আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন বাঙালি মুসলমানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাজনৈতিক ঘটনা হতে চলেছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময়ে রাজ্যের পরিস্থিতি যা ছিল, এখন কিন্তু তা নেই৷ গত দুবছরে বেশ কিছু মৌলিক পরিবর্তন ঘটে গিয়েছে। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বাংলার মুসলমান সমাজ যদি ধর্মনিরপেক্ষ শক্তিকে তৃণমূলের প্রধান বিরোধী হিসাবে তুলে ধরতে পারেন, তাহলে নিঃসন্দেহে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি এ রাজ্যে দুর্বল হবে। আর যদি তা না হয়, তাহলে আমরা আবারও রাজ্যে বিজেপির রমরমা দেখব। গেরুয়া শিবির ২০২৪ সালের নির্বাচনে ভাল ফল করার দিকে এগিয়ে যাবে, যা তাদের ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আত্মবিশ্বাস জোগাবে।

লোকসভা, বিধানসভা নির্বাচনের সঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনের বেশ কিছু ফারাক আছে। গ্রামীণ নির্বাচনে জাতীয় বা রাজ্যস্তরের ইস্যুগুলো ততখানি গুরুত্বপূর্ণ হয় না। অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে স্থানীয় স্তরের ইস্যু। যেমন দুর্নীতি, স্বজনপোষণ ইত্যাদি। ফলে একুশের নির্বাচনে মুসলমানরা যেমন বাধ্য হয়েছিলেন বিজেপিকে রুখতে তৃণমূলকে ভোট দিতে, পঞ্চায়েতে সেই বাধ্যবাধকতা নেই। পশ্চিমবঙ্গের গ্রামাঞ্চলে ঘোরার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, মুসলমানদের একাংশ মুখিয়ে রয়েছেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দিতে। তাঁরা তৃণমূল-বিজেপির বাইনারি ভেঙে দিতে চান। কিন্তু তার জন্য বামফ্রন্ট, কংগ্রেস এবং ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টকে (আইএসএফ) সংগঠিতভাবে তৃণমূলের সন্ত্রাস প্রতিরোধ করতে হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কালপর্বে যতটুকু নজরে এসেছে, প্রতিরোধ কিছুটা হলেও হচ্ছে। বিশেষত মুসলমান এলাকায়। পরিস্থিতি ২০১৮ সালের মত নয়। যদিও তৃণমূল এখনো ধারে ভারে অনেক এগিয়ে।

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন

~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি মুসলমানরা অধিকাংশই গ্রামে থাকেন। কলকাতায় বসবাসরত মুসলমানদের অধিকাংশই উর্দুভাষী। ইদানীং কিছু বাঙালি মুসলমান শহরাঞ্চলে বাড়ি কিনলেও আদতে তাঁরা গ্রামেরই বাসিন্দা। তাই পঞ্চায়েত নির্বাচন তাঁদের জন্য যেমন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই তাঁরাও পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জনগোষ্ঠী। গত কয়েক বছরে বাঙালি মুসলমানের মধ্যে খানিকটা পরিবর্তন এসেছে। বাংলায় অল্প হলেও মধ্যবিত্ত বাঙালি মুসলমানের উত্থান হচ্ছে। এটা আগে তেমন করে ছিল না। স্কুল, কলেজের শিক্ষকতার পেশায় আসছেন অনেকে। অনেক তরুণ খুব ভাল লিখছেন। এই অংশটাকে ঠিক আগের মত ‘কৌম সমীকরণের’ চেনা ছকে বোঝা যাবে না। এই শিক্ষিত মধ্যবিত্ত মুসলমান যুব সমাজ বিজেপিকে রুখতে চায় ঠিকই, একই সঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতির মত ইস্যুতেও আন্দোলিত। কারণ তাঁদের অস্তিত্বের জন্য সাম্প্রদায়িকতা যেমন বড় বিপদ, ঠিক তেমনই তাঁদের ‘নাগরিক আকাঙ্ক্ষা’-র বিকাশের সামনে বাধার প্রাচীর রাজ্য সরকারের দুর্নীতি।

অন্যদিকে বাংলার গরীব মুসলমানদের এক বিরাট অংশ বিভিন্ন কারণে তৃণমূল সম্পর্কে হতাশ। কেবল জেলা নয়, শহর সংলগ্ন এলাকাতেও এই ছবি খালি চোখেই ধরা পড়ছে। তৃণমূল আমলে প্রথম থেকেই মুসলমান ভোট নিয়ন্ত্রণের জন্য যেটা করা হচ্ছে, তা হল, এলাকার একটা ছোট অংশকে অনেককিছু পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে। ক্লাব বা মসজিদ কমিটি দখল করেছে শাসক দল। ওই প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত অংশ লাভবান হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু তারা আর কতটুকু? এর বাইরে যে বিরাট অংশের মানুষ, সেই গরীব মুসলমান সমাজ ভয়াবহ রকমের বঞ্চিত। এতদিন পর্যন্ত এই গরীব মুসলিমদের কোনো সংগঠন ছিল না। গত দুবছরে কিছু কিছু জায়গায় আইএসএফ এই অংশের মানুষকে নিজের অগোছালো সাংগঠনিক কাঠামোর মধ্যে ধারণ করতে পারছে।

আরেকটা জরুরি বিষয় হল, তৃণমূলের নীতি নির্ধারণে কোনোদিনই বাঙালি মুসলমানের তেমন কোনো জায়গা নেই৷ আকবর আলি খন্দকারের প্রয়াণের পর এই জায়গাটায় বিরাট শূন্যতা। ফিরহাদ (ববি) হাকিম গুরুত্বপূর্ণ নেতা, কিন্তু তিনি বাঙালি মুসলমান নন। তৃণমূল কংগ্রেস বাঙালি-অবাঙালি মুসলমানদের বহুমাত্রিক সম্পর্কটা সঠিকভাবে অনুধাবন করে বলে মনে হয় না। মমতা ব্যানার্জি নিজেও রেড রোডে উর্দুতে ভাষণ দিয়েছেন। এটা খুব দুর্ভাগ্যজনক। কারণ এতে মনে হয় মুখ্যমন্ত্রীও মনে করছেন, মুসলমান মানেই উর্দুভাষী। বাঙালি মুসলমানের অস্তিত্ব এ রাজ্যের শাসক দলের ক্ষমতার অলিন্দে নেই। গত কয়েক বছরে বাঙালি সংখ্যালঘুদের মধ্যে যে শিক্ষিত মধ্যবিত্তের উত্থান ঘটেছে, তাঁরা এই বিষয়টাকে খুব ভালভাবে নিচ্ছেন না। সাধারণভাবে মনে হতে পারে, বাংলায় বাঙালি-অবাঙালি মুসলমানদের সম্পর্কে কোনো জটিলতা নেই। বিশেষত কলকাতাকেন্দ্রিক হিন্দু উচ্চবর্ণ বাঙালিরা রাজ্যের মুসলমান সমাজের অর্ন্তনিহিত স্রোতগুলো সম্পর্কে অবহিতই নন। কিন্তু বাস্তবতা ঠিক সেরকম নয়।

সম্প্রতি মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ফুটবল ম্যাচের টিকিট বিতরণকে কেন্দ্র করেও এই ‘ফারাক’ প্রকাশ্যে এসেছে। বাঙালি মহমেডান সমর্থকরা অভিযোগ করেছিলেন, কেবল কলকাতার সমর্থকদের (অধিকাংশই অবাঙালি) সুবিধামত সময়েই টিকিট বিলি করা হচ্ছে। একইরকম ব্যাপার ঘটে খাবারের জগতেও। মুসলমানদের খাবার বলতেই অধিকাংশ হিন্দু বাঙালির যে জাকারিয়া স্ট্রিটকে মনে পড়ে, তার সঙ্গে বাঙালি মুসলমানের প্রায় কোনো সম্পর্ক নেই।

আরো পড়ুন দ্বিতীয় শ্রেণির বাঙালি, দ্বিতীয় শ্রেণির মুসলমান

তবে বাম আমলেও এ বিষয়ে বাংলার (বাঙালি তো বটেই) মুসলমানের অভিজ্ঞতা খুব ভাল ছিল না। কমিউনিস্ট পার্টি গড়ে ওঠার পিছনে মুসলমানদের বিরাট ভূমিকা ছিল। মুজফফর আহমদ যেমন, সন্দীপের লোক, খাঁটি বাঙালি। আবার মহম্মদ ইসমাইল বা মহম্মদ আমিনের মতো মানুষরাও ছিলেন। কিন্তু বাম আমলের স্বর্ণযুগে ক্ষমতার উপরের ধাপগুলোতে, নীতি নির্ধারণে মুসলিমদের সংখ্যা তেমন ছিল না। ‘টোকেনিজম’ রাজনীতি তখনো ছিল, এখন আরও বেড়েছে। বামেদের ক্ষেত্রে অবশ্য এখন ছবিটা খানিকটা বদলাচ্ছে। মুর্শিদাবাদে জামির মোল্লা নেতৃত্বে এসেছেন। তবে এই বিষয়ে আরও অনেক বেশি সচেতন উদ্যোগ প্রয়োজন।

বিজেপি ভোটের রাজনীতির নিকৃষ্ট স্বার্থে মিথ্যা মুসলমান তোষণের অভিযোগ করে মমতার বিরুদ্ধে। হিন্দু ভোট পাওয়ার জন্য এই কথাগুলো বলা হয়। সর্বৈব মিথ্যা কথা। তৃণমূল আমলে বাংলার মুসলমানদের কোনো মৌলিক উন্নয়ন হয়নি। কবরখানা রং হয়েছে, কোনো কোনো মাজারের উন্নয়ন হয়েছে। যদিও অনেকের অভিযোগ, বেশ কিছু ক্ষেত্রে মসজিদের জৌলুস বাড়াতে গিয়ে ক্ষতি করা হয়েছে ঐতিহ্য এবং ঐতিহাসিক গুরুত্বের। কিন্তু আসল কথা হল, সাধারণ মুসলমানের কোনো উন্নয়ন হয়নি। বেসরকারি ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে সরকারি চাকরিতে মুসলমানদের অনুপাত বৃদ্ধি – কিচ্ছু হয়নি। রাজ্যের মোট জনসংখ্যার ২৮%-৩০% মুসলমান। কতজন সরকারি ক্ষেত্রে কাজ করেন? নামজাদা কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে কতজন মুসলমান অধ্যাপক আছেন? বরং বিজেপির জুজু দেখিয়ে মুসলমানদের একপ্রকার বাধ্য করা হচ্ছে তৃণমূলকে ভোট দিতে। সেই সঙ্গে নজর সরিয়ে ফেলা হচ্ছে তাঁদের উন্নয়নের দাবিগুলো থেকে।

মুসলমানরাই মারে, মুসলমানরাই মরে – এটাই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির দস্তুর। মুসলমানদের লেঠেল বাহিনীর পদাতিক করে রাখা হচ্ছে। রাজনৈতিক সংঘর্ষে বোড়ে হিসাবে বাউড়ি, বাগদি, দুলেরা যেমন ব্যবহৃত হন, তেমনই মুসলমানরাও ব্যবহৃত হন। বীরভূম, ভাঙড়, চোপড়া, মুর্শিদাবাদে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া নিয়ে সংঘর্ষ চলছে। কারা মরছেন? মুসলমানরাই। অধিকাংশ জায়গায় মার খাচ্ছেন মুসলমানরাই। তৃণমূলের মুসলমান বনাম কোথাও বাম, কোথাও কংগ্রেস, কোথাও আইএসএফের মুসলমানরা মারামারি করছেন। গুলিবিদ্ধ হচ্ছেন। এটাই এ রাজ্যের বাস্তবতা।

মওলানা ভাসানী বলতেন, মুসলমানদের মধ্যে একটা ‘জোশ’ আছে। সেটাকে নঞর্থকভাবে ব্যবহার করছে তৃণমূল। বাধ্য হয়ে আক্রান্ত এবং বঞ্চিত মুসলিমরা অন্য দলগুলোর হয়ে তৃণমূলকে প্রতিরোধ করছেন। অন্যদিকে রাজ্যের দলিত জনগোষ্ঠীর বিরাট অংশ বিজেপির প্রভাবাধীন। এর পিছনেও রয়েছে ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলোর ব্যর্থতা। দুটো চরম বঞ্চিত জনগোষ্ঠী যদি ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির পক্ষে দাঁড়াত, তাহলে পশ্চিমবঙ্গের চিত্র অন্যরকম হত।

বাংলার সাধারণ মুসলমানরা তৃণমূল আমলে চরম বঞ্চিত। চাকরি নেই, কাজের সুযোগ নেই। লক্ষ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক ভিন দেশে, ভিন রাজ্যে কাজ করতে যাচ্ছে। ফলে ক্ষোভ জমছে অনেকদিন ধরেই। তার উপর রয়েছে তৃণমূলের স্থানীয় নেতাদের সামন্তসুলভ আচরণ। মুসলমানদের মধ্যেও তৃণমূল একটা ক্রিমি লেয়ার তৈরি করেছে। একটা ছোট্ট প্রভাবশালী অংশের আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে। তারা মারাত্মক দুর্নীতিগ্রস্ত তো বটেই, সেইসঙ্গে সাংঘাতিক উদ্ধত। কিন্তু একুশের নির্বাচনে এদের প্রতি তীব্র বীতরাগ নিয়েও সাধারণ মুসলমানরা তৃণমূলকে ভোট দিয়েছিলেন। এই প্রথম কিছু কিছু পকেটে গরীব মুসলমানরা এই নব্য সামন্তদের প্রতিরোধ করছেন। নিতান্ত বাধ্য হয়েই রুখে দাঁড়াচ্ছেন। কারণ তা না করে তাঁদের আর উপায় নেই।

একুশের নির্বাচনে বাংলার ৮৯% মুসলমান তৃণমূলের পক্ষে ভোট দিয়েছিল। কিন্তু সেটা সদর্থক ভোট ছিল না। ছিল বিপন্ন, ভয়ার্ত জনগোষ্ঠীর আর্তনাদের নির্বাচনী প্রকাশ। এবার সেই মুসলমান ভোটের বেশ খানিকটা ঘুরে যেতেই পারে। তৃণমূলের সংখ্যালঘু সমর্থনে ফাটল তো ধরছেই। তবে সেই ফাটল কতটা দৃশ্যমান হবে সেটা সময় বলবে। তৃণমূলের হিংসা, মারামারি, আক্রমণ সামলে সবটুকু হয়ত ভোটের ফলে প্রতিফলিত হবে না। কিন্তু মমতার প্রতি বিশ্বাসে ফাটল যে ধরছে তা স্পষ্ট। সাগরদিঘির ফলাফল তার প্রমাণ। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়ে হওয়া প্রতিরোধ তার প্রমাণ। আসলে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি বাংলার মুসলমান সমাজের একাংশের অনুভূতি খানিকটা বিশ্বাসভঙ্গের মতই। বাঙালি মুসলমানের ভোটে জিতে একুশে সরকারে এসে মমতা দীঘায় বিরাট মন্দির গড়ছেন, গঙ্গাসাগর নিয়ে হইচই করছেন, তৃণমূল নেতারা রামনবমীর মিছিল করছেন। এগুলো বাংলার মুসলমানদের আহত করছে। তাঁরা যন্ত্রণা বোধ করছেন। এটা ঠিক যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের মুসলমান ভোটে বিরাট কোনো ফাটল ধরবে না। কারণ এখন অবধি বিজেপির ভয়টা বাস্তব সত্য। কিন্তু সেটাও ঠিক একুশের মত নয়। পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গিয়েছে।

বামেদের উচিত বাংলার মুসলমান সমাজের সামনে নিজেদের ইতিবাচক দিকগুলো নিয়ে কথা বলা। বিকল্পের কথা বলা। তৃণমূল কতটা খারাপ – এটা মূল কথা হতে পারে না। দরকার বামেরা ক্ষমতায় এলে কী করবেন সেটা স্পষ্ট করে বলা। মুসলমানরা তো বামেদের সঙ্গেই ছিলেন। সাবেক শ্রেণিমিত্ররা কেন সরে গেলেন তা ভাবা উচিত কমরেডদের। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে কংগ্রেসেরও অন্তত ধর্মনিরপেক্ষতার প্রশ্নে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করা উচিত। নাহলে আপনা আপনি মুসলমান ভোট ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির বাক্সে আসা মুশকিল।

মতামত ব্যক্তিগত

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

1 মন্তব্য

মতামত জানান

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.