নতুন বছরের সকালে ঘুম থেকে উঠে হোয়াটস্যাপে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে করতেই খেয়াল করলাম – একটা চাপা আশঙ্কা কাজ করছে। অপঠিত বার্তাগুলোর কোনোটা খুলে হয়ত জানতে পারব – কোথাও কোনো বর্ষশেষের উৎসবে কিছু ধর্মান্ধ হিন্দু গিয়ে ‘এটা আমাদের সংস্কৃতি নয়’ বলে হুজ্জতি করেছে। বলা যায় না, হয়ত জানা যাবে, কোথাও কেউ ভিন্ন ধর্মাবলম্বী বা ভিন্ন ভাষাভাষী মানুষকে স্রেফ তার পরিচয়ের কারণে খুনই করে দিয়েছে। আসলে আসামে দীপক দে, সৌরভ দে বা ওড়িশায় জুয়েল রানা খুন হওয়ার পরে একটা সপ্তাহও কাটেনি। অ্যাঞ্জেল চাকমার হত্যাও এত তাড়াতাড়ি ভোলা যাচ্ছে না। বাংলাদেশে দীপু দাসের হত্যায় যারা গর্জে উঠেছিল এবং ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ, বামপন্থী মানুষ এবং বিরোধী দলগুলোর কাছে জবাব চাইছিল, এই মৃত্যুগুলো নিয়ে তাদের নীরবতা প্রমাণ করে দিয়েছে যে তাদের আসলে দীপু দাসের জন্যে প্রাণ কাঁদে না। বাংলাদেশ কেন, নিজের দেশের হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়েও তারা মোটেই চিন্তিত নয়। আসলে তারা হয় ঘৃণার ব্যবসায়ী, নয় ঘৃণার মদে মাতাল। বমি করার জন্যে কারও গা চাই কেবল। কিন্তু কেবল হত্যা দিয়েই ঘৃণা ছড়ায় না। বরং একথা বললেও ভুল হবে না যে, এই হত্যাগুলো ঘৃণা ছড়ানোর ফল, কারণ নয়। তাহলে ঘৃণা ছড়ায় কীভাবে? ঠিক যেভাবে বরেলির হিন্দু মেয়েটার জন্মদিনের পার্টিতে বজরং দল ঢুকে পড়ে তার বন্ধুদের মারধোর করেছে, একগাদা হিন্দু ছেলেমেয়ের মধ্যে দুটো মুসলমান ছেলে ছিল বলে ‘লাভ জিহাদ’ তত্ত্ব আউড়ে চেঁচামেচি করেছে।
আচ্ছা, বরেলির বজরং দলের গুন্ডারা একটা সাধারণ মেয়ের জন্মদিন কোন কাফেতে পালিত হচ্ছে এবং কাদের নিয়ে, সেকথা জানল কী করে? এ তো কোনো রুপোলি পর্দার নায়িকার জন্মদিনের পার্টি নয় যে দুনিয়াসুদ্ধ লোকের নেমন্তন্ন হবে আর বিখ্যাত লোকজন আসবে – ফলে মন্দ লোকেরাও জেনে যাবেই। সুতরাং সম্ভাবনা একটাই। যারা নেমন্তন্ন পেয়েছিল বা পায়নি বলে রুষ্ট, তাদেরই কেউ ওই বিরাট হিন্দুদের জানিয়ে দিয়েছে, আর নিশানা করেছে মুসলমান ছেলেদুটোকে। নইলে বজরং দল উৎসাহী হবে কেন? তারা তো নেহাত পাড়ার গুন্ডা নয়, তাদের রীতিমত আদর্শ-টাদর্শ আছে। রাষ্ট্রীয় সমর্থনও আছে। দেশের যে কোনো রাজ্যে ধর্মীয় গুন্ডামি করলে জামিন পেতে বেশি সময় লাগে না। এমনকি বিজেপিবিরোধী মমতা ব্যানার্জির পুলিসও মুসলমান প্যাটিস বিক্রেতা শেখ রিয়াজুল আর মহম্মদ সালাউদ্দিনকে মারধোর করা হিন্দু বীরদের বেশিক্ষণ হাজতবাস করায় না। তফাত বলতে, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপিশাসিত রাজ্য হলে রিয়াজুল আর সালাউদ্দিনকেই জেলে পুরে দেওয়া হত গীতাপাঠের জায়গায় মাংস বেচার অপরাধে।
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
ভারত যে এখন অঘোষিত হিন্দুরাষ্ট্র, তা নিয়ে কারও মনে সংশয় থাকা উচিত নয়। ভারতকে হিন্দুরাষ্ট্র বানানো যাদের ঘোষিত লক্ষ্য, সেই আরএসএসের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত তো বলেই দিয়েছেন – ভারত যে হিন্দুরাষ্ট্র সেকথা সূর্য পূর্বদিকে ওঠার মত সত্য। এর জন্যে সংবিধান পরিবর্তন ইত্যাদি বাজে ঝামেলার কোনো দরকার নেই। ফলে বিদ্বেষের প্রতি রাষ্ট্রীয় আচরণ নিয়ে বিস্মিত হওয়ার আর কিছু নেই, নতুন বছরে রাষ্ট্রের থেকে এর বিপরীত কিছু আশা করারও কোনো মানে হয় না। কিন্তু সাবধান হওয়া দরকার নিজেদের পরিবার পরিজন, বন্ধুবান্ধবদের থেকে। তীব্র মেরুকরণ হওয়া ভারতে দাঁড়িয়ে, বিশেষত হিন্দুদের কিছু কথা প্রায়ই শুনতে হয় এই মেরুকরণের বিরুদ্ধে এবং ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে কথা বললে:
‘এত পার্সোনালি নিচ্ছিস কেন? বন্ধুর চেয়ে তো পলিটিক্স বড় হতে পারে না।’
‘তোর এত গায়ে লাগছে কেন? তুই কি মুসলমান?’
‘ভাই ফ্যামিলির মধ্যে রাজনীতি ঢোকাস না।’
মুখোমুখি আড্ডায়, বিয়েবাড়িতে এবং হোয়াটস্যাপ গ্রুপে এই ধরনের কথা বলা হয়। যখনই কোনো ঘৃণায় মাতাল আত্মীয় বা বন্ধু, মুসলমানরা হিন্দু মেয়ে বিয়ে করতে সৌদি আরব লক্ষ লক্ষ টাকা পাচ্ছে, বা ২০৫০ সালের মধ্যেই ভারত মুসলমানগরিষ্ঠ দেশ হয়ে যাবে – এরকম বহুবার প্রমাণিত ভুয়ো খবর আরও একবার ফরোয়ার্ড করে দেয়। ওই কাজটা ‘পলিটিক্স’ নয়, যে মুহূর্তে আপনি বলবেন এটা মিথ্যে এবং এসব মেসেজে আপনার আপত্তি আছে – অমনি সেটা হয়ে যাবে রাজনীতি। আমরা অনেকেই তর্ক বাড়াই না। একই কথা খাটে জাতভিত্তিক সংরক্ষণবিরোধী ভুয়ো খবর এবং নোংরা রসিকতা সম্পর্কে, আদিবাসীদের ধর্মান্তরকরণের ব্যাপারে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে করা মিথ্যাচার সম্পর্কে। আমরা তর্ক বাড়াই না, কারণ না বাড়ালেও আমাদের চলে। সত্যিই তো আমরা মুসলমান নই, তফসিলি জাতির লোক নই বা আদিবাসী নই। কেন খামোকা এসবের জন্যে নিজেদের ভাই বেরাদরদের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করতে যাব? আমাদের মধ্যে যারা ওইসব জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত, তারা কী করে? নীরবে, বা বৃথা প্রতিবাদ জানিয়ে, স্কুলের/কলেজের বন্ধুদের হোয়াটস্যাপ গ্রুপ ছেড়ে চলে যায়। অনেকে ফেসবুক ত্যাগ করে, এক্স ত্যাগ করে। কিন্তু তাতে তো আর অফলাইন ঘৃণা এড়ানো যায় না, গণপিটুনির হাত থেকেও বাঁচা যায় না।
এভাবে ‘আমাদের’ চলে যাচ্ছিল ভালোই, ‘ওরা’ যতই খারাপ থাকুক। কিন্তু ২০২৫ দেখিয়ে দিল, এভাবে আমরাও আর বেশিদিন ভালো থাকতে পারব না। যা রাজনৈতিক, তা প্রবলভাবে ব্যক্তিগত। আমার বাড়ির মেয়েটার গায়েও কাল ঘৃণায় মাতাল বাহিনী বমি করে দিতে পারে। তাদের খবর দিয়ে দেবে আমারই কোনো বন্ধু, যাকে আমার মেয়ে কাকু বলে; বা আমারই মেয়ের মামা, যে কনভেন্টে পড়ে ইতিহাস ক্লাসে ঘুমিয়ে ধেড়ে বয়সে শিখেছে – হিন্দুদের এক হাজার বছর ধরে এদেশে পদানত করে রাখা হয়েছে।
বরেলির মেয়েটা কী বলেছে খুব মন দিয়ে শুনবেন। বজরং দলের লোকেরা শুধু যে তার মুসলমান বন্ধুদের মারধোর করেছে তা নয়। তার সঙ্গেও অসভ্যতা করা হয়েছে, ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। এদের সাহস বাড়ছে বৈ কমছে না। আগামীকাল মুসলমান ছেলেকে জন্মদিনে ডেকেছে বলে হিন্দু মেয়ের জামাকাপড় ধরে টানা, পরশু ধর্ষণ করার শাস্তিও যে এরা ধার্য করবে না – তার গ্যারান্টি দিতে পারেন কোন নেতা? হিন্দুরাষ্ট্রে ধর্ষণ যে কোনো অপরাধ বলেই গণ্য হয় না, সে তো বিলকিস বানোর ঘটনা থেকে শুরু করে কাঠুয়া, হাথরাস হয়ে উন্নাওয়ের ঘটনা পর্যন্ত দেখতেই পাওয়া যাচ্ছে।
আরো পড়ুন রমেশ কাণ্ডের পর সংসদে ঘৃণাভাষণও কি সয়ে যাবে আমাদের?
অমন ভবিষ্যতের হাত থেকে নিজেকে এবং নিজের প্রিয়জনদের বাঁচাতে হলে নতুন বছরে স্বীকার করতে হবে যে, সবকিছুই রাজনৈতিক এবং স্কুল-কলেজের ধর্মান্ধ বন্ধু বা ধর্মান্ধ আত্মীয়ের সঙ্গে দহরম বজায় রাখার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভারতের বহুত্ববাদী সংস্কৃতি এবং ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানের পক্ষে দাঁড়ানো। আমাদের সকলের এ কাজ করার ক্ষমতা সমান নয়। আমরা ছাপোষা মধ্যবিত্ত, আমাদের অধিকাংশেরই কোনো সংঘশক্তি নেই। ওটা না থাকলে আজকের ভারতে এ কাজ করা বিপদসংকুলও বটে। কারণ ঘৃণার রাজনীতি সংঘবদ্ধ, তার বিরোধী রাজনীতি ছত্রভঙ্গ। কিন্তু নিজের পরিবারের মধ্যে এবং বন্ধু মহলে এই রাজনীতির বিপক্ষে দাঁড়াতে খুব বেশি সাহসের দরকার নেই, দরকার সদিচ্ছার। ভারতীয় সমাজে আজও পরিবারের গুরুত্ব অসীম। ফলে ‘আমার যেটুকু সাধ্য করিব তা আমি’ মনে করে পারিবারিক প্রতিরোধ করলে তার প্রভাব সমাজে পড়তে বাধ্য। অন্য কারও ভালোর জন্যে নয়, নিজের ভালোর জন্যেই এটুকু করা দরকার। কারণ ২০২৫ সালে যদি না বুঝে থাকেন, তাহলে ২০২৬ সালের গোড়াতেই বুঝে নিন – সত্যিই হিন্দু খতরে মে হ্যায়। হিন্দুদের থেকে।
বিশ্বাস হচ্ছে না? একপেশে কথা বলে মনে হচ্ছে? মনে রাখবেন, যে কোনো দেশে যে কোনো কালে ঘৃণার চাষ হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সংখ্যালঘুরাই। তাই গত এক যুগে যে পরিমাণ ঘৃণার চাষ করা হয়েছে দেশজুড়ে, তাতে আপনিও কোনো না কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেনই। কথাটার মধ্যে কোনো হেঁয়ালি নেই। আজকের ভারত আসলে সংখ্যালঘুদের দেশ। মানে সবাই কোথাও না কোথাও সংখ্যালঘু। আপনি হিন্দু বাঙালি হলে পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যাগুরু, কিন্তু কর্মসূত্রে অন্য রাজ্যে গেলেই ভাষাগতভাবে সংখ্যালঘু। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে যখন সোনালী খাতুনদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হচ্ছিল, পে লোডার দিয়ে সীমান্তের ওপারে ছুড়ে ফেলা হচ্ছিল, তখন তিলোত্তমা মজুমদার বা সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি পবিত্র সরকারের কথায় আপনি হয়ত নিশ্চিন্ত হয়ে ভাবছিলেন – ওসব হচ্ছে ওরা মুসলমান বলে।
আসামে নিহত দীপক আর সৌরভ কিন্তু হিন্দু। এরপর আক্রমণটা দিল্লির চিত্তরঞ্জন পার্ক বা নয়ডার বাঙালির কাছে পৌঁছতে সময় লাগবে না। হায়দরাবাদ বা বেঙ্গালুরুর তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী বাঙালির কাছে পৌঁছতে হয়ত আরেকটু দেরি হতে পারে। অন্তত পশ্চিমবঙ্গে আপনি সংখ্যাগুরু বলে যে নিশ্চিন্ত থাকবেন, তারও কী উপায় আছে? মণিপুরের দিকে তাকিয়ে দেখুন। মেইতেইরা ওখানে সংখ্যাগুরুই। আজ সংখ্যালঘু কুকিদের সঙ্গে মেইতেইদের ঘরদোরও ছারখার হয়ে গেছে। বিরাটতম হিন্দু নেতা ফিরেও তাকাচ্ছেন না।
আবার ভাবুন অ্যাঞ্জেলের কথা। গোটা উত্তর-পূর্বাঞ্চলেই দীর্ঘকাল ধরে বাঙালিবিদ্বেষের চাষ হয়েছে। অ্যাঞ্জেলের রাজ্য ত্রিপুরায় তবু ও জিনিসটা কম, কিন্তু অরুণাচল প্রদেশের শিলংয়ে বাঙালিদের বসবাস বহুকাল ধরে। সেখানে আজও মাঝেমধ্যেই স্থানীয় বনাম বহিরাগত সংঘর্ষ লেগে যায়। তবে এই বিদ্বেষ সবচেয়ে বেশি আসামে। এনআরসি ব্যাপারটার উৎপত্তিই বাঙালিবিদ্বেষ থেকে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজনৈতিক নেতারা দীর্ঘদিন এই বিদ্বেষে ধোঁয়া দিয়েছেন। আজকের বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা যখন কংগ্রেসের তরুণ নেতা ছিলেন, তখন থেকে এই কাজটা করে আসছেন। এর ফল নেলী গণহত্যা (১৯৮৩) থেকে শুরু করে আজকের গোয়ালপাড়া ডিটেনশন সেন্টার। কিন্তু সেই উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মানুষই, ভারতের অন্যত্র যখন সংখ্যালঘু হয়ে বসবাস করেন, তখন নানাবিধ টিটকিরির শিকার হন। এখন আর টিটকিরিতে থেমে নেই ব্যাপারটা, মঙ্গোলয়েড ধাঁচের চেহারার জন্যে চিনা বলে দেগে দিয়ে হত্যা পর্যন্ত চলে যাচ্ছে। কারণ ঘৃণা এখন গর্ব করে দেখানোর মত বিষয়। এনআরসি-র সোচ্চার সমর্থক বিজেপির অরুণাচল প্রদেশের নেতা কিরেন রিজিজুকে অ্যাঞ্জেল খুন হওয়ার পর বলতে হয়েছে – দেশের মধ্যে দেশের মানুষকে তার ধর্ম, জাতি বা চেহারার কারণে খুন করা হলে তা গোটা দেশের পক্ষে লজ্জার কথা।
এ কী কথা শুনি আজ মন্থরার মুখে! তবু যে বলেছেন কথাটা, এতেই আমরা ধন্য। কিন্তু তাতে তো অ্যাঞ্জেলের প্রাণ ফিরে আসবে না। অতএব বুঝে নেওয়া দরকার যে, অন্যের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো মানে আমার বাড়ির ছেলেটাকে অ্যাঞ্জেল হওয়ার পথে এক পা এগিয়ে দেওয়া। অ্যাঞ্জেলকে অন্য কারও বিদ্বেষের দাম দিতে হয়েছে, আমার বাড়ির ছেলেকেও দিতে হতে পারে। অ্যাঞ্জেলকে ত্রিপুরার বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা, অরুণাচলের রিজিজু বা আসামের হিমন্ত বাঁচাতে পারেননি, আমার-আপনার বাড়ির ছেলেমেয়েদেরও শুভেন্দু অধিকারী বা সুকান্ত মজুমদার বাঁচাতে পারবেন না।
মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।








