সদ্যসমাপ্ত হরিয়ানা নির্বাচনে কংগ্রেসের পরাজয় নিয়ে অনেকেই অবাক হয়েছেন। কেউ আম আদমি পার্টিকে গাল দিচ্ছেন ভোট কাটার জন্য, কেউ দলিত-ওবিসি ভোটের বিভাজন রুখে দেওয়ার জন্য বিজেপিকে বাহবা দিচ্ছেন। এটা ঠিকই যে হরিয়ানায় কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে ভোটের ব্যবধান খুবই কম ছিল। কিন্তু পরীক্ষায় প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানাধিকারীর মধ্যে কত নম্বরের ব্যবধান ছিল তা কেউ মনে রাখে না। কে প্রথম হয়েছে সেটাই মনে রাখে সবাই।
আসলে নির্বাচনে প্রথম হওয়ার জন্য একাগ্রতা দরকার হয়। কেউ কেউ হঠাৎ করে নাম্বার ওয়ান হয়ে যান অবশ্য। কিন্তু সেটা ব্যতিক্রম, নিয়ম নয়। রাহুল গান্ধীর কংগ্রেস লোকসভা নির্বাচনে ভাল ফল করেও যে কয়েক মাসের মধ্যে হরিয়ানা বিধানসভায় মুখ থুবড়ে পড়ল তার অন্যতম বড় কারণ আত্মতুষ্টি। স্থানীয় স্তরে কী হচ্ছে তার খবরই ঠিকমত রাখেননি কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব।
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে ধান ভানতে শিবের গীতের মত হরিয়ানাকে মুখবন্ধ করার একটাই কারণ – ভারতে বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনকে একই পংক্তিতে ফেলা যায় না। মহারাষ্ট্রের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির মহায়ুতি জোট মুখ থুবড়ে পড়েছিল মানেই বিধানসভায় তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না, বা লোকসভা নির্বাচনে মহারাষ্ট্র থেকে সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়া কংগ্রেস একাই বিধানসভায় বাজিমাত করে দেবে – এই সরল সমীকরণের রাজনীতি আর করা যায় না।
গত মঙ্গলবার পশ্চিম ভারতের এই রাজ্যে মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়া শেষ হয়েছে। তাতে যা চিত্র দেখা যাচ্ছে তা বেশ জটিল। কোন দলের কে কোথায় কার প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন বা কে কাকে কতটা সমর্থন করবেন, তা বুঝতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে।
এমনিতেই এই নির্বাচনে রাজ ঠাকরের মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনাকে ছেড়ে দিলেও মূলত ছটি দলের মধ্যে লড়াই হচ্ছে। একদিকে বিজেপির নেতৃত্বে মহায়ুতি জোটে রয়েছে অজিত পওয়ারের জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি) ও একনাথ শিন্ডের শিবসেনা। অন্যদিকে কংগ্রেসের মহা বিকাশ আঘাড়ির জোটে শরদ পওয়ারের জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি-শরদ পওয়ার) ও উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা। এছাড়াও অবশ্য প্রকাশ আম্বেদকরের বঞ্চিত বহুজন আঘাড়ি রয়েছে। এদের প্রার্থীরাই বহু আসনে তৃতীয় স্থানে থাকেন।
দুই জোটই প্রথমে আসন সমঝোতা করতে এবং পরে কাকে প্রার্থী করবে তা বাছাই করতে যথেষ্ট হিমশিম খেয়েছে। খাতায় কলমে দেখা যাচ্ছে মহা বিকাশ আঘাড়ির জোটে কংগ্রেস ১০২টি আসনে, শিবসেনা (উদ্ধব) ৯৬টি ও এনসিপি (শরদ পওয়ার) ৮৭টি আসনে লড়ছে। চারটি আসনের মধ্যে সমাজবাদী পার্টি, সিপিএমের মত শরিকদের দুটি করে আসন ছাড়া হয়েছে। অন্যদিকে মহায়ুতিতে বিজেপি ১৫২টি আসনে (এর মধ্যে চারটি আসন ছোট শরিকদের ছেড়েছে তারা), একনাথের শিবসেনা ৮০টি ও অজিতের এনসিপি ৫৭টি আসনে লড়ছে।
কিন্তু গল্প এখানেই শেষ নয়। বহু আসনে দুই পক্ষেই অন্তত পাঁচ-ছজন প্রার্থীপদের দাবিদার ছিলেন। তার মধ্যে অনেকে শেষ মুহূর্তে দলবদল করে অন্য দলের প্রার্থী হয়ে গেছেন। এটা ঘটেছে নিজেদের জোটের মধ্যেই। যেমন বিজেপির মুখপাত্র শাইনা এনসি শেষ মুহূর্তে বিজেপি ছেড়ে একনাথের শিবসেনায় যোগ দিয়েই মুম্বাদেবী আসনে প্রার্থী হয়ে গেছেন। আবার পুণেতে উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনার প্রধান ধ্যানেশ্বর কাটকে অজিতের এনসিপিতে যোগ দিয়ে শিরুর আসনে প্রার্থী হয়ে গেছেন।
আবার জোটের মধ্যেই একে অপরের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়ে গেছেন অনেকে। যেমন চিঞ্চওয়াড় বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী দিলেও সেখানে একই জোটের অজিতের এনসিপির দুই নেতা মনোনয়ন দাখিল করে বসে আছেন। একজন তো নাছোড়বান্দা যে মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন না। কারণ তাতে তাঁর ভোটারদের কাছে সম্মানহানি হবে।
ওদিকে বড়গাঁও শেরি বিধানসভা কেন্দ্রে বিদায়ী এবং বিতর্কিত এনসিপি বিধায়ক সুনীল তিঙ্গরেকে মনোনয়ন দিয়েছেন অজিত। কিন্তু সেখানকার প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক জগদীশ মুলিক গোঁ ধরে বসে ছিলেন যে তিনিই সেখানে প্রার্থী হবেন। এমনকি মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন দলবল নিয়ে তিনি জেলাশাসকের অফিসেও পৌঁছে গিয়েছিলেন। দুপুর তিনটে পর্যন্ত সেখানে বসে ছিলেন। শেষমেশ উপমুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র ফড়নবীশের ফোনে রণে ভঙ্গ দিয়ে বাড়ি ফিরে যান। কিন্তু ভোটে তিনি প্রচার করবেন কিনা তা নিয়ে ধন্দ রয়ে গেছে জোটের নেতাদের মধ্যে।
এমনই বিক্ষুব্ধদের সামলাতে সামলাতেই সময় বয়ে যাচ্ছে দুই জোটের নেতাদের। ৪ নভেম্বর মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত মান ভাঙানোর খেলা চলবে। কাকে বুঝিয়ে মনোনয়ন তুলে নেওয়ার জন্য রাজি করানো যায়, কে থাকলে ভোট কাটাকাটির সুবিধা হবে – তারই হিসাবনিকাশ করতে থাকবে রাজনৈতিক দলগুলো।
এর মধ্যে কয়েকটা আসনে ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ লড়াই মেনে নিয়েছেন মহাবিকাশ আঘাড়ির নেতারা। ডিগরাস, ভূম-পারান্ডা ও সোলাপুর দক্ষিণে কংগ্রেস ও শিবসেনা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রার্থী দিয়ে বসে আছে। শিরপুর আসনে সিপিআই এবং শরদের এনসিপির প্রার্থীরা মনোনয়ন দাখিল করেছেন। জোটের দর কষাকষি এবং নিজের দলের মধ্যে মানভঞ্জনের পালার বাইরে যা পড়ে থাকছে তা হল ভোটের ইস্যু। আর এই ইস্যু নিয়ে এখন পর্যন্ত কেউ কিছু বলছেন না।
এখন পর্যন্ত রাজনৈতিক সভাগুলোর মূল বক্তব্য – কে কাকে পিছন থেকে ছুরি মেরেছে। শরদ হোন বা অজিত – কাকা-ভাইপো দুজনেই দল ভেঙে যাওয়ার জন্য একে অপরকে দুষে চলেছেন। উদ্ধবের অবিভক্ত শিবসেনা ২০১৯ সালে বিজেপির সঙ্গে লড়াই করে নির্বাচনের পরে কেমন বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, বিজেপি নেতারা সেই গল্প শোনাচ্ছেন। একনাথ কেমন বালাসাহেব ঠাকরের শিবসেনাকে ভেঙে দিয়ে উদ্ধবের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন তার গল্প শোনা যাচ্ছে উদ্ধবের মুখে।
কিন্তু এবারের নির্বাচন শুধুমাত্র বিশ্বাসঘাতকতার আবেগ দিয়ে জেতা যাবে না। একদিকে স্থানীয় স্তরে কে ভোটারদের কতটা প্রভাবিত করতে পারছে, কে প্রার্থী আর কে কাকে সমর্থন করছে – এই বিভ্রান্তি কাটিয়ে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে। অন্যদিকে জাতিগত ইস্যু বড় হয়ে উঠবে এই নির্বাচনে। একেই মারাঠাদের তফসিলি জাতির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি নিয়ে টানা আন্দোলন করে গেছেন মারাঠা নেতা জারাঙ্গে পাটিল। গত নির্বাচনেও তাঁকে কেউ চিনত না। কিন্তু তিনিই এখন শরদকে ছাপিয়ে মারাঠাদের নেতা হয়ে উঠেছেন। এখন পর্যন্ত তিনি বলেননি কাকে কাকে সমর্থন করবেন এই নির্বাচনে। ওদিকে মারাঠাদের সমর্থন করতে গেলে ওবিসি ভোটে ভাঙন ধরবে – এই ভয়ে মূল রাজনৈতিক দলগুলো কেউ গলা খুলে পাটিলকে সমর্থন করতেও পারছে না বা খোলাখুলি তাঁর সমর্থন চাইতে পারছেন না। অথচ মারাঠা ভোট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বরং এনসিপির প্রাক্তন মন্ত্রী ছগন ভুজবল ওবিসি নেতা হিসেবে জারাঙ্গের বিরোধিতা করছেন। বিজেপি নীতিগত ভাবে মারাঠাদের সংরক্ষণের আওতায় আনার বিরোধী। তবে সেকথা এই নির্বাচনের ভরা বাজারে তারা বলছে না। বরং ওবিসি, মারাঠা, দলিতদের একজোট করার কাজ করে চলেছে। রাহুল গান্ধী ওবিসিদের সংরক্ষণ তুলে দেবেন বলে প্রচারও করা হয়েছে এই রাজ্যের কোণে কোণে। আর মুখ্যমন্ত্রী একনাথ একটা কমিটি তৈরি করে নির্বাচনের আগে মারাঠা আন্দোলনের আগুনে জল ঢালার চেষ্টা করেছেন। আবার ধাঙড়দের তফসিলি উপজাতির তকমার দাবির বিরুদ্ধে একজোট হয়েছে আদিবাসীরা। কাজেই জাতপাতের রাজনীতি মহারাষ্ট্রের মত ‘প্রগতিশীল’ রাজ্যেও কম নেই। সেই সমীকরণ মাথায় রেখে চলতে হচ্ছে নেতাদের।
কিন্তু জাতপাতের বাইরেও একনাথের হাতে ভোটের প্রচারে অনেক অস্ত্র আছে। নির্বাচনের আগে বাংলার লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আদলে লড়কি-বহিন যোজনা শুরু করেছেন। বিপুল সাড়া পেয়েছেন মহিলাদের থেকে। একই ধাঁচে শুরু করেছেন যুবকদের জন্য অনুদানের প্রকল্প লড়কা-ভাউ যোজনা, কৃষকদের ঋণ মকুব, ৫০টা জাতিগোষ্ঠীর উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পর্ষদ গঠনের মত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নির্বাচন ঘোষণার দিন পর্যন্ত। কিন্তু তাতেও বেকারত্বের সমস্যার মত জ্বলন্ত ইস্যু নিভে যায়নি। গত কয়েক বছরে মহারাষ্ট্রে বিদেশি বিনোয়োগে ভাঁটার টান। শহরকেন্দ্রিক উন্নয়নে এখনো বিদর্ভ ও মারাঠওয়াড়ার মত অঞ্চল পিছিয়ে রয়েছে। রাস্তাঘাট, পানীয় জল ও শহরের পরিকাঠামো নিয়ে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে।
আরো পড়ুন রিসর্ট রাজনীতি থেকে ভারত দর্শন রাজনীতি: মহারাষ্ট্র যা দেখাল
এসবের মধ্যেও বিজেপি কিন্তু বেশ এগিয়ে খেলছে। বিদর্ভ অঞ্চলের মধ্যেই পড়ে নাগপুর। সেখান থেকেই জেতেন নীতিন গড়করি ও ফড়নবীশের মত নেতারা। এখানেই আরএসএসের সদর দফতর। আর এবার মহারাষ্ট্র নির্বাচনের অনেক আগে থেকেই মাঠে নেমে পড়েছে আরএসএস। গত অগাস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে প্রায় নিঃশব্দে সংবিধান বাঁচাও যাত্রা করেছে তারা। পাড়ায় পাড়ায় আরএসএস শাখায় বকলমে বিজেপির পক্ষে প্রচার চলছে অবিরত। অনেকটা আড্ডার ঢঙে।
কাজেই লোকসভা নির্বাচনের মত বিজেপি-আরএসএস দূরত্বের তত্ত্ব ধুয়ে মুছে যাচ্ছে। বিজেপি ‘আত্মসন্তুষ্টি’ কাটিয়ে উঠেছে। এমনকি গত প্রায় আড়াই বছরে শিবসেনার মুখ্যমন্ত্রী একনাথের উপর দাদাগিরি করার চেষ্টাই করেননি বিজেপির উপমুখ্যমন্ত্রী ফড়নবীশ। শত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও একাগ্রভাবে নির্বাচনের জন্য তৈরি হয়েছেন তিনি। দলের রাশ নিজের হাতে রাখার চেষ্টা করেছেন। নয়ত মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার শেষদিনেও তাঁর ফোনে প্রায় পাঁচ-ছয় জন বিজেপি নেতা প্রার্থী হওয়ার দাবি থেকে সরে আসতেন না। লক্ষ করার বিষয়, বিজেপি কিন্তু এই নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসনে লড়ছে। স্ট্রাইক রেট ভাল হলে চালকের আসনে তারাই থাকবে।
অন্যদিকে কংগ্রেস এখনো লোকসভার সাফল্য এবং রাহুলের ভারত ন্যায় যাত্রার উপরেই ভর করে দাঁড়িয়ে রয়েছে। ভোটের জন্য যেটুকু যা করার তা স্থানীয় কংগ্রেস নেতারাই করছেন। আসন সমঝোতা করতে গিয়ে যেভাবে কংগ্রেস দাদাগিরি করার চেষ্টা করেছে এবং রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি নানা পাটোলে ও উদ্ধব সেনার নেতা সঞ্জয় রাউত প্রকাশ্যে ঝগড়া করেছেন, তাতে ভোটাদের কাছে ভাল বার্তা যাওয়ার কথা নয়।
শরদ ও অজিত নিজেদের জায়গা যাতে অটুট থাকে সেই চেষ্টাই করবেন এবং করছেন। অজিতের বিরুদ্ধে শরদ নাতি যুগেন্দ্র পওয়ারকে দাঁড় করিয়েছেন পওয়ারদের খাস তালুক বারামতী থেকে। বিদায়ী এনসিপি বিধায়করা বেশিরভাগই অজিতের দল থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে স্থানীয় এনসিপি নেতাদেরই দাঁড় করিয়েছেন শরদ। ভোট কাটাকাটির খেলায় কে জেতে সেদিকে তাকিয়ে থাকতে হবে পওয়ারদের।
আবেগের রাজনীতিতে, নরেন্দ্র মোদীর উপর বিরক্তির রাজনীতিতে লোকসভা নির্বাচন পার করে দিয়েছিলেন রাহুল-শরদ-উদ্ধবরা। বিধানসভা নির্বাচনে শুধু আবেগ দিয়ে কাজ হবে না। আর মোদী তো নির্বাচনের ইস্যুই নন এখানে।
যদিও এখনই কে জিতবে তা বলার সময় আসেনি, কিন্তু এবারের মহারাষ্ট্র নির্বাচনের ফলাফল প্রার্থী ও দলগুলোর একাগ্রতা, স্থানীয় স্তরে প্রভাব, জাতপাতের ইস্যু এবং নির্দল প্রার্থীদের বদান্যতার উপর নির্ভর করবে। লোকসভা নির্বাচন এখন অতীত।
মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।







