সাগ্নিক মজুমদার
‘মানুষ মরিয়া হয়ে গেলে তাদের সব গর্ব ভেঙে যায়। আগে আমাদের মৎস্যজীবী সংগঠনে ৫,০০০ জন সদস্য ছিলেন। নামতে নামতে সেটি এখন ৩,৭০০ জনে এসে ঠেকেছে। আমাদের কত ভাইরা আর সমুদ্রে যান না। বেশিরভাগ এখন দিন মজুরের কাজ করেন। আর কিছু মৎস্যজীবী, যাঁদের কাছে সাধারণ নৌকা ছিল, তাঁরা এখন সেই ট্রলারগুলিতে কাজ করেন একসময় তাঁরা যে ট্রলারগুলির বিরোধিতা করেছিলেন,’ বলছেন কাঁথির ছোট মৎস্যকর্মী শ্রীকান্ত দাস (৬৯)।
পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি মহকুমার বেশিরভাগ পরিবারই বংশ পরম্পরায় মাছ ধরার কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। কিন্তু এখন বেশিরভাগ বাড়িতেই সেই মৎস্যজীবীরা অলস দিন কাটাচ্ছেন। একদলের হাতে কোনও কাজ নেই। আর অন্য দল ছোট খাটো নির্মাণের কাজে বা চাষআবাদের দিন মজুরিতে খাটছেন। মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা, সমুদ্রে মাছ কমে যাওয়া, জলবায়ুর পরিবর্তন এবং বেড়ে চলা ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে প্রতিদিনের সংঘর্ষে দিন কাটছে এই সম্প্রদায়ের।
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
দাদন পত্রবাহ মৎস্য খটির অধীনে থাকা মা কালী মৎস্যজীবী অ্যাসোশিয়েশনের চেয়ারম্যান শ্রীকান্ত বলছেন, মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার কারণে ছোট মৎস্যজীবীদের স্থায়ী আয়ের উৎস বন্ধ হয়ে গেছে। বহু মৎস্যজীবী জেলা ছেড়েই অন্যত্র চলে যাচ্ছেন কাজের সন্ধানে।
মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা কেন?
মাছের প্রজনন প্রক্রিয়াকে রক্ষা করার জন্য ভারত প্রতি বছর মাছ ধরার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ভারতের স্বতন্ত্র অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে পূর্ব উপকূলের বঙ্গোপসাগরেও ১৫ এপ্রিল থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ৬১ দিন এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকে। কেন্দ্রীয় সরকারের জারি করা আদেশ অনুসারে, উপকূলীয় রাজ্যগুলিও এই সময়ের মধ্যে তাদের আঞ্চলিক জলসীমার মধ্যে একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
যদিও যন্ত্রচালিত নৌকাগুলির ক্ষেত্রে সারা ভারতে মাছের প্রজননকালে এই নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, কিন্তু পুরনো এবং সাধারণ নৌকাগুলি এই নিষেধের বাইরে থাকে। কারণ তাদের পরিবেশগত প্রভাব অনেক কম। অথচ পশ্চিমবঙ্গ একটি মাত্র উপকূলবর্তী রাজ্য যেখানে ১২ নটিক্যাল মাইলের মধ্যে ঘোরাফেরা করা ছোট মাপের মৎস্যজীবীদেরও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকতে হয়। মৎস্যকর্মীরা অভিযোগ করছেন যে, এই সিদ্ধান্ত আসলে বৃহৎ ট্রলারের স্বার্থকে রক্ষা করে। যদিও রাজ্য সরকার প্রকাশ্যে নিষেধাজ্ঞার পিছনে কোনও যুক্তিগ্রাহ্য ব্যাখ্যা দেয়নি।
ছোট মৎস্যকর্মীদের জাতীয় সংগঠনের সভাপতি প্রদীপ কুমার চ্যাটার্জী বলছেন যে, যন্ত্রচালিত ও সাধারণ নৌকার মধ্যে তফাৎ বোঝাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ‘যদিও কেন্দ্রীয় সরকার তাদের এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে এমন এলাকায় একটি সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে, কিন্তু রাজ্যগুলি তাদের আঞ্চলিক জলভাগের জন্য আলাদা নিয়ম বানাতেই পারে। সারা দেশে মাছের প্রজননের মরশুমে যান্ত্রিক নৌকা নিষিদ্ধ থাকে ঠিকই কিন্তু সাধারণ নৌকা নিয়ে জেলেদের সমুদ্রে যাতায়াতের অনুমতি রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গই একমাত্র রাজ্য যেখানে ছোট মাপের জেলেদেরও মাছ ধরা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।’
প্রদীপবাবুর মতে এমনিতেই উপকূলের কাছে শূন্য থেকে ১০০ মিটারের মধ্যে মাছের সংখ্যা দ্রুত কমে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘মজার কথা হল, এই অঞ্চলেই সবচেয়ে বেশি মাছ ধরা পড়ে। ছোট জেলেরা এর উপরেই ভরসা করে, কিন্তু এখন তাদের যন্ত্রচালিত নৌকার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে হচ্ছে। আর এই নৌকাগুলিই জাল-বন্দী মাছের ৮২ শতাংশ ধরে।’
একই মুদ্রার দুই পিঠ
এটি যতই কষ্টকর হোক না কেন, শ্রীকান্ত এই নিষেধাজ্ঞার বিরোধী ঠিক নন।
‘মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা থাকতে হবে। যদি মাছের সংখ্যা বাড়াতে হয়, তাহলে ট্রলার নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। এই ট্রলারগুলি কেবল মাছ ধরে না, তারা সমুদ্রতলকে চিড়ে দিয়ে ঘুরে বেড়ায় এবং সেই বাস্তুতন্ত্রকে ধ্বংস করে যা রক্ষা করার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে,’ বলছেন শ্রীকান্ত।
শ্রীকান্ত ১৬ বছর বয়স থেকেই মাছ ধরছেন। তিনি তাঁর বাবার নৌকায় শ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন এবং এখন তাঁর নিজস্ব ভেসেল রয়েছে। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে, তিনি নিষেধাজ্ঞার একাধিক পুনরাবৃত্তি দেখেছেন এবং বিশ্বাস করেন যে এটি পরিবেশগতভাবে প্রয়োজনীয়।
তিনি আরও বলেন যে, ‘এখানে যাঁদের দেখছেন — কারও হাতে কড়া পড়ে গেছে, কারও মুখ রোদে পুড়ে গেছে — এঁরা কিন্তু সবাই বাপ ঠাকুরদাদের থেকে উত্তরাধিকারসূত্রেই এই জীবন পেয়েছেন। একমাত্র মাছ ধরার কাজই আমরা জানি। এটি আমাদের শিল্প, আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের বেঁচে থাকার একমাত্র রসদ। আমাদের জমি, দোকান বা বেতন নেই। আমাদের রয়েছে শুধু নৌকা ও জাল।’
তবুও যাঁরা নিষেধাজ্ঞাকে সমর্থনও করেন, তাঁরাও এর অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন।
কাঁথির অন্য এক মৎস্যশ্রমিক কল্পনা মণ্ডল বলছেন, মাছ ধরার সংখ্যা কমতে থাকায় পরিবারগুলি ঋণের বোঝা মাথায় নিচ্ছে। ‘আগের মত সমুদ্রে অত মাছ নেই। আবার বেশি মাছ ধরতে না পারলে ঋণ শোধ করা কঠিন হয়ে উঠছে। দু’মাসের এই নিষেধাজ্ঞা আমাদের অন্যত্র মজুর হিসেবে কাজ করতে বাধ্য করে। আমার পরিবারে পাঁচ জন সদস্য রয়েছে এবং সংসার চালানোর জন্য মাসে ১৫,০০০ টাকার মত দরকার হয়।’
কল্পনার অভিযোগ, এই নিষেধাজ্ঞার মাসগুলিতে ৫,০০০ টাকার ক্ষতিপূরণও মৎস্যজীবীদের কাছে পৌঁছায় না। ‘এই টাকাটিও কেমন যেন অলীক মনে হয়। আর কেনই বা শুধু পুরুষদের এই টাকা দেওয়া হবে। আমি মহিলা বলে কি আমার কাজের কোনও মূল্য নেই?’
মামণি প্রধানও প্রায় একই কথা শোনালেন। তাঁর স্বামী খোকন প্রধান একসময় এলাকায় দক্ষ জেলে হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু তিনি এখন দিন-মজুরের কাজ করেন। মামণির কথায়, ‘আমাদের কোনও জমি নেই। মাছ ধরাই ছিল আমাদের একমাত্র সম্বল। মাঝে আমরা তরমুজ চাষ করার চেষ্টাও করেছি। কিন্তু রাসায়নিকদের দামই ৮০০ থেকে ১,০০০ টাকা! চাষ করাও এখন দায়।’
খোকন বলছেন, মহাজনের থেকে বা অসংগঠিত ঋণদাতাদের কাছ থেকে ধার করা ছাড়া উপায় থাকছে না। ‘যদি আমি ছ’লাখ টাকা ধার করি, তাহলে আমাকে সমস্ত ধরা মাছ সেই মহাজনকেই বিক্রি করতে হবে। তিনি যা দাম ঠিক করবেন, সেই দামেই বিক্রি করতে হবে। এখানে সুদ লাগে না ঠিকই, কিন্তু আমাদের কোনও স্বাধীনতাও নেই।
ধ্বংসের পথে বাস্তুতন্ত্র
সামুদ্রিক বিজ্ঞানীরা বলছেন যে কেবল মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা উপকূলীয় মৎস্য সংকটের মোকাবিলা করতে পারে না।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ওশান টেকনোলজির ওশান অবজারভেশন সিস্টেমের প্রাক্তন প্রধান ডঃ আর ভেঙ্কটেসন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন সামুদ্রিক অবক্ষয়কে উল্লেখযোগ্যভাবে ত্বরান্বিত করেছে। ‘ট্রলারগুলি সমুদ্রতল ধ্বংস করার পাশাপাশি, সমুদ্রের উষ্ণতা এবং অ্যাসিড বেড়ে যাওয়ার প্রধান কারণ। এগুলি কাঁকড়া, গলদা চিংড়ি এবং প্রবালের মত সামুদ্রিক জীবগুলির মারাত্মকভাবে ক্ষতি করে।’
তাঁর বক্তব্য, ঘূর্ণিঝড় মাছকে গভীর জলের দিকে ঠেলে দেয় এবং সমুদ্রের স্রোতকে ব্যহত করে। এর ফলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। ‘ তাপমাত্রা পরিবর্তনের জন্য ডিম-বহনকারী ব্রুডারজাতীয় মাছ বিশেষত ঝুঁকির মধ্যে থাকে। ডিম ছাড়ার সময় যখন তারা মারা যায়, তখন পুরো খাদ্যজালটিই প্রভাবিত হয়,’ বলছেন ভেঙ্কটেসন।
জেলে সম্প্রদায়ের এক ছোট মৎস্যকর্মী রঞ্জিত বর মনে করেন যে, সামুদ্রিক জীবদের রক্ষা করার ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হওয়া উচিত। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া ন্যায্যও হতে হবে। বাচ্চা মাছগুলি পরিণত হওয়ার আগেই মরে যাচ্ছে। ফলে আমাদের (জেলেদের) বাঁচাও কঠিন হয়ে উঠছে।
রঞ্জিতের স্ত্রী জ্যোৎস্না বলছিলেন যে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন তাঁদের পরিবার কেমন করে চলে। ‘মাছ ধরা শুধুমাত্র একজনের কাজ নয়। নিষেধাজ্ঞার সময়, বাড়ির পুরুষেরা রাজমিস্ত্রি বা মজুরের কাজ করেন। মহিলারা ঘর পরিষ্কার করার কাজ করেন বা ক্ষেতে কাজ করেন। আর সারাদিনের শেষে একজন মহিলা ২০০ টাকার মত আয় করতে পারেন।’
তাঁরও অভিযোগ যে, সাধারণ নৌকার থেকে যন্ত্র চালিত নৌকা অনেক বেশি ক্ষতি করে। জোৎস্নার দাবি, ‘যদি ট্রলারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়, তাহলে সমুদ্র পুনরুদ্ধার হতে পারে।’
রঞ্জিত শিল্প দূষণের দিকেও ইঙ্গিত করলেন। ‘যখন বিষাক্ত চিংড়ি রপ্তানির জন্য পরিষ্কার করা হয়, তখন সেই বর্জ্য জল খালে ফেলা হয়। পরের দিন, মৃত মাছ জলের উপরে ভেসে ওঠে। সত্যি কথা বলতে কী, আমরা সমুদ্রের ধারে বসবাসকারীরা দিনে দিনে মারা যাচ্ছি.’ বলছেন তিনি।
বাধ্য হয়ে পরিযায়ী
নিষেধাজ্ঞার সময় আয়ের ক্ষতি পূরণের জন্য, মৎস্যজীবীদের আগে সঞ্চয়-সহ-ত্রাণ প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছিল, যা কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার যৌথ উদ্যোগে প্রতি শ্রমিকের জন্য ৩,০০০ টাকা দিত। ২০১৫ সালে কোনও বিকল্প ব্যবস্থা না নিয়েই পশ্চিমবঙ্গ এই প্রকল্পটি বন্ধ করে দেয়।
বছরের পর বছর বিক্ষোভের পরে, রাজ্য সরকার ২০২৪-২৫ সালের বাজেটে সমুদ্র সাথী প্রকল্পের কথা ঘোষণা করে। প্রতিশ্রুতি ছিল, একজন নথিভুক্ত মৎস্যজীবী দুমাসে ৫,০০০ টাকা করে মোট ১০,০০০ টাকা পাবেন। এর জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দও করা হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ, সেই প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়নি।
দক্ষিণবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের সভাপতি দেবাশিস শ্যামল তথ্য জানার অধিকার আইনের মাধ্যমে প্রকল্পটির ব্যাপারে খোঁজ করেছিলেন। সেখানে জানানো হয়েছিল, সমুদ্রসাথী প্রকল্পে কোনও অর্থ বিলি করা হয়নি। মৎস্যজীবীদের দাবি, এই টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে দেরি দেখে অনেকেই কাজ করতে ভিনরাজ্যে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
ক্ষুদিরাম বোস কেন্দ্রীয় কলেজের সহযোগী অধ্যাপক, ডঃ শিল্পা নন্দীর মতে কোভিড-১৯-এর পর থেকেই অন্য রাজ্যে যাওয়ার প্রবণতা আরও বেড়েছে। ডঃ নন্দী বলেন, ‘পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা থেকে মৎস্যশ্রমিকরা কাজের জন্য কেরলে চলে যাচ্ছেন। মহিলা ও শিশুরা কিন্তু এখানেই থেকে যাচ্ছেন। ফলে ঋণ ও সামাজিক শোষণের ঝুঁকিও বাড়ছে।’
আরো পড়ুন নবান্নের মরশুমে পশ্চিমবঙ্গের কৃষক ভাল নেই
রাজ্য মৎস্য বিভাগ থেকে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল যে প্রতি পরিবার পিছু মাত্র একজন ‘জেলে’ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্য হবেন।
কল্পনা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, শব্দ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মাছ ধরা শুধু ‘জেলে’-র কাজ নয়, কাজটি ভাগাভাগি করে অনেকে মিলে করেন। সেখানে মহিলাদের বাদ দিয়ে দিলে তাঁদের কাজের অস্তিত্বই থাকে না। তা ছাড়া পুরুষরাও সেই প্রতিশ্রুত টাকা পাননি।
মৎস্যজীবীদের বক্তব্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মৎস্য দফতরের সঙ্গে বার বার কথা বলার চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে। এই প্রতিবেদনের জন্যও মৎস্য দফতরের কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আবার একটি নিষেধাজ্ঞার মরশুম আসছে। আবার মৎস্যজীবী সম্প্রদায় একটি অনিশ্চিত বছরের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।
‘আমরা সমুদ্রকে রক্ষা করি কারণ এটি আমাদের জীবন,’ বলছেন শ্রীকান্ত। ‘কিন্তু পরিবর্তে আমাদের যদি রক্ষা না করা হয়, তাহলে আমরা কীভাবে বাঁচব?’
প্রতিবেদক একজন ফ্রিলান্স সাংবাদিক এবং 101reporters.com–এর সদস্য। এই প্রতিবেদন ওই ওয়েবসাইট ও নাগরিক ডট নেটের সহযোগিতার ভিত্তিতে মূল প্রতিবেদন থেকে ভাষান্তরিত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।







