অমৃতকালের ভারতে শ্রমিক আন্দোলনও এখন দেশদ্রোহ বলে গণ্য হয়। বিজেপির কাছে যে কর্পোরেট প্রেমই দেশপ্রেম তা আবার প্রমাণিত হল। উত্তরপ্রদেশের নয়ডায় শ্রমিকদের ন্যায্য দাবিদাওয়ার আন্দোলনকে দেশদ্রোহ বলেই দাগিয়ে দিতে চাইছে সে রাজ্যের বিজেপি সরকার। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নকশালমুক্ত ভারত গড়ার ডাক অনেক আগেই দিয়েছেন। নকশালমুক্ত ভারত গড়ার নামে দেশের জল, জমি, জঙ্গল, খনি, পাহাড় অবাধে লুঠ করার স্বাধীনতা পেয়েছে বিভিন্ন কর্পোরেট সংস্থা। বাধা দিলেই নকশাল তকমা দিয়ে দেশের নাগরিকদের হত্যা করছে রাষ্ট্রীয় বাহিনী। সেই আক্রমণই এখন ছড়িয়ে পড়ছে দেশের কারখানায়। শ্রমিক আন্দোলন দমনে কর্পোরেট দালাল সরকার শ্রমিকদেরই দেশদ্রোহী বানাতে চাইছে।
দিল্লির উপকণ্ঠে অবস্থিত উত্তরপ্রদেশের নয়ডা, দেশের ‘উন্নত’ শিল্পাঞ্চল বলে খ্যাত। যেমন খ্যাতি রয়েছে হরিয়ানার গুরুগ্রামের। উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, দিল্লি— তিন রাজ্যেই এখন বিজেপির ডবল ইঞ্জিন সরকার। সেই ডবল ইঞ্জিনের বিকাশের গাড়ির তলায় পিষ্ট হচ্ছে শ্রমিকের অধিকার। শ্রমিকদের শ্রমের ন্যায্যমূল্য না দিয়ে, বঞ্চিত রেখে কোম্পানিগুলির মুনাফা বাড়ানোকেই বলা হচ্ছে ‘সব কা সাথ সব কা বিকাশ’। বাড়ছে শ্রমিকের কাজের চাপ ও সময়। ন্যূনতম মজুরি যা, তাতে দিন চলে না। মালিকরা দিব্যি একের পর এক আইন লঙ্ঘন করে চলেছে, সরকার সরাসরি মালিকের পক্ষ নিচ্ছে।
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
গত ৯ এপ্রিল থেকে নয়ডার ফেজ ২ এলাকার শ্রমিকরা আন্দোলন শুরু করেন। তাঁদের দাবি— ন্যূনতম মজুরি মাসে ২০,০০০ টাকা করতে হবে। জানা যাচ্ছে, তাঁদের ন্যূনতম মজুরি ছিল মাসে ১২,৫৮০ টাকা। নয়ডার বিভিন্ন কারখানায় মজুরির এই হারের খুব বেশি তফাত নেই। কারখানাগুলির অধিকাংশ শ্রমিকই স্থায়ী নন, ঠিকা শ্রমিক। বাড়ি ভাড়া দেওয়ার পর মজুরির টাকা হাতে প্রায় কিছুই থাকে না। মজুরি বাড়ুক বা না বাড়ুক, পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে বাড়ি ভাড়া। শ্রমিকরা জানাচ্ছেন, তাঁদের প্রায়ই দিনে আট ঘন্টার বদলে ১২ ঘন্টা খাটানো হয়। শ্রমিকরা দিনে আট ঘন্টার বেশি কাজ না করানো এবং ওভারটাইমের মজুরি দ্বিগুণ করার দাবিও তুলেছেন। পাশাপাশি প্রভিডেন্ট ফান্ড, ইএসআই-এর ক্ষেত্রে শ্রম আইন মানার দাবি তুলেছেন। সম্প্রতি রান্নার গ্যাসের সংকটে শ্রমিকদের অবস্থা আরও শোচনীয় হয়েছে। অনেককেই কালোবাজারে বহুগুণ বেশি দাম দিয়ে গ্যাস কিনতে হচ্ছে। সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। হোটেলে খাওয়ার খরচও অনেক বেড়ে গেছে। অন্য রাজ্য থেকে কাজ করতে যাওয়া শ্রমিকদের অবস্থা আরও খারাপ। আক্ষরিক অর্থেই তাঁদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। ঘুরে দাঁড়াতে, অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে আন্দোলন ছাড়া তাঁদের কাছে আর অন্য কোনো পথ নেই।
আরো পড়ুন গ্যাস নেই, লকডাউন-স্মৃতি উস্কে ঘরে ফিরছেন প্রবাসী শ্রমিকরা
৯ এপ্রিলের এই শ্রমিক বিক্ষোভ নয়ডা শিল্পাঞ্চল জুড়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। একের পর এক কারখানায় হরতাল শুরু হয়। ১৩ এপ্রিল ৪২,০০০-এর বেশি শ্রমিক রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। প্রায় চারশো কারখানার শ্রমিক হরতালে সামিল হন। অচল হয়ে যায় নয়ডার সেক্টর ৬২ থেকে সেক্টর ১৬ যাওয়ার রাস্তা; ৯ নম্বর জাতীয় সড়কও অবরুদ্ধ হয়ে যায়। গৌতম বুদ্ধ নগরের পুলিশ কমিশনার লক্ষ্মী সিং জানিয়েছেন, ৮৩টি জায়গায় শ্রমিকরা রাস্তায় নামলেও, এর মধ্যে মাত্র দুটি জায়গায় হিংসার ঘটনা ঘটে।
অথচ তাকে অজুহাত করেই একের পর এক শ্রমিকদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ৩৫০ জনের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোশাল মিডিয়ায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। যারা দিনরাত সোশাল মিডিয়ায় ঘৃণা ছড়ায়, তারাই এখন শ্রমিক আন্দোলন দমনে সোশাল মিডিয়ার উপর নানা বিধিনিষেধ আরোপ করছে। ৯ এপ্রিল থেকেই অবশ্য উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকার শ্রমিক আন্দোলন নিয়ে অপপ্রচার শুরু করেছিল। ইঙ্গিত দেওয়া হয়— এতে নাকি নকশালপন্থীদের মদত রয়েছে। রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী অনিল রাজভর আবার কয়েক ধাপ এগিয়ে ১৩ এপ্রিলের ঘটনায় পাকিস্তানের মদতের কথাও বলেছেন। এভাবেই শ্রমিকদের অধিকার আন্দোলনকে দেশদ্রোহ বলে দেগে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।
৯ এপ্রিলের পর থেকে বিভিন্ন শ্রমিক নেতাকেও গৃহবন্দি করা হয়েছে। ১১ এপ্রিল জেলা প্রশাসন শ্রমিকদের দাবিদাওয়া নিয়ে বৈঠক ডাকে। অভিযোগ আছে, শ্রমিক নেতাদের প্রশাসন বৈঠক শুরু হওয়ার মাত্র কিছুক্ষণ আগে খবর পাঠায়। সরকারের দমনপীড়ন যত বেড়েছে, তত বেড়েছে শ্রমিকদের ক্ষোভ, গত ১৩ এপ্রিল যা ঢেউয়ের মত রাজপথে আছড়ে পড়ে। শ্রমিকদের লড়াইয়ের মেজাজ এখন ক্রমশ ছড়াচ্ছে। হরিয়ানার ফরিদাবাদের শ্রমিকরা মাইনে বাড়ানোর দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন, নয়ডার গৃহ পরিচারিকারাও মজুরি বাড়ানোর দাবিতে হাউজিং সোসাইটি ঘেরাও করা শুরু করেছেন।
এসব দেখে এবং দেশজোড়া বিতর্ক শুরু হয়ে যাওয়ায় এখন শ্রমিকদের প্রতি সহানুভূতিশীল সাজতে চাইছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। রাজ্যের ইনফ্রাস্ট্রকচার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কমিশনার দীপক কুমার ১৪ এপ্রিল বলেছেন, আগের দিনের হিংসার ঘটনায় স্থানীয় শ্রমিকরা জড়িত ছিলেন না। তড়িঘড়ি শ্রমিক ও মালিক পক্ষকে নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের এক কমিটি গঠন করেছে যোগী সরকার। সেই কমিটি গৌতম বুদ্ধ নগর ও গাজিয়াবাদ শিল্পাঞ্চলে অদক্ষ শ্রমিকদের মাসিক মজুরি বাড়িয়ে ১৩,৬৯০ টাকা করতে রাজি হয়েছে। আধা দক্ষ শ্রমিকদের মাসিক মজুরি হবে ১৫,০৫৯ টাকা এবং দক্ষ শ্রমিকদের ১৬,৮৬৮ টাকা। রাজ্যের অন্যান্য পৌর নিগম এলাকায় ন্যূনতম মজুরি হবে ১৩,০০৬ টাকা ও অন্য জেলাগুলিতে ১২,৩৫৬ টাকা। তবে বলা হয়েছে যে এই মজুরি চূড়ান্ত নয়, আরও আলাপ আলোচনা হবে। লক্ষণীয়, ন্যূনতম মজুরি বাড়লেও তা ২০,০০০ টাকার অনেক কমই রইল। দীপক সংবাদমাধ্যমকে আরও জানিয়েছেন, হরিয়ানায় মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিক আন্দোলন নয়ডার শ্রমিকদের প্রভাবিত করেছে। শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে গিয়ে তিনি শ্রমিকশ্রেণির ঐক্যের কথা স্বীকার করে ফেলেছেন। গৌতম বুদ্ধ নগরের জেলা শাসক মেধা রূপম ১৪ এপ্রিল বলেছেন, প্রত্যেক বছর নভেম্বর মাসের আগে শ্রমিকদের বোনাস দেওয়া হবে। ওভারটাইমে দ্বিগুণ মজুরি দেওয়া হবে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কাজ করলেও দ্বিগুণ মজুরি দেওয়া হবে। যৌন হেনস্থার তদন্তে কমিটি গঠিত হবে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এতদিন ধরে কেন এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হল না? মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ শুরুতে শ্রমিক আন্দোলনে নকশালদের দেখতে পেলেও এখন শ্রমিকদরদি কথাবার্তা বলতে বাধ্য হচ্ছেন।
জাতীয় রাজধানী এলাকার (দিল্লি-এন সি আর) অন্তর্ভুক্ত দিল্লি, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশের শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের মজুরির স্তরে পার্থক্য রয়েছে। যদিও কোনো রাজ্যেই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিচারে মজুরির হার সঠিক নয়। নয়ডার, ফরিদাবাদের কারখানাগুলিতে ঠিকে শ্রমিক বাড়ছে, কাজের সময়ের কোনো সীমা নেই। সম্প্রতি বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা মজুরি বৃদ্ধিসহ নানা দাবি নিয়ে কারখানাগুলিতে ধর্মঘট ও বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন। বহু বড় নির্মাণ কোম্পানির শ্রমিকও আন্দোলন করছেন। জানুয়ারি মাসে হরিয়ানার পানিপথের ইন্ডিয়ান অয়েলের শ্রমিকরা আন্দোলন শুরু করেন, যা দ্রুত দেশের বিভিন্ন রাজ্যের এনটিপিসি, আদানি পাওয়ার, টাটা স্টিল, জিন্দাল স্টিল সহ বিভিন্ন কোম্পানির কারখানায় ছড়িয়ে পড়েছিল। ইরান যুদ্ধের ফলে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি হওয়ায় মার্চ-এপ্রিল মাসে শ্রমিকদের ক্ষোভ আরও বেড়েছে। হরিয়ানার মানেসরের বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা ধর্মঘট করে রাস্তায় নামতে থাকেন। দাবি ছিল ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি, কাজের সময় দিনে আট ঘন্টা করা, ওভারটাইমে দ্বিগুণ মজুরি, নিরাপদ কাজের পরিবেশ ইত্যাদি। ৮ এপ্রিল প্রায় সাড়ে সাত হাজার ঠিকে শ্রমিক ধর্মঘট করেন। শ্রমিক আন্দোলন দমনে বেপরোয়া লাঠি চার্জ থেকে মিথ্যা মামলা, কিছুই বাদ দেয়নি হরিয়ানার বিজেপি সরকার। শ্রমিক নেতাদেরও বন্দি করা হয়।
আন্দোলনের জেরে হরিয়ানা সরকার ন্যূনতম মজুরি বাড়াতে বাধ্য হয়েছে। হরিয়ানায় ন্যূনতম মজুরি বেড়ে হয়েছে মাসে ১৫,২২০.৭১ টাকা। নির্মাণ ক্ষেত্রের ঠিকে শ্রমিকদের দৈনিক মজুরিও বেড়েছে। যদিও শ্রমিকরা এই বৃদ্ধিতে সন্তুষ্ট নন। শ্রমিক সংগঠনগুলির বক্তব্য, গত বছর ডিসেম্বর মাসে রাজ্যের ন্যূনতম মজুরি কমিশন সর্বসম্মতিক্রমে ন্যূনতম মজুরি মাসে ২৩,১৯৬ টাকা করার সুপারিশ করে। হরিয়ানায় দশ বছরের বেশি সময় বাদে ন্যূনতম মজুরি বাড়ানো হল। হরিয়ানার শ্রমিকরা সাম্প্রতিক সরকারি সিদ্ধান্তের সঙ্গে সহমত না হতে পেরে আবার আন্দোলনে নেমেছেন। তাঁদের বক্তব্য, ন্যূনতম মজুরি যেমন দাবি অনুযায়ী বাড়ানো হয়নি, তেমন সরকার ঘোষণার করার পরেও অনেক কারখানায় মালিক এই সংক্রান্ত কোনো নোটিশ দেয়নি। শ্রমিকরা অভিজ্ঞতা দিয়ে বুঝছেন, আন্দোলনের পথেই একমাত্র দাবি আদায় করা সম্ভব। উত্তরপ্রদেশের নয়ডায় সেই আন্দোলনের প্রভাব পড়েছে। নয়ডার শ্রমিকদের সমর্থনে হরিয়ানার মনরেগা শ্রমিকরা সভা করেছেন। সেই সভা থেকে হরিয়ানা সরকার কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে। তবুও দুই রাজ্যেই আন্দোলনের ঢেউ থামানো যাচ্ছে না।
শ্রমিকদের এই লড়াকু মেজাজেই ভয় পেয়েছে বিজেপি। শ্রম কোডের মাধ্যমে ন্যূনতম মজুরির নিশ্চয়তা, কাজের নিশ্চয়তা কেড়ে নেওয়ার তোড়জোড় চলছে। কাজের সময় বাড়িয়ে দৈনিক ১২ ঘন্টা করা, শ্রমিকদের ধর্মঘটের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। এমন সময়ে শিল্প শ্রমিকদের এই আন্দোলন সরাসরি শ্রম কোডকেই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে। উত্তরপ্রদেশের নয়ডা ও হরিয়ানার শিল্প তালুকের লড়াই শ্রমিকদের মধ্যে ঐক্য গড়ে তুলেছে। দিল্লি সন্নিহিত, বিশেষত এনসিআর অন্তভুর্ক্ত অঞ্চলগুলিতে এভাবে শ্রমিক আন্দোলন গড়ে উঠলে দেশজুড়ে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে। বিজেপি একথা ভালোভাবেই জানে। তাই একদিকে দেশদ্রোহী বলে, মিথ্যা মামলা ঠুকে বিজেপি শ্রমিকদের দমন করতে চাইছে। অপরদিকে আংশিকভাবে হলেও, শ্রমিকদের দাবি মানতে বাধ্য হচ্ছে। শ্রমিকদের এই লড়াকু মেজাজই শ্রম কোড বাতিল করতে এবং শ্রমিকদের অধিকার দিতে বিজেপি ও তাদের স্যাঙাৎ কর্পোরেট দুনিয়াকে বাধ্য করবে। উত্তরপ্রদেশ ও হরিয়ানার চলমান আন্দোলনের মধ্যে দেশের শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে ওঠার সম্ভাবনা আছে। এই আন্দোলন গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়লে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে নয়া ইতিহাস রচিত হতে পারে।
দেখুন শ্রম কোড নিয়ে আমাদের পডকাস্ট
মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।








পুনরায় ; half baked communists with no knowledge ; বৃহত শব্দের আমদানি করছে… কোনো ইতিহাস তৈরি হচ্ছে না এইখানে… আন্দোলন করে ঘোড়ার ডিম হবে … আর communists রা কি আজকাল material analysis কে একেবারেই ছেড়ে দিয়ে বস্তাপচা অর্থনীতির আলোচনা করেন ??
Labour movement করে কোনো দিনও job creation , quality jobs and Prosperity হবে না.. west bengal ই তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ.. comrades রা আমাদের রাজ্য টাকে ডুবিয়ে দিয়েছে এইসব protest করে.. তাই গরিব মানুষ কে আজ ভিন্ন রাজ্যে ছুটতে হয়..
কি পরিহাস, কেরালার লোকেরা gulf country থেকে পয়সা ইনকাম করে আনে… আর তাদের বাড়িতে চাকর বাকরের কাজ করতে যায় বাঙালির গরিবেরা..
Long live communism!!