শুভময় মৈত্র

বাংলায় আমরা যত না কথা বলি, তার থেকে বেশি বলি রবীন্দ্রনাথের ভাষায়। পশ্চিমবঙ্গ বা ভারতবর্ষে আমরা যতটা রাজনীতি করি, সেই তর্ক বিতর্কের এমন কোনো সূত্র নেই, যা রবীন্দ্রনাথের লেখা থেকে তুলে আনা যায় না। তাই তাঁর জন্মদিনে আজকের ভারতে গোরা উপন্যাস পাঠ নিয়ে লেখার আদেশ পেয়ে প্রথমেই মনে হয়েছিল যে সেই উপন্যাস থেকে কিছু কিছু বাক্য কেটে তুলে দিলেই তো কাজ শেষ। অবশ্য শেষ পর্যন্ত ততটা সাহসী হওয়া গেল না। তবে এই আলোচনায় ঢোকার আগে কয়েকটি কথা বলে নেওয়া দরকার। এক, আমরা মানে কারা? সেই শ্রেণি যারা মোটের উপর বাংলা জানি। রবীন্দ্রনাথ বনাম জীবনানন্দ নিয়ে তর্ক করতে পারি। তাতে হয়ত গভীরতা অনেক সময় কম থাকে, এই লেখাটি যেমন। তবুও আমরা ভালোবাসি তাঁদের কথা বলতে, তাঁদের কথা ভাবতে। অর্থাৎ সাদা থান থেকে গুড় বাতাসার বাইরেও যে বাংলা ভাষা আছে, যা সবসময় চড়াম চড়াম করে চমকায় না, সেই ভাষায় সামান্য এঁড়ে তর্ক করার যুক্তিবোধ এই অধমদের বর্তমান। দুই, আমরা রাজনীতি সচেতন। সাম্প্রতিক সন্ধেবেলার টেলিভিশন হইচই এবং গত প্রায় পাঁচ দশক ধরে (১৯৭২-২০২২) ভোটের দিন শাসকের আশীর্বাদে অনেক সময়েই (সব সময় নয়, যেমন জনগণের রায় প্রতিফলিত হয়েছে ১৯৭৭ বা ২০১১-তে) নির্বাচনের দিন আত্মার ভোটদানের রাজনীতি চালু। এর বাইরে যে রাজনীতি, তাতে আমাদের আবছা জ্ঞান বর্তমান। এখানেই উদারপন্থী বনাম রাষ্ট্রবাদী ভাবনার তফাত নিয়ে আমরা কথা চালাচালি করতে পারি। যা কিনা যুক্তিহীন একে অন্যের চালুনির ছিদ্র সন্ধানের তুলনায় অধিকতর সমাজবোধের পরিচয় দেয়।

এবার আসা যাক গোরার কথায়। এই চরিত্র আপনাদের সকলের কাছেই যথেষ্ট পরিচিত। আমি পড়েছিলাম ছোটবেলায়, যখন পশ্চিমবঙ্গের বামপন্থী সরকার আশির দশকে এসে বুঝতে পারছিল যে বুর্জোয়া ভাবনার বাইরেও এক অন্য রবীন্দ্রনাথ আছেন। কদিন আগেই কার্ল মার্কসের জন্মদিন গেল। আসলে মার্কসই হোন বা রবীন্দ্রনাথ, আইনস্টাইন কিংবা বারট্রান্ড রাসেল, এই সমস্ত চিন্তাবিদের (নাকি বুদ্ধিজীবী?) সমাজ ও জীবনবোধ আমরা এত অনুগামী দল বেঁধে বিশ্লেষণ করি, যে এঁদের ভাবনার সঙ্গে আমাদের সব মত মেলা অসম্ভব। সেটা সম্ভবত বুঝেছিলেন আশির বাম নেতৃত্ব এবং সেই সুযোগেই রবীন্দ্র রচনাবলীর নতুন পাতার গন্ধ, আর কৈশোরেই গোরা পড়া। তারপর তিন দশকাধিক ওঠাপড়া পার করে আবার অর্ডারি লেখার তাগিদে গোরায় ফেরা। মাঝে দু-এক টুকরো আলোচনায় গোরা এসেছেন হয়ত, কিন্তু তা সাম্প্রতিক সময়ের প্রেক্ষিতে এই উপন্যাসকে বিশ্লেষণ করার মত ঐকান্তিক প্রচেষ্টা নয়। আর ঐকান্তিক হয়েই বা লাভ কী? রবি ঠাকুর মহাবিশ্বের যতখানি জায়গা জুড়ে আছেন, তার তল পাওয়া সত্যিই অসম্ভব। লাভ হল এইটুকুই, এই লেখার সুবাদে গত কয়েকদিনে পরিবার এবং তার বাইরেও অনেকের সঙ্গে কথা চালাচালি হল গৌরমোহন এবং তাকে কেন্দ্র করে এই উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্র বিশ্লেষণে। লালবাতির নিষেধ না মেনে কবির গান এ বাংলায় একটানা বেজেছে অনেকদিন, ফলে তাঁর নিশ্চয় কম আলোচিত হওয়ার আক্ষেপ নেই। তবে ফিরে ফিরে গোরা পড়তে গিয়ে বুঝলাম এ অধমের আলোকিত হওয়া এখনো অনেকটাই বাকি। অসম্পূর্ণ জ্ঞান নিয়ে মিছিমিছি উপন্যাস বিশ্লেষণের লোভ তাই সামলে ওঠাই মঙ্গল। সুতরাং এই লেখায় পেশ করা যাক কিছু প্রশ্ন, যার উত্তর পাঠিকা এবং পাঠকেরা খুঁজবেন সময় পেলে।

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

খুঁটিয়ে পড়তে গিয়ে শুরুতেই নজরে এল এই বাক্য তিনটি। “তাহার পরে একটু একটু করিয়া পরিচয় পাওয়া গেল। পরেশবাবু ইহাদের পিতা নহেন — তিনি ইহাদের দুই ভাইবোনকে ছেলেবেলা হইতে পালন করিয়াছেন। ইহার দিদির নাম আগে ছিল রাধারানী – পরেশবাবুর স্ত্রী তাহা পরিবর্তন করিয়া ‘সুচরিতা’ নাম রাখিয়াছেন।” অনেকগুলো কাছাকাছি “ইহা” হয়ত পাঠের মসৃণতায় ব্যাঘাত ঘটায়, তবে বক্তব্য এখানে একেবারে পরিষ্কার। শুধু এই উপন্যাসের মুখ্য চরিত্র নয়, এখানে শুরুতেই পালনের কথা। আসলে জৈবিক সন্তান বনাম পালিত সন্তান নিয়ে সম্ভবত এক আলোচনার প্রেক্ষিত শুরুতেই পেশ করেছেন কবি। এই সুচরিতার সঙ্গেই তো সম্পর্ক তৈরি হবে গোরার। এ কি পালিতার সঙ্গে পালিতের সম্পর্ক সৃষ্টির আগাম ইঙ্গিত? এই উপন্যাসের একটি মুখ্য চরিত্র বিনয়ও বটে। সেও পিতৃমাতৃহীন। তাকে খুবই স্নেহ করেন আনন্দময়ী। এখানেও অনেকটা পালিতা মায়ের রূপ ফুটে ওঠে। অতিরিক্ত ভাবনার একটা জায়গা তাই তৈরি হয়, যে কেন এত বেশি করে পালনের কথা বলেছেন রবি ঠাকুর? গোরা চরিত্রটির পালিত সন্তান হওয়ার দায় অনেক বেশি, কারণ সে পথেই এগিয়েছে ধর্মাচরণের দ্বন্দ্ব, যা এই উপন্যাসের মূল ভিত্তি। কিন্তু বেশ কয়েকটি সম্পর্কিত চরিত্র, যার কোথাও বন্ধুত্ব কোথাও প্রেম, সেখানে শুরুতেই একঝাঁক পালিত বা পালিতার কথা আসা কি নেহাতই কাকতালীয়? আর এই প্রসঙ্গেই তুলে রাখা যাক আর একটি প্রশ্ন। রাধারানীর নাম বদলে সুচরিতা সেইসময়ের বঙ্গ নারীসমাজকে প্রগতিশীলতার ঠিক কোন কাঁটায় মাপা? সে ভাবনার কাঁটা গলায় সামান্য খচখচ করা অস্বাভাবিক নয়।

শুরুর আরেকটি অংশে প্রকট ব্রাহ্ম বনাম ব্রাহ্মণ তর্ক।

গোরা একটু উষ্ণ হইয়া উঠিয়া কহিল, ‘আমার ভালোয় কাজ নেই। পৃথিবীতে ভালো দু-চারজন যদি থাকে তো থাক কিন্তু বাকি সবাই যেন স্বাভাবিক হয়। নইলে কাজও চলে না প্রাণও বাঁচে না। ব্রাহ্ম হয়ে বাহাদুরি করবার শখ যাদের আছে অব্রাহ্মরা তাদের সব কাজেই ভুল বুঝে নিন্দে করবে এটুকু দুঃখ তাদের সহ্য করতেই হবে। তারাও বুক ফুলিয়ে বেড়াবে আর তাদের বিরুদ্ধ পক্ষও তাদের পিছন পিছন বাহবা দিয়ে চলবে জগতে এটা ঘটে না, ঘটলেও জগতের সুবিধে হত না।”

গৌরমোহনের গৌরচন্দ্রিকা এভাবেই ফেঁদেছেন কবি। এই প্রসঙ্গে মনে করিয়ে দিতে হয়, বাংলার নবজাগরণে ব্রাহ্মদের যথেষ্ট প্রভাব ছিল। কিন্তু তা দিনে দিনে এই বঙ্গে একেবারে হারিয়ে গেল। এর জন্যে নিশ্চয় আপামর জনসাধারণ গোরাকে দায়ী করবেন না! অর্থাৎ সেই সময়ের উদারবাদী ধারা যে সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এগোতে পারেনি, বরং হেরে গেছে বাঙালি রক্ষণশীলতার কাছে, এটাই আজকের অভিজ্ঞতা। গোরার গোঁড়া হিন্দু ভাবনার বদল হয়েছে উপন্যাসের শেষের দিকে, দখল নিয়েছে উদারবাদী মন। কিন্তু রবিবাবুর স্বপ্ন বেচে বাঙালি আদৌ সামাজিকভাবে উদারবাদী হতে পারেনি। অর্থাৎ গোরার মহত্ত্বে উত্তরণ আমবাঙালির খুব বিশেষ দু-একজনের গল্প, যাঁরা রবিবাবুর মানের। সাধারণ মানুষের মধ্যে সার্বিক সমীক্ষায় তার বিশেষ সমর্থন অনুপস্থিত।

এ জগতের অল্প কয়েকজন উচ্চপ্রশংসিত বিশ্বমানবের মতই রবীন্দ্রনাথও উগ্র জাতীয়তাবাদের বিরোধী ছিলেন। চূড়ান্ত রাষ্ট্রবাদী না হয়েও যে দেশপ্রেমিক হওয়া যায় তার প্রমাণ বিশ্ব ইতিহাসে ছড়িয়ে আছে। কবিও তাই বুঝতেন। সেই জায়গাতে আজকের আলোচনায় অবশ্যই উঠে আসা উচিত দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বিজেপির কথা। গোরা নিজেকে হিন্দু বলে মনে করায় অপরাধ তো কিছু নেই। ধর্ম এবং ঈশ্বর সাধনা আমাদের সভ্যতার এক অঙ্গাঙ্গী অংশ। রাজনীতির উপকরণ হয়ে ধর্ম বা ঈশ্বরের নামে মানুষ মারা হয়। কিন্তু আদতে তো এগুলি সমাজবোধের উপকরণ। এই প্রসঙ্গে প্রথমে বলা দরকার, যে গোরা কিন্তু শুরুতে একেবারে আজকের বিজেপি কিংবা দীর্ঘ ইতিহাস সঙ্গে রাখা আরএসএসের মতই হিন্দু বিষয়টিকে ধর্মের তুলনায় আরও উপরে, অর্থাৎ জাতিতে তুলে নিয়ে যেতে চেয়েছেন। এই অঙ্কে হিন্দুরাষ্ট্রের কথা আসাই স্বাভাবিক। স্বাধীনতার লড়াইয়ের সফলতা সংখ্যাগুরু, এবং সেই অনুসিদ্ধান্তে জাতির জয় হিসেবে দেখাতে পারলে শুরুতেই তো পাকিস্তানকে ভাগিয়ে হিন্দুরাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারত ভারত। তা পারেনি, কারণ শুরুর গোরা শেষে বদলে গিয়েছিলেন। রবিবাবু শুধু বিশ্বপথিক নন, আগামী রাজনীতির অলিগলি, রাজপথ ছিল তাঁর নখদর্পণে। তিনি অবশ্যই অনুমান করেছিলেন যে গান্ধীজি থেকে নেতাজি (বাকি সব নাম আপনারা জানেন, তাই তালিকা লম্বা করে বেশি বিরক্ত করছি না), দেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে অত্যন্ত সতর্কভাবে হিন্দুত্বের প্রভাব রুখে দিয়েছেন তাঁরা সকলেই। নিজের ধর্মকে ভালোবেসেছেন, নিজের দেশকে স্বাধীন করতে চেয়েছেন ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়, কিন্তু সেই সুযোগে হিন্দুধর্মকে গোটা দেশের চালিকাশক্তি হতে দিতে চাননি। উপন্যাসের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে গোরার বিবর্তন কি সেই কথাই বলছে?

এ লেখা এরমধ্যেই যথেষ্ট লম্বা হয়েছে। এরপর আর কেউ সময় নিয়ে পড়বেন না। তাই চটজলদি উপসংহারে ঢুকে পড়াই ভাল।

এক, এমন কি সম্ভাবনা আছে যে আজকের বিজেপি বা আরএসএসের কোনো নেতা হঠাৎ করে বিষম উদারবাদী হয়ে গেলেন? গত কয়েক দশকের মধ্যে উদাহরণ হিসেবে বাজপেয়ীর কথা বলা যায়, কিংবা তাঁর আশেপাশের সুষমা স্বরাজ, অরুণ জেটলি বা মনোহর পারিকরের কথা। আজকের বিজেপি বদলানো গোরা নয়। বরং তাদের রাজনীতি রাষ্ট্রবাদের গোঁড়ামি নিয়েই বেশ সফল, উপন্যাসের গোড়ার গোরার মত। সামরিক এবং উগ্র জাতীয়তাবাদ তাদের দেশপ্রেমের সমার্থক। আবার একইসঙ্গে সমাজচেতনাও সেখানে উপস্থিত। গোরা যেমন কাজ করেছেন প্রান্তিক মানুষের উন্নতিকল্পে, বিজেপি বা আরএসএসের ইশতেহারেও সেই জনমুখী ভাবনার কথা বারে বারে আসে। গোটা দেশের উন্নতির কথা আসে নিম্নবর্ণের, নিম্নবর্গের প্রান্তিক মানুষদের সঙ্গে নিয়ে। কিন্তু সঙ্গে সেই শুরুর গোরা, যেখানে মানবিক উদারবাদ বেশ ঝাপসা। তাই বিজেপির চিন্তন দলের বৈঠকে কোনোদিন গোরা উপন্যাস নিয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা, আজকের বিশ্লেষণে তা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

ভেবেছিলাম এইখানেই শেষ করি। তবে কুচুটে কিছু ভাবনাও তো দুষ্টু লোকের মাথা থেকে যায়, তাই না? আচ্ছা, আজকের দিনে কাশ্মীরের কোনো এক সংখ্যালঘুর সন্তান যদি হারিয়ে যেত রাজনৈতিক হিংসার টানাপোড়েনে? তারপর উপন্যাসের কোনো এক ধারাপথে যদি সে পালিত হত কলকাতার উপকণ্ঠে সংখ্যাগুরু ধর্মবিশ্বাসী তৃণমূল সমর্থকের ঘরে? তারপর না হয় স্নাতকস্তরে যাদবপুরে পড়তে গিয়ে অতি বাম, সেখান থেকে স্নাতকোত্তরে জেএনইউতে সিপিএমের ছাত্র সংগঠনে নাম লেখানো, তারপর বিবর্তনে কংগ্রেস নেতা। সবশেষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হওয়ার প্রয়োজনে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা। এমন হলে সে লেখা বইত কোন খাতে? আইরিশ সন্তান গোরা হয়ে পথ দেখিয়েছেন। ধর্মের ভাবনা বদলেছে তাঁর। আজকের রাজনীতি ভাবনায় নতুন গোরার সন্ধানে আমরা। ধর্ম নয়, রাজনীতির গোঁড়ামি এবং তার প্রেক্ষিত আলোচনা তাই আজকের গোরার গোড়ার কথা হতেই পারে।

আর শ্রেণিহীন সমাজের প্রশ্ন, যা নাকি ফিরে ফিরে এসেছে গোরার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতায়! সেখানে নাকউঁচু ব্রাহ্ম কিংবা ব্রাহ্মণ্যবাদের দশা একই। তাই তো একেবারে শেষের পাতায় অন্য আলো দেখানোর চেষ্টা করেন লেখক। তবে সেই পরিশিষ্ট বিশ্বমানবের ডাক ঠিক কতটা শোনাতে পেরেছে, কিংবা বোঝাতে পারছে আজকের ভারতকে, সে নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়। এই লেখা শেষ হোক সে কথাটুকু দিয়েই।

গোরা কহিল, “মা, তুমিই আমার মা। যে মাকে খুঁজে বেড়াচ্ছিলুম তিনিই আমার ঘরের মধ্যে এসে বসে ছিলেন। তোমার জাত নেই, বিচার নেই, ঘৃণা নেই — শুধু তুমি কল্যাণের প্রতিমা। তুমিই আমার ভারতবর্ষ।

মা, এইবার তোমার লছমিয়াকে ডাকো। তাকে বলো আমাকে জল এনে দিতে।”

লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত

আরো পড়ুন

মুক্তধারার পথ

Leave a Reply