আদা, লঙ্কা, টমেটোর দাম যতই আকাশছোঁয়া হোক, ভারত সরকারের হিসাব কিন্তু বলছে দেশে মূল্যবৃদ্ধি সমস্যা একটু কমেছে। যদি এমনও হয় যে সরকার ঠিকই বলছে, তাহলেও সরকার যা বলছে তার সাথে মানুষের অভিজ্ঞতা না মিলতে পারে। অর্থনীতিবিদরা যাকে মূল্যস্ফীতি বলেন তা হল একটা নির্দিষ্ট সময় ধরে সাধারণভাবে দেশের অর্থব্যবস্থায় যে সমস্ত জিনিসের কেনাবেচা হয়, সামগ্রিকভাবে সেসবের মূল্য স্তরে কীরকম বৃদ্ধি বা পরিবর্তন হচ্ছে তার মাপ। সরকার দুরকমের মূল্যস্ফীতির পরিমাপ করে। এক হচ্ছে জিনিসপত্রের পাইকারি মূল্যের সূচক, অন্যটা খুচরো মূল্যের সূচক।
বলাই বাহুল্য, সাধারণ মানুষ অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যা উপলব্ধি করে তার সঙ্গে খুচরো মূল্যের সূচকের সাদৃশ্য থাকারই কথা। কারণ পাইকারি মূল্য সূচক যে মূল্যের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয় সেটা জিনিসপত্র খুচরো বাজারে আসার আগের মূল্য। খুচরো বাজারে মূল্য কিছুটা বেশি হওয়াই স্বাভাবিক। তবে মূল্যস্ফীতির ব্যাপারটা পাইকারি বাজারে কম হবে আর খুচরো বাজারে বেশি হবে এমন নয়। বরং দুয়ের মধ্যে একটা সাযুজ্য থাকার কথা। কারণ মূল্যস্ফীতির পরিমাপ হয় মূল্যের স্তর দিয়ে নয়, মূল্য স্তরে পরিবর্তনের হার দিয়ে। তাই কোনো জিনিসের দর পাইকারি বাজারে বাড়লে খুচরো বাজারেও বাড়ার কথা। একইভাবে পাইকারি বাজারে কমলে খুচরো বাজারেও কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে সবসময় যে এমনটাই হবে তা কিন্তু নয়।
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
গত মাসে (মে ২০২৩) খুচরো মূল্যের হিসাবে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪.২৫ শতাংশে; যেখানে গত বছরের মে মাসে এটা ছিল ৭.০৪%। সারা বছরের হিসাবে গত বছর (২০২২) এটা ছিল ৬.৭%। এমনকি এবছরের প্রথম পাঁচ মাসে এটা ছিল ৫.৫১%, অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় অনেকটাই কম। আগের চার মাসে (জানুয়ারি থেকে এপ্রিল ২০২৩) এর হার ছিল যথাক্রমে ৬.৫২%, ৬.৪৪%, ৫.৬৬% এবং ৪.৭০%। অর্থাৎ খুচরো মূল্যস্ফীতির হার ক্রমাগত কমছে। ২০২২ অক্টোবরের আগে প্রায় দেড় বছর ধরে পাইকারি মূল্যের সূচক ছিল দুই অঙ্কের উপরে এবং ওই বছরের মে মাসে এটা সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে হয়েছিল ১৫.৮৮%।
খুচরো মূল্যের হিসাবে গত বছর সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি হয়েছিল এপ্রিল মাসে – ৭.৭৯%। তাই গত বছর খুচরো মূল্যের হিসাবে মূল্যস্ফীতির হার পাইকারি মূল্যের তুলনায় অনেকটাই কম ছিল। এর প্রধান কারণ হল পাইকারি মূল্যের সূচকে পরিষেবা ক্ষেত্রকে ধরা হয় না, কিন্তু খুচরো মূল্য সূচকে এই ক্ষেত্রের অংশ বেশ গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু পাইকারি মূল্য সূচকের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির মূল কারণ ছিল আন্তর্জাতিক বাজারে পেট্রোলিয়াম তেল সমেত অন্যান্য জিনিসের মূল্যের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, সেহেতু সেটা ভারতীয় বাজারে জিনিসপত্রের মূল্যকে যতটা প্রভাবিত করেছিল পরিষেবা ক্ষেত্রকে সেভাবে প্রভাবিত করেনি।
তবে প্রশ্ন উঠতে পারে, পাইকারি মূল্যের সূচককে না হয় অগ্রাহ্য করা গেল, কিন্তু খুচরো মূল্যের সূচক অনুযায়ী সরকারের মূল্যস্ফীতির হিসাব মানুষের অভিজ্ঞতার সাথে মেলে না কেন? সবচেয়ে আগে প্রশ্ন উঠবে, মানুষ বলতে কোন মানুষদের কথা বলা হচ্ছে? মুষ্টিমেয় ধনী সম্প্রদায়ের কাছে এসব হিসাবের বিশেষ কোন মূল্য নেই, কারণ এইসব হিসাবে তাদের কিছু এসে যায় না। তারা বেশিরভাগই নিয়মিত থলি হাতে বাজারে যায় না, তাই নিজস্ব অভিজ্ঞতাও প্রায় নেই। তবে যাদের কিছুটা অভিজ্ঞতা আছে, তারা যেসব জিনিস নিয়মিত বা দৈনন্দিন ভিত্তিতে কেনে সেসবের মূল্যবৃদ্ধিই তাদের আঘাত করে। গরীব বা নিম্নবিত্ত শ্রেণির লোকেরা তাদের আয়ের প্রায় ৮০% খরচ করে খাদ্যসামগ্রী কিনতে। তাই তার মূল্যবৃদ্ধি তাদের আঘাত করে এবং তাদের অভিজ্ঞতার সিংহভাগ জুড়ে থাকে। যারা ছেলেমেয়েদের সরকারি স্কুলে পাঠায় বা অসুস্থ হলেও সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করায় এবং বিলাসভ্রমণ করার মত সময় বা অর্থ কোনোটাই নেই, তাদের কাছে শিক্ষা বা স্বাস্থ্যের মত পরিষেবার ক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধি না হওয়া কোনো সুখবর নয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে খুচরো মূল্যের মূল্যস্ফীতি সামগ্রিকভাবে ৫.৬৬% হলেও দেশের একটা বড় অংশের মানুষের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ছিল অনেক বেশি তিক্ত। কারণ চাল, আটা এই ধরনের জিনিসের মূল্যবৃদ্ধি হয়েছিল ১৫.২৭%।
এখন প্রশ্ন হল, মূল্যস্ফীতি কেন হয়? অর্থশাস্ত্র বলে জোগানের তুলনায় চাহিদা বেশি বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে। একে বলা হয় চাহিদা-টানা মূল্যস্ফীতি। আবার উৎপাদন খরচ বাড়লেও মূল্যস্ফীতি হতে পারে। এই ধরণের মূল্যস্ফীতিকে বলা হয় খরচ-ধাক্কা মূল্যস্ফীতি। তবে দুয়ের মধ্যে একটা যোগও আছে। মূল্যস্ফীতি হলে শ্রমিক-কর্মচারীরা মজুরি বা বেতন বাড়ানোর দাবি করবেন, ফলে একদিকে যেমন উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় খরচ-ধাক্কা মূল্যস্ফীতি হবে, তেমনি বেতন বাড়ার ফলে কিছুটা হলেও চাহিদা-টানা মূল্যস্ফীতি ঘটবে। যদিও আমাদের দেশের একটা বড় অংশের মানুষের মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সঙ্গে বেতন বৃদ্ধি ঘটে না, তবুও সরকার মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা করলে বা নতুন বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নতুন বেতনক্রম চালু করলে কিছুটা মূল্যস্ফীতি লক্ষ্য করা যায়। এছাড়া কাঠামোগত মূল্যস্ফীতির কথাও একদল অর্থনীতিবিদ বলেছেন।
মূলধারার অর্থশাস্ত্র অনুযায়ী, মূল্যস্ফীতি মূলত জোগানের তুলনায় চাহিদা বেশি হওয়ার ফলে ঘটে, যাকে হেঁয়ালি করে বলা হয়েছে অনেক টাকা অল্প পরিমাণ জিনিসের পিছনে ছুটলে মূল্যস্ফীতি ঘটে। এছাড়া মূল্যস্ফীতির অন্য কোনো কারণ নেই। তবে মূলধারার অর্থশাস্ত্রের ভিত্তিই হল সংশ্লিষ্ট সব ব্যক্তির কাছে সম্পূর্ণ তথ্য থাকা এবং বাজারে অনেক ক্রেতা ও বিক্রেতা থাকা, মুষ্টিমেয় কিছু ব্যক্তির বাজারকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা না থাকা। কিন্তু বাস্তবে তা কখনোই হয় না। অর্থব্যবস্থায় বাজার পূর্ণ দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে না নানা কাঠামোগত কারণে। এর ফলে কাঠামোগত মূল্যস্ফীতির সৃষ্টি হয়। সোজা বাংলায় কিন্তু সাধারণ মানুষ এটাকেই মূল্যস্ফীতির অন্যতম কারণ বলে মনে করে। কারণ অনেকেই মনে করে কিছু মজুতদার বা মধ্যস্বত্বভোগী কৃত্রিম উপায়ে ঘাটতি সৃষ্টি করে দাম বাড়িয়ে দেয়।
মূলধারার অর্থনীতিবিদদের মতে, কৃত্রিমভাবে ঘাটতি সৃষ্টি করে দীর্ঘকালীন ভিত্তিতে জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে রাখা সম্ভব নয়। হয়ত সেটা কিছুটা ঠিক। তবে স্বল্পকালীন ভিত্তিতে দাম বাড়াতে পারলেও তো বড় অংশের মানুষ চরম অসুবিধায় পড়েন। বিশেষ করে আমাদের মত দেশে, যেখানে বেশিরভাগ মানুষই গরীব বা নিম্নবিত্ত। তাছাড়া দীর্ঘকাল বলতে ঠিক কতটা সময় বোঝায়? জন মেনার্ড কেইন্সের মতে, দীর্ঘকালে আমরা সবাই মৃত। অর্থাৎ এটা বেশ লম্বা সময়। অবশ্যই আমাদের মত দেশে অতিবৃষ্টি সমেত নানারকম প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে একদিকে যেমন ফসলের ক্ষতি হয়, অন্যদিকে তেমনি সাময়িকভাবে বিপণন ব্যবস্থা বাধাপ্রাপ্ত হয়। রাজনৈতিক আন্দোলন বা অস্থিরতাও একইরকম সমস্যার সৃষ্টি করে, যার ফলে কখনো সাময়িক কখনো বা একটু বেশি সময় ধরে মূল্যস্ফীতির ঘটনা ঘটে।
যাই হোক, এখন বিশ্বজুড়ে মূলধারার অর্থশাস্ত্রেরই রমরমা, বিশেষ করে মূল্যস্ফীতি সংক্রান্ত বিষয়ে, যেখানে মনে করা হয় টাকাই সব। অর্থশাস্ত্রে অবশ্য টাকা বলতে শুধু প্রচলিত মুদ্রা নয়। অর্থশাস্ত্রের জটিল তত্ত্ব অনুযায়ী (এখানে সেই তত্ত্ব বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ নেই) টাকা হল প্রচলিত মুদ্রা এবং তার সঙ্গে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক থেকে যে ঋণ দেওয়া হয় তার যোগফল। স্বাভাবিক কারণেই মনে করা হয়, মূল্যস্ফীতি বাড়লে সুদের হার বাড়িয়ে দিতে হবে এবং তার ফলে ঋণের পরিমাণ তথা টাকার পরিমাণ কমে যাবে এবং মূল্যস্ফীতি কমে যাবে। এর সঙ্গে এই দাবিও করা হয় যে অন্য কোনোরকম প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন নেই।
আরো পড়ুন ‘১৯৯১ থেকে জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্রের পথ ত্যাগ করার ফল গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্সে ১০১তম স্থান’
প্রায় সমস্ত দেশেই সুদের হার নিয়ন্ত্রণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক, আমাদের দেশে যার নাম রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। এর একটা সুবিধা হল মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার দায় সহজেই কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া যায়। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক যেহেতু স্বশাসিত সংস্থা, তাই সরকার দায়মুক্ত হয়ে যায়। আমাদের দেশে নীতিগতভাবে এই নীতি গৃহীত হলেও সরকার রাজনৈতিক কারণে মূল্যস্ফীতির দায় পুরোপুরি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে পারে না। তাই কিছুটা হলেও মাঝেসাঝে নানারকম প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
বাস্তবে অবশ্য শুধুমাত্র সুদের হার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে – এমনটা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করা যায়নি। তাতে কিছু এসে যায় না। উন্নত দুনিয়ার মধ্যে সাম্প্রতিককাল বাদ দিলে গত কয়েক দশকে গ্রীস ছাড়া অন্য কোথাও বড় রকমের মূল্যস্ফীতির ঘটনা ঘটেনি। তাই তাদের এই প্রচারিত অস্ত্রের কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখার সুযোগ হয়নি। উন্নয়নশীল দেশের জন্য বাস্তব পরীক্ষায় কী পাওয়া গেল তার চেয়ে তাদের প্রচারিত তত্ত্বের গুরুত্বই বেশি।
লক্ষণীয়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পেট্রোলিয়াম এবং আরও কিছু জিনিসের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে গিয়েছিল। তা শুধু চাহিদা-জোগানের ভারসাম্য বিঘ্নিত হওয়ার কারণেই নয়। সেখানে যে ফাটকা কারবারিদের একটা বড় ভূমিকা ছিল তা এখন স্পষ্ট এবং যেভাবে দাম বেড়েছিল সেইরকম দাম বেশিদিন ধরে রাখা যায়নি। যুদ্ধ থামার কোনো নাম নেই, অথচ দাম পড়ে গেছে। এর থেকে অবশ্য যারা দাবি করে যে কৃত্রিম উপায়ে ঘাটতি বাড়িয়ে অস্বাভাবিক দাম বেশিদিন ধরে রাখা যায় না, তারা নিজেদের তত্ত্ব প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করতে পারে।
তবে একথাও বলা যায় যে এমনকি স্বল্পকালীন মূল্যবৃদ্ধি বেশ কয়েকটা দেশকে প্রায় দেউলিয়া করেছে এমন দেখা গেছে। তাই ফাটকা কারবারিরা যে ভয়ঙ্কর অবস্থা সৃষ্টি করতে পারে তা যেমন আন্তর্জাতিক বাজারের ক্ষেত্রে সত্যি, তেমনি একটা দেশের বাজারের ক্ষেত্রেও সত্যি। আন্তর্জাতিক বাজারে কে সুস্থিতি নিয়ে আসবে তার মীমাংসা হওয়া কঠিন। কিন্তু একটা দেশের বাজারে সুস্থিতি বজায় রাখতে একটা দায়িত্বশীল সরকার উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে না কেন? ঘটনাচক্রে কয়েকদিন আগেই, প্রায় ১৫ বছর পর, কেন্দ্রীয় সরকার গম মজুত করার উপর নিয়ন্ত্রণসহ অন্য কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে যার উদ্দেশ্য হল অবাঞ্ছিত ফাটকা কারবার প্রতিরোধ করা ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা।
মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।









[…] আদা, লঙ্কা, টমেটোর দাম যতই আকাশছোঁয়া হোক, ভারত সরকারের হিসাব কিন্তু বলছে দেশে মূল্যবৃদ্ধি সমস্যা একটু কমেছে। যদি এমনও হয় যে সরকার ঠিকই বলছে, তাহলেও সরকার যা বলছে তার সাথে মানুষের অভিজ্ঞতা না মিলতে পারে।Read more […]
[…] আরো পড়ুন দেশের বাজারে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে … […]