হ্যাঁ। শব্দটি বাংলায় ছোট কিন্তু এর তাৎপর্য বৃহৎ। মানুষের জীবনের যে কোনো ক্ষেত্রেই, সম্পর্কের ক্ষেত্রে তো বটেই। তবে এর বিপরীত শব্দটি নঞর্থক হলেও, তার পরিধি, বা দায়িত্ব বোধহয় আরও অনেক বেশি। আর এইখানেই সমস্যার শিকড়। কারণ এ দেশে আমরা, লিঙ্গ, বর্ণ, শ্রেণি, বয়স নির্বিশেষে না বলা আর বোঝার চেষ্টা করতে এখনো সফল হইনি। কয়েকদিন আগেই একটা ছোট খবর চোখে পড়ল। এক প্রাপ্তবয়স্ক ভদ্রমহিলা তাঁর পুরুষ যৌনসঙ্গীর কন্ডোমে ছিদ্র করে রেখেছিলেন সঙ্গীর অজান্তে, সন্তানলাভের উদ্দেশ্যে। খবরটি অতি সংক্ষিপ্ত থাকায় অবশ্য জানা যায়নি, দুজন প্রাপ্তবয়স্ক যৌনসঙ্গীর মধ্যে কী ধরনের সমঝোতা ছিল বা ছিল না। কারণ এটি একটি মুখরোচক, হাস্যরসাত্মক খবর হিসাবেই পরিবেশন করা হয়েছে, এর গুরুত্ব বোঝার দায় ছিল না বোধহয়। তবে তাঁদের মধ্যে প্রেমজনিত সম্পর্ক ছিল না বলেই উল্লেখ করা হয়েছে এবং এর শাস্তিস্বরূপ মহিলাকে ছমাস হাজতে থাকার রায় দিয়েছে আদালত।

একটু ফ্ল্যাশব্যাকে ফিরি। বেশ কিছুদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়া উত্তাল হয়েছিল একটি “প্রেমের গল্পে”, যেখানে প্রেমিকার সাথে সম্পর্ক শেষ হয়ে যাওয়ার পর প্রেমিকার বাড়ির সামনে অবস্থানে বসেছিল নাছোড়বান্দা প্রেমিক। বেশ কয়েকদিন জেদ ধরে থাকার পর সেই প্রেমিকার সাথেই বিয়ে হয়েছিল তার। পুরো ফেবুমহলে “প্রেমের জয়” বিষয়ক লেখালেখির বন্যা বয়ে গিয়েছিল। আরও একটি ক্ষেত্রে ভিডিও ভাইরাল হয় এক নেশাগ্রস্ত প্রেমিকার, যে তার প্রাক্তন প্রেমিকের বাড়ির সামনে রীতিমত মত্ত অবস্থায় বক্স বাজিয়ে উদ্দাম নৃত্য করেছিল। এই গল্পের শেষটা অবশ্য অজানা। কোনো শাস্তি কি পেয়েছিল সে? সঠিক জানা নেই। তবে সামাজিকভাবে যে তার অবস্থা যে খারাপ হবে তা বুঝতে খুব বেশি কল্পনাশক্তির প্রয়োজন পড়ে না।

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

পুরনো কাসুন্দি ঘাঁটছি কেন হঠাৎ করে? কারণ গত কয়েক দিনে পশ্চিমবঙ্গের মিডিয়ায় বিশেষ প্রভাব ফেলেছে একটি হত্যাকাণ্ড। পুরনো প্রেমিকাকে ধাওয়া করে সর্বসমক্ষে কুপিয়ে খুন করেছে এক যুবক। ঘটনাটি ঘটে বহরমপুরের রাস্তায়, ভর সন্ধেবেলা। সে রাতেই পুলিসের হাতে ধরা পড়ে এই খুনী। তারপর যা শুরু হয়ে তাকে কবি যথার্থই বলেছেন “অলীক কুনাট্যরঙ্গ”। একটি বিখ্যাত সংবাদমাধ্যম আমাদের জানায়, মেয়েটি ছিল “সুন্দরী” আর ছেলেটি “মেধাবী”, “কৃতি”। সম্ভবত তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল, যা অল্প কিছুদিন আগেও অটুট ছিল। তারপর মেয়েটির আরেকটি ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়, তাই সে আগের সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসে। এখানে ঘটনাক্রম অবশ্য খুব স্পষ্ট নয়। মেয়েটির বাড়ির সূত্রে জানা যাচ্ছে, ছেলেটির সাথে মেয়েটির সম্পর্ক আগেই ভেঙে গিয়েছিল। তারপরও ক্রমান্বয়ে মেয়েটিকে উত্যক্ত করেছে ওই যুবক, যার ফলে বারবার ফোন নম্বর বদলেছিল মেয়েটি। ছেলের বাড়ি থেকে অভিযোগ, ছেলেটিকে পাড়ার ছেলেদের দিয়ে হুমকি দেওয়া ও মার খাওয়ানোও হয়। যা-ই হোক, যা পরিষ্কার তা হল মেয়েটি আর ছেলেটির সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে রাজি ছিল না, সে যে কারণেই হোক। কিন্তু ছেলেটি তা মেনে নিতে রাজি হয়নি এবং বারবার মেয়েটির মত বদলানোর চেষ্টা করেছে।

সমস্যাটা এখানেই। এই সমাজ বিশেষত ছেলেদের এই শিক্ষাই দিয়েছে, যে প্রত্যাখ্যান মানেই অপমান, বিশেষত যখন তা আসছে একটি মেয়ে (বা দ্বিতীয় স্তরের ব্যক্তি)-র কাছ থেকে। সমাজ এ-ও শিখিয়েছে, মেয়েদের না মানেই হ্যাঁ। তাই পুরুষ শিখেছে না-কে গুরুত্ব না দিয়ে লড়ে যেতে হয়, আর মেয়েরাও, অনেকাংশেই শিখেছে, প্রথমেই হ্যাঁ বলতে নেই, তাতে “খেলো” হয়ে যেতে হয়। অর্থাৎ সম্মতির ধারণাটিই কারোর পরিষ্কার নয়। স্বাভাবিকভাবেই এ দেশে প্রেমিকার না শুনতে শুনতে প্রেমিক “অপমানে” প্রতিহিংসার পথে হাঁটে। কেউ প্রেমিকার মুখে ছোঁড়ে অ্যাসিড, আবার কেউ আরও এক ধাপ এগিয়ে, ঠান্ডা মাথায়, পরিকল্পনামাফিক কুপিয়ে খুন করে প্রেমিকাকে। ইন্দোরের এক যুবক তো তার বিচারে বিশ্বাসঘাতক মেয়েটির আবাসনেই আগুন ধরিয়ে দিয়েছে বলে খবর। এছাড়া, প্রেমিক/প্রেমিকার মুখে না শুনে আত্মহত্যার হুমকি দেওয়া, বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা, বাড়ির সামনে ধর্না দেওয়া – এগুলোকে গভীর ভালবাসার প্রমাণ বলেই মনে করা হয়। এভাবেই বিষবৃক্ষের চারা পোঁতা থাকে পিতৃতান্ত্রিক সমাজের কাঠামোর মধ্যে। এতটাই, যে একটি মেয়ের অকালমৃত্যুর পর সোশাল মিডিয়ায় তাঁকে লক্ষ্য করে যে মন্তব্যগুলো ছুটে আসে তার মধ্যে মেয়েটির চরিত্র নিয়ে টানাটানির প্রবণতা খুব বেশি দেখা যায়। আর এই মন্তব্য শুধু ছেলেরা করছে তা নয়, ঐ মেয়েটিরই বয়সী বা তার মত সামাজিক অবস্থানে থাকা মেয়েরাও অশালীনভাবে আক্রমণ করে যাচ্ছে মৃতাকে। ছেলেটির জীবন নষ্ট করার দায় চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে এমন একজনের উপর, যার নিজের জীবনহানি হয়েছে ছেলেটির আক্রমণে।

এসবের কারণ কী? কারণ হল মেয়েটি একটি সম্পর্ক শেষ করে অন্য একটি সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিল। অর্থাৎ মত বদলের স্বাধীনতা নেই মেয়েটির। সে এক পুরুষের বদলে আরেক পুরুষকে বেছে নিয়েছে। সুতরাং প্রমাণিত হল সে চপলস্বভাব, চরিত্রহীন, সুযোগসন্ধানী। অর্থাৎ পিতৃতন্ত্র নির্মিত এবং নারীবিদ্বেষী ধারণাগুলো সঠিক বলে প্রমাণিত হল। মেয়েদের মন্তব্যে এই আশঙ্কাও ফুটে উঠেছে, যে এর ফলে অন্যান্য মেয়েদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যাবে।

ইতিহাসের ছাত্রী হিসেবে জানি, মেয়েদেরকে সব সমাজেই শয়তানের অনুচর বা নরকের দ্বার হিসাবে দেখানো হয়ে এসেছে প্রাচীনকাল থেকে। বিশ্বাসযোগ্যতার অভাব, অসংযমী প্রকৃতির অজুহাতে এককালে ইউরোপে বহু মেয়েকে ডাইনি আখ্যা দিয়ে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। কোনো কোনো ঐতিহাসিকের মতে, সেই মেয়েদেরই ডাইনি বলে চিহ্নিত করা হত, যাদের যৌনতা সমাজ নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ বলে মনে হত (এক্ষেত্রে কমবয়সী অবিবাহিতা মেয়েরা চিহ্নিত হত)। এছাড়া যারা মুখরা, যারা তর্ক করে তাদেরও ডাইনি বলে দেগে দেওয়া হত। এই একবিংশ শতকে দাঁড়িয়ে মনে হচ্ছে, সেই ধারণাগুলো যেন দিনে দিনে আরও গভীরে চারিয়ে যাচ্ছে। এর জন্যে কিন্তু আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে দায়ী।

উল্লেখযোগ্য, বহরমপুরের ঘটনার পর সংবাদমাধ্যমে বারবার ছেলেটিকে মেধাবী বা কৃতি বলে বর্ণনা করা হয়েছে। তার পারিবারিক অবস্থান বর্ণনা করা হয়েছে। কিন্তু মেয়েটির মেধা বা কৃতিত্ব মোটেই উল্লেখ করা হয়নি। তার ক্ষেত্রে একমাত্র উল্লেখযোগ্য বিশেষণ – সুন্দরী। এই দুই নির্মাণ যে মেয়েদের প্রতি বিদ্বেষকে ইন্ধন জুগিয়েছে তা বলাই বাহুল্য। কখনো কখনো প্রতিবেদন পড়তে গিয়ে মনে হয়েছে, মেয়েটিই বোধহয় ছেলেটিকে হত্যা করেছে এবং কোনো শাস্তি পায়নি।

অথচ যতদিন যাচ্ছে আমরা জানতে পারছি, মেয়েটিকে দিনের পর দিন ছেলেটি উত্যক্ত করেছে। ছেলেটির নিজের পরিবারই বলছে, কিছুদিন ধরে তার ব্যবহার মোটেই স্বাভাবিক ছিল না। তার ফেসবুক প্রোফাইলেও অসংলগ্ন চিন্তাভাবনার প্রমাণ রয়েছে। তা সত্ত্বেও তার কোনো চিকিৎসা করানো হয়নি, কারণ সমাজ জানে একমাত্র “মাথা খারাপ” হলেই “পাগলের ডাক্তার” দেখাতে হয়। আর যারা সেই চিকিৎসা করায়, ফেসবুকের বাইরের সমাজে যে তাদের খুব স্বাভাবিক চোখে দেখা হয় তা নয়। এক্ষেত্রে সমাজের অধিকাংশের যে রায় তা উঠে এসেছে ছেলেটির পিসির গলায়। তিনি জানিয়েছেন মৃত মেয়েটিই উসকাত তাঁদের শান্ত, উজ্জ্বল ছেলেটিকে। অবশ্যই তিনি জানেন না যে একে ভিক্টিম ব্লেমিং বলা হয়। দুঃখজনকভাবে আমরা তথাকথিত শহুরে নারীবাদীরা এই মহিলাদের কাছে পৌঁছতে পারিনি। পৌঁছতে চেয়েছি কি? জানা নেই।

পিতৃতন্ত্রের বিষ আজ এতটাই ছড়িয়ে পড়েছে, যে নারীবাদকে খুব সহজেই পুরুষবিদ্বেষ বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়। অন্যদিকে নারীবিদ্বেষের বিভিন্ন ভয়ংকর রূপ ছড়িয়ে থাকে সমাজের আনাচে কানাচে। পিতৃতন্ত্র যেহেতু আমাদের অবচেতন জুড়ে বসে আছে, সেহেতু এরকম ঘটনা না ঘটলে আমরা অনেকেই তাকে চিহ্নিত করতে পারি না। আর যখন এমন ঘটনা ঘটে তখন অতিসরলীকরণ করা হয়, নির্যাতিতা মেয়েটিই গণআদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়ে যায়। আমরা নির্বিবাদে কবীর সিংয়ের নির্যাতনে প্রেমের পদধ্বনি শুনি আর বাড়ির মেয়েটিকে বলি একটু মানিয়ে নিতে। যখন মেয়েরা মানিয়ে নেয় না, নিজের মত প্রকাশ করে, নিজের কথা নিজেরা বলতে চায়, নিজেদের যৌনতার উপর অন্য কারোর নিয়ন্ত্রণ মানতে চায় না (অনেক ক্ষেত্রেই সম্পর্কে থাকা না থাকার ক্ষেত্রে এই শেষ বিষয়টি প্রযোজ্য), তখনই তাদের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। মেয়েদের ইচ্ছা অনিচ্ছার বিষয়টি এই সমাজে অনেক সময়েই বিশেষ গুরুত্ব পায় না, বা তাকে স্বেচ্ছাচার, বিশৃঙ্খলা বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়। আসলে যে মেয়েরা নিজের শরীর, মন, জীবনের উপর পুরুষ বা পিতৃতান্ত্রিক সমাজের দাবি মেনে নিতে রাজি হয় না, তারা এ যুগের ডাইনি হয়ে ওঠে।

পিতৃতান্ত্রিক সমাজের কাঠামোকে সুদৃঢ় রাখার জন্য নারী তথা যে কোনো দুর্বলের উপর পুরুষ বা সবলের কর্তৃত্ব বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই বিন্যাস শুরু হয়ে যায় সন্তানের জন্মের পর থেকেই, পারিবারিক ও সামাজিকভাবে। একদম শিশুকাল থেকেই ছেলেদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়, তারাই পরিবারের তথা সমাজের মুখ। এতে যেমন তাদের উপরও ছোট থেকেই পরিবারের আশা আকাঙ্ক্ষার ভার চেপে যায়, তেমনই তারা শিখে নেয় পৃথিবী চলবে তাদেরই অঙ্গুলিহেলনে। বেশিরভাগ পরিবারেই মেয়েকে বঞ্চিত করে ছেলেকে সব ক্ষেত্রে সুবিধা দেওয়া হয়। তার ফলেই পুরুষ অন্যান্য সবকিছুর মতই নারীকেও ভোগ্যপণ্য হিসাবে দেখতে শেখে। কেউ কেউ এই শিক্ষা পেরিয়ে যেতে পারে, নিজের বিরুদ্ধ মত মানতে শেখে নিজের চেষ্টাতেই। কিন্তু অধিকাংশই শেখে না। আর তাই একটি মেয়ের অসম্মতি তাদের পৌরুষে প্রবল আঘাত হানে। অন্যদিকে মেয়েরাও নিজেদের মত প্রকাশ করতে সাহস পায় না, কারণ ছোট থেকে তাদের শেখানো হয়েছে বাধ্য মেয়ে হলেই লক্ষ্মী মেয়ে হওয়া যায়। আর কে না জানে, একটি মেয়ের জীবনে লক্ষ্মী হয়ে ওঠার থেকে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই? সমাজে এভাবেই বিষাক্ত পৌরুষের ছায়া দীর্ঘ হতে থাকে।

সমাজে এই পচন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে, তাই আশু সমাধান প্রয়োজন। সচেতনতা গড়ে তোলার দায়িত্ব নিতে হবে আমাদেরই। তার প্রথম পাঠ শুরু করতে হবে নিজের পরিবার থেকে। একটি ছেলের উপর পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করার সীমাহীন দায় চাপিয়ে দেওয়া হবে না, মেয়েকে বলা হবে না “যে সহে, সে রহে”। অপরের মতামতের মূল্য দিতে শেখাতে হবে। সম্মতিকে মূল্য দেওয়া শুরু করতে হবে, এবং শিশুর সম্মতিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। বলা যত সহজ, করা বোধহয় ঠিক ততটাই কঠিন। তাই শুরু করতে হবে নিজেকে দিয়ে এবং আজই। নাহলে বারবার মেয়েরা বা সমাজের অন্যান্য দুর্বল অংশ সবলের নির্যাতনে পীড়িত হতেই থাকবে। দিন কয়েক মিডিয়ায় আলোচনা হবে, তারপর আবার আমরা ফিরে যাব আমাদের দৈনন্দিন জীবনে। অন্যরকম সাজপোষাক পরা ছেলে বা মেয়েকে দেখে কটূক্তি করব, কোনো মেয়ে ধর্ষিতা হলে প্রশ্ন করব “অ্যাফেয়ার ছিল না তো?” নির্বিকার মুখে নারীবিদ্বেষী কৌতুক চালাচালি করব, কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে “কিলজয় ফেমিনিস্ট” আখ্যা দেব। এদিকে কবীর সিংরা আদর্শ প্রেমিক হয়ে উঠবে, সুতপারা খুন হবে। এই সমাজই কি আমরা চাই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যে?

মতামত ব্যক্তিগত

আরো পড়ুন

সমানাধিকারের পাঠেও দখলদারি শুরু করেছে পুরুষ

1 মন্তব্য

  1. Purush prodhan somaje mohila opradhir sonkha kom. Na hole mohilarao edhoroner oporadh kore thaken.tobe tr sonkha kom. Ain onujayi oi oporadh r bichar hobe . Kichu gono madhyame oi cheletir barir loker live sune mone holo je cheleti nije theke jor korto ektorfa vabe. Choritro ekhane oprasongik bapar, ain osob abstract subjective ke importance dei na. Je kono somoy je keu somporko chere beriye aste paren , ain take badha debe na, kintu naitikotr prosno thakbei. Karo mukh to bondho kora jabe na. Kono kajer somalochona hotei pare tobe nirdisto platform e

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.