কিছুদিন আগে রাকেশ শর্মার তথ্যচিত্র দ্য ফাইনাল সলিউশন দেখছিলাম। বেশ রাত হয়েছিল। ভয় লাগছিল। একটানা দেখতে পারিনি। না, সত্য ঘটনা অবলম্বনে কোনো গা ছমছমে নরঘাতকের রগরগে কাহিনী নয়। তথ্যচিত্রটি গুজরাটে ২০০২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ঘটে যাওয়া মুসলমানবিরোধী দাঙ্গার হাড় হিম করা ছবি তুলে ধরে। যে দাঙ্গায় ঘৃণার রাজনীতির বলি হয়েছিলেন দুই হাজারের বেশি মানুষ। কয়েক লক্ষ মানুষ নিজেদের রাজ্যের মধ্যেই ঘরছাড়া হয়ে যান। এই তথ্যচিত্রের অভিযোগ – এই দাঙ্গায় উস্কানি দিয়েছিলেন গুজরাটের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী এবং ভারতবর্ষের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদী। আর জি কর কাণ্ডের জেরে যৌন নির্যাতন, ধর্ষণ নিয়ে বিস্তর আলোচনা হচ্ছে। মনে করিয়ে দেওয়া ভাল, বিলকিস বানো, কওসর বানো, সুলতানা প্রমুখ অসংখ্য মহিলার উপর ২০০২ দাঙ্গায় আরএসএস-বিজেপির আশ্রিত হিন্দুত্বের ধ্বজাধারীরা অকল্পনীয় অত্যাচার চালায়। তাদের কুলগুরু দামোদর বিনায়ক সাভারকরের শেখানো পথেই ধর্ষণকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

শিল্পচর্চার ভাষায় কোনো কাল্পনিক জায়গার ধ্বংসাত্মক সময় নিয়ে সৃষ্টি হওয়া শিল্পকর্মকে ‘ডিস্টোপিয়ান ফিকশন’ বলা হয়। যেমন জর্জ অরওয়েলের কালোত্তীর্ণ উপন্যাস ১৯৮৪। মোদীর গুজরাট এক জলজ্যান্ত ডিস্টোপিয়া। রাকেশ শর্মার সৃষ্টি কিন্তু ‘ফিকশন’ নয়। ছবিটিতে এক সত্যিকারের নরক তুলে ধরা হয়েছে। এবছরের ৪ জুন বিজেপির ২৪০ আসনে আটকে যাওয়া দেখে মনে হয়েছিল রাকেশের নরক খানিকটা ফিকশনে পরিণত হবে। ভারতের মুসলমানদের উপর সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা হয়ত কিছুটা কমবে, হিন্দুত্বের বীরপুঙ্গবদের আগ্রাসী আস্ফালনও স্তিমিত হবে। কিন্তু কিছু সাম্প্রতিক ঘটনায় সেই সম্ভাবনা বিলীন হয়েছে।

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন

~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

হরিয়ানার চরখি দাদরি জেলায় কাজ করতে গিয়েছিলেন সাবির মল্লিক। পশ্চিমবঙ্গের বাসন্তীর বাসিন্দা সাবিরের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী, সন্তানরাও থাকতেন। তাঁদের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের বহু শ্রমিক বাস করতেন। হরিয়ানার বিজেপি সরকার ২০১৫ সালে গোরক্ষা আইন প্রণয়ন করার পর রাজ্যের ব্লক স্তরে নানা গোরক্ষা সমিতি গজিয়ে উঠতে থাকে। ব্লক স্তরে কার বাড়িতে গোমাংস রান্না হচ্ছে, কোথায় গোহত্যা সংগঠিত হচ্ছে – এসব দেখাই তাদের কাজ। সাবিরের পাড়ায় প্রচুর গরিব মুসলমানের বাস। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশি সন্দেহে তাঁদের কাছে আধার কার্ড দেখতে চাওয়া হত। ২৭শে অগাস্ট হঠাৎ কিছু গোরক্ষাকারী হুড়মুড়িয়ে এসে পড়ে। তারা জানায়, বাড়িগুলোতে গরুর মাংস রান্না হচ্ছে, তারা সেই ‘অনাচার‘ আটকাতে এসেছে। বাসিন্দারা বারবার বলেন, তাঁরা মোষের মাংস খাচ্ছেন। কিন্তু গোরক্ষকরা পুলিস ডাকে। পুলিস তাঁদের বাড়ির মাংস ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠায়। ইতিমধ্যে সাবির ও তাঁর বন্ধুকে প্লাস্টিক বোতল বিক্রি করবে বলে নিয়ে গিয়ে তথাকথিত গোরক্ষকরা নৃশংসভাবে মারে। বন্ধু পালিয়ে যেতে পারলেও সাবিরকে কোনো এক অজ্ঞাত জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে এক খালের ধারে তাঁর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। পুলিস ইতিমধ্যে এই ঘটনায় সাতজনকে গ্রেফতার করেছে। কিন্তু অন্য শ্রমিকরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। কারণ বিজেপির শাসনাধীন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, গ্রামের গোভক্ত মানুষ কাউকে সন্দেহ করলে প্রশাসনের কিছু করার নেই।

গত ২৮শে অগাস্ট মহারাষ্ট্রে এক বয়স্ক মুসলমান ভদ্রলোক ট্রেনে করে নিজের মেয়েকে দেখতে যাচ্ছিলেন। তাঁর উপর চড়াও হয় বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী। তাঁর অপরাধ? তিনি মেয়ের জন্য মাংস রান্না করে নিয়ে যাচ্ছিলেন। গরুর মাংস বলে সন্দেহ হওয়ায় তাঁকে প্রহার এবং অকথ্য গালিগালাজের সম্মুখীন হতে হয়। পরিবারের মহিলাদের ধর্ষণের হুমকি সহ তাঁকে জানানো হয়, শ্রাবণ মাসে এদেশে আমিষ খাওয়া চলে না। ভদ্রলোকের অসহায় অবস্থার এই ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই সারা দেশে নিন্দার ঝড় বয়ে যায়।

খাওয়াদাওয়ার উপর রাষ্ট্রের দখলদারি অবশ্য আজকের সমস্যা নয়। সম্রাট অশোক নিজের প্রজাদের কী খাওয়া উচিত আর কী খাওয়া উচিৎ নয়, তা নিয়ে দীর্ঘ উপদেশ দিয়েছেন। রাজতন্ত্রের নিয়মে পিতৃসুলভ রাজার উপদেশ দেওয়া হয়ত কিছুটা মানা যায়। কিন্তু সম্বিত পাত্ররা যতই বোঝানোর চেষ্টা করুন, সংসদীয় গণতন্ত্রে মোদী দেশের পিতৃদেব নন। তিনি এবং তাঁর মন্ত্রিপরিষদ জনগণের দ্বারা নির্বাচিত। জনগণের হয়ে, জনগণের জন্য আইন প্রণয়ন করা তাঁদের কর্তব্য। উল্টে জনগণের উপর কোনো মতামত চাপিয়ে দেওয়া তাঁদের কাজ নয়। অথচ বিজেপির সরকার স্বতঃপ্রণোদিতভাবে বিভিন্ন সময়ে গোমাংস খাওয়া এবং গোহত্যার বিরোধিতা করেছে। ২০১৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের রায় সত্ত্বেও বিভিন্ন রাজ্যে গোহত্যাবিরোধী আইন আনা হয়েছে। বলে রাখা ভাল, গোটা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ মোষের মাংস রফতানি করা দেশগুলির অন্যতম ভারত।

খাওয়াদাওয়া মানুষের ব্যক্তিগত পরিসরের বিষয় হলেও ভারতবর্ষে প্রবলভাবে তা জাতের উপর নির্ভরশীল। ব্রাহ্মণ্যবাদী রীতি অনুযায়ী, উঁচু জাতবিশিষ্ট মানুষ শুদ্ধ। সাত্ত্বিক খাওয়াদাওয়া করাই তাদের কর্তব্য। যে কড়াইয়ে সাত্ত্বিক রান্না করা হয়, সেই কড়াইয়ে আমিষ রান্না করলেই নাকি তা অশুদ্ধ হয়ে যায়। এতে যে কারোর জাত চলে যেতে পারে। এইসব আচার সমাজের উঁচুস্তরের মানুষের পক্ষেই মানা সম্ভব। নিম্নবর্গীয় গরিব মানুষ সাধারণত গোমাংস বা মোষের মাংস খান, কারণ তা খুব কম দামে পর্যাপ্ত প্রোটিন জোগায়। তাই ভারতের মুসলমান (যাঁদের অধিকাংশই গরিব) ছাড়া আদিবাসীরাও গোমাংস খেয়ে থাকেন। কেরালা, তামিলনাড়ুর মত রাজ্যে হিন্দুরাও দস্তুর মত গোমাংস খান। এদিকে আরএসএস হিন্দুদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করার জন্য ব্রাহ্মণ্যবাদ দ্বারা মূলধারা থেকে বিতাড়িত বিভিন্ন নিম্নবর্ণের ও জনজাতির মানুষকে বর্ণাশ্রমের অন্তর্ভুক্ত হিন্দু প্রমাণ করতে উঠে পড়ে লেগেছে। তাঁদের সাত্ত্বিক খাওয়াদাওয়ার দিকে টেনে আনার চেষ্টা তারই অঙ্গ। তাছাড়া, একই শ্রেণির মানুষকে তাঁদের শ্রেণিস্বার্থ ভুলিয়ে রাখতে খাবারের নামে ভাগ করে দেওয়া খুব সহজ। বিজেপির গবাদি পশুর প্রতি প্রেম আসলে ক্ষুদ্র রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার অস্ত্র।

আরো পড়ুন আমিষ খান বলে গাঙ্গুলি জেঠিমা, ঘোষ কাকুও দেশের মানুষ নন?

এই মেকি গো-প্রেমের জন্য একটি তরতাজা প্রাণ চলে গেল। হরিয়ানার ফরিদাবাদে ১৮ বছর বয়সী আরিয়ান মিশ্র বন্ধুর সঙ্গে গাড়ি করে যাচ্ছিলেন। এলাকায় গুজব রটে যায়, বড় গাড়িতে গরু পাচার করা হচ্ছে। কিছু গোরক্ষক গরু পাচারকারী সন্দেহে আরিয়ানদের ধাওয়া করে। কিছুদূর যেতেই তারা আরিয়ানের উপর গুলি চালায়। গলায় ও বুকে গুলি লেগে তাঁর মৃত্যু ঘটে। ঘৃণার ব্যবসায়ীরা তাঁদের ‘ব্রাহ্মণ’ ভাইয়ের মৃত্যুতে দুঃখপ্রকাশ করেছেন। বলেছেন, মুসলমান সন্দেহে তাঁকে মেরে ফেলা হয়েছে। অর্থাৎ তাঁরা মনে করেন এ দেশে কেউ মুসলমান হলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলাই যায়। মুহ্যমান আরিয়ানের মা তাঁর ছেলের খুনিদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘মুসলমানরা কি মানুষ নয়? মুসলমান হলেই কি মানুষ মারা যায়? কত মুসলমান আমাদের প্রতিবেশী, আমরা পরিবারের মত থাকি।’

এমন মানসিকতা এদেশে ক্রমশ বিরল হয়ে যাচ্ছে। উত্তরপ্রদেশের আমরোহায় এক বেসরকারি স্কুলে টিফিনে বিরিয়ানি নিয়ে যাওয়ার জন্য সাতবছর বয়সী এক মুসলমান ছাত্রকে স্কুল থেকে তাড়ানো হয়। প্রধান শিক্ষক অভিযোগ করেন, ছেলেটি তার বন্ধুদের ধর্মান্তর করানোর চেষ্টা করছিল। সাতবছর বয়সে ধর্ম কী, ধর্মান্তর কীভাবে করতে হয়, এসব আপনারা কেউ বুঝতেন? আমি তো বুঝতাম না। বাচ্চাটির কাছে ধর্মের মানে কী জানি না, তবে হিন্দু উচ্চবর্গীয় প্রধানশিক্ষকের কাছে ধর্ম নিশ্চয়ই অতিশয় ঠুনকো বিষয়। বিরিয়ানি খেলেই সেটি হাওয়ায় উড়ে যায়। বিরিয়ানি খেয়ে যদি সত্যিই ধর্মান্তর সম্ভব হত, তাহলে পশ্চিমবঙ্গে বোধহয় আজ একজন হিন্দুও অবশিষ্ট থাকত না।

অবশ্য এইসব যুক্তি আরএসএস তথা বিজেপির চাটুকারদের মস্তিষ্কে প্রবেশ করবে না। যারা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার উপর ভিত্তি করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে, তাদের সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে বিশেষ লাভ নেই। আগে রাখঢাক ছিল, এখন নখদন্ত উন্মুক্ত। বিজেপির ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা নেতা তথা আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা খোলাখুলি বার্তা দিয়েছেন, তিনি মিয়াঁ মুসলমানদের হাতে আসামের ক্ষমতা চলে যেতে দেবেন না। মিয়াঁ শব্দটি আসামের বাঙালি মুসলমানদের প্রতি বিদ্বেষমূলক শব্দ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করলেও, আজ এই সম্প্রদায়ের মানুষ এই শব্দটিকে আত্মপরিচয়ের অঙ্গ বলে মনে করেন। হিমন্ত আসামের বাঙালি ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে বহুদিন ধরেই লাগাতার বিদ্বেষমূলক কথাবার্তা বলে চলেছেন। তাঁর হিংসাত্মক বার্তার পরেই দোলবাগানে ১৫ জন বাংলাভাষী মুসলমান শ্রমিকের উপর প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়। এ ঘটনা বহু মানুষের মনে ১৯৮৩ সালের কুখ্যাত নেলি গণহত্যার স্মৃতি ফিরিয়ে আনে।

গত ২ সেপ্টেম্বর আসামের বরপেটা জেলার ২৮ জন মুসলমানকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গোয়ালপাড়ার কুখ্যাত মতিয়া ডিটেনশন ক্যাম্পে নিক্ষেপ করা হয়। এইরকম ক্যাম্প আসামে আরও বেশকিছু রয়েছে। স্থানীয় পুলিসের দাবি, ওই কজন মানুষকে ‘ডিক্লেয়ার্ড ফরেনার’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সুতরাং এই ঘটনাকে কোনোভাবেই হিমন্তর সাম্প্রদায়িক উস্কানি থেকে পৃথক করে দেখা উচিৎ নয়। শুধু আসামের নয়, গোটা ভারতবর্ষের মুসলমান যাতে ভয়ে নিজেদের মৌলিক অধিকারগুলির দাবিতে মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারেন, এসব সেই উদ্দেশ্যেই করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের ধর্মনিরপেক্ষ তৃণমূল কংগ্রেসের সরকারও দুটি ডিটেনশন ক্যাম্প বানানোর জন্য জমি চিহ্নিত করেছিল, কিন্তু বামেদের প্রতিবাদে সে অভিলাষ বাস্তবায়িত হতে পারেনি।

বাংলাদেশে জামাতের হাতে হিন্দুদের অত্যাচারের নানা ঘটনা সামনে আসার পর থেকেই ভারতে মুসলমানদের উপর বিজেপির মাতৃসম সংঘ পরিবারের আক্রমণ বেড়ে যাওয়া নিতান্ত কাকতালীয় নয়। দুই দেশের মৌলবাদীরা একে অপরের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ভারতবর্ষ সিএএ-এনআরসি ঘোষণা করার পর থেকে আরও বেশি করে শস্তা শ্রমিক তৈরির চেষ্টায় দুই দেশের মৌলবাদীরা অগ্রণী হয়েছে।

আমাদের দেশে ঘৃণা ছড়িয়ে দিতে আরএসএস-বিজেপি বেশি সফল হয়েছে। এখানকার তথাকথিত উচ্চশিক্ষিত হিন্দু মধ্যবিত্তদের কাছে মুসলমানদের নিয়ে সাম্প্রদায়িক ঠাট্টা ইয়ার্কি জলভাত। মুসলমান বললেই হয় সন্ত্রাসবাদী, নয় এপিজে আব্দুল কালাম – এই দুরকম স্টিরিওটাইপ হিন্দুরা বিশ্বাস করে থাকেন। কাউকে ট্রেনে বা প্লেনে নমাজ পড়তে দেখলে চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে হিন্দু দেবদেবীদের নাম করেন, ‘ওরা বড্ড বেড়ে গেছে’ ভেবে আঁতকে ওঠেন। কোনোদিন দেশে ইজরায়েলি কায়দায় মুসলমান গণহত্যা সংঘটিত হলে তার জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী হব আমরাই। সেই ডিস্টোপিয়াকে বাস্তবে পরিণত হতে দেব, না সম্প্রীতির প্রসার ঘটাব, তা আমাদের শীঘ্রই নির্ধারণ করতে হবে।

মতামত ব্যক্তিগত

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

মতামত জানান

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.