আর জি করের নৃশংস খুন-ধর্ষণের প্রেক্ষিতে তিলোত্তমার বিচারের দাবি উঠেছে এবং সেই সূত্রে কেঁচো খুঁড়তে কেউটে তো বটেই, বিষধর গোখরো থেকে শুরু করে অনেক কিছুই জনসমক্ষে বেরিয়ে আসছে। তবু মনে হয়, পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য পরিষেবার রন্ধ্রে রন্ধ্রে যে সীমাহীন দুর্নীতি, স্বজনপোষণ ও অরাজকতা বিরাজমান, আমরা সেই সাগরের কয়েক ফোঁটা জল দেখছি মাত্র। এককালে নিজে পশ্চিমবঙ্গে ডাক্তারির ছাত্র ছিলাম। সেই সুবাদে কিছু অভিজ্ঞতা এই প্রসঙ্গে মনে পড়ে মাঝেমাঝেই। কিন্তু এই লেখায়, অন্তত এই ভাগে, নিজের অভিজ্ঞতাকে যতটা সম্ভব দূরে সরিয়ে রেখে নিছক তথ্যের উপর ভর দিয়ে কথা বলব। বড়জোর কিছু প্রসঙ্গে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করব জনস্বাস্থ্যের আলোচনা করতে গিয়ে।
আসলে স্বাস্থ্যব্যবস্থা বা জনস্বাস্থ্যের তো কোনো অমোঘ মাপকাঠি নেই, যা প্রশ্নাতীতভাবে জানান দেবে যে কোনো দেশ বা রাজ্যের অবস্থা অন্যান্য দেশ বা রাজ্যের তুলনায় কীরকম এবং/অথবা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার কীরকম পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। কাজেই জনগণের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নানা সূচক ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এছাড়াও বলে রাখা ভাল যে পানীয় জল, শৌচালয়, খাদ্য, বাসস্থান, পরিবহন ব্যবস্থা, শিক্ষার হার, গড় আয় ইত্যাদি নানা আপাতভাবে বিচ্ছিন্ন বিষয়কে স্বাস্থ্যের সামাজিক নির্ণায়ক (সোশাল ডিটারমিন্যান্টস অফ হেলথ) হিসাবে গণ্য করা হয়। মানুষের এই মৌলিক প্রয়োজনগুলো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আমাদের সুস্থ থাকার বা না থাকার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। এখানে আমরা স্বাস্থ্য, স্বাস্থ্যকর (বা অস্বাস্থ্যকর) আচার ব্যবহার (health behaviour) ও জনস্বাস্থ্যের নির্ণায়ক সংক্রান্ত কিছু পরিসংখ্যানের দিকে নজর দেব।
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
রাষ্ট্রীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষা বা ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভে ২০১৯-২১ অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে ৮৯% বাড়িতে শৌচালয় ছিল (শহরে ৯৭%, গ্রামাঞ্চলে ৮৫%)। গোটা ভারতে এই পরিসংখ্যান ছিল ৮৩% (শহরে ৯৬%, গ্রামে ৭৬%)। উন্নতমানের শৌচালয় (পরিবারের নিজস্ব ব্যবহারের; ফ্লাশ বা জল ঢালা টয়লেট, যা যুক্ত উপযুক্ত বর্জ্য নিকাশি ব্যবস্থা অথবা সেপটিক ট্যাংক কিম্বা পিট ল্যাট্রিনের সঙ্গে যুক্ত থাকার মত কিছু বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন) অবশ্য ভারতে ৬৯% আর পশ্চিমবঙ্গে ৬৭%। উপরন্তু পশ্চিমবঙ্গের ৯৮% বাসস্থানে পানীয় জলের সুব্যবস্থা আছে। ২০১৯-২১ সালে পশ্চিমবঙ্গে জন্ম নিবন্ধীকরণের হার ছিল ৯৮%, যা দেশব্যাপী গড়ের (৮৮%) চাইতে অনেকটাই বেশি।
১৫-৪৯ বয়সী মহিলাদের সমীক্ষায় জানা যায়, গর্ভনিরোধক ব্যবহারের তালিকায় পশ্চিমবঙ্গ দেশের মধ্যে উপরের দিকে। এই রাজ্যে গড়ে চারজনের জনের মধ্যে তিনজন (প্রায় ৭৫%) মহিলা জানান যে তাঁরা স্বামী/স্ত্রী কোনো না কোনো জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকেন। এতৎসত্ত্বেও খটকা লাগে, যখন দেখি যে বাংলার শহরাঞ্চলের পুরুষদের মধ্যে কন্ডোমের ব্যবহার (১০%) জাতীয় গড়ের থেকে কম (১৪%)। বস্তুত বেশকিছু রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের পুরুষদের থেকে এগিয়ে। যেমন উত্তরাখণ্ড ৩৫%, হিমাচল প্রদেশ ৩২% এবং চণ্ডীগড় ৩১%। দেখা যাচ্ছে যে বঙ্গে জন্মনিয়ন্ত্রণের দায় প্রধানত মহিলাদের। তাঁদের ২০% গর্ভনিরোধক বড়ি ব্যবহার করেন, যা গোটা দেশে মাত্র ৪%। এমনকি পশ্চিমবঙ্গের গ্রামাঞ্চলেও ছবিটা একই ধরনের। পুরুষদের কন্ডোম ব্যবহার সেখানে দেশব্যাপী গড়ের তুলনায় কম, অন্যদিকে গর্ভনিরোধক বড়ির ব্যবহার অনেকটাই বেশি। একে কি পশ্চিমবঙ্গে নারীর ক্ষমতায়নের নিদর্শন বলব, নাকি পুরুষের দায়িত্বহীনতা, নাকি দুটোই? যাক সেকথা। আরেকটা উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান হল, পশ্চিমবঙ্গে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করেন যে মহিলারা, তাঁদের অর্ধেকের সামান্য বেশি সংখ্যককে স্বাস্থ্যকর্মী দ্বারা অবগত করা হয় ওই পদ্ধতির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা সমস্যা সম্পর্কে। সেক্ষেত্রে কী করণীয় তা জানানো হয় মাত্র ৪৬% মহিলাকে। আহামরি না হলেও, ভারতের গড় এই দুই ক্ষেত্রেই পশ্চিমবঙ্গের তুলনায় ভাল। বিয়ের ন্যূনতম বয়স (১৮) হওয়ার আগেই পশ্চিমবঙ্গে ৪২% মেয়ের বিয়ে হয়ে যায়। এই হার ২০১৯-২১ সালে ভারতের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেই সবচেয়ে বেশি ছিল। একুশ বছর বয়স হওয়ার আগে ছেলেদের বিয়ের তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার না করলেও, বাংলা উপরের দিকেই আছে। পূর্ববর্তী ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভেগুলোতেও বাংলায় অনূর্ধ্ব-১৮ মেয়েদের বিবাহের হার বেশির দিকেই ছিল।
নাবালিকাদের গর্ভবতী হওয়ার নিরিখেও বাংলা ভারতের তুলনায় ‘এগিয়ে’। যেখানে গোটা ভারতে ৭% ১৫-১৯ বছর বয়সী মেয়ে সন্তানসম্ভবা হয়েছে, সেখানে পশ্চিমবঙ্গে এই পরিসংখ্যান ছিল ১৬%। একমাত্র ত্রিপুরায় এই হার (২২%) আরও বেশি ছিল ২০১৯-২১ সালে। ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভের আগের দুটো সংস্করণেও (২০১৫-১৬ এবং ২০০৫-০৬) গর্ভবতী নাবালিকাদের তালিকায় দেশের মধ্যে উপরের দিকে ছিল। পশ্চিমবঙ্গে নাবালিকাদের বিয়ে এবং গর্ভবতী হওয়ার উদ্বেগজনক অবস্থা নিয়ে নানা আলোচনা সংবাদমাধ্যমে অনেকেই হয়ত দেখেছেন (উদাহরণ ১, উদাহরণ ২)।

এই প্রসঙ্গে নারী, পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গির আরও একটা চোখে পড়ার মত পার্থক্য এইরকম – ১৫-৪৯ বয়সী যারা সমীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, তাদের জিজ্ঞাসা করা হয় তাদের সন্তানের লিঙ্গের ব্যাপারে পক্ষপাত আছে কিনা, অর্থাৎ তারা কি ছেলের চেয়ে মেয়ে বেশি চায়, নাকি মেয়ের চেয়ে ছেলে বেশি চায়, নাকি কোনো পক্ষপাত নেই। ভারতে গড়ে ১৫% মহিলা এবং ১৬% পুরুষ জানান যে তাঁরা পুত্রসন্তান কামনা করেন। পশ্চিমবঙ্গে ১০% মহিলা ও ১৯% পুরুষ জানান যে তাঁরা পুত্রসন্তান কামনা করেন। এই শেষের পরিসংখ্যান, বিশেষত ভারতের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গের পুরুষদের এই লিঙ্গ পক্ষপাত, বা বলা ভাল নারী, পুরুষের মধ্যে পুত্রসন্তানের আকাঙ্ক্ষার যে ফারাক (ভারতে প্রায় সমান সমান; এদিকে পশ্চিমবঙ্গে মহিলাদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ পুরুষ পুত্রসন্তানের জন্যে চাতক হয়ে আছেন) – এটা হজম করতে আমার বেশ সময় লাগল। এদিক ওদিক ঘেঁটে দেখলাম যে কোনো ভুলত্রুটি আছে কিনা, ভুল হলে যেন আমার মুখরক্ষা হবে। কিন্তু হায়! ২০১৫-১৬ সালের সমীক্ষার ফলাফলও একই ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই শতাংশগুলো উপরের লেখচিত্রে দেখলাম।
খেয়াল করে দেখুন, ওখানে ২০০৫-০৬ সালের ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভের ফলাফল কিন্তু জানাচ্ছে যে তখন এই রাজ্যে মহিলা এবং পুরুষ উভয়ের মধ্যে পুত্রসন্তানের আকাঙ্ক্ষা মোটামুটি সমান ছিল। আরও আগের পরিসংখ্যান পাওয়া গেলে ভাল হত। কিন্তু সেই সমীক্ষাগুলোতে পুত্রসন্তানের আকাঙ্ক্ষার কথা জিজ্ঞাসা করা হলেও, মহিলা ও পুরুষদের তুলনামূলক ফলাফল রিপোর্টে নেই। তবু প্রশ্ন জাগে। ২০০৫-০৬ সালের তুলনায় ২০১৫-১৬ এবং ২০১৯-২১ সালে নারী ও পুরুষের মধ্যে পুত্রসন্তান কামনার ক্ষেত্রে যে বৈষম্য দেখা যাচ্ছে, তা কি নিছক ঘটনা মাত্র? না কোনো আর্থসামাজিক কারণ থাকতে পারে? নাকি দৃষ্টিভঙ্গির কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন মহিলাদের মধ্যে হলেও পুরুষরা দু পা এগোচ্ছেন তো তিন পা পিচ্ছোছেন? যে নৃশংস ঘটনার উল্লেখ করলাম এই লেখার শুরুতে, তা যদি গভীর সামাজিক রাজনৈতিক আদর্শগত অবক্ষয়ের উপসর্গ হয়, সেই অসুখের অশনি সংকেত কি এই ধরনের ‘মামুলি’ পরিসংখ্যান থেকেই পাওয়া যায়?

যা-ই হোক, প্রসঙ্গে ফিরে আসি। শিশু মৃত্যু বা পাঁচ বছরের কমবয়সীদের মৃত্যুর হার পশ্চিমবঙ্গে (১,০০০ জীবিত অবস্থায় জন্মানো শিশু প্রতি ২৫টি শিশু মৃত্যু) অনেকটাই কম ভারতের তুলনায় (৪২/১০০০)। স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে জন্মের হার, সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে জন্মের হার এবং দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী দ্বারা প্রসবের হার পশ্চিমবঙ্গে দেশের গড়ের তুলনায় বেশি ছিল ২০১৯-২১ সালে। তাছাড়া ১২-২৩ মাস বয়সী শিশুদের প্রাথমিক টিকাকরণের হার পশ্চিমবঙ্গে ৮৮%, অর্থাৎ তালিকার উপরের দিকে স্থান (জাতীয় গড় ৭৭%)। জন্মের সময়ে ওজনের হার বাংলা এবং ভারতে প্রায় সমান। নারী (৬০% বা তারও বেশি) ও পুরুষ (৩৯%) উভয়ের রক্তাল্পতাই অন্যান্য অনেক রাজ্যের/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের তুলনায় এ রাজ্যে বেশি। আবার ছমাস থেকে পাঁচ বছর বয়সের শিশুদের মধ্যে রক্তাল্পতা পশ্চিমবঙ্গে (৬৯%) উদ্বেগজনক । প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই সমীক্ষায় শিশুদের রক্তাল্পতায় শীর্ষস্থানীয় রাজ্য ছিল গুজরাট (৮০%)। অনেক রাজ্যের তুলনায় শিশুকে স্তন্যপান করানোর হার পশ্চিমবঙ্গে বেশ ভাল। স্বাস্থ্যবিমা করানোর হার পশ্চিমবঙ্গে মাত্র ৩৪%, ভারতে ৪১%।
আরো পড়ুন ডিপ্লোমা ডাক্তার হেসে উড়িয়ে দেওয়ার মত প্রস্তাব নয়
কোনো সমাজে নারীর অধিকার সম্পর্কে সেখানকার পুরুষদের অভিমত তাদের সুস্থ ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের সহায়ক বা প্রতিবন্ধক দুটোই হতে পারে। উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান হল, বাংলায় ১৫-৪৯ বয়সের ৫৮% পুরুষ বিশ্বাস করেন যে স্ত্রীর অধিকার আছে স্বামীর সঙ্গে যৌনমিলন অস্বীকার করার, যদি এই তিনটি কারণের কোনোটি থাকে – স্ত্রী যদি অবগত থাকেন যে স্বামীর কোন যৌনতা দ্বারা বাহিত রোগ (sexually transmitted disease) ধরা পড়েছে; স্ত্রী জানেন যে স্বামীর অন্য যৌনসঙ্গী আছে; স্ত্রী ক্লান্ত বা অনিচ্ছুক। জাতীয় হার কিন্তু ৬৬%। তদুপরি ‘উপযুক্ত কারণ’ থাকলে স্ত্রীকে প্রহার করার অধিকারবোধ দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের স্বামীদের মধ্যে দেশের (৪৪%) তুলনায় বেশি মাত্রায় রয়েছে (৪৮%)। এই উপযুক্ত কারণের তালিকায় স্বামীর অনুমতি ছাড়া বাইরে বেরনো থেকে শুরু করে শ্বশুরবাড়ির লোকেদের অসম্মান করা, ঠিকঠাক রান্না না করা ইত্যাদি ধরা রয়েছে। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের পুরুষরা দেশের গড়ের তুলনায় বেশিমাত্রায় একমত যে যৌনমিলনে অস্বীকার করার অপরাধে স্ত্রীর উপর রাগারাগি করা চলে, আর্থিক সাহায্য না দেওয়া চলে, এমনকি বলপূর্বক সঙ্গমও করা যেতে পারে। সুতরাং বলাই বাহুল্য, এই রাজ্যে ১৮-৪৯ বছর বয়সী বিবাহিত মহিলাদের উপর তাদের স্বামীর নির্যাতনের (শারীরিক, মানসিক, বা যৌন) হার (৩০%) জাতীয় গড়ের থেকে সামান্য কম হলেও, অনেক রাজ্যের চাইতেই বেশি।
আমরা বাঙালিরা, বিশেষত বাঙালি পুরুষরা, অনেকেই নিজেদের হিন্দিভাষী বা অন্যান্য ভাষাভাষী ভারতীয়দের তুলনায় উদার মানসিকতা, উচ্চ বিচার এবং পরিশীলিত রুচির মানুষ বলে ভাবতে ভালবাসি। উপরের নানান খতিয়ান সেই ধারণার মূলে কুঠারাঘাত করল কি? নাকি কিছু শুকনো পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে তিলকে তাল করছি? বলা মুশকিল। হয়ত সেসবের থেকেও জরুরি প্রশ্ন – এই রাজ্যে জনস্বাস্থ্য পরিষেবার পরিকাঠামোর কী অবস্থা এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জল কোনদিকে গড়িয়েছে। লেখার পরের ভাগে সেদিকটা ঘেঁটে দেখার চেষ্টা করব।
শেষাংশ আগামীকাল
মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।








