১৯২০ সাল। ‘হাবিলদার কবি’ কাজী নজরুল ইসলাম (তখনও ‘বিদ্রোহী’ কবিতা লেখা হয়নি, ‘বিদ্রোহী কবি’ নামকরণও হয়নি) বাংলা রেজিমেন্ট ছেড়ে কলকাতায় ফিরলেন। আশ্রয় নিলেন বন্ধু শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়ের বোর্ডিংয়ে। কিন্তু থাকতে পারলেন না। বোর্ডাররা সকলেই হিন্দু, হঠাৎ করে একজন মুসলমান তাদের সঙ্গে থাকবেন, খাবেন, তা কী হয়! তাদের ধর্মীয় ছুঁতমার্গে বাধল ৷ অতএব নজরুলকে ছাড়তে হল সেই বাসা, উঠতে হল কলেজ স্ট্রিটে ‘বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতি’র বাড়িতে মুজফফর আহমেদের ঘরে।

২০২৩ সাল। নবদ্বীপের অধিবাসী আনন্দবাজার পত্রিকার সাংবাদিক দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর এক ফেসবুক পোস্টে জানান যে নবদ্বীপের এক সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘রবীন্দ্র নজরুল সন্ধ্যা’র আয়োজন করে সেখানকার রাধারাণী মন্দিরের নাটমন্দিরে। মন্দির কর্তৃপক্ষ তাঁদের বাধ্য করেন নজরুলের ছবি বাদ দিয়েই অনুষ্ঠান করতে। ফ্লেক্সেও নজরুলের ছবিতে তাঁরা আপত্তি জানান। অবশ্য নবদ্বীপের অনেক সংস্কৃতিমনস্ক মানুষের ক্ষোভের ফলে শেষ পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ ক্ষমাপ্রার্থনা করেছেন

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন

~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

আমরা, তথাকথিত শিক্ষিত উচ্চবর্ণের বাঙালি হিন্দুরা বিশ্বাস করে থাকি যে পৃথিবীর যেকোনো ধর্মের মানুষের তুলনায় আমরা অনেক বেশি পরধর্মসহিষ্ণু, এবং আজকাল যতটুকু সাম্প্রদায়িকতার লক্ষণ আমাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে, সে সব বহিরাগত সংস্কৃতির অনুপ্রবেশের ফল। এই মিথ যে কত বড় মিথ্যা তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় উপরের উদাহরণগুলি। আসলে, উচ্চবর্ণের শিক্ষিত বাঙালি হিন্দুর একটা বড় অংশ উনবিংশ শতক থেকেই মুসলমানবিদ্বেষের উত্তরাধিকার বহন করে চলেছে। নানা কারণে সেই বিদ্বেষ প্রকট হয়ে ওঠেনি এতদিন। ২০১৪ ও ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল সেই বিদ্বেষের আগুনে ঘি ঢেলেছে মাত্র। বোতলের ভূতের মতো আমাদের মনে লুকিয়ে থাকা সাম্প্রদায়িকতা হঠাৎ বেরিয়ে এসেছে ; তার আকস্মিকতায় আমরা তাকে চিনতেও পারছি না, সে ভূতের থেকে কীভাবে প্রাণ বাঁচাবো তা-ও বুঝতে পারছি না।

নজরুলের সমকালে ও পরবর্তীকালে বারবার তাঁর রচনার চিরকালীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রশ্ন যাঁরা তুলেছেন সকলেই প্রায় উচ্চবর্ণের বাঙালি হিন্দু। এঁরা বারবার বলেছেন, নজরুলের লেখায় নাকি কেবল ‘অসির ঝনঝনানি’, কেবল বিদ্রোহের ডাক। অনেকেই বলেছেন, ভারতের স্বাধীনতাপ্রাপ্তির পরে নজরুলের সাহিত্যের আর বিশেষ প্রাসঙ্গিকতা নেই। আবু সৈয়দ আইয়ুবের মত সাহিত্যবিশারদ নজরুলের শিল্পনৈপুণ্যকে মেনে নিলেও এঁরা মানেননি। এঁরা সকলেই পণ্ডিত মানুষ, আমি এঁদের নিয়ে কোনো মন্তব্য করার যোগ্য নই। তাই, এঁরাও মনের মধ্যে চেপে রাখা মুসলমানবিদ্বেষ থেকেই এমন মন্তব্য করেছেন কিনা তা বলা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তবে এটুকু দাবি করতেই পারি যে, আজ তাঁরা বেঁচে থাকলে দেখতে পেতেন, এই ২০২৩ সালে আরএসএসের ভারতবর্ষে কীভাবে প্রতিদিন আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছেন নজরুল।

আজকের বাংলা তথা ভারত জুড়ে চলছে ‘পলিটিক্স অব এক্সক্লুশন’ বা ‘বাদ দেওয়ার রাজনীতি’। এই রাজনীতির সুচারু প্রয়োগ হচ্ছে বাঙালি মুসলমানদের উপর। সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালি হিন্দু কারও পরিচয় জিজ্ঞেস করতে হলে প্রায়ই বলেন, “আপনি বাঙালি না মুসলমান?” এই বিকৃত মানসিকতার ধুয়ো দিয়ে দক্ষিণপন্থীরা বাঙালি মুসলমানদের বাঙালি বলে স্বীকারই করতে চান না। আর মধ্যপন্থী বা বামপন্থীরা, যারা নিজেদের মুসলমান সমাজের মসীহা বলে দেখাতে চান, তাঁদের গণ্ডী পার্ক সার্কাস, জাকারিয়া স্ট্রিট আর ঈদের দিনে দুটো হিন্দি-উর্দু শব্দে কথা বলা। পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলোতে অসংখ্য বাঙালি মুসলমান এভাবেই ‘বাদ দেওয়ার রাজনীতি’র শিকার হচ্ছেন। নবদ্বীপে নজরুল স্মরণে বাধা দানও এই রাজনীতিরই অঙ্গ।

‘বাদ দেওয়ার রাজনীতি’র পরের ধাপে আসে আক্রমণ। প্রথমে পরোক্ষ আক্রমণ। যার শিকার হলেন এবছরের মাধ্যমিকে দ্বিতীয় হওয়া মুসলমান ছেলেটি এবং মাদ্রাসা পরীক্ষার কৃতি ছাত্রছাত্রীরা৷ তারপর আসে প্রত্যক্ষ আক্রমণ। এবছর রামনবমী উপলক্ষ্যে শিবপুর, রিষড়া প্রভৃতি স্থানের দাঙ্গায় আমরা তার দৃষ্টান্ত দেখেছি। এসব ঘটনা নিয়ে অনেক মিথ্যা খবর ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, তাই লিঙ্কে রইল একজন প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান। বাঙালি মুসলমানদের ‘বাংলাদেশী’ ও ‘রোহিঙ্গা’ বলে দেগে দেওয়া হচ্ছে। দিল্লির জাহাঙ্গীরপুরীর বাঙালিপ্রধান এলাকার বহু বাড়ি বুলডোজার চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, কারণ ওখানে নাকি বেআইনি ‘বাংলাদেশী’ আর ‘রোহিঙ্গা’রা থাকেন। অর্থাৎ ঘরে বাইরে বাঙালি মুসলমান আজ সর্বাধিক আক্রমণের শিকার।

তাই বলে আমরা, বাঙালি হিন্দুরা, যদি ভেবে নিই যে সব ঝামেলা শুধু মুসলমানদের সইতে হবে আর আমরা বেঁচে যাবো, তবে বড় ভুল ভাবছি। আমাদের মনে রাখা দরকার পলাশ অধিকারীর কথা। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে আসামে এনআরসির ফলে দেড় লক্ষ বাঙালি মুসলমানের পাশাপাশি বারো লক্ষ বাঙালি হিন্দুরও নাম বাদ পড়েছে নাগরিকত্বের তালিকা থেকে। কিছুদিন আগে বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ তথা অভিনেতা পরেশ রাওয়ালের একটি মন্তব্য শুনে বোঝা গিয়েছিল, তিনি ‘বাঙালি’ বলতেই ‘বাংলাদেশী’ আর ‘রোহিঙ্গা’দের বোঝেন। এই একই মনোভাবের ছায়া দেখি যখন হিন্দু মুসলিম ভেদ না করে বাঙালি প্রবাসী শ্রমিকদের ‘বাংলাদেশী’ দেগে দিয়ে করোনার অজুহাতে বেঙ্গালুরু থেকে তাড়ানোর চেষ্টা করা হয়

এই পরিস্থিতিতে, যখন বাঙালি হিন্দু ও মুসলমান একইসাথে আক্রান্ত, তখন উভয়ের জোট বাঁধা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই। আর সেই মিলনের ক্ষেত্রে নজরুল ইসলাম হতে পারেন আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ পথপ্রদর্শক। কেননা, বিশিষ্ট কবি ও সমালোচক মলয় রায় চৌধুরীর মতে—

“ইংরেজরা আসার আগে, মুসলমান সংস্কৃতির প্রভাবে, বাঙালির জীবনে প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতা একটি নবতর দার্শনিক আধেয় গ্রহণ করেছিল যার দরুন উন্মেষ ঘটে একটি লৌকিক বাঙালি সংস্কৃতির। সারা বাংলা জুড়ে, গড়ে ওঠে স্থানিক ছোট ছোট ইতিহাস, সংখ্যাগরিষ্ঠ মূলস্রোত ধর্ম, আচার, সাহিত্য, সংগীত এলিট সমাজের বাইরে। নজরুলের উন্মেষ ঘটেছিল এই খাঁটি বাঙালি দার্শনিকতা থেকে। তিনিই তার শেষ প্রতিভূ। ওই সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের মানদণ্ডের বাইরে নজরুলের মূল্যায়ন অসম্ভব। ভারতবর্ষের সংস্কৃতিতে এই ধরনের মনীষার উদ্ভব বিভিন্ন সময়ে পরিলক্ষিত হয়েছে— থিরু ভাল্লুভার, মীরাবাঈ, তুকারাম, কবীর প্রমুখ।”

– হায়দার আকবর খান রনো রচিত ‘নজরুলের সাহিত্য ও রাজনীতি’ প্রবন্ধ থেকে উদ্ধৃত (লেখকের ‘নির্বাচিত প্রবন্ধ ১’ রচনাসংগ্রহে সংকলিত, মনি মহম্মদ নুরুল আমিন প্রকাশিত)

অর্থাৎ, ইংরেজ শাসনের আগে গ্রাম বাংলার সাধারণ মানুষের জীবনচর্যায় যে হিন্দু-মুসলমান সমন্বয়ী সংস্কৃতি বিকশিত হয়েছিল, সেই সংস্কৃতির শেষ এবং বলিষ্ঠতম ধারক ও বাহক হলেন নজরুল। শৈব, শাক্ত, বৈষ্ণব ও মুসলমানরা মিলে যে লোকায়ত বাঙালি সংস্কৃতি গড়ে তুলেছিলেন তাকে বিশ্বসাহিত্যের জ্ঞান ও নিজ জীবনের অভিজ্ঞতায় জারিত করে নজরুল পেশ করেছেন তথাকথিত শিক্ষিত পাঠকের দরবারে। সেই কারণেই আজকের দিনে তাঁর প্রাসঙ্গিকতা সর্বাধিক। তিনিই একমাত্র কবি, যিনি একইসাথে লিখতে পারেন— “আল্লা নামের বীজ বুনেছি”, “কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন”, “তুমি যদি রাধা হতে শ্যাম” এবং “আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দিই পদচিহ্ন”। হিন্দু ও মুসলমান পুরাণের কথা একই কবিতায় ব্যবহার করে লিখতে পারেন— “ধরি বাসুকির ফণা জাপটি/ধরি স্বর্গীয় দূত জিব্রাইলের আগুনের পাখা সাপটি” কিংবা “ওরে ও পাগলা ভোলা/দে রে দে প্রলয়-দোলা/ গারদগুলা/ জোরসে ধরে হেঁচকা টানে/ মার হাঁক হায়দরি হাঁক/ কাঁধে নে দুন্দুভি ঢাক/ ডাক ওরে ডাক/ মৃত্যুকে ডাক জীবন পানে!”

আবার হিন্দু মুসলমানের উপর আক্রমণের যত উদাহরণের উল্লেখ আমরা ইতিমধ্যে করেছি, অধিকাংশ সময়েই তার প্রধান লক্ষ্য নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী শ্রেণি। বস্তুত, উগ্র জাতীয়তাবাদী রাজনীতি মূলত উচ্চ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির সৃষ্টি হলেও তাতে দাবার বোড়ে হিসাবে শ্রমজীবী শ্রেণিই ব্যবহৃত হয়, আবার তারাই এই রাজনীতির জন্য সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কেননা শোষণবিরোধী সংগ্রামের থেকে মুখ ঘোরাতে ধর্ম ও জাতের বিভেদের চেয়ে কার্যকরী আর কোনো অস্ত্র নেই শোষকশ্রেণির কাছে। আজকের কর্পোরেটায়নের ভারতবর্ষে শ্রমজীবী জনতা সর্বতোভাবে বিপদের সম্মুখীন। নজরুল তাঁর কাব্যে সাহিত্যে শ্রমজীবীদের ক্ষমতায়নের কথাই বারবার বলেছেন। কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য না হয়েও তিনি সাম্যবাদী কবি। ভারতের স্বাধীনতা বলতে তিনি কেবল ব্রিটিশরাজের অবসানই বোঝেননি, কৃষক ও শ্রমিক শ্রেণির মুক্তিকেও বুঝেছেন। অনেকেই হয়তো জানেন না যে তিনিই প্রথম ‘আন্তর্জাতিক সঙ্গীতের’ বাংলা অনুবাদ করেন। তাঁর ‘লাঙল’ পত্রিকাতে ধারাবাহিকভাবে ছাপা হয় কার্ল মার্কসের জীবনী ও গোর্কির ‘মা’ উপন্যাসের অনুবাদ। তাঁর সম্পাদিত আর এক পত্রিকা ‘গণবাণী’তে কমিউনিস্ট নেতা সৌমেন্দ্রনাথ ঠাকুর কৃত ‘কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো’র বাংলা অনুবাদ প্রকাশ পায়। এখানেই প্রকাশিত হয় নজরুলের বিখ্যাত সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী প্রবন্ধ ‘মন্দির-মসজিদ’। তাই, বাঙালি হিন্দু ও মুসলমানের একবদ্ধতার সঙ্গে সঙ্গে তার শ্রমজীবী শ্রেণির অধিকার অর্জন ও শ্রেণিসংগ্রামের তূর্যবাদকও হতে পারেন নজরুল।

আজকে বাংলার রাজনীতিতে সবথেকে বড় সমস্যা হল উগ্র ধর্মীয় ও জাতিগত রাজনীতি, যা শোষিত জনতার মধ্যে বিভেদের সৃষ্টি করে শোষণবিরোধী সংগ্রামকে দুর্বল করে। এর বিরুদ্ধে লড়তে গেলে তথাকথিত শিক্ষিতদের শহুরে এলিট চক্রে বসে থাকলে চলবে না। বাংলার চিরকালীন লোকায়ত সংস্কৃতিকে না বুঝতে পারলে শ্রেণি-রাজনীতি সফল হতে পারে না। এবং তার জন্য আমাদের পথপ্রদর্শক হতে পারেন কাজী নজরুল ইসলাম। শেষ করছি তাঁরই বিখ্যাত ‘মন্দির-মসজিদ’ প্রবন্ধ থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে—

“একস্থানে দেখিলাম, ঊনপঞ্চাশ জন ভদ্র-অভদ্র হিন্দু মিলিয়া একজন শীর্ণকায় মুসলমান মজুরকে নির্মমভাবে প্রহার করিতেছে, আর একস্থানে দেখিলাম, প্রায় ওই সংখ্যক মুসলমান মিলিয়া একজন দুর্বল হিন্দুকে পশুর মতো মারিতেছে। দুই পশুর হাতে মার খাইতেছে দুর্বল অসহায় মানুষ। ইহারা মানুষকে মারিতেছে যেমন করিয়া বুনো জংলি বর্বরেরা শূকরকে খোঁচাইয়া মারে। উহাদের মুখের দিকে তাকাইয়া দেখিলাম, উহাদের প্রত্যেকের মুখ শয়তানের চেয়েও বীভৎস, শূকরের চেয়েও কুৎসিত! হিংসায়, কদর্যতায় উহাদের গাত্রে অনন্ত নরকের দুর্গন্ধ!

উহাদের দুই দলেরই নেতা একজন, তাহার আসল নাম শয়তান। সে নাম ভাঁড়াইয়া কখনও টুপি পরিয়া পর-দাড়ি লাগাইয়া মুসলমানদের খ্যাপাইয়া আসিতেছে, কখনও পর-টিকি বাঁধিয়া হিন্দুদের লেলাইয়া দিতেছে, সে-ই আবার গোরা সিপাই গুর্খা সিপাই হইয়া হিন্দু-মুসলমানদের গুলি মারিতেছে! উহার ল্যাজ সমুদ্রপারে গিয়া ঠেকিয়াছে, উহার মুখ সমুদ্রপারের বুনো বাঁদরের মতো লাল!”

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

4 মন্তব্য

  1. Bengali upper caste hindus are সবচেয়ে dangerous. They have made bengali culture an elite ভদ্রলোকি affairs.( though they may not be moneyed-elites like other states,) . One of their most distressing faliure ” bengali culture” কে তিন উচ্চ বর্ণের ভিতরে কুক্ষিগত করে রাখা। Tamil Nadu’s dravidian politics created successful Gramscian
    “counterculture ” ,তাই তারা হিন্দুত্বের hegemony easily challange. But bengali culture ( which has elements of counterculture against hinduvta) remains within confines of Banerjee, chatterjii, mitra, basu, roy…. They have abandoned any conscious project of Inculusive bengali cultute after independance…

    This is becuase their subliminal ঘৃণা towards
    “নিচু” জাতি ও বাঙালী মুসলিমদের প্রতি। Recently Deepak Malghan of IIM bengalore did a survey of indian cities in terms of religious and caste segregated settlement. It turns out Kolkata is most ” segregated” city among whole india.

    • এইটা বাংলা ভাষার ওয়েবসাইট।একটা মন্তব্যের ৭০-৮০% ইংরিজিতে হলে তাকে বাংলা বলা দুষ্কর হয়ে যায়। আগামীতে বাংলায় লেখার অনুরোধ করছি।

  2. আমি পড়েছিলাম , কবি সুনীল গাঙ্গুলী মন্তব্য করেছিলেন..”কবিমাত্রেই ব্রাহ্মণ” …পরে শঙ্খ ঘোষ সাফাই গেয়েছিলেন..” Sunil is just figurative”..এইগুলো হচ্ছে বাঙালি উচ্চবর্নীয় ভদ্রলোকের উদাহরণ, এরা ভয়ানক।
    All bengali poets are upper castes …because they were product of feudal privileges. And the fact that there is no muslim( except Nazrul) and dalit poets in bengal…not because they are not ” ব্রাহ্মণ” but because they toil in lands and farms…they have no leisure times… even if some dalit poets emerges…they have been denied acees to bengali publishers industry which is kingdom of ব্রাহ্মণ, বৈদ্য আর কায়স্থ…

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.