বিহারে ভোটার তালিকার বিশেষ পরিমার্জন (SIR) নিয়ে বিতর্ক ও জটিলতা বেড়েই চলেছে। গত ২৪ জুন এই সংক্রান্ত আদেশ জারির পর থেকে নির্বাচন কমিশন ঘনঘন নিয়ম বদলাচ্ছে। কিন্তু একজন বৈধ ভোটারেরও নাম বাদ যাবে না – এমন আশ্বাস পাওয়া যাচ্ছে না। নথির জটিলতায় বহু যোগ্য নাগরিকের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা রয়েই যাচ্ছে। যেমন ভাবে আসামের এনআরসি থেকে বহু নাগরিকের নাম বাদ গিয়েছিল।
অনেকেরই আশঙ্কা, নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে ঘুরপথে সারা দেশে এনআরসি করতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিহারকে তার পরীক্ষাগারে পরিণত করা হয়েছে। নথির জটিলতায় হতদরিদ্র মানুষ, যাঁদের সরকারি চাকরির নথি, জমি, শিক্ষাগত যোগ্যতার নথি নেই – তাঁরা ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ে পারেন। এগারোটি নথির মধ্যে যে কোনো একটি জমা দিতে বলা হয়েছে। তার মধ্যে জাতিগত শংসাপত্রও রয়েছে। নানা কারণে অনেক বৈধ ভোটারেরই ওই নথি নেই। যেখানে বনাধিকার আইন অনুসারে পাট্টা পাওয়ার আবেদন খারিজ হওয়ায় দেশের লক্ষ লক্ষ আদিবাসী উচ্ছেদের আতঙ্কে রয়েছেন, সেখানে ওই পাট্টাকেও প্রামাণ্য নথি বলে গণ্য করা হয়েছে। বিহার সরকারের দেওয়া ১ জুনের তথ্য অনুসারে, বনাধিকার আইন অনুসারে পাট্টার জন্য আবেদনকারী ৪,৬৯৬ জনের মধ্যে ৪,৪৯৬ জনের আবেদনই খারিজ হয়ে গেছে।
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
অথচ আধার, রেশন কার্ড বা জব কার্ড (একশো দিনের কাজের), যেগুলি গরিব মানুষের কাছে সাধারণভাবে থাকে, সেগুলিকে প্রামাণ্য নথি হিসাবে ধরাই হয়নি। এত কম সময়ের মধ্যে প্রবাসী শ্রমিকরা নিজের বাসস্থানে ফিরতে না পারলে তাঁদের নামও বাদ যাবে। নির্বাচন কমিশনের এই কাজে ভোটাধিকার হারানো মানুষের সিংহভাগই হবেন গরিব, শ্রমজীবী।
বিহারে সফল হলে অন্য রাজ্যগুলিতেও এই নিয়ম চালু করার সম্ভাবনা। ভোটাধিকার হারানোই শুধু নয়, আগামীদিনে এই মানুষগুলির বেনাগরিক বলে চিহ্নিত হওয়ার আশঙ্কাও থেকে যাচ্ছে। আসামে এমনভাবে বিদেশি বলে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের ডি-ভোটার হিসেবে চিহ্নিত করে ভোটাধিকার সাময়িকভাবে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে সেই ব্যক্তিকে ডি-ভোটার করার কথা না জানিয়ে ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়েছে। এমন এক স্পর্শকাতর বিষয়ে নির্বাচন কমিশন যথাযথ ভূমিকা পালন করেনি। একই পরিবারের একজনকে হয়ত ডি-ভোটার করা হয়েছে, অন্যদের ভোটাধিকার রয়ে গেছে। আসামে এই ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৯৭ সাল থেকে। এক্ষেত্রে অভিযোগ যে সত্যি নয়, তা প্রমাণের দায় অভিযুক্তের। অভিযোগকারী ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্রের অভিযোগের সত্যতা প্রমাণের দায় নেই। আসামের সেই প্রক্রিয়াকেই পরীক্ষামূলকভাবে বিহারে চালু করা হচ্ছে বলে আশঙ্কা করা অমূলক নয়।
২৪ জুন নির্বাচন কমিশনের জারি করা আদেশে ২০০৩ সালের পরে ভোটার তালিকায় নাম তোলা ব্যক্তিদের মধ্যে যাঁদের ভারতে জন্ম ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগে, তাঁদের নিজেদের জন্মতারিখ ও জন্মস্থানের প্রামাণ্য নথি দেখানোর কথা বলা হয়। যাঁদের জন্ম ১ জুলাই, ১৯৮৭-২ ডিসেম্বর, ২০০৪ পর্বে, তাঁদের নিজেদের পাশাপাশি বাবা অথবা মায়ের জন্মতারিখ ও জন্মস্থানের প্রামাণ্য নথিও দেওয়ার কথা বলা হয়। ২০০৪ সালের ২ ডিসেম্বরের পর ভারতে জন্ম হলে তাঁকে বাবা ও মা – দুজনেরই জন্মতারিখ ও জন্মস্থানের প্রামাণ্য নথি দিতে বলা হয়েছিল।
এই সময়সীমা নির্ধারণের ভিত্তি কী?
সংবিধানের ৬ নং অনুচ্ছেদে ১৯৪৮ সালের ১৯ জুলাইয়ের আগে দেশভাগের কারণে যাঁরা ভারতে এসেছিলেন তাঁদের ভারতীয় নাগরিক হিসাবে গণ্য করার কথা বলা হয়েছে। তারপরে এসে থাকলে নির্দিষ্ট আধিকারিকের কাছে নাম নথিভুক্ত করতে হবে। অর্থাৎ ভিত্তি হল ১৯ জুলাই, ১৯৪৮। আসামের ক্ষেত্রে অবশ্য ভিত্তি ২৫ মার্চ, ১৯৭১। তার জন্য সংবিধান সংশোধন করে ৬ক ধারা যুক্ত করা হয়। ১৯৫৫ সালে লাগু হওয়া নাগরিকত্ব আইনে ভারতে যাঁরা জন্মাবেন, তাঁদের সকলকেই নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। ওই আইন একাধিকবার সংশোধিত হয়েছে। নরেন্দ্র মোদী সরকারের আমলে হওয়া সর্বশেষ সংশোধনী নিয়ে বহু বিতর্ক হয়েছে, দেশ জুড়ে আন্দোলনও হয়েছে ২০১৯-২০ সালে। তবে আগের সংশোধনীগুলিতেই কিন্তু জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব দেওয়ার অঙ্গীকার থেকে রাষ্ট্র সরে এসেছিল। ২০০৩ সালে লাগু হওয়া সংশোধনী অনুযায়ী নাগরিকত্ব প্রমাণের যে শর্ত আরোপ করা হয়, তাকে ভিত্তি করেই নির্বাচন কমিশন বর্তমান আদেশ জারি করেছে, যা এনআরসি-র গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।
কমিশনের আদেশে অনেকখানি পরিষ্কার হয় যে, এর মাধ্যমে ঘুরপথে এনআরসি করার প্রস্তুতি চলছে। প্রবল বিতর্ক তৈরি হওয়ায় নির্বাচন কমিশন নিয়ম কিছুটা শিথিল করেছে।
নিয়ম শিথিল করলেও, জটিলতা কিন্তু কাটেনি। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে যে আধার, রেশন কার্ড ইত্যাদিকে প্রামাণ্য নথি হিসাবে গণ্য করা হবে না কেন? এনআরসি-র প্রাথমিক ধাপ হল, ন্যাশনাল পপুলেশন রেজিস্টার বা এনপিআর। নাগরিকত্ব আইন অনুসারে এই রেজিস্টার তৈরির কাজ ২০১১ সালের জনগণনার সময়ে প্রথমবার করা হয়েছিল। ২০১৯ সালের ৩১ জুলাই কেন্দ্রীয় সরকার সেই এনপিআর নবীকরণের জন্য গেজেট নোটিফিকেশন জারি করেছিল। করোনা অতিমারীর জন্য জনগণনার মত সেই কাজও স্থগিত রয়েছে। সে কাজ করার সময়ে নাগরিকদের আঙুলের ছাপ ও চোখের মণির ছবি, অর্থাৎ বায়োমেট্রিক তথ্য, নেওয়ার কথা। পরবর্তীকালে আধারের সঙ্গে সেই তথ্য মিলিয়ে আধার কর্তৃপক্ষ নতুন ইউআইডি নম্বর দেবে। তার ভিত্তিতে নাকি জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া হবে। অর্থাৎ আধার কর্তৃপক্ষকে দিয়েই আবার এক নতুন পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা।
আসামে এনআরসি করার সময়েও প্রামাণ্য নথি হিসাবে আধারকে গণ্য করা হয়নি। আধার কার্ড চালু করার সময়ে সরকার বলেছিল, এই পরিচয়পত্রের মূল্য নাকি সবচেয়ে বেশি। অথচ প্রথম থেকেই আধার কার্ড নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। অভিযোগ ওঠে, আধারে নাগরিকদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘিত হবে। সুপ্রিম কোর্ট একে আবশ্যিক না করার নির্দেশ দেয়। কিন্তু বাস্তবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে ফাঁকি দিয়ে সরকার সবকিছুতে আধারকে আবশ্যিক করে তুলেছে। বাস্তবে অতি ধনী থেকে শুরু করে রেশনের সামান্য খাদ্যশস্য পেয়ে দিন গুজরান করা হতদরিদ্র – কারোরই আধার না হলে এখন চলে না। আধারের সঙ্গে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, রেশন কার্ড, জব কার্ড, ফোন নম্বর সমেত প্রায় সবকিছুরই সংযোগ কার্যত আবশ্যিক করা হয়েছে। আবশ্যিক না হলেও ভোটার কার্ডের সঙ্গে একে যুক্ত করার কাজও শুরু হয়েছে। তাহলে নির্বাচন কমিশন আধারকে প্রামাণ্য নথি হিসাবে মানবে না কেন?
আসামে দাবি উঠেছিল, ভোটার কার্ডকে মান্যতা দিয়ে সব ভোটারকে নাগরিক হিসাবে গণ্য করা হোক। তখন অজুহাত দেওয়া হয়েছিল, ভোটার কার্ড জাল হয়। অথচ ভোটার কার্ড তৈরিই করা হয়েছিল জাল ভোটার রুখতে। এখন আবার আধার কার্ড জাল হয় বলে নির্বাচন কমিশন তাকে স্বীকৃতি দিচ্ছে না। তার মানে রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান স্বীকার করছে, সরকার বা সাংবিধানিক কোনো প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্রই বিশ্বাসযোগ্য নয়।
ভোটার কার্ড জাল হয় বলার অর্থ হল, নাগরিক না হয়েও অনেকের ভোটাধিকার আছে – এই তথ্য মেনে নেওয়া। আধার জাল হয় মেনে নেওয়ার অর্থ হল, যাকে গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়পত্র বলে একপ্রকার আবশ্যিক করা হয়েছে, তা বিপজ্জনক হতে পারে বলে মেনে নেওয়া। রেশন কার্ড জাল হয় বলা মানে, নাগরিক না হয়েও কেউ কেউ রেশনে ভর্তুকিতে খাদ্যশস্য পান – এই অভিযোগ অসত্য নয়। কিন্তু এর দায় তো নাগরিকদের নয়, যে প্রতিষ্ঠান বা সরকারি দপ্তর এইসব পরিচয়পত্র দিচ্ছে তাদের। তাদের ভুল বা অপরাধের জন্য নাগরিকদের হয়রান হতে হবে কেন? সরকারের নানা দফতর ও বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের এই পরস্পরবিরোধী কাজ কি নিছকই অদক্ষতা বা বোঝাপড়ার অভাব? নাকি খামখেয়ালিপনা? সব পরিচয়পত্রই যদি জাল করা যায়, তাহলে নিত্যনতুন ব্যবস্থা করার যুক্তি কী?
আসলে অদক্ষতা বা খামখেয়ালিপনা নয়। এসবের পিছনে রয়েছে রাষ্ট্রের দুরভিসন্ধি। রাষ্ট্র চায় নাগরিকরা এভাবেই তার মুখাপেক্ষী থাকতে বাধ্য হোক। এর জন্য সবচেয়ে বেশি হয়রান হতে হয় গরিব মানুষকে। তাঁদের সব নথি যেমন থাকে না, তেমন নিয়মের মারপ্যাঁচ বোঝাও সম্ভব হয় না। কাজ না করলে যাঁদের খাবার জোটে না, নির্দিষ্ট আয় নেই, পেটের দায়ে যাঁরা সস্তা মজুরির প্রবাসী শ্রমিক, তাঁদের এত কাগজপত্র জোগাড় করা, জমা দেওয়ার সময়ও থাকে না। এই বাবদ খরচও তাঁদের পক্ষে বিরাট ভার। শুধুমাত্র বিভিন্ন সরকারি দফতরে ঘুরতে আর জেরক্স করাতেই যে সময় ও অর্থ ব্যয় হয় তা দিন আনা দিন খাওয়া শ্রমজীবীদের কাছে বিলাসিতার নামান্তর। অথচ ওঁদেরই রাষ্ট্রের উপর নির্ভরতা বেশি। সে একশো দিনের কাজই হোক বা রেশন, কোনো সরকারি প্রকল্পের ভাতা বা সহায়তা। যদি নাগরিকত্বকে এসবের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া যায়, তাহলে তাঁদের অস্তিত্বের সংকট তৈরি হয়।
আরো পড়ুন বাংলাভাষী শ্রমিকরা আবার আক্রান্ত: এনআরসির প্রস্তুতি চলছে?
রাষ্ট্র ঠিক এটাই চাইছে – ক্ষমতা প্রদর্শন, নাগরিকদের প্রতি কর্তব্য পালন নয়। নাগরিকদের নিত্যনতুন আদেশ, নির্দেশে সন্ত্রস্ত রাখতে হবে। যাতে মানুষ তার অধিকার ভুলে গিয়ে রাষ্ট্রের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে ব্যস্ত থাকে। রাষ্ট্রের নীতির প্রতিবাদ, এমনকি তা নিয়ে প্রশ্ন করার সুযোগও যেন না থাকে। ক্ষমতার ধর্ম হল অপরকে বাধ্য করা। প্রশ্নহীন আনুগত্য ক্ষমতাকে সবচেয়ে নিশ্চিন্ত রাখে। সর্বগ্রাসী রাষ্ট্র ঠিক এমনই হয়। নাগরিকদের অধিকার কেড়ে নিয়ে, অধিকারের কথা ভুলিয়ে দিয়ে অনুগত প্রজায় পরিণত করে। এ আর যা-ই হোক কোনো প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে হতে পারে না।
সকলের জন্য ভোটাধিকার অর্জন করতে বিশ্বে বহু লড়াই হয়েছে। মহিলাদেরও বিভিন্ন দেশে সেই অধিকার অর্জন করতে হয়েছে আন্দোলনের পথে। স্বাধীন ভারতে প্রথম থেকেই নির্দিষ্ট বয়সের পর সমস্ত নাগরিকের ভোটাধিকার রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব প্রত্যেক নাগরিকের সেই অধিকার সুরক্ষিত রাখা। বৈধ ভোটারদের নাম তালিকায় যোগ করা, বাদ দেওয়া নয়। কিন্তু সেই প্রতিষ্ঠান যদি ছলে বলে কৌশলে অধিকার দেওয়ার বদলে তা কেড়ে নেওয়ার আয়োজন করে, তবে তা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক।
বাংলাভাষী প্রবাসী শ্রমিকদের উপর রাজ্যে রাজ্যে আক্রমণ নেমে আসছে। আধার, ভোটার কার্ড দেখালেও অনেককে কারাবন্দি করা হচ্ছে। বাংলাদেশি বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তার মধ্যে বাংলাভাষী মুসলমান বিপদ ষোলোর উপর আঠারো আনা। যারা হিন্দি-হিন্দু-হিন্দুস্তানের স্বপ্নে দেশবাসীকে মাতিয়ে রাখতে চায়, তাদের হাত থেকে বিহারের হিন্দিভাষী শ্রমজীবীদেরও কি নিস্তার আছে? নির্বাচন কমিশনের কাজ বলছে নেই। আসলে শ্রমজীবীদের রাষ্ট্রের অনুগত নাগরিক করে কর্পোরেটের স্বার্থে শ্রমের বাজারকে সস্তা করতে হবে। শ্রমজীবীদের রাষ্ট্রবাদী করে তোলার এই কৌশলও এক ধরনের সন্ত্রাস, অঘোষিত যুদ্ধ। ক্ষমতার দম্ভে অন্ধ এই রাষ্ট্রবাদ আসলে ফ্যাসিবাদের আদর্শ।
মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।







