অল্প কিছুদিন আগেকার কথা। উত্তর ভারতের কোনো এক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বাঙালি অধ্যাপক সমাজতত্ত্বের ক্লাসে সিলেবাস অনুযায়ী পড়াচ্ছিলেন রামায়ণের সমাজতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা। ক্লাসের উচ্চবর্ণের ছাত্রছাত্রীরা সমস্বরে প্রতিবাদ করে। তাদের কথা হল, রাম বা রামায়ণ ভক্তির বিষয়। বিশ্লেষণের নয়। সুতরাং রামকে নিয়ে সমাজতাত্ত্বিক কাটাছেঁড়ার অর্থ হল তাদের ধর্মবিশ্বাসে আঘাত দেওয়া। অধ্যাপক কড়া পদক্ষেপ নিলেন। তিনি পরিষ্কার বলে দিলেন, কেউ যদি মনে করে রামায়ণের সমাজতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা শুনলে পাপ হবে, তাহলে সেই পাপ না করে সে বা তারা ক্লাস থেকে বেরিয়ে যেতে পারে, তবে এই অধ্যায় থেকে প্রশ্ন অবশ্যই পরীক্ষায় থাকবে। একথা বলার অপেক্ষা রাখে না, যে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সামাজিক পরিমণ্ডলে উত্তর ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে একজন অধ্যাপকের পক্ষে এটি একটি ভয়ঙ্কর ঝুঁকির কাজ। চরম বিপজ্জনকও বটে। কিন্তু তবু জ্ঞানচর্চার স্বাধীনতায় বিশ্বাসী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের শুধুমাত্র জ্ঞানচর্চার প্রতি অনুগত থাকতে গিয়েই আজকাল এই বিপজ্জনক জীবনযাপন করতে হচ্ছে। যাক সে কথা। এই প্রবন্ধে আমাদের আলোচ্য বিষয় অন্য।

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন

~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

উলটোদিকটা ভাবুন। সবেমাত্র সাড়ম্বরে দুর্গাপুজো শেষ হল। দুর্গোৎসব নাকি বাঙালিদের (হিন্দু) সবথেকে বড় উৎসব। এখন যদি বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে দুর্গার বদলে দুর্গাকে উপলক্ষ করে প্রকৃতপক্ষে রামবন্দনা শুরু হয় তাহলে বাঙালি কী করবে? বিরোধিতা করবে? প্রতিবাদ করবে? জোরের সঙ্গে উঠে দাঁড়িয়ে বলবে, যে মহাশয়, আমাদের পূজ্য দেবী হলেন দুর্গা, রাম নন। সুতরাং দুর্গাবন্দনার জায়গায় এই রামবন্দনা আমরা মানব না। বাঙালি কি বলবে এই কথা?

বাঙালি কী করবে তা এখন আর জল্পনার বিষয় নয়, দেখাই গেছে। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো প্যান্ডেল রামমন্দিরের ঢঙে তৈরি হয়েছিল। শোনা যাচ্ছে পুজো কমিটিকে মোটা টাকা দিয়েছে বিজেপি। দ্বিতীয়ার দিন পুজো উদ্বোধন করতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বারবার নবরাত্রির কথা বললেন। এই পুজো দেখতেই সব থেকে বেশি ভিড় হয়েছিল এবারের পুজোয়। যাঁরা গেছিলেন তাঁদের থেকে জানা গেছে, বারবার সমুদ্রগর্জনের মত “জয় শ্রীরাম” ধ্বনি উঠেছিল সেখানে, আর হেদিয়ে পড়া আম বাঙালি তাতে উন্মত্তের মত গলা মিলিয়ে ধন্য হয়ে এসেছে। প্রতিবাদ তো দূরস্থান, বাঙালি ভেসে গেছে। উত্তর ভারতীয় উচ্চবর্গীয় দুধের শিশুদের রামের প্রতি যতখানি আনুগত্য দেখা যায়, দুর্গার প্রতি তার এক শতাংশও নেই পুজোয় ফ্যাশন প্যারেড করে অঞ্জলি দেওয়া, চাইনিজ-কন্টিনেন্টাল খেতে আর স্কচের ফোয়ারা ছোটাতে ব্যস্ত আমোদগেঁড়ে বাঙালি জাতির ধেড়ে মাতব্বরদের।

কথায় বলে, জনতা যেমন শাসকও তেমন। উল্টোটাও হতে পারে। তত্ত্ববাগীশ এবং ভুক্তভোগী – উভয়েই জানেন, এই দুইয়ের মধ্যে এক মধুর দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক বিদ্যমান। আজ বাংলায় দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে বিজেপি যে এত সহজে রামের জিগির তৈরি করতে পারল তাতে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরাট ভূমিকা আছে। বিষয়টা বুঝতে গেলে অকালবোধনের গল্পটা স্মরণে রাখতে হবে। দুর্গাপুজোর প্রকৃত সময় চৈত্রমাস, অর্থাৎ বসন্তকাল। কিন্তু রামের বিরুদ্ধে রাবণের যুদ্ধ হয় এই শরৎকালে। মহালয়া তিথির পরের নটি দিন ধরে সেই যুদ্ধ চলে। দশমীতে রাবণকে হত্যা করেন রাম। এই যুদ্ধ জেতার জন্যে রাম দেবী দুর্গার আশীর্বাদ চান। তাই অসময়ে দুর্গা আরাধনা করতে হয় তাঁকে। উত্তর ভারতীয় শাস্ত্র অনুসারে, এই সময়ে দেবতারা নিদ্রা যান। তাই প্রথমে দেবীকে জাগিয়ে তুলতে হয়। সুতরাং ষষ্ঠীতে হয় বোধন, সপ্তমী থেকে তিনদিন পুজো। উত্তর ভারতে কিন্তু ষষ্ঠী বা সপ্তমী থেকে উৎসব শুরু হয় না, আরও আগে থেকে হয়। সেখানে দুর্গা মুখ্য নন, রামই হলেন প্রধান চরিত্র। দুর্গা পার্শ্বচরিত্র। তাই ওখানে উৎসব নয় দিন ধরে, যুদ্ধের নয় দিন – নবরাত্রি। কিন্তু বাংলায় আমরা বরাবরই দেখেছি উৎসব শুরু হয় ষষ্ঠী থেকে। দুর্গার অকালবোধনের পিছনে রামের গল্পটা করে চিরকালই ছিল, কিন্তু তা ছিল পশ্চাদপটে। এখানে দুর্গা প্রধান চরিত্র, রাম পার্শ্বচরিত্র।

কিন্তু নিশ্চয়ই সকলেই খেয়াল করেছেন, তৃণমূলের জমানায় সমবেত ভাসানের এক কার্নিভালের জন্ম দেওয়া হয়েছে এবং দশমীর দিন থেকে কার্নিভালের মধ্যে সব ঠাকুর বিসর্জনের নির্দেশ চালু হয়েছে। আজকাল যেহেতু দশমীতেই অধিকাংশ পুজোর ভাসান হয়, তাই উৎসব শুরু হতে লাগল চতুর্থী, তৃতীয়া অথবা দ্বিতীয়া থেকে। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই এত আগে থেকে উৎসব শুরু করতে উৎসাহিত করতে লাগলেন। এর ফলে অন্য কোথায় কী ঘটল তা অন্য আলোচনা, কিন্তু একটি জিনিস নিশ্চিত হয়ে গেল। তা হল দুর্গোৎসব ধীরে ধীরে নবরাত্রির চেহারা নিতে লাগল। দশমী হয়ে গেল দশেরা। শুরু হল রাবণ পোড়ানোর ধুমধাম। তৃণমূলের ছোট বড় মেজ নেতারাও এতে সামিল হতে লাগলেন। এবছরও তৃণমূল নেতা দেব রাবণ দহন করে জনমনোরঞ্জন করেছেন। শুধু দরকার ছিল রামকে পার্শ্বচরিত্র থেকে মুখ্য চরিত্রে নিয়ে আসার মত একটি সামাজিক-রাজনৈতিক শক্তির। রামকে রাজনৈতিক স্লোগানে পরিণত করে এগোনো ফ্যাসিবাদী বিজেপি এখন এই বাকি কাজটুকু সহজেই সম্পন্ন করছে।

আরো পড়ুন দুর্গাপুজোয় রামমন্দির: তৃণমূলের কাটা খালে হিন্দুত্ববাদের প্রবেশ

এ যুগের বুদ্ধিজীবী হওয়ার দাবি করা বাঙালিও এই পরিবর্তন মেনে নিয়েছে বা হতে দিয়েছে। বলা ভাল, উদাসীন থেকেছে। কারণ? কারণ তারা ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ হতে চেয়েছে। বামপন্থীরা এবং র‍্যাডিকাল নাস্তিকরা যত সরবে ধর্মের বিরোধিতা করেছে এবং উদাসীনতা দেখিয়েছে, ততটা গভীরে গিয়ে ধর্মকে বোঝার চেষ্টা করেনি। করলে এই পরিবর্তনের সুদূরপ্রসারী প্রভাব সম্পর্কে তারা সচেতন হত। যতই বাইরে থেকে ধর্মের বিরোধিতা করা হোক না কেন, ধর্ম তো আসলে সমাজব্যবস্থারই প্রতিফলন। বঙ্গদেশে আমরা দুর্গাপুজোকে কীভাবে দেখতে শিখেছি? দুর্গা ও তাঁর মহিষাসুরমর্দিনী রূপটি আমাদের চোখের সামনে ছিল, কিন্তু কখনই মনের ভিতরে জায়গা পায়নি। আমাদের সংস্কৃতির গভীরে আছে, এই সময়ে দেবী দুর্গা তাঁর ছেলেমেয়েদের নিয়ে কৈলাসের পতিগৃহ থেকে মর্তে বাপের বাড়িতে আসেন। যুদ্ধ করতে নয়। অসুরের সঙ্গে যুদ্ধ-টুদ্ধ চোখের সামনে থাকলেও তা যে আসলে ঢপের কেত্তন তা আমরা মেনে নিয়েছিলাম। ঘরের মেয়ের বাপের বাড়িতে আসাই ছিল উৎসবের মূল ব্যাপার।

এখান থেকে দুটি জিনিস বোঝা যায়। এক, অসুরদলনের গল্প বাঙালি সংস্কৃতিতে একেবারেই উত্তর ভারতীয় বৈদিক আরোপ। এর কোনো সামাজিক শিকড় নেই। দ্বিতীয়ত, গড়পড়তা বাঙালি পরিবারে বাপ-মায়ের কাছে মেয়েদের একটি বিশিষ্ট ভূমিকা আছে। সে আদরের ধন। উত্তর ভারতের পারিবারিক সম্মানরক্ষার্থে হত্যার (অনার কিলিং) পরিমণ্ডলে যার একান্ত অভাব। রবীন্দ্রনাথের ‘দেনাপাওনা’ গল্পটির কথা আমাদের মনে পড়তে পারে। বিস্তর ধার দেনা করেও পণের টাকা মেটাতে না পারা এক অভাগা বাপ তাঁর মেয়েকে বাপের বাড়িতে আনতে পারেন না। রবীন্দ্রনাথ লিখছেন

আশ্বিন মাস আসিল। রামসুন্দর বলিলেন, ‘এবার পূজার সময়ে মাকে ঘরে আনিবই, নইলে আমি’ – খুব একটা শক্ত রকম শপথ করিলেন।

পঞ্চমী কি ষষ্ঠীর দিনে আবার চাদরের প্রান্তে গুটিকতক নোট বাঁধিয়া রামসুন্দর যাত্রার উদ্যোগ করিলেন।

বাংলার সমাজবাস্তবতায় দীর্ঘদিন ধরে কয়েকদিনের জন্যে বাপের বাড়িতে আসা ঘরের মেয়ে উমার এই যে মানসপ্রতিমাটি নির্মিত হয়েছিল তা আমরা কত সহজেই না পরিত্যাগ করেছি। ঠিকই, আজ সমাজবাস্তবতা পালটে গেছে। ঘরের মেয়ে আজ আর ঘরের মেয়ে নেই। সে দশ হাতে দেশদুনিয়া সামলাচ্ছে। কিন্তু ঐতিহ্যের প্রতি এই উদাসীনতার কারণ কী? আর দেশদুনিয়া সামলালেও ঘরের মেয়ে তো আর তার শিকড় বিসর্জন দেয় না। নীতার কথাই ধরা যেতে পারে। ঋত্বিক ঘটকের মেঘে ঢাকা তারা-র নীতা তো রবীন্দ্রনাথের নিরুপমা নয়। ইত্যবসরে সমাজ পালটে গেছে ঢের। দেশ ভাগ হয়ে গেছে। উদ্বাস্তু পরিবারে দরিদ্র স্কুলশিক্ষক বাবা আর গানপাগল দাদার মাঝখানে বেড়ে উঠেছিল যে মেয়ে, সে-ও তো পরিবারের হাল ধরতেই কাঁধে তুলে নিয়েছিল রোজগারের দায়িত্ব। অবশেষে দাদা যখন প্রতিষ্ঠিত গায়ক হয়েছে, সংসারটা একরকম দাঁড়িয়ে গেছে, নীতার যক্ষ্মা ধরা পড়ে। সিনেমার সেই দৃশ্যটা কি আমরা ভুলতে পারি, যেখানে কাশতে কাশতে রুমালে উঠে আসা রক্ত গোপন করতে ব্যর্থ নীতা, আর তার স্তব্ধবাক দাদা সম্বিত ফিরে পেয়ে ছুটে বেরিয়ে যায় বোনের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে, চাঁদের আলোয় বৃষ্টি নামে। বৃদ্ধ অসহায় বাবার সঙ্গে মেয়ের সংলাপ। প্রলাপ বকছেন বৃদ্ধ, “তুই চইল্যা যা, চইল্যা যা। সংসারডারে দাঁড় করায়ে দিলি মা, সবারে পার করায়ে দিলি।” জীবনমৃত্যুর দোলাচলে দাঁড়িয়ে তাঁর মেয়ে, আদরের ধন। বাপের বুক ফাঁকা। পশ্চাদপটে ঋত্বিক ব্যবহার করেছেন সেই উমারই অনুষঙ্গ। পূর্ব বাংলার মেঠো সঙ্গীত, “আয় গো উমা কোলে লই।” আমরা কি অত সহজে ভুলে যাব আমাদের এই শিকড়, এই ঐতিহ্য?

প্রসঙ্গত বলি, ঋত্বিকও কিন্তু কমিউনিস্ট ছিলেন। কিন্তু তা হবার জন্যে তাঁকে ঐতিহ্য, শিকড় বিসর্জন দিতে হয়নি। লোভী শাসকের মন্ত্রণায় ঘটা দেশভাগ তাঁকে হয়ত দেশচ্যুত করেছিল, ভূমিচ্যুত করেছিল; শিকড়হীন করতে পারেনি। এখানেই ছিল আমাদের শক্তি, যার ফলে বাংলার মাটি একদা দুর্জয় ঘাঁটি হয়ে উঠেছিল।
আজ অবস্থা কতটাই না বদলে গেছে। নয়া উদারবাদে আচ্ছন্ন বাঙালি মধ্যবিত্ত সরকারি চাকুরে বুদ্ধিজীবি, পে কমিশনের কল্যাণে যারা আজ স্বচ্ছন্দ, তারা যেমন অতীতের লড়াইকে সম্মান দেয় না, যে লড়াইয়ের কল্যাণে আজ তাদের পোয়াবারো, অন্যদিকে তেমনি বহিরঙ্গে বাচনবিপ্লব ধরে রাখতে ঐতিহ্য সম্পর্কে উদাসীন, ইতিহাস সম্পর্কে উদাসীন। শাসক তৃণমূল রাজনৈতিকভাবে বিজেপির বিরোধী হতে পারে, সাংস্কৃতিকভাবে অভিন্ন। আর বামপন্থীরা হস্তিমূর্খ। এর ফাঁক দিয়েই কেমন জমিয়ে বসছে রাজনৈতিক হিন্দুত্বের রামকাহিনীভিত্তিক ফ্যাসিবাদ, তা আমরা চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি। আমাদের চোখের সামনেই “জয় শ্রীরাম” ধ্বনি আজ নির্যাতিতের বিরুদ্ধে, নিপীড়িতের বিরুদ্ধে, সংখ্যালঘুর বিরুদ্ধে, শ্রমিক-কৃষক মেহনতী মানুষের বিরুদ্ধে রণহুঙ্কারে পরিণত হয়েছে। দশেরায় দিল্লির রামলীলা ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কী বলেছেন তা নিশ্চয়ই কারোর অজানা নয়। তিনি বলেছেন, দশেরা শুধুমাত্র রাবণের পুতুল পোড়ানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। দেশকে যারা টুকরো করতে চাইছে, জাতের নামে অস্থিরতা ও বিভেদ তৈরি করতে চাইছে সেইসব অশুভ শক্তিকেও পোড়াতে হবে।

বার্তা পরিষ্কার। আমাদের সংকটও পরিষ্কার। কিন্তু সামনে এগোবার রাস্তা পরিষ্কার নয়, বরং কুয়াশাচ্ছন্ন। একটি গভীর মননশীল জাতির উত্থান ছাড়া অন্য কোনো পরিত্রাণ নেই।

মতামত ব্যক্তিগত

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.