় না। সেই কারণেই ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কান ঘেঁষে রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ এবং দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ছত্তিসগড় জেতার পরেও ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই রাজ্যগুলোতে কংগ্রেসকে খুঁজেই পাওয়া যায়নি। তার উপর দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলোর মত রাজস্থানেরও ধারা হল, এক দল পরপর দুবার জেতে না। কিন্তু তাতে মধ্যপ্রদেশ আর ছত্তিসগড়ে বিজেপির বিপুল জয়ের ব্যাখ্যা হয় না। সকাল থেকে বিভিন্ন চ্যানেলে বিজেপি মুখপাত্র, বিজেপিপন্থী বিশ্লেষক এবং শিবরাজ, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, রমন সিং, অশ্বিনী বৈষ্ণব, পীযূষ গোয়েলদের মত নেতারা যে ব্যাখ্যা দিলেন তা সংক্ষেপে এইরকম – মধ্যপ্রদেশে লাডলি বহেনা প্রকল্প (মহিলাদের অ্যাকাউন্টে মাসে ১,২৫০/- টাকা দেওয়া) এবং তিন রাজ্যেই নরেন্দ্র মোদীর উপর মানুষের আস্থা। অর্থাৎ বিজেপির নিজের মতেও তারা ভোটারদের জন্যে প্রচুর কাজ করেছে বলে জিতেছে এমন নয়। তাহলে প্রশ্ন হল, মানুষের মোদীজির উপর এত আস্থা কী কারণে? পক্ষান্তরে কংগ্রেস কী কী ভুল করেছে সেই প্রশ্নের উত্তরে জয়ী পক্ষ যা যা বলেছে, তার মধ্যে কয়েকটা হল – ১) অশোক গেহলত রাজস্থানের মানুষকে কিছুই দেননি, ২) রাহুল গান্ধীর মহব্বতের দোকান বন্ধ হয়ে গেছে, ৩) কংগ্রেস একটা নির্বাচনে জিতলেই ধরে নেয় পরেরটাও জিতবে, ৪) কংগ্রেসকে গোটা দেশের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে। তেলেঙ্গানায় কংগ্রেসের সাফল্যের ব্যাখ্যা হল, ভারত রাষ্ট্র সমিতির বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানবিরোধী হাওয়া ছিল বলে কংগ্রেস জিতেছে।

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন

~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

এগুলোকে ব্যাখ্যা বলে ধরা যায় কিনা পাঠক বিচার করবেন। তবে এই ব্যাখ্যাগুলোর নির্যাস হল, মোদীজি বিপুল জনপ্রিয়। তাই বিজেপি জিতেছে। কংগ্রেসের তেলেঙ্গানা জয় নিয়ে বিশেষ ভাবার কিছু নেই, কারণ ওটা ভারতের প্রাণকেন্দ্র নয়।

ঘটনা হল, চার রাজ্যের নির্বাচনের ফলাফল কাটাছেঁড়া করে গভীরতর কোনো উপলব্ধিতে পৌঁছনো সত্যিই শক্ত। দেশজুড়ে আদিবাসীবিরোধী নানা কার্যকলাপ এবং কেন্দ্রীয় সরকার আদিবাসীদের জমি, জঙ্গলের অধিকার কেড়ে নেওয়ার মত আইন প্রণয়ন করা সত্ত্বেও ছত্তিসগড়ের বাস্তার এলাকায় বিজেপির যে জয়, মোদীজির মহিমা ছাড়া কী দিয়ে তার ব্যাখ্যা হয়? দ্রৌপদী মুর্মুকে রাষ্ট্রপতি করা দিয়ে? মধ্যপ্রদেশে শিবরাজ সরকারের লাডলি বহেনার মত প্রকল্প ভোটারদের আশীর্বাদ পেল, কিন্তু রাজস্থানে গেহলত সরকারের মহিলাদের জন্যে গ্যাস সিলিন্ডারে ভর্তুকি দেওয়া, বিনামূল্যে বাসযাত্রার সুযোগ দেওয়া, স্মার্টফোন দেওয়ার মত প্রকল্প কাজে লাগল না। ২০১৪ সাল থেকে কংগ্রেস যেখানেই বিধানসভায় হারত, সমালোচকরা বলতেন রাজ্যের নেতাদের পাত্তা না দেওয়ায়, স্থানীয় নেতৃত্ব না থাকায় এই হার। গত কয়েকটা নির্বাচনে কিন্তু কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাজ্যের নেতাদের যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছে। সেভাবেই সিদ্দারামাইয়া আর ডি কে শিবকুমারের কাঁধে চেপে কর্ণাটক জয় হয়েছে, রেবন্ত রেড্ডির মুনশিয়ানায় তেলেঙ্গানা জয় হল বলে জানা যাচ্ছে। অথচ রাজস্থানে এবার বিজেপির সেভাবে কোনো নেতা ছিল না। গেহলতের বিপরীতে কাউকে নেতা হিসাবে তুলে ধরা হয়নি, শেষ মুহূর্তে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়াকে আসরে নামানো হয়। এছাড়াও রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোর সমেত একগুচ্ছ সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে প্রার্থী করেছিল বিজেপি। মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিসগড়েও তারা কাউকে নেতা হিসাবে তুলে ধরেনি। শিবরাজকে প্রার্থীই করা হয়নি প্রথম দিকে। তিনি রীতিমত অভিমান করেছিলেন। নিজের কেন্দ্র বুধনির ভোটারদের এক সমাবেশে জিজ্ঞেস করেছিলেন “আমি ভোটে দাঁড়াব কি দাঁড়াব না?” সেহোরে আরেক সভায় বলেন “আমার মত ভাই পাবেন না। আমি চলে গেলে আমাকে মনে পড়বে।” ছত্তিসগড়েও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংকে সামনে আনা হয় পরের দিকে। অথচ এসবে বিজেপির কোনো অসুবিধাই হল না। ভোটাররা তাদেরই জয়যুক্ত করলেন। অর্থাৎ যে কৌশলে ভোটে লড়ে কংগ্রেস হারে, সেই কৌশলেই বিজেপি হেসে খেলে জেতে। এ থেকে আরেকটা কথাও পরিষ্কার। দক্ষিণ ভারতে যে কৌশল বিজেপিকে হারায়, বিন্ধ্য পর্বতের এপাশে সেই কৌশলই তাদের তুরুপের তাস হয়ে দাঁড়ায়।

বিজেপির
বিজেপির নির্বাচনী পোস্টার

কংগ্রেসের দিক থেকে ভাবলে, কর্ণাটক আর তেলেঙ্গানার সঙ্গে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানে তাদের লড়াইয়ে কিছু মৌলিক তফাত হয়েছে। কর্ণাটক কংগ্রেস প্রথম থেকেই হিন্দুত্বের রাজনীতির বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ছিল। সেই আক্রমণ নির্বাচনে জয়ের পরেও বজায় রাখা হয়েছে। অন্যদিকে মধ্যপ্রদেশে কমলনাথ কংগ্রেসকে বিজেপির থেকেও বেশি হিন্দু প্রমাণ করতে ব্যস্ত ছিলেন। তাঁর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মধ্যে চিত্রকূটে রাম, নিষাদরাজ এবং কেওয়াতরাজের মন্দির তৈরি করে দেওয়া পর্যন্ত ছিল।

কমলনাথ
প্রচার পর্বে এক বাবার কাছে কমলনাথ। ছবি এক্স থেকে

আবার কর্ণাটকে মল্লিকার্জুন খড়গে আর রাহুলের উদ্যোগে সিদ্দারামাইয়া আর শিবকুমার ব্যক্তিত্বের সংঘাত ভুলে একত্রে কাজ করেছিলেন। রাজস্থানে শেষদিকে শচীন পাইলট আর গেহলতের প্রকাশ্য সংঘাত আর হয়নি বটে, কিন্তু শচীন নিজের কেন্দ্র টঙ্ক ছাড়া প্রায় কোথাও প্রচারে যাননি। অবশ্যই এই ঘটনা ভোটারদের ভাল বার্তা দেয়নি। ভোট শতাংশের বিস্তারিত হিসাব প্রকাশিত হলে বোঝা যাবে, এর ফল যুবক-যুবতীদের উপর পড়েছে কিনা।

লোকসভা নির্বাচনের পক্ষে অতি গুরুত্বপূর্ণ হিন্দি বলয়ের তিন রাজ্যে কংগ্রেসের হার স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পর থেকে যথারীতি রাহুলের সমালোচনা চলছে। বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে বিশেষজ্ঞরা রাহুলের বর্ণশুমারি (caste census) করার দাবিকে তুলোধোনা করছেন। বর্ষীয়ান সাংবাদিক রাজদীপ সরদেশাই বলেছেন, ওই দাবি উচ্চবর্গীয়দের কংগ্রেসের প্রতি বিমুখ করেছে এবং লোকসভায় তাদের ভোট পেতে হলে রাহুলকে অন্য কিছু ভাবতে হবে। এনডিটিভিতে এক বিজেপিপন্থী বিশেষজ্ঞ আবার বললেন, এই জয় সম্ভব হয়েছে সনাতন ভোটারদের সংঘবদ্ধতার ফলে। কারণ ইন্ডিয়া জোটের পক্ষ থেকে ক্রমাগত সনাতন ধর্মকে আঘাত করা হচ্ছিল। ভোটাররা তার জবাব দিয়েছেন। রাজদীপের তত্ত্বের প্রামাণ্যতা হয়ত ভোট শতাংশের হিসাব দেখে বিবেচনা করা যেতে পারে, দ্বিতীয় তত্ত্বটা পরীক্ষা করে দেখা শক্ত। তবে এতে তো সন্দেহ নেই যে ভারতের সব রাজ্যেই উচ্চবর্ণের মানুষ নিম্নবর্গীয়দের অধিকারের কথা কোনো রাজনৈতিক দলের মুখে শুনলে তাদের প্রতি প্রসন্ন হন না। রাহুল যেভাবে বারবার বর্ণশুমারির কথা বলেছেন, ওবিসিদের তাঁদের সংখ্যা অনুযায়ী সংরক্ষণ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলেছেন তা অনেকেরই পছন্দ হয়নি। ইন্ডিয়া জোটে কংগ্রেসের সঙ্গী ডিএমকে নেতা উদয়নিধি স্ট্যালিনের সনাতন ধর্ম সম্পর্কে মন্তব্যও কারোর অপছন্দ হয়ে থাকতে পারে। সুতরাং আজকের ফলাফল সত্যিই রাহুলকে এক পরীক্ষার মুখে ফেলে দিল। তিনি কি বৃহত্তর রাজনীতি হিসাবে এই নীতি আঁকড়ে থাকবেন, নাকি কৌশল করে বর্ণশুমারির কথা বলাই বন্ধ করে দেবেন?

ভারত জোড়ো যাত্রা এবং হিমাচল প্রদেশ, কর্ণাটকের জয় সর্বভারতীয় নেতা হিসাবে বিজেপিবিরোধী দল এবং ভোটারদের কাছে রাহুলের খানিকটা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছিল। সন্দেহ নেই আজকের ফলে তা ধাক্কা খেল। ইন্ডিয়া জোটের কর্তৃত্ব নিয়ে আজ থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস বা আম আদমি পার্টির মত দল ফের কংগ্রেসকে চাপ দিতে শুরু করলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। এবিপি আনন্দে বসে তৃণমূলের এক মুখপাত্র ইতিমধ্যেই কংগ্রেসকে পরামর্শ দিয়েছেন – কমলনাথ, গেহলত, ভূপেশ বাঘেল, অধীর চৌধুরীদের বিশ্রামে পাঠানো হোক। যেভাবে কর্ণাটকে জনতা দল সেকুলারকে নিশ্চিহ্ন করে এবং তেলেঙ্গানায় ভারত রাষ্ট্র সমিতিকে পর্যুদস্ত করে কংগ্রেস ক্ষমতায় এসেছে, তাতে আঞ্চলিক দলগুলো বিজেপির বদলে কংগ্রেসকেই নিজেদের প্রধান শত্রু ভেবে বসতে পারে। হয়ত ভাবেও; কেবল সিবিআই বা ইডি, আয়কর বিভাগের আতঙ্কে ইন্ডিয়া জোটের সঙ্গে আছে। সেই আতঙ্কেই বিজেপির আরও শক্তিবৃদ্ধির প্রমাণ পেয়ে সরেও যেতে পারে। শোনা যাচ্ছে, খড়গে আগামী ৬ ডিসেম্বর (বুধবার) ইন্ডিয়া জোটের পরবর্তী বৈঠক ডাকতে পারেন। হয়ত সেদিন বোঝা যাবে এই জোট টিকবে না ভেঙে যাবে। রাহুলের সকলকে একসঙ্গে রাখার ক্ষমতা ফের পরীক্ষার মুখে পড়ল। সেই পরীক্ষায় যদি পাস করতে পারেন, তবেই ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবেন। আপাতত ইতিবাচক দিক বলতে দুটো – ১) অন্তত দক্ষিণ ভারতে বড় শক্তি হিসাবে উঠে আসা, ২) কমলনাথ, গেহলতের মত প্রবীণ নেতাদের শক্তি হ্রাস।

মতামত ব্যক্তিগত

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

1 মন্তব্য

  1. অতীতের ভোটারদের মানসিকতা ও মূল্যবোধ দিয়ে বর্তমান ভোটারদের মন ও মানসিকতা বিচার করলে হবে না৷ অতি চড়ম পুঁজিবাদ এদেশের মানুষের মনে ও জীবনধারায় ও সর্বোপরী মূল্যবোধের পরিবর্তন এনেছে৷ ফেসবুকের reels তাই বলে অন্তত ৷ এখন অধিকাংশ নাগরিকের জন্য পয়সাই শেষ কথা এবং তার জন্য অন্যায় পন্থা অবলম্বন করতেও তারা পিছুপা হন না। তা সবজী বিক্রেতা হন কি চাকরিজীবি ৷ এর সাথে মিশেছে উত্তর ভারতের কট্টর পুরুষতান্ত্রিক ধর্মীয় মৌলবাদ । তাই পশ্চিমবঙ্গেও corruption ইস্যু নয় ৷ সমাজের এই মূল্যবোধের errosion ভাবনার বিষয় ৷ যদি corruption এর জন্য তৃণমূল হেরে যায়; তাহলে বুঝবেন এখনো মানুষের সম্বিত আছে৷

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.