রিমা ভট্টাচার্য
২০২৫ সালের তিনটি ঘটনার উল্লেখ থাক।
- ১০ ফেব্রুয়ারি: আইআইটি কানপুরের রসায়নের ছাত্র অঙ্কিত যাদব।
- ২৪ মে: আইআইএম ত্রিচির ছাত্রী শিবানী গগৈ।
- ৮ আগস্ট: আইজার কলকাতার বায়োলজিকাল সাইন্সের ছাত্র অনমিত্র রায়।
তিনটি আত্মহত্যা।
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
শুনতে খারাপ লাগলেও, আমরা যারা পড়াশোনা করতে ভালবাসি, গবেষণা করতে এসেছি প্রকৃতিবিজ্ঞান বা সমাজবিজ্ঞানের বিবিধ শাখায়, তারা কমবেশি এই খবরে অভ্যস্ত। এই ধরনের খবরের পর কী কী ঘটে? উঠে আসে চাপা গুঞ্জন, কর্তৃপক্ষের দুঃখপ্রকাশ, ‘ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং’ এবং সবশেষে হিরণ্ময় নীরবতা। গত কয়েক বছরে ক্রমাগত বেড়ে চলা আত্মহত্যার ঘটনা রীতিমত উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। কতখানি উদ্বেগজনক? সংখ্যাতত্ত্বের আতসকাচে ফেলে দেখা যাক এই মৃত্যুমিছিলকে।
ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে ভারতে প্রায় ১৩,০০০ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন, যা মোট আত্মহত্যার প্রায় ৭.৬%। ২০২১ সালে এই হার ছিল ৮% এবং ২০২০ সালে ৮.২%। ২০১২-২০২১ পর্যন্ত ৯৭,৫৭১ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন, যা ২০০২-২০১১ দশকের চেয়ে প্রায় ৫৭% বেশি। শতাংশের হিসাবে গত কয়েক বছরে শিক্ষার্থীদের এই প্রবণতা এমনকি কৃষকদের তুলনাতেও বেশি। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানেই গবেষকদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবস্থা শোচনীয়।
২০২১ সালে কেরালার দুটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪০ জন ছাত্রছাত্রীর মধ্যে করা এক সমীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশ করে দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া। সেই সমীক্ষা অনুযায়ী, ২৭ শতাংশের মধ্যেই মানসিক অবসাদের অবস্থা ‘মডারেট টু সিভিয়ার’। অবসাদের এই প্রাবল্য বিজ্ঞান গবেষকদের মধ্যে তুলনামূলকভাবে কম (অন্যান্য শাখার গবেষকদের মধ্যে যেখানে ৮৪%, বিজ্ঞান গবেষকদের মধ্যে ৬২%)।
২০২৪ সালে আইআইটি কানপুরে পরপর তিনটি এরকম আত্মহত্যার উল্লেখ পাওয়া যায়। আইআইটিগুলির গত ২০ বছরের (২০০৫-২০২৪) খতিয়ান যদি দেখা যায় – মাদ্রাজে ২৬ জন, কানপুরে ১৮ জন, খড়গপুরে ১৩ এবং বম্বেতে দশজন গবেষক আত্মহত্যা করেছেন। এর কারণ হিসাবে শুধু পড়াশোনার চাপ নয়, উঠে এসেছে আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক বৈষম্যও। ২০২৩ সালে আইআইটি বম্বের বি টেক প্রথম বর্ষের ছাত্র দর্শন সোলাঙ্কি বর্ণবাদী বৈষম্যের কারণে আত্মহত্যা করেন। প্রতিষ্ঠানের ভিতরে এহেন বৈষম্য লালন করে থাকেন অনেকেই। তার অনিবার্য ফল ছাত্রছাত্রীদের মানসিকভাবে ভেঙে পড়া এবং শেষপর্যন্ত আত্মহত্যা। ২০১৬ সালে হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের রোহিত ভেমুলা যেমন, কিংবা ২০০৭ সালে আইআইএসসিতে দ্বিতীয় বর্ষের স্কলার অজয় শী চন্দ্রের আত্মহত্যা।
তবে গবেষকদের আত্মহত্যার মহামারী কেবল ভারতের চৌহদ্দিতেই সীমাবদ্ধ এমনটা ভাবা ভুল, এ এক বিশ্বজনীন সমস্যা। একটি রিভিউ রিসার্চ অনুযায়ী, পিএইচডি স্কলারদের প্রায় ৯.১ শতাংশের মধ্যে মৃত্যুবরণের ইচ্ছা (death wishes) থাকে, আত্মহত্যার কল্পনা (suicidal ideation) করেন প্রায় ৮.৬%, তাঁদের মধ্যে আবার আত্মহত্যার পরিকল্পনা (suicidal planning) করে থাকেন ৩.২%। আত্মহত্যাস্বরূপ আচরণের দ্বারা নিজের ক্ষতি (non-suicidal self-injury) করার মত ঘটনা ঘটে ১.৯% গবেষকের ক্ষেত্রে, আত্মহত্যার চেষ্টা করেন অন্তত ০.৮%। (সূত্র: 10.1016/j.jpsychires.2024.12.013)।
পরিস্থিতি কতটা সঙ্গীন তা পাঠক আশা করি বুঝতে পেরেছেন। কিন্তু এর কারণ কী? ঠিক কী কী কারণে মানসিক অবসাদ গ্রাস করে গবেষণা-মগ্ন মানুষকে? কেন এতখানি জীবনবিমুখতা? এই প্রশ্নের উত্তর দীর্ঘ। প্রাথমিক কারণ হিসাবে উঠে আসে পড়াশোনা ও গবেষণার অমানুষিক চাপ, গাইডের অসহযোগিতা এবং অনেক ক্ষেত্রেই জনবিচ্ছিন্নতা। গবেষণার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আনাতে হাজারো লাল ফিতের ফাঁস আছে, সঙ্গে আছে অপ্রতুল ও অনিয়মিত স্টাইপেন্ড। তার উপর আছে গাইডের উদাসীনতা, ‘পেপার পাবলিশ’ করার চাপ। গবেষণার উদ্দেশ্য এবং ভবিষ্যৎ কেরিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তাও আছে। এর সঙ্গে আছে সোনার পাথরবাটির মত ‘ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালান্স’। এতকিছু পেরিয়ে গবেষকদের মধ্যে অবসাদ বাড়তে থাকে, তৈরি হয় দ্বিধা আর উদ্বেগ। এরপরেও টিকে থাকলে গোদের উপর বিষফোঁড়ার মত চলে আসতে পারে গাইডের কারোর প্রতি বিশেষ পক্ষপাতিত্ব এবং ইগো। নিজের কাজের কৃতিত্ব না পাওয়ার ঐতিহাসিক পৌনঃপুনিকতাও আছে।
ঐতিহাসিক বলার কারণ, এক নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীর সম্মানপ্রাপ্তির সঙ্গে জড়িয়ে আছে তাঁরই এক পিএইচডি ছাত্রীর অস্বীকৃত অবদান। বলছি জার্মান বিজ্ঞানী হান্স স্পেমানের কথা। তাঁর ছাত্রী হিল্ডে প্রেশোল্টের (পরে ম্যানগোল্ড) এমব্রায়োনিক স্টেম সেল বিষয়ক কাজ তিনি অনায়াসেই নিজের নামে প্রকাশ করেছিলেন, বিন্দুমাত্র কৃতজ্ঞতা স্বীকার ছাড়াই। সেই কাজের স্বীকৃতি হিসাবে ১৯৩৫ সালে ফিজিওলজিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন হান্স। আর হিল্ডে? ১৯২৪ সালেই ফুরিয়ে গিয়েছে তাঁর জীবন। কারণ হিসাবে দুর্ঘটনাই উঠে আসে। তবে অনেকে বলেন তিনি আত্মহত্যাও করে থাকতে পারেন। পাঠ্যবইয়ে আজকাল আমরা যে স্পেম্যান-ম্যানগোল্ড অর্গানাইজেশনের কথা পড়ি, সেই হিল্ডে ম্যানগোল্ডের স্বীকৃতি পাওয়া এতটাই কঠিন ছিল।
সহপাঠীদের অসহযোগিতা, লিঙ্গবৈষম্য এবং তথাকথিত ক্ষমতার বিন্যাসে উপরতলায় থাকা মানুষগুলির অপরের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ – সবই বিভিন্নভাবে আছে গবেষণার জগতে। সঙ্গে আছে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সামাজিক উদাসীনতা, সহমর্মিতার অভাব। গত কয়েক বছরে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ঠিকই। কিন্তু তা কি এই মহামারীর মত ছড়িয়ে পড়া মানসিক অসুস্থতার নিরিখে যথেষ্ট? ২০১৭ সালে পাশ হওয়া মেন্টাল হেলথকেয়ার অ্যাক্ট, কলেজে কলেজে অ্যান্টি-র্যাগিং সেল – এর কোনোটাই কি ভবিষ্যতের কাণ্ডারীদের যথেষ্ট আশ্বাস দিতে পেরেছে? নাকি আমরা প্রতিযোগিতার ফলাফলের তুল্যমূল্য বিচার, অপ্রয়োজনীয় ইঁদুর দৌড়ের বাইরে আর কিছুই দিতে পারি না গবেষকদের? ২০১৬ সালে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীদের জন্য কাউন্সেলিং পরিষেবা চালু করার কথা বলা হয়েছিল। সেই পরিষেবাও কি খুব সহজলভ্য? সম্প্রতি খড়্গপুর আইআইটিতে চালু করা হয়েছে ‘ক্যাম্পাস মাদার’-এর মত অবৈজ্ঞানিক প্রকল্প। আমরা কি পেশাদার কাউন্সেলর নিয়োগের মাধ্যমে একটা সুস্থ পরিকাঠামো আশা করতে পারি না, এই পরিমাণ মৃত্যুমিছিল পেরিয়েও?
অনেকে জীবনবিমুখতার বিরুদ্ধতা করতে গিয়ে অনায়াসে যে গবেষক আত্মহত্যা করেছেন তাঁকেই দোষ দিতে থাকেন। প্রশ্ন করা হয় ‘সবাই পারল, ও পারল না কেন?’ আমরা বোধহয় ভুলে গিয়েছি যে প্রশ্ন করতে হয় ব্যবস্থাকে। একজন গবেষককে কেন বৈষম্য সইতে হবে? কেন একজন সিনিয়র চাইলেই রূঢ়ভাবে কথা বলে যাবেন দিনের পর দিন? একজন অধ্যাপক কেন সমদর্শী হয়ে উঠবেন না? এই প্রশ্নগুলিই তো তোলা উচিত। যে গবেষক ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা করে করে মৃত্যুর পথ বেছে নিলেন, তাঁর মৃত্যুর দায় তো সরকারেরও। গবেষণা-পরবর্তী সময়ের জন্য এমন কোনো ক্যাম্পাসিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায় না, যা স্কলারের আর্থিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করবে? তা তো হচ্ছেই না, উলটে চারপাশে মানসিকভাবে শক্ত থাকার নাম করে সবাইকে অনায়াসে ঠেলে হচ্ছে অসুস্থ প্রতিযোগিতার কুনাট্যে। সেখানে ব্যবস্থাকে প্রশ্ন করার কোনো ব্যাপার নেই। এই যে গবেষণার জগতেই প্রশ্ন করার সংস্কৃতির উলটো পথে হাঁটা – এ বড় আশ্চর্য ট্র্যাজেডি।
আরো পড়ুন কেন লাশকাটা ঘর বেছে নেয় পিএইচডি স্কলার?
যে অধ্যাপক বা ল্যাবের সঙ্গী অনায়াসে নারীবিদ্বেষী কথাবার্তা বলেন, তাঁদের বিরোধিতা করার মানুষ কই? বিচ্ছিন্ন প্রতিবাদ হয় ঠিকই, তারপর থিতিয়ে যায় কালের নিয়মে। মানসিক অসুস্থতা পেরিয়ে যে ছাত্র বা ছাত্রী টিকে আছে দিনের পর দিন, তার সমস্ত শ্রম নস্যাৎ করে দেওয়া খুবই সহজ। তার অভিযোগকে মনে করা হয় প্রলাপ। যে মানুষের আর্থসামাজিক প্রতিপত্তি বেশি, তাঁর নির্দেশেই বদলে যায় ভাষ্য। যে সিনিয়র গুরুবাক্য শিরোধার্য করে নিয়েছেন, তাঁর জীবন মসৃণ। তাঁরাই ভাবীকালের প্রফেসর, বিদ্যায়তনিক বিষময়তার ধারক ও বাহক। তাঁরা মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে উদাসীন। আমাদের বিদ্যায়তনিক পরিসরে অন্তর্ভুক্তির সংস্কৃতি বলে কিছু নেই। লিঙ্গ পরিচয়ের বিভিন্নতা নিয়ে ধারণা নেই, তাই কুইয়ার মানুষজনকে নিয়ে চিরকালীন ঠাট্টাই চা পানের বিরতির বিনোদন। নিউরো ডেভলপমেন্ট নিয়ে গাল ভারি গবেষণা আছে, সেমেস্টারের প্রশ্ন আছে। কিন্তু ব্যক্তিজীবনে ভিন্নতার দৈনন্দিন অনুশীলন নেই। এই ব্যবস্থায় মুখস্থ বিদ্যাসর্বস্ব সাফল্যের সরলরৈখিক ধারণা ছাড়া সবই বেমানান। ভুলে যাওয়া হয় ক্যারোল গ্রেইডারকে। ছোটবেলায় দীর্ঘকাল ডিসলেক্সিয়ায় ভুগেছেন তিনি। ২০০৯ সালে টেলোমেরেজ নামক জৈব উৎসেচক নিয়ে কাজ করে নোবেল পুরস্কার পান।
আমরা পাই বাঁকা চাউনি, দূরত্ব, বন্ধুহীনতা আর গাইডের উদাসীনতা, ‘ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং’-এর দীর্ঘ কোলাহল। মৃত্যুর পরে পড়ে থাকে ‘ও তো আনস্টেবল ছিল’ জাতীয় অসংবেদনশীলতা।
আইজার কলকাতার অনমিত্র রায়ের মৃত্যুর পরও চিরপরিচিত হিমশীতল নীরবতা বিরাজমান। তাঁর আগে এই একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০২২ সালে একই পথ বেছে নিয়েছেন শুভদীপ রায়, ২০১৭ সালে সাগর মণ্ডল। কান পাতলে আরও বহু গবেষকের ‘টিকে থাকার কাহিনি’ শোনা যায়।
আমাকে এই লেখা লিখতেই হত আমার বন্ধু অনমিত্রর সুইসাইড নোট পড়ার পরে। সে লিখেছ ‘I was never made for this world, it seems. Yes, I did find some good people, some friends, some bits of love here and there. But I can’t do this anymore. I give up. May I find the peace in death that I never found in life.’
‘আমি এই পৃথিবীর উপযুক্ত নই’। একজন মানুষের একথা মনে হলে দোষী আমরা, যারা বিভিন্নতাকে লালন করতে অপারগ। আমরা দারিদ্র্য নিয়ে কাব্য করি, ভেঙে পড়া মানুষের জীবনকে গৌরবান্বিত করি। কিন্তু কেন একটা সুস্থায়ী পরিকাঠামো নেই, সে প্রশ্ন করি না। যে থিসিসের উপর ভর করে গবেষক হওয়ার স্বপ্ন দেখি আমরা, এই আকালেও সৎ গবেষণার কথা ভাবি, সেই থিসিসের তলায় আমাদের জীবনীশক্তি চাপা পড়ে যায়। আমাদের ভাগ্যে তাই মৃত্যু-পরবর্তী দেড় মিনিটের শোকপালনই পড়ে থাকে।
এমন কত হাজার দেড় মিনিটের নীরবতা জমে পাথর হলে কর্তৃপক্ষ চোখ মেলবেন? তখন সেই জড়চৈতন্য পেরিয়ে আলো কি খুঁজে পাবে আমাদের বন্ধুরা?
নিবন্ধকার ইনফেকশন বায়োলজি অ্যান্ড ইমিউনোলজির গবেষক, কিছুদিনের জন্য আইজার কলকাতায় গবেষণা করেছেন। মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।









নমস্কার। খুব বাস্তবিক লেখা লিখেছেন। এই দেশের গবেষণা সংস্থাগুলোর মধ্যে যে করুণ চিত্রটি রঙীন বিজ্ঞাপনে বা প্রতিষ্ঠানের আত্মপ্রসংশা বা অহংকারে ধামাচাপা পড়ে যায় তাই ঝুঁকি নিয়ে তুলে ধরার জন্য আপনাকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই। ভালো থাকবেন।