বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রামী সম্পর্কিত ঐতিহাসিক তথ্যের ভুল উপস্থাপনের অভিযোগে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় কেশরী চ্যাপ্টার ২ ছবির প্রযোজকদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। নবপল্লীর বাসিন্দা রণজিৎ বিশ্বাসের দায়ের করা এই এফআইআরে ছবিটিতে বিশিষ্ট বাঙালি বিপ্লবীদের ভুল নামে চিত্রিত করার অভিযোগ আনা হয়েছে। ছবিটিতে ক্ষুদিরাম বোসকে ‘ক্ষুদিরাম সিং’ এবং বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে অমৃতসরের ‘বরিন্দর কুমার’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ছবিটি বর্তমানে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জিও হটস্টারে প্রচারিত হচ্ছে। রাজ্য পুলিস ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৫২, ৩৫৩(১)(গ) এবং ৩৫৩(২) ধারায় ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান এবং মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে।
করণ সিং ত্যাগী পরিচালিত, রঘু পালট ও পুষ্প পালটের লেখা দ্য কেস দ্যাট শুক দি এম্পায়ার বইটির উপর ভিত্তি করে নির্মিত এই ছবিটি পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মহলে কঠোর সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। এই ছবিটির শ্রেষ্ঠাংশে আছেন অক্ষয় কুমার, আর মাধবন এবং অনন্যা পাণ্ডে। তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা এই চিত্রায়নে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে দলের পক্ষে কুণাল ঘোষ এবং অরূপ চক্রবর্তী ছবিটিকে স্বাধীনতা আন্দোলনে বাংলার ভূমিকার ‘ইচ্ছাকৃত বিকৃতি’ বলে অভিহিত করেছেন। কুণাল বলেছেন ‘ভারতের স্বাধীনতার জন্য প্রাণ উৎসর্গকারী বাঙালি বিপ্লবীদের নাম বিকৃত করা হচ্ছে… এটি স্বাধীনতা আন্দোলনে বাংলার ভূমিকা মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র। এই ধরণের একটি ছবি কীভাবে সেন্সর সার্টিফিকেট পেল?’ মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও একটি জনসভায় ছবিটির নাম না করেও বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন ‘বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অবদানকে অবমূল্যায়ন করার বারবার প্রচেষ্টা চলছে।’ সেই জনসভায় বিজেপির বিরুদ্ধে স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের রাজনীতিকরণের অভিযোগ এনেছেন তিনি। ছবিটির নির্মাতাদের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, প্রবাদপ্রতিম বাঙালি বিপ্লবী হেমচন্দ্র কানুনগোর চরিত্রকে ছবিতে কৃপাল সিং নামে একজন কাল্পনিক ব্যক্তিত্ব দ্বারা প্রতিস্থাপিত করা হয়েছে।
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
রাজ্য বিজেপি এই বিতর্ককে অপ্রয়োজনীয় বলে অভিহিত করেছে। বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন ‘চলচ্চিত্রে প্রায়শই চরিত্রের নাম পরিবর্তন করা হয়। তৃণমূল কংগ্রেস রাজনৈতিক আবেগ জাগানোর জন্য এটিকে ব্যবহার করছে।’ অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তীও ছবিটির সমালোচনা করেছেন, বলেছেন এই ধরনের তথ্যগত ভুল দুর্বল গবেষণা বা ঐতিহাসিক ছবি নির্মাণে প্রয়োজনীয় মনোযোগের অভাবকে প্রতিফলিত করে। বর্তমানে ছবিটির একটি দৃশ্য সোশাল মিডিয়ায় বাঙালিদের সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। এক্সে প্রচুর পরিমাণে শেয়ার হওয়া ওই স্বল্পদৈর্ঘ্য ক্লিপে অক্ষয় কুমারকে ক্ষুদিরাম বসুর নাম ক্ষুদিরাম সিং হিসাবে ব্যবহার করতে দেখা গেছে।
তবে পশ্চিমবঙ্গে এই বিক্ষোভের বিষয়ে চলচ্চিত্র নির্মাতাদের কাছ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, এমনকি ঐতিহাসিক তথ্য বিকৃত করার জন্য বিধাননগর দক্ষিণ থানায় এফআইআর দায়ের করার প্রসঙ্গেও নয়। তৃণমূল কংগ্রেসের যুব শাখা কয়েকদিন আগেও চলচ্চিত্র নির্মাতা বিবেক অগ্নিহোত্রীর আসন্ন ছবি দ্য বেঙ্গল ফাইলস-এর বিরুদ্ধে পুলিসে অভিযোগ দায়ের করেছে। ওই ছবির পরিচালক ও প্রযোজকদের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে ‘ছবিটির গোপন উদ্দেশ্য হল রাজ্যে সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা তৈরি করা’। ছবিটি ৫ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাওয়ার কথা।
আরো পড়ুন দ্য কেরালা স্টোরি: আষাঢ়ে গল্প বনাম জেহাদি বাস্তব
কেশরী ২ দেখতে বসে মনে হচ্ছিল, প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাস নিয়ে ছিনিমিনি খেলার পর, বলিউড নামক হিন্দুত্ববাদের প্রচারযন্ত্রটি এবার আধুনিক ইতিহাসে হস্তক্ষেপ করছে। ধর্মা প্রোডাকশনস দ্বারা নির্মিত এই ছবি জালিয়ানওয়ালাবাগের শহীদদের আত্মত্যাগের মর্মান্তিক ঘটনাকে ঘিরে একটি মিথ্যা আখ্যান তৈরি করে। ছবিটির শুরুতেই বলা হয়েছে যে এটি কল্পকাহিনী, কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে এটি সত্যি ঘটনা এবং চরিত্রগুলিকে ব্যবহার করে সুনথিভুক্ত ঐতিহাসিক ঘটনাগুলিকে বিকৃত করেছে। জেনারেল রেজিনাল্ড ডায়ার এবং পাঞ্জাবের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মাইকেল ও’ডোয়ায়ারের মধ্যে পার্থক্যও এই ছবির নির্মাতাদের কাছ থেকে আশা করা কঠিন। ছবিটি মূলত জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের সত্য প্রকাশে অ্যাডভোকেট সি শঙ্করন নায়ারের প্রচেষ্টার খারাপ নাট্যরূপ। এখানে নায়ারের পক্ষে ভোট দেওয়া জুরি সদস্যদের একজন, ইংরেজ রাজনৈতিক তাত্ত্বিক এবং অর্থনীতিবিদ হ্যারল্ড ল্যাস্কিকে ‘লক্ষ্মী’ করে ফেলা হয়েছে। ছবিটিতে জেনারেল ডায়ারের চরিত্রে সাইমন পেসলিদের মত ইংরেজ অভিনেতা দীর্ঘ হিন্দি সংলাপ বলার কারণে ছবিটিকে প্রায় ব্যঙ্গচিত্রের মত মনে হয়।
নায়ার এমন একজন, যিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের শৈশবকালে যখন দলটি ঔপনিবেশিক প্রভুদের কাছে আবেদন-নিবেদনের নীতি অনুসরণ করত, তখন সভাপতি ছিলেন। তিনি সাংবিধানিক উদারনীতির পক্ষে ছিলেন এবং তাঁর বইতে মহাত্মা গান্ধীর উগ্র অহিংসার সমালোচনা করেছেন। চরিত্রের জটিলতা এবং সেই সময়ের রাজনৈতিক সক্রিয়তার উপর মনোযোগ দেওয়ার পরিবর্তে, ছবির পরিচালক অক্ষয় কুমারকে জলি এলএলবি ছবির মত উগ্র আইনজীবীতে পরিণত করেছেন, যিনি আইনি পরিভাষা ফুরিয়ে গেলে আদালতে কটূক্তি পর্যন্ত করেন। ছবিতে রাওলাট আইনের ভয়াবহতা আলোচনার বাইরেই থেকে যায়, রামনবমীতে হিন্দু-মুসলমান ঐক্য দেখে ব্রিটিশরা যে বিভ্রান্ত হয়েছিল তার কেবল ক্ষণস্থায়ী উল্লেখমাত্র পাওয়া যায়। ব্রিটিশ আমলে শীর্ষ সরকারি পদে নিযুক্ত হাতেগোনা কয়েকজন ভারতীয়ের মধ্যে স্যার চেত্তুর শঙ্করন নায়ার ছিলেন অন্যতম। ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের উত্তরে অমৃতসর শহরে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের পর তিনি ভাইসরয়ের কাউন্সিল থেকে পদত্যাগ করেন, জনসভায় উপস্থিত শত শত বেসামরিক নাগরিককে ব্রিটিশ সেনার গুলি করে হত্যা করার প্রতিবাদে। ওই গণহত্যার শতবার্ষিকীতে, যুক্তরাজ্যের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে এই ট্র্যাজেডিকে ভারতে ব্রিটিশ শাসনের ইতিহাসে ‘লজ্জাজনক দাগ’ হিসাবে বর্ণনা করেছিলেন। ঘটনার সময়ে কিন্তু পাঞ্জাবের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মাইকেল ও’ডোয়ায়ারের সমালোচনা করায় নায়ারের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা হয়েছিল, যা জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড এবং ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের কর্মকাণ্ডে আলোকপাত করতে সাহায্য করে। স্বাধীন ভারতের প্রথম পররাষ্ট্র সচিব কেপিএস মেনন তাঁর জীবনীতে নায়ারকে ‘তাঁর সময়ের একজন অত্যন্ত বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব’ হিসাবে বর্ণনা করেছেন।
নায়ার তাঁর স্বাধীন দৃষ্টিভঙ্গি এবং চরমপন্থী রাজনীতির প্রতি বিতৃষ্ণার জন্য পরিচিত ছিলেন। ঔপনিবেশিক শাসন এবং গান্ধীর সমালোচনা তিনি একই সুরে করতেন। নায়ার ১৮৫৭ সালে কেরালা রাজ্যের বর্তমান পালক্কাদ জেলার এক ধনী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মাদ্রাজের প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াশোনা করেন, আইন পড়ার আগে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং মাদ্রাজ হাইকোর্টের একজন বিচারকের শিক্ষানবিশ হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৮৮৭ সালে মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সিতে সমাজ সংস্কার আন্দোলনে যোগ দেন। কর্মজীবন জুড়ে তিনি বিবাহ ও নারী অধিকার সম্পর্কিত তৎকালীন হিন্দু আইন সংস্কার এবং বর্ণ প্রথা বিলোপের জন্য লড়াই করেছিলেন।
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের ১৮৯৭ সালের অমরাবতী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেছিলেন। তাঁর ভাষণে ব্রিটিশ-পরিচালিত সরকারকে ‘জনগণের চরম দারিদ্র্যের জন্য নৈতিকভাবে দায়ী’ বলে অভিহিত করেছিলেন। ১৯০৮ সালে তিনি হাইকোর্টের বিচারক হন এবং চার বছর পরে নাইট উপাধি লাভ করেন। ১৯১৫ সালে নায়ার দিল্লিতে চলে আসেন ভাইসরয় কাউন্সিলের সদস্য হিসাবে। তিনি ছিলেন এই পদে অধিষ্ঠিত তৃতীয় ভারতীয়। তিনি ভারতের স্বায়ত্তশাসনের অধিকারের প্রবল সমর্থক ছিলেন এবং কাউন্সিলে থাকাকালীন সাংবিধানিক সংস্কারের উপর জোর দিয়েছিলেন। ১৯১৮ এবং ১৯১৯ সালে, ভারতের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এডউইন মন্টেগুর সঙ্গে মিলে মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্কারেও সহায়তা করেন। ওই সংস্কারে ভারত কীভাবে ধীরে ধীরে স্বায়ত্তশাসন অর্জন করবে তা বর্ণিত হয়েছিল।
আইনজীবী হিসাবে নায়ারের কর্মজীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ছিল জালিয়ানওয়ালাবাগ গণহত্যা। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আরইএইচ ডায়ারের নির্দেশে গুলিচালনায় প্রায় ৪০০ জন নিহত এবং ১,৫০০ জনেরও বেশি আহত হন। ভারতীয়দের মতে মৃতের সংখ্যা ১,০০০-এর কাছাকাছি। নায়ার ১৯২২ সালে প্রকাশিত তাঁর বই গান্ধী অ্যান্ড অ্যানার্কি-তে পাঞ্জাবের ঘটনাবলী ক্রমবর্ধমান উদ্বেগে অনুসরণ করার কথা লিখেছেন। জালিয়ানওয়ালাবাগে গুলি চালানোর ঘটনাটি ছিল ওই প্রদেশে বৃহত্তর দমনপীড়নের অংশ। পাঞ্জাবে সামরিক আইন জারি করা হয়েছিল এবং অঞ্চলটিকে দেশের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছিল। কোনো সংবাদপত্রের প্রতিনিধিকে সেখানে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
কাকতালীয়ভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সম্প্রতি কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বলেছেন, নায়ার একজন আইনজীবী এবং স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন, যিনি ১৯১৯ সালের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের পর ভাইসরয়ের কার্যনির্বাহী পরিষদের একমাত্র ভারতীয় সদস্য হিসাবে পদত্যাগ করেন। তাঁর মত একজন সাহসী জাতীয়তাবাদীকে কংগ্রেস পরিত্যাগ করেছে, কারণ তিনি তাদের বয়ানে খাপ খান না। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ এবং পাঞ্জাবের প্রতিটি শিশুর নায়ার সম্পর্কে জানা উচিত। তিনি কংগ্রেসের বিরুদ্ধে নায়ার এবং বাবাসাহেব ভীমরাও আম্বেদকর সহ অন্যান্য স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ইতিহাস থেকে দূরে রাখার অভিযোগও তুলেছেন। তাঁর মতে এঁদের উত্তরাধিকার নিয়ে কংগ্রেসে চিরন্তন রাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, কংগ্রেস ইচ্ছাকৃতভাবে নায়ার এবং আম্বেদকরের মত ব্যক্তির অবদানকে চাপা দিয়েছে স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব হিসাবে গান্ধী পরিবারের ভাবমূর্তি তুলে ধরার জন্য।
এদিকে নায়ারের উপর অকস্মাৎ আলোকপাত কেরালার আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়েছে। ২০২১ সালে সে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ১৪০টি আসনের মধ্যে ১১৩টিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল, কিন্তু একটিতেও জিততে ব্যর্থ হয়েছিল। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি রাজ্যের ২০টি আসনের মধ্যে ১৬টিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল এবং মাত্র একটিতে জয়লাভ করেছিল। অবশ্য প্রতি ক্ষেত্রেই বিজেপির ভোটের সামান্য বৃদ্ধিকে হিন্দি সংবাদমাধ্যমে অগ্রগতি হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২০২১ সালে কেরালায় বিজেপির ভোট ০.৭৭% বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ২০২৪ সালে, গত সাধারণ নির্বাচনের তুলনায় ৩.৭% বেশি ভোট তারা পেয়েছে। স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, কেশরী ২-এর মত ছবি আসলে বাঙালিবিদ্বেষ, ইতিহাস বিকৃতি এবং মিথ্যাচারের সঙ্ঘ প্রদর্শিত ত্রিভুজ কৌশলের উপর নির্ভরশীল। আগামী বিধানসভা নির্বাচনগুলির জন্য বিজেপির শৈল্পিক প্রচারপত্র হিসাবেও একে গণ্য করা যেতে পারে।
মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।








