যাদবপুরে ঘটে যাওয়া এই হত্যাকে বুঝতে হলে আগে র‍্যাগিংকে বুঝে নেওয়া দরকার।

মোটামুটিভাবে র‌্যাগিং হল একজন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর দ্বারা অন্য ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর উপর সংঘটিত আগ্রাসন, যেখানে প্রথম গোষ্ঠী দ্বিতীয় গোষ্ঠীর সিনিয়র হওয়ার কারণে এই কুকর্ম করার কর্তৃত্ব এবং সাহস পায়। দ্বিতীয় গোষ্ঠী প্রতিষ্ঠানে নতুন হওয়ার কারণে এই কর্তৃত্ব ভয়ে মেনে নেয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যে কোনো মিথষ্ক্রিয়া, যা আক্রমণাত্মক এবং অপ্রতিসম, তাই র‌্যাগিং। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে র‍্যাগিংয়ের অভ্যাস প্রায়শই মারাত্মক রূপ নেয়। নতুন ছাত্রছাত্রীদের সিনিয়রদের হাতে মানসিক বা শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। কিন্তু এ শুধু একটি বিচ্ছিন্ন বুলিইং বা হেনস্থার ঘটনা নয় বরং একটি “সংস্কৃতি”, যা যৌথভাবে ক্যাম্পাসে ক্ষমতার শ্রেণিবিন্যাস বজায় রাখতে সহায়তা করে।

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন

~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

এই সমস্ত কথাই সকলের জানা। তারপরেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে র‌্যাগিং অব্যাহত রয়েছে কারণ শিক্ষার্থীরা একে সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য আচার হিসেবে বিবেচনা করে। তারা র‌্যাগিংকে সামাজিকভাবে মন্দ মনে করে না, বরং বড় হওয়া এবং অভিজ্ঞতা অর্জনের অংশ বলে ধরে নেয়। মনে করে র‌্যাগিং তাদের শক্তিশালী এবং সাহসী করে তোলার জন্য প্রশিক্ষণমাত্র। এমনকি কেউ কেউ র‌্যাগিংকে উপকারী বলেও মনে করে। ক্যাম্পাসের বাইরে আরও কঠিন পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জগুলোর জন্য র‍্যাগিং তাদের প্রস্তুত করবে। নির্যাতিত জুনিয়র ছাত্রছাত্রীরাও অনেকে মনে করে র‌্যাগিং হল একমাত্র প্ল্যাটফর্ম যা সিনিয়রদের সঙ্গে তাদের মিথষ্ক্রিয়া সম্ভব করবে এবং বন্ধুত্ব গড়ে তুলবে। তাই সিনিয়র হয়ে গেলে নিজেরাও এতে লিপ্ত হয়। এইভাবেই র‌্যাগিংয়ের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। জনসাধারণ, অভিভাবকদের মনোভাবও এই দৃষ্টিভঙ্গিকে শক্তিশালী করে। “একটু মানিয়ে নিতে পারিস না” কিংবা “এত নরম হলে হয়?” ইত্যাদি কথাবার্তা আসলে র‌্যাগিংকেই বৈধতা দেয়, দিয়ে চলেছে।

দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সিনিয়র শিক্ষার্থীরা ‘জুনিয়রদের সঙ্গে পরিচিত হওয়া’, ‘জুনিয়র-সিনিয়র সম্পর্কের উন্নয়ন’, ‘মজা করা’ বা ‘জুনিয়রদের আদবকায়দা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম শেখানো’ ইত্যাদি অজুহাতে র‌্যাগিং শুরু হয়। নানা পরিচিত পদ্ধতির সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন অভিনব কায়দাতেও চলে নির্যাতন। নবীন শিক্ষার্থীদের সিনিয়রদের নাম-পরিচয় মুখস্থ করানো, বাবা-মা ও পরিবারের অন্যদের জড়িয়ে অশ্লীল কথাবার্তা বলা, প্রকাশ্যে নগ্ন করে নাচানো, চরম অশ্লীল বইপত্র পড়তে বাধ্য করা, সবার সামনে যৌন অভিনয়ে বাধ্য করা, বিভিন্ন নোংরা জিনিস খেতে বাধ্য করা, রাতে মশার কামড় খাওয়ানোর জন্য বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখা, কান ধরে ওঠবোস, বুক ডন দেওয়ানো, মুরগি হয়ে বসিয়ে রাখা, প্রকাশ্যে কোনো মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিতে বাধ্য করা, শীতের মধ্যে জলে নামানো, সিনিয়রদের কাজে বাইরে পাঠানো, সিগারেট-গাঁজা-মদ সেবনে বাধ্য করা, দেশলাই কাঠি দিয়ে ঘর বা মাঠের মাপ নেওয়ানো, কোনো আদেশ না মানলে গায়ে হাত তোলা, কথার মারপ্যাঁচে বিব্রত করা ইত্যাদি হল র‌্যাগিংয়ের বহুল প্রচলিত প্রণালী।

উত্তরপ্রদেশের একটি কলেজের একজন নবাগত ছাত্র বছর চারেক আগে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে তার উপর হওয়া র‌্যাগিংয়ের ঘটনার বর্ণনা দিয়েছিল। প্রথম দিনের ক্লাসের পর নিজের ব্যাগপত্র নিয়ে হস্টেলে ঢোকার পরপরই অন্যান্য উঁচু ক্লাসের দাদারা প্রথম বর্ষের ছাত্রের ঘরে শিস দিয়ে উঁকি দেয়। তারপর জিজ্ঞেস করে, ওই ছাত্রের ‘হোস্টেলের বাবা’ কে? এরপর প্রত্যেকদিন রাতে শুরু হয় ‘ইন্ট্রো’ পর্ব। সেখানে নতুন ছাত্রকে জামাকাপড় পরতে দেওয়া হয় না। অন্তর্বাস পরে দাদাদের দরজায় দরজায় ঘুরে নিজের নাম থেকে শুরু করে নিজের বিষয়ে যাবতীয় তথ্য দিতে হয়। এর মধ্যে নিজের জন্মদিন এবং সেই অনুযায়ী হিসাব করে নিজের বাবা-মায়ের যৌন সঙ্গমের তারিখ কত হতে পারে, সেই তথ্যও সিনিয়রদের কাছে জানাতে হয়। তারপর রয়েছে নিজের শরীরের বর্ণনা দেওয়া, যার মধ্যে নিজের যৌনাঙ্গের বর্ণনা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

এই জাতীয় বর্ণনার সঙ্গে আজকের যাদবপুরের ঘটনার কোনো অমিল নেই। স্পষ্টত র‍্যাগিং শুধু শারীরিক নির্যাতন নয়, মানসিক নির্যাতনও বটে। ফলে নবাগত ছাত্রের সামনে দুটো রাস্তা খোলা থাকে – পিছিয়ে যাওয়া অথবা মানিয়ে নেওয়া। প্রথম ক্ষেত্রে চরম মানসিক অবসাদের শিকার হয়ে সে সেই প্রতিষ্ঠান ছেড়ে বেরিয়ে আসতে পারে অথবা আত্মহত্যা করে ফেলতে পারে। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে সে নিজে এই ব্যবস্থার অংশ হয়ে উঠতে পারে, পরের বছর সিনিয়র হয়ে নতুন ছাত্রছাত্রীদের একইভাবে র‍্যাগিং করতে পারে।

এর মধ্যেই গৌরব সিঙ্ঘলের মত কেউ কেউ এই প্রথার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়, সহপাঠী বন্ধুদের যাবতীয় অসহযোগিতা সত্ত্বেও সে সোসাইটি এগেইনস্ট ভায়োলেন্স ইন এডুকেশন বা সেভ নামে একটি সংস্থা খুলে র‍্যাগিংয়ে ভুক্তভোগী ছাত্রছাত্রীদের পাশে দাঁড়ায়। তার অভিজ্ঞতালব্ধ মতামত এক্ষেত্রে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। “বেশিরভাগ জুনিয়র ছাত্র র‌্যাগিং থেকে মুক্তি পাওয়ার আশা করে। ভুক্তভোগীরা সিনিয়রদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে ভয় পায় কারণ তাদের আগামী কয়েক বছর ধরে একই কলেজ প্রাঙ্গণ এবং হোস্টেলে থাকতে হবে… ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা দেওয়ার কোনো উপায় থাকে না।”

গৌরবের সংস্থা তাদের প্রতিবেদনে বারবার বলেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নির্দেশিকা লঙ্ঘিত হওয়ার কথা। কোথাও অ্যান্টি-র‌্যাগিং স্কোয়াড সঠিকভাবে গঠন করা হয়নি, নবাগত ছাত্রছাত্রীদের জন্য আলাদা হোস্টেলের ব্যবস্থা করা হয়নি ইত্যাদি। “ইউজিসি হেল্পলাইনে প্রাপ্ত মোট মামলার চার থেকে পাঁচ শতাংশের বেশি পুলিসকে রিপোর্ট করা হয় না। ফলে ইউজিসি হেল্পলাইন অসহায় হয়ে পড়েছে এবং সহায়তা দিতে পারে না। … যদিও ইউজিসির নির্দেশিকা অনুসারে হেল্পলাইনে ফোন করলে পরিচয় প্রকাশের প্রয়োজন নেই, তবু অপারেটররা সাধারণত কলারকে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করতে বলে।” একে গৌরব “বিশ্বাসের ঘাটতি” বলে অভিহিত করেছেন। এও দেখা গেছে যে প্রায়শ কলেজ প্রশাসনের আধিকারিকরা নিজেরাই র‌্যাগিংয়ের ঘটনা ধামাচাপা দেন প্রতিষ্ঠানের সুনাম রক্ষার জন্য। অধ্যাপকরাও মাঝে মাঝে র‌্যাগিং সমর্থন করেন।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং সেভ ফাউন্ডেশনের অন্যতম কর্তাও প্রায় একই কথা বলেছেন। অ্যান্টি-র‌্যাগিং কমিটিগুলোতে প্রায়ই নাগরিক সমাজ, স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বা পুলিশ প্রশাসনের প্রতিনিধি থাকে না, যা বাধ্যতামূলক।

এই প্রসঙ্গে অমন কচরুর কথা বলা দরকার। হিমাচল প্রদেশের কাংড়া জেলার তান্ডায় রাজেন্দ্রপ্রসাদ মেডিকাল কলেজ ও হাসপাতালের প্রথম বর্ষের ছাত্র অমন ২০০৯ সালের মার্চে মদ্যপ সিনিয়রদের দ্বারা র‌্যাগিং চলাকালীন প্রচণ্ড মারধরের পর মারা যায়। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৯ বছর। ময়না তদন্তে জানা যায়, আঘাতের ফলে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়ে সে মারা গেছে। গোটা দেশে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল। চারজন সিনিয়র ছাত্র ২০১০ সালে হত্যার জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়, কিন্তু বন্দি থাকাকালীন সদাচরণের জন্য ২০১৩ সালেই তারা মুক্তি পায়। অমনের মৃত্যুর পর সুপ্রিম কোর্ট ২০০৯ সালের মে মাসে একটি যুগান্তকারী রায়ে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে র‌্যাগিংবিরোধী নির্দেশাবলী পালন করতে বলে। এর পরিপ্রেক্ষিতে জুন মাসে ইউজিসির তরফে র‌্যাগিং প্রতিহত করতে একটি গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়।

এর পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের আদেশের উপর ভিত্তি করে ইউজিসি একটি টোল ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর এবং একটি ওয়েবসাইট চালু করে, যেখানে ভুক্তভোগীরা র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ জানাতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অ্যান্টি-র‌্যাগিং সেলের তথ্য অনুসারে ২০২০ সালে ২১৯টি, ২০২১ সালে সারা দেশের কলেজগুলি থেকে র‌্যাগিংয়ের মোট ৫১১টি অভিযোগ পাওয়া গেছে। অতিমারী চলাকালীন কলেজগুলি বন্ধ থাকার কারণে এই সংখ্যাগুলি কিন্তু আগের তুলনায় কম। ২০১৯ এবং ২০১৮ সালে রিপোর্ট করা ঘটনার সংখ্যা যথাক্রমে ১০৭০ এবং ১০১৬।

দেখা যাচ্ছে কলেজ কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা এবং রিপোর্ট না করার বিরুদ্ধে আইন থাকা সত্ত্বেও র‌্যাগিংয়ের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। উত্তরপ্রদেশের পর মধ্যপ্রদেশ র‌্যাগিংয়ের অভিযোগের সংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয়। ১ জানুয়ারি ২০১৩ থেকে ৩০ এপ্রিল ২০২২ পর্যন্ত উত্তরপ্রদেশে ৮৩২টি র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ রেকর্ড করা হয়েছিল, মধ্যপ্রদেশে ৬৬৬টি।

সেভ সংস্থার তথ্যের অধিকার আইনে করা প্রশ্নের উত্তরে জানা যায়, অ্যান্টি-র‌্যাগিং হেল্পলাইন ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ পর্যন্ত ২২,৬৩,৮২৫টি অভিযোগ পেয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ২৬৬০টি অভিযোগ নথিভুক্ত করা সম্ভব হয়েছে, যা মোট কলের মাত্র ০.১১%। ওই আরটিআই আবেদন থেকে এও জানা যায়, ২০১২ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২১ পর্যন্ত ইউজিসি অ্যান্টি-র‌্যাগিং নির্দেশিকা ২০০৯-এর ৭ নং ধারায় মোট ৫৯৫৬টি অভিযোগ নথিভুক্ত করা হয়েছে, অর্থাৎ সেগুলির ক্ষেত্রে এফআইআর করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু মাত্র ২০৩টি কেসে তারপর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে (৩.৪%)। আরটিআই এও দেখায় যে, ২০১৯-২০ সালে ইউজিসি-এর অ্যান্টি-র‌্যাগিং হেল্পলাইন খাতে ব্যয় ১.৯৭ কোটি টাকা থেকে ২০২০-২১ সালে কমে হয় ১.৪৫ কোটি টাকা এবং ২০২১-২২ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে ৭৭,২৩২ টাকায় নেমে আসে। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে সিঙ্ঘলের আরেকটি আরটিআই আবেদনের উত্তরে জানা যায়, ইউজিসি অ্যান্টি-র‌্যাগিং হেল্পলাইনের “ব্যর্থতার হার ৯০ শতাংশ”। অর্থাৎ র‌্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে লড়াই প্রাতিষ্ঠানিক স্তরেই গোটা দেশে যথেষ্ট দুর্বল।

কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী ২০ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে লোকসভায় জানিয়েছিলেন যে ২০১৮ সাল থেকে ছাত্রদের কাছ থেকে ২৭৯০টি র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ১২৯৬টিতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে (প্রায় ৪৭% ক্ষেত্রে)। এর মধ্যে রয়েছে ৬১৬টি ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ছাত্রদের সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়, ৬২০টি মামলায় অভিযুক্তরা বহিষ্কৃত হয়। তবে অপরাধের প্রকৃত সংখ্যা আসলে অবশ্যই বেশি। “জুনিয়র ছাত্ররা তাদের সামাজিক ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়ার ভয়ে বা প্রতিষ্ঠানে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ভয়ে র‌্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে না,” বলেছেন ইন্দোরের মানবাধিকার কর্মী প্রসন্ন শুক্লা।”

(চলবে)

মতামত ব্যক্তিগত

প্রথম পর্ব

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.